শেয়ার বাজার

আমি মন্ত্রীর পেছনে টাকা নিয়ে ঘুরিনি: আদ-দ্বীনের মহিউদ্দিন

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬

আমি মন্ত্রীর পেছনে টাকা নিয়ে ঘুরিনি: আদ-দ্বীনের মহিউদ্দিন

লাইসেন্স বাঁচাতে রাজধানীর আদ-দ্বীন হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ কোটি কোটি টাকা নিয়ে ঘুরেছে বলে স্বাস্থ্যমন্ত্রী যে দাবি করেছিলেন তা অস্বীকার করেছেন আদ-দ্বীন ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক ডা. শেখ মহিউদ্দিন।

সোমবার (১৫ জুন) বিকেলে আদ-দ্বীন হাসপাতালে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ অস্বীকার করেন।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার সাখাওয়াত হোসেন শনিবার (১৩ জুন) নরসিংদীর মনোহরদীতে এক অনুষ্ঠানে বলেন, ‘সরকারি সুবিধা পেতে এখন আর কাউকে ঘুস দিতে হয় না। আমাদের প্রধানমন্ত্রীর কড়া নির্দেশ সবাইকে দুর্নীতির ঊর্ধ্বে থাকতে হবে। আদ-দ্বীন হাসপাতাল কোটি কোটি টাকা নিয়ে ঘুরেছে, কিন্তু লাইসেন্স বাতিল করে দিয়েছি। অন্যদিকে জামায়াতের নেতারা আজ আদ-দ্বীনের পক্ষে কথা বলেন।’

এই প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে শেখ মহিউদ্দিন বলেন, ‘আমি কেন মন্ত্রীর পেছনে ঘুরবো? যদি মন্ত্রী এ বিষয়ে কিছু বলে থাকেন তাকেই সেটি প্রমাণ দিতে হবে। আমি টাকা নিয়ে ঘুরিনি।’

তিনি আরও জানান, হাসপাতালের নিবন্ধন বাতিলের বিষয়ে মঙ্গলবার (১৬ জুন) আপিল করবেন।

Dummy Ad 1

বিশ্ব স্বাস্থ্য সম্মেলন
ফ্যাটি লিভার রোধে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রীর কর্মপরিকল্পনা

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২৫ মে, ২০২৬

ফ্যাটি লিভার রোধে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রীর কর্মপরিকল্পনা

লিভার রোগের প্রাদুর্ভাব, বিশেষ করে ফ্যাটি লিভার প্রতিরোধে বাংলাদেশের দৃঢ় অবস্থান ও কর্মপরিকল্পনা বিশ্বনেতাদের সামনে তুলে ধরেছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত।

সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় ৭৯তম বিশ্ব স্বাস্থ্য সম্মেলনের সাইডলাইনে এক উচ্চপর্যায়ের আন্তর্জাতিক নীতিনির্ধারণী সম্মেলনে প্রতিমন্ত্রী দেশের এই অবস্থান তুলে ধরেন। তিনি এতে অন্যতম প্রধান প্যানেলিস্ট হিসেবে অংশ নেন।

শুক্রবার (২২ মে) আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থা ‘গ্লোবাল লিভার ইনস্টিটিউট’র উদ্যোগে বিশ্বব্যাপী লিভার রোগের প্রাদুর্ভাব, বিশেষ করে স্টিয়াটোটিক লিভার ডিজিজ বা ফ্যাটি লিভার প্রতিরোধ অনুষ্ঠানটি হয়। এতে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের স্বাস্থ্যমন্ত্রী ও শীর্ষস্থানীয় নীতি-নির্ধারকরা অংশ নেন।

সম্মেলনে উপস্থিত স্বাস্থ্য খাতের শীর্ষ ব্যক্তিরা একমত পোষণ করেন যে, বর্তমান বিশ্বে খাদ্যাভ্যাস ও জীবনাচরণের ব্যাপক পরিবর্তন ঘটছে। এই পরিস্থিতিতে সঠিক সময়ে রোগ শনাক্তকরণ এবং সাশ্রয়ী চিকিৎসা পদ্ধতি নিশ্চিত করতে উন্নত ও উন্নয়নশীল দেশগুলোর মধ্যে একটি শক্তিশালী আন্তর্জাতিক সহযোগিতা এবং যৌথ অংশীদারত্ব গড়ে তোলা এখন সময়ের দাবি।

সম্মেলনে বাংলাদেশের স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ফ্যাটি লিভার রোগ প্রতিরোধে দেশের কৌশলগত কর্মপরিকল্পনা ও প্রতিশ্রুতি তুলে ধরেছেন।

ঝুঁকি ও সচেতনতা: দেশে অসংক্রামক রোগ এবং ফ্যাটি লিভারের ক্রমবর্ধমান ঝুঁকি মোকাবিলায় জনসচেতনতা বৃদ্ধির ওপর সর্বোচ্চ জোর দেওয়া হয়েছে।

প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা: ফ্যাটি লিভারের মতো লিভারজনিত রোগগুলো প্রাথমিক পর্যায়েই শনাক্ত করতে দেশের কমিউনিটি ক্লিনিক ও প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রগুলোকে আরও শক্তিশালী করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

জীবনযাত্রার পরিবর্তন: রোগটি প্রতিরোধে পুষ্টিকর খাদ্যাভ্যাস গঠন, নিয়মিত শারীরিক ব্যায়াম এবং জাঙ্ক ফুড পরিহারের মতো স্বাস্থ্যকর জীবনধারা (Lifestyle) বেছে নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।

প্রান্তিক পর্যায়ে সেবা: দেশের প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর কাছে লিভার স্ক্রিনিং এবং আধুনিক চিকিৎসাসেবা সহজে পৌঁছে দিতে সরকার বিশেষ উদ্যোগ নিচ্ছে।

বৈশ্বিক সহযোগিতা: ফ্যাটি লিভারের মতো অসংক্রামক রোগ প্রতিরোধে উন্নত প্রযুক্তি, গবেষণা এবং তহবিল গঠনে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) ও আন্তর্জাতিক অংশীদারদের একসঙ্গে কাজ করার তাগিদ দেওয়া হয়েছে।

এসময় স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী মুহিত বলেন, ‘অসংক্রামক রোগ বা এনসিডির তালিকায় লিভারের রোগগুলো দীর্ঘদিন ধরে এক প্রকার আড়ালেই থেকে গেছে। বিশ্বজুড়ে লাখো মানুষের অকাল মৃত্যুর জন্য দায়ী এই নীরব ঘাতক রুখতে হলে আমাদের প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা স্তর থেকেই রোগ শনাক্তকরণের আধুনিক ও উন্নত ব্যবস্থা জোরদার করতে হবে।’

স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী বিশ্বমঞ্চে আরও জানান, বাংলাদেশ সরকার তৃণমূল পর্যায়ে ফ্যাটি লিভার ও অন্যান্য সংক্রামক-অসংক্রামক লিভার রোগ প্রতিরোধে ইতিবাচক পদক্ষেপ নিচ্ছে। এর অংশ হিসেবে যুগোপযোগী ডিজিটাল স্ক্রিনিং এবং ব্যাপক জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে একটি সমন্বিত কর্মসূচি বাস্তবায়নের কাজ চলছে।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন পাকিস্তানের স্বাস্থ্যমন্ত্রী সৈয়দ মুস্তফা কামাল, নাইজেরিয়ার স্বাস্থ্য ও সমাজকল্যাণ মন্ত্রী অধ্যাপক মুহাম্মদ আলী পাটে, রাশিয়ার স্বাস্থ্য উপমন্ত্রী ড. ওলেগ সালাগে, কুয়েতের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের আন্ডার সেক্রেটারি শেখ ড. সালমান খলিফা আবদুল্লাহ আল-সাবাহ এবং কাতারের জনস্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের অসংক্রামক রোগ প্রতিরোধ বিভাগের প্রধান শেখ ড. মোহাম্মদ বিন হামাদ আল-থানি।

এছাড়া চীনের ন্যাশনাল হেলথ কমিশনের প্রতিনিধি লেই হাইচাও নিজ দেশের কৌশলগত অবস্থান ও কর্মপরিকল্পনা ব্যক্ত করেন। সেই সঙ্গে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ইউরোপীয় অঞ্চলের আঞ্চলিক পরিচালক ড. হ্যান্স হেনরি পি ক্লুগে, মিশরের স্বাস্থ্য ও জনসংখ্যা মন্ত্রী অধ্যাপক ডা. খালেদ আবদেল গাফফার এবং গ্লোবাল লিভার ইনস্টিটিউটের প্রেসিডেন্ট ও প্রধান নির্বাহী ল্যারি আর হোল্ডেন লিভার রোগ প্রতিরোধে বৈশ্বিক সচেতনতা ও সমন্বিত উদ্যোগের ওপর গুরুত্বারোপ করে বক্তব্য দেন।


বাংলাদেশে ভয়ংকর সীসা দূষণ, হৃদরোগে মারা যাচ্ছে লাখো মানুষ

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৩

বাংলাদেশে ভয়ংকর সীসা দূষণ, হৃদরোগে মারা যাচ্ছে লাখো মানুষ

সীসা দূষণের ফলে বাংলাদেশে প্রতিবছর হৃদরোগে আক্রান্ত ১ লাখ ৩৮ হাজারেরও বেশি মানুষ অকালে মারা যাচ্ছে। একই কারণে দেশটির শিশুদের আইকিউ কমে যাচ্ছে, যার ফলে বুদ্ধি প্রতিবন্ধী হবার ঝুঁকি বাড়ছে। চিকিৎসা সাময়িকী ‘দ্য ল্যানসেট প্ল্যানেটারি হেলথ জার্নালে’ প্রকাশিত একটি গবেষণা প্রতিবেদনে এসব তথ্য উঠে এসেছে। ‘গ্লোবাল হেলথ বার্ডেন অ্যান্ড কস্ট অব লেড এক্সপোজার ইন চিলড্রেন অ্যান্ড অ্যাডাল্টস: অ্যা হেলথ ইমপ্যাক্ট অ্যান্ড ইকোনমিক মডেলিং অ্যানালাইসিস’ নামের এই গবেষণাটি করেছেন বিশ্বব্যাংকের একদল গবেষক।

প্রতিবেদনটিতে বলা হয়েছে যে, সীসা দূষণের কারণে বিশ্বের সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান এখন চতুর্থ। এর ফলে একদিকে প্রাপ্ত বয়স্কদের মধ্যে অস্বাভাবিক হারে হৃদরোগে আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে, তেমনি শিশুদেরও আইকিউ কমে যাচ্ছে। আর্থিক ক্ষতির হিসেবে এর পরিমাণ প্রায় ২৮ হাজার ৬৩৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলার, যা দেশটির ২০১৯ সালের মোটি জিডিপি’র প্রায় ৬ থেকে ৯ শতাংশের সমান। সীসা সবচেয়ে বড় ক্ষতি করে শিশুদের। মাত্রার চেয়ে বেশি সীসা শিশুদের শরীরের বৃদ্ধি ও মানসিক বিকাশ বাধাগ্রস্ত করে।

বাংলাদেশের ২০১৯ সালের তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণ করে গবেষকরা দেখেছেন যে, সীসা দূষণের ফলে দেশটিতে শূন্য থেকে চার বছর বয়সী বাচ্চারা প্রায় দুই কোটি আইকিউ পয়েন্টস হারাচ্ছে। এতে শিশুদের বুদ্ধির যথাযথ বিকাশ হচ্ছেনা। ফলে নতুন কিছু শেখার ক্ষেত্রে তাদের যেমন সমস্যা হচ্ছে, তেমনি আচার-ব্যবহারেও নানা অসংগতি দেখা যাচ্ছে। এছাড়া, খাবারে অরুচি, ওজন কমে যাওয়া, খিটখিটে মেজাজ - এরকম নানা সমস্যাও তৈরি করছে।

ইউনিসেফ বাংলাদেশের স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ড. প্রিসিলা ওবিল এ প্রসঙ্গে বলেন, “বাংলাদেশে শিশুদের রক্তে উচ্চমাত্রায় সীসার উপস্থিতি তাদের মেধার পূর্ণ বিকাশের ক্ষেত্রে একটি বড় বাধা।এছাড়া সীসা দূষণের ফলে তাদের আইকিউ কমে যাচ্ছে, যা দেশটির সার্বিক উন্নয়নে নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। তাই সীসা দূষণ বন্ধে জাতীয় পর্যায়ে উদ্যোগ গ্রহণ জরুরী।” ২০২২ সালের মে মাসে প্রকাশিত ‘গ্লোবাল বার্ডেন অব ডিজিজে’র তথ্যে দেখা গিয়েছিলো যে, সীসা দূষণের ফলে বাংলাদেশে প্রতিবছর প্রায় ৩০ হাজার মানুষ অকালে মারা যাচ্ছে। কিন্তু নতুন এই গবেষণা প্রতিবেদনে আরও ভয়ঙ্কর তথ্য উঠে এসেছে। এখানে দেখা যাচ্ছে যে, সীসা দূষণের ফলে বাংলাদেশে প্রতিবছর ২৫ বছর বা তার চেয়ে বেশি প্রায় ১ লাখ ৩৮ হাজার মানুষ মারা যাচ্ছে।

আন্তর্জাতিক উদরাময় গবেষণা কেন্দ্র বাংলাদেশের (আইসিডিডিআর,বি) সংক্রামক রোগ বিভাগের প্রকল্প সমন্বয়ক ড. মাহবুবুর রহমান বলেন, “সীসা দূষণ রোধে এখনই উপযুক্ত সময়। এই সমস্যাকে সমূলে উৎপাটনের জন্য যাবতীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা দরকার।”

সীসা দূষণের উৎস

ব্যাটারি ভাঙ্গা শিল্প, সীসাযুক্ত পেইন্ট, অ্যালুমিনিয়ামের হাড়ি-পাতিল, খাবার রাখার জন্য ব্যবহৃত সিরামিকের পাত্র, ই-বর্জ্য, খেলানা, সার, রান্নায় ব্যবহৃত বিভিন্ন মশলা, প্রসাধনী, খাবার-দাবার এবং চাষ করা মাছের জন্য তৈরি খাবার থেকেই মূলত: বাংলাদেশে সীসার দূষণ ঘটে।

প্রকাশিত গবেষণাটির অংশ হিসেবে খুলনা, রাজশাহী ও বরিশাল বিভাগের বিভিন্ন এলাকা থেকে প্রায় ২০০টি নমুনা সংগ্রহ করে সীসার উপস্থিতি পরিমাপ করে দেখেছে নিউ-ইয়র্ক ভিত্তিক অলাভজনক প্রতিষ্ঠান ‘পিওর আর্থ’। এসব নমুনার মধ্যে খাবার রাখার জন্য ব্যবহৃত ধাতব ও প্লাস্টিকের পাত্র, সিরামিক পাত্র, রঙ, শুকনা খাবার, খেলনা, রান্নায় ব্যবহৃত মশলা এবং প্রসাধনী পণ্য রয়েছে। এগুলোর মধ্যে ২৪% নমুনাতেই মাত্রাতিরিক্ত সীসার উপস্থিতি পাওয়া গেছে।

খাবার রাখার জন্য ব্যবহৃত ৫৯% ধাতব পাত্রে, ৪৪% সিরামিক পাত্রে, ৯% প্লাস্টিকের পাত্রে, ৫৪% পেইন্টে, ১৭% চাল/স্টার্চে, ১৩% খেলনায়, ৭% মশলায় এবং ৬% প্রসাধনীতে অতিমাত্রায় ক্ষতিকর সীসার উপস্থিতি পাওয়া গেছে। বাংলাদেশের মানুষের মধ্যে প্রতি ডেসিলিটার রক্তে গড়ে প্রায় ৬.৮ মাইক্রোগ্রাম সীসা পাওয়া গেছে বলে গবেষণা প্রতিবেদনটিতে বলা হয়েছে। তবে একজন মানুষের শরীরে কতটুকু সীসা থাকা নিরাপদ, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত তার সঠিক কোনো পরিমাণ নির্ধারণ করা হয়নি।


জ্বর হওয়ায় শিশুকে কুকুরের ইনজেকশন দিলেন চাঁদপুরে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ডাক্তার

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২১ এপ্রিল, ২০২৬

জ্বর হওয়ায় শিশুকে কুকুরের ইনজেকশন দিলেন চাঁদপুরে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ডাক্তার

চাঁদপুরের শাহরাস্তিতে জ্বরের চিকিৎসা নিতে আসা এক শিশুকে ভুলবশত কুকুরের ভ্যাকসিন দেন দায়িত্বরত মেডিকেল অফিসার। ঘটনার পর রোগীর স্বজনদের অভিযোগে সংশ্লিষ্ট মেডিকেল অফিসারকে শাস্তিমূলকভাবে বদলি করা হয়েছে।

বিষয়টি নিশ্চিত করেন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আকলিমা জাহান। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের আদেশে অভিযুক্ত আবু ইউসুফকে চট্টগ্রামের সন্দ্বীপ উপজেলায় বদলি করা হয়।

জানা যায়, গত ৮ এপ্রিল শাহরাস্তি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে জ্বরের চিকিৎসা নিতে আসা ৫ বছরের শিশু আলিফাকে ভুল করে অন্য রোগীর জন্য আনা কুকুরের ভ্যাকসিন প্রয়োগ করেন উপসহকারী কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার আবু ইউসুফ। এ ঘটনায় রোগীর স্বজনদের সঙ্গে তার বাগবিতণ্ডা হয়। পরে স্বজনরা শাহরাস্তি প্রেস ক্লাবে এসে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।

ঘটনাটি স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নজরে এলে ১৫ এপ্রিল তাকে বদলি করা হয়। উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা জানান, এ ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা এড়াতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।