শেয়ার বাজার

বায়ুদূষণ সচেতনতায় স্বীকৃতি পেলো দুরন্ত বাইসাইকেলের ‘বিষবায়ু’

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬

বায়ুদূষণ সচেতনতায় স্বীকৃতি পেলো দুরন্ত বাইসাইকেলের ‘বিষবায়ু’

বায়ুদূষণ মোকাবিলা এবং নিরাপদ সাইকেল লেন তৈরিতে জনসচেতনতা বৃদ্ধির উদ্যোগ ‘বিষবায়ু’র জন্য স্বীকৃতি পেয়েছে দুরন্ত বাইসাইকেল।

সম্প্রতি রাজধানীর লা মেরিডিয়ান ঢাকায় অনুষ্ঠিত ডিজিটাল মার্কেটিং অ্যাওয়ার্ডে ক্যাম্পেইনটি তিনটি অ্যাওয়ার্ড অর্জন করে। ‘বেস্ট ইউজ অব ইউজার প্ল্যাটফর্ম’, ‘বেস্ট ইউজ অব পিআর ইন ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম’ ও ‘বেস্ট ডিজিটাল ক্যাম্পেইন ফর সাসটেইনেবিলিটি’ ক্যাটাগরিতে এসব স্বীকৃতি অর্জন করে ‘বিষবায়ু’।

বায়ুদূষণ এবং নিরাপদ সাইকেল লেনের অভাব- বাংলাদেশের নগর জীবনের দুটি গুরুত্বপূর্ণ চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার লক্ষ্য নিয়ে ‘বিষবায়ু’ ক্যাম্পেইন পরিচালনা করে দুরন্ত বাইসাইকেল। সাইকেলকে পরিবেশবান্ধব যাতায়াতের মাধ্যম হিসেবে জনপ্রিয় করার পাশাপাশি নিরাপদ সাইকেল লেন নির্মাণে জনসচেতনতা সৃষ্টি এবং নাগরিকদের সম্পৃক্ত করাই ছিল এ উদ্যোগের মূল লক্ষ্য।


ক্যাম্পেইনের অংশ হিসেবে দেশের বিভিন্ন জেলা, বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস ও আবাসিক এলাকায় সাইকেল লেন চিহ্নিতকরণ কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়। একই সঙ্গে একটি ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে নাগরিকরা অনিরাপদ সাইকেল রুট চিহ্নিত করা, নতুন সাইকেল লেনের দাবি জানানো ও প্রয়োজনীয় তথ্য দেওয়ার সুযোগ পান। এ উদ্যোগে ৫০ হাজারের বেশি মানুষ অনলাইনে সাইকেল লেনের দাবিতে স্বাক্ষর করেন, ১০ হাজারের বেশি ব্যবহারকারী বিভিন্ন রুট-সংক্রান্ত তথ্য দেন ও পাঁচ হাজারের বেশি সাইক্লিস্ট দেশব্যাপী বিভিন্ন র‌্যালিতে অংশ নেন।

আরএফএল বাইকের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার (ব্র্যান্ড) মো. শরিফুল ইসলাম বলেন, ‘বিষবায়ু শুধু একটি ক্যাম্পেইন নয়, এটি নিরাপদ, সবুজ ও মানুষবান্ধব নগর গড়ে তোলার একটি সামাজিক উদ্যোগ। দেশের বিভিন্ন প্রান্তের মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ আমাদের অনুপ্রাণিত করেছে। এই স্বীকৃতি ভবিষ্যতে আরও বেশি মানুষকে পরিবেশবান্ধব যাতায়াতব্যবস্থা এবং নিরাপদ সাইকেল লেনের পক্ষে সচেতন করতে আমাদের উৎসাহ জোগাবে।’

পুরস্কার গ্রহণের সময় আরএফএলের প্রধান মার্কেটিং কর্মকর্তা মুরশেদ মুনীম, প্রাণ-আরএফএল গ্রুপের জেনারেল ম্যানেজার (মার্কেটিং) সুবায়েল খায়ের, প্রাণ-আরএফএল গ্রুপের হেড অব ডিজিটাল মিডিয়া এস এম রাশেদ রায়হান এবং আরএফএল বাইকের সিনিয়র ব্র্যান্ড ম্যানেজার খন্দকার আরিফ হোসেনসহ প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।


Dummy Ad 1

সোনার দাম আরও কমলো, ভরি ২৫১১৮৪ টাকা

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ০২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

সোনার দাম আরও কমলো, ভরি ২৫১১৮৪ টাকা

দেশের বাজারে সোনার দাম আরও কিছুটা কমানো হয়েছে। সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম) সোনার দাম কমানো হয়েছে ৬ হাজার ৫৯০ টাকা। এতে এক ভরি সোনার দাম দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ৫১ হাজার ১৮৪ টাকা।

স্থানীয় বাজারে তেজাবী সোনার (পাকা সোনা) দাম কমার পরিপ্রেক্ষিতে এই দাম কমানো হয়েছে। সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১০টা ৪৫ মিনিট থেকে নতুন দাম কার্যকর হবে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)।

সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) বাজুস স্ট্যান্ডিং কমিটি অন প্রাইসিং অ্যান্ড প্রাইস মনিটরিং কমিটি বৈঠকে করে এই দাম কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। পরে কমিটির চেয়ারম্যান ডা. দেওয়ান আমিনুল ইসলাম শাহীন সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

এর আগে গতকাল রাতে ঘোষণা দিয়ে আজ থেকে ভালো মানের এক ভরি সোনার দাম কমানো হয় ১ হাজার ৯২৫ টাকা। রাতের সিদ্ধান্তের পর সকাল হতেই এখন দাম আরও কমানোর সিদ্ধান্ত আসলো।

এখন সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনায় ৬ হাজার ৫৯০ টাকা কমিয়ে নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৫১ হাজার ১৮৪ টাকা। ২১ ক্যারেটের এক ভরি সোনায় ৬ হাজার ২৯৮ টাকা কমিয়ে ২ লাখ ৩৯ হাজার ৭৫৪ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

এছাড়া ১৮ ক্যারেটের এক ভরি সোনায় ৫ হাজার ৩৬৫ টাকা কমিয়ে নতুন দাম ২ লাখ ৫ হাজার ৫২০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। আর সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনায় ৪ হাজার ৩৭৪ টাকা কমিয়ে দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লাখ ৬৮ হাজার ১৯৫ টাকা।

এর আগে গতকাল ঘোষণা দিয়ে আজ সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনায় ১ হাজার ৯২৫ টাকা কমিয়ে নতুন দাম নির্ধারণ করা হয় ২ লাখ ৫৭ হাজার ৭৭৪ টাকা। ২১ ক্যারেটের এক ভরি সোনায় ১ হাজার ৮৬৬ টাকা কমিয়ে ২ লাখ ৪৬ হাজার ৫২ টাকা নির্ধারণ করা হয়।

এছাড়া ১৮ ক্যারেটের এক ভরি সোনায় ১ হাজার ৬৩৩ টাকা কমিয়ে নতুন দাম ২ লাখ ১০ হাজার ৮৮৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়। আর সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনায় ১ হাজার ৩৪১ টাকা কমিয়ে দাম নির্ধারণ করা হয় ১ লাখ ৭২ হাজার ৫৬৯ টাকা। আজ সকাল ১০টা ৪৪ মিনিট পর্যন্ত এই দামে সোনা বিক্রি হয়েছে।

সোনার দাম কমানো হলেও রুপার দাম অপরিবর্তিত। ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৭ হাজার ২৯০ টাকা। এছাড়া ২১ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম ৬ হাজার ৯৪০ টাকা, ১৮ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম ৫ হাজার ৯৪৯ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির এক ভরি রুপার দাম ৪ হাজার ৪৩২ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।


ডিসিসিআইয়ের প্রতিবেদন
উচ্চ মূল্যস্ফীতি-বিনিয়োগ স্থবিরতায় চাপ বাড়ছে অর্থনীতিতে

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১৬ মে, ২০২৬

উচ্চ মূল্যস্ফীতি-বিনিয়োগ স্থবিরতায় চাপ বাড়ছে অর্থনীতিতে

উচ্চ মূল্যস্ফীতি, বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের চাপ, বিনিয়োগে স্থবিরতা, জ্বালানি সংকট ও উৎপাদন খরচ বাড়ায় দেশের সামষ্টিক অর্থনীতিতে চাপ বাড়ছে বলে মনে করছে ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (ডিসিসিআই)। একই সঙ্গে মানুষের ক্রয়ক্ষমতা কমে যাওয়ায় সেবাখাতের প্রবৃদ্ধিও বাধাগ্রস্ত হচ্ছে বলে মনে করছে সংগঠনটি।

শনিবার (১৬ মে) ডিসিসিআই অডিটোরিয়ামে আয়োজিত ‘অর্থনৈতিক অবস্থান সূচক (ইপিআই): ঢাকার সামষ্টিক অর্থনীতির ত্রৈমাসিক মূল্যায়ন’ শীর্ষক সেমিনারে এসব তথ্য তুলে ধরা হয়।

অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্যে ডিসিসিআই সভাপতি তাসকীন আহমেদ বলেন, দেশের অর্থনীতি বর্তমানে একটি চ্যালেঞ্জিং সময় পার করছে। উচ্চ মূল্যস্ফীতি, রিজার্ভ সংকট, বিনিয়োগে মন্থরতা, জ্বালানির অনিশ্চয়তা ও কর্মসংস্থানের সুযোগ কমে যাওয়ায় সামষ্টিক অর্থনীতিতে চাপ তৈরি হয়েছে।

তিনি বলেন, প্রচলিত সামষ্টিক অর্থনৈতিক সূচকগুলো স্বল্পমেয়াদে অর্থনীতির প্রকৃত অবস্থা ও তাৎক্ষণিক পরিবর্তনের সঠিক প্রতিফলন দিতে পারছে না। এ কারণে ডিসিসিআই ‘অর্থনৈতিক অবস্থান সূচক (ইপিআই)’ চালু করেছে, যা নীতিনির্ধারক, উদ্যোক্তা ও গবেষকদের বাস্তব পরিস্থিতি মূল্যায়নে সহায়তা করবে।

সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ডিসিসিআই মহাসচিব (ভারপ্রাপ্ত) ড. এ কে এম আসাদুজ্জামান পাটোয়ারী। তিনি জানান, ব্যবসা-বাণিজ্য ও বিনিয়োগ পরিকল্পনায় তথ্যের ঘাটতি পূরণ এবং অর্থনীতির পরিবর্তন মূল্যায়নে ত্রৈমাসিক ভিত্তিতে ইপিআই গবেষণা পরিচালনা করা হয়েছে।

গবেষণায় ২০২৫-২৬ অর্থবছরের জুলাই-সেপ্টেম্বর ও অক্টোবর-ডিসেম্বর সময়কালের তথ্য ব্যবহার করা হয়েছে। এতে উৎপাদন ও সেবা খাতের মোট ৭৬২ জনের মতামত নেওয়া হয়। এর মধ্যে উৎপাদন খাতের ৩৩০ জন এবং সেবা খাতের ৪৩২ জন অংশ নেন।


গভর্নরের সঙ্গে বৈঠক
পাঁচ ব্যাংক একীভূতকরণে স্বচ্ছতা বজায় রাখার দাবি জানালো ডিএসই

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ০৯ মে, ২০২৬

পাঁচ ব্যাংক একীভূতকরণে স্বচ্ছতা বজায় রাখার দাবি জানালো ডিএসই

পাঁচ ইসলামী ব্যাংক একীভূতকরণ প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা এবং সাধারণ বিনিয়োগকারীদের স্বার্থ রক্ষার দাবি জানিয়েছে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই)। একই সঙ্গে ক্ষুদ্র শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ন্যায্য ক্ষতিপূরণ নিশ্চিত করার আহ্বানও জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।

বুধবার (৬ মে) বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মো. মোস্তাকুর রহমানের সঙ্গে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে ডিএসইর পক্ষ থেকে এসব দাবি তুলে ধরা হয়। বৃহস্পতিবার (৭ মে) গভীর রাতে এ তথ্য জানায় ডিএসই।

ডিএসই চেয়ারম্যান মমিনুল ইসলামের নেতৃত্বে সাত সদস্যের একটি প্রতিনিধিদল বৈঠকে অংশ নেন। প্রতিনিধিদলে ছিলেন ডিএসইর পরিচালক সৈয়দ হাম্মাদুল করিম, স্নেহাশীষ বড়ুয়া, মিনহাজ মান্নান ইমন, রিচার্ড ডি রোজারিও, মো. সাজেদুল ইসলাম এবং ব্যবস্থাপনা পরিচালক নুজহাত আনোয়ার।

বৈঠকে ডিএসই প্রতিনিধিদল জানান, পাঁচটি দুর্বল ইসলামী ব্যাংক- ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক, সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক, গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংক, ইউনিয়ন ব্যাংক ও এক্সিম ব্যাংক একীভূত করার প্রক্রিয়াকে কেন্দ্র করে সাধারণ শেয়ারহোল্ডারদের মধ্যে উদ্বেগ ও অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।

তারা জানান, যথাযথ ক্ষতিপূরণ ছাড়া সাধারণ শেয়ারহোল্ডারদের মালিকানা হারানোর ঝুঁকি তৈরি হয়েছে। একই সঙ্গে দুর্বল ব্যবস্থাপনা ও আর্থিক অনিয়মের দায় সাধারণ বিনিয়োগকারীদের ওপর চাপিয়ে দেওয়ার আশঙ্কাও রয়েছে।

এ সময় ক্ষুদ্র ও সাধারণ বিনিয়োগকারীদের স্বার্থ সংরক্ষণ, ন্যায্য ক্ষতিপূরণ নিশ্চিত করা এবং একীভূতকরণ প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা বজায় রাখতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানান ডিএসই প্রতিনিধিদল।

বৈঠকে পুঁজিবাজার উন্নয়নে আরও কয়েকটি প্রস্তাবও তুলে ধরে ডিএসই। প্রতিনিধিদল জানান, দেশের পুঁজিবাজারকে আরও কার্যকর, প্রযুক্তিনির্ভর ও আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করতে কয়েকটি কাঠামোগত উদ্যোগ জরুরি। এ জন্য রিয়েল টাইম গ্রস সেটেলমেন্ট (আরটিজিএস) সুবিধার সময়সীমা বাড়ানো, লেনদেন নিষ্পত্তির সময়সীমা টি+২ থেকে টি+১-এ নামিয়ে আনা এবং ডিএসইর বিভিন্ন তফসিলি ব্যাংকে সংরক্ষিত এফডিআর ও এসএনডি হিসাবের অর্থ ধাপে ধাপে নগদায়নের মাধ্যমে প্রযুক্তিগত সক্ষমতা বাড়ানোর প্রস্তাব দেওয়া হয়।

এছাড়া বিদেশি বিনিয়োগকারীদের জন্য এনআইটিএ হিসাব খোলার প্রক্রিয়া সহজ করা, আইপিও ও বন্ড মার্কেটভিত্তিক পুনঃমূলধনীকরণ ব্যবস্থা চালু, সরকারি সিকিউরিটিজের সেকেন্ডারি মার্কেট উন্নয়ন, সুকুক লেনদেন চালু এবং স্টক এক্সচেঞ্জের জন্য সিআইবি রিপোর্ট অ্যাক্সেস সুবিধা নিশ্চিত করার বিষয়েও আলোচনা হয়।

ডিএসই আশা প্রকাশ করেছে, প্রস্তাবগুলো বাস্তবায়িত হলে পুঁজিবাজারে বিনিয়োগকারীদের আস্থা বাড়বে, বাজারে তারল্য ও দক্ষতা উন্নত হবে এবং দীর্ঘমেয়াদে একটি টেকসই ও আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন আর্থিক বাজার ব্যবস্থা গড়ে উঠবে।