শেয়ার বাজার

ব্রাদার্স ইউনিয়ন ইস্যু
বৈঠকের উদ্যোগ তামিমের, আসতে পারে ‘ট্রাই-পার্টি’ চুক্তি

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: শনিবার, ৬ জুন ২০২৬

বৈঠকের উদ্যোগ তামিমের, আসতে পারে ‘ট্রাই-পার্টি’ চুক্তি

ঢাকা প্রিমিয়ার লিগে (ডিপিএল) ব্রাদার্স ইউনিয়নের ক্রিকেটারদের ম্যাচ বর্জনের ঘটনায় সমাধানের পথ খুঁজতে চান বিসিবির অ্যাডহক কমিটির সভাপতি তামিম ইকবাল। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে খেলোয়াড়দের পারিশ্রমিক সংক্রান্ত জটিলতা এড়াতে ট্রাই-পার্টি চুক্তির বিষয়টিও বিবেচনায় আনার ইঙ্গিত দিয়েছেন তিনি।

শুক্রবার বিসিবির নির্বাচনে ক্লাব ক্যাটাগরি থেকে অংশ নেওয়া ১৬ জন প্রার্থী কাউন্সিলদের সঙ্গে গ্রান্ড মিট আয়োজন করেন। অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন ওল্ড ডিওএইচএস কাউন্সিলর ও পরিচালক প্রার্থী তামিম ইকবাল। সেখানে ব্রাদার্স ইস্যু নিয়ে প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘অবশ্যই, এটা সবকিছুর বিষয়ে দেখতে হবে। আমি যেটা বললাম যে আমি যে পজিশনে আছি, কথা না বলার আগেই কোনো কমেন্ট করাটা উচিত হবে না। আমি তাদের সাথে, তারাও যোগাযোগ করেছে আমার সাথে। অ্যাডহক কমিটির সাথে আলোচনা করে তাদেরকে যদি একটা কালকে (আজ) সময় দেওয়া যায়, আর দুই পার্টিকে ডেকে বসে জিনিসটা সমাধান করাটা ইম্পর্ট্যান্ট। ওটাই আমরা চেষ্টা করব।’

চলমান ঢাকা লিগের প্রতিযোগিতামূলক পরিবেশের কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘আপনি যদি লিগটার দিকে তাকান, দেখবেন খুব চমৎকারভাবে প্রতিযোগিতা চলছে। আবাহনী যদি আগামীকাল জিতে যায়, এরপর পরের ম্যাচটিও জিততে পারে, তাহলে আবাহনী ও মোহামেডানের মধ্যে ফাইনালও হতে পারে। অর্থাৎ দারুণ একটি প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। আমি আশা করি, চলমান সমস্যাটারও সমাধান হয়ে যাবে।’

খেলোয়াড়দের পারিশ্রমিক ইস্যুতে বোর্ডের অবস্থান ব্যাখ্যা করতে গিয়ে তামিম বলেন, ‘আপনাদের যদি মনে থাকে, এই জিনিসটাও ক্লিয়ার করে দিই যে আমি আমার এক প্রেস কনফারেন্সে বলেছিলাম, যখনই এই পেমেন্ট নিয়ে ইস্যু আসে, তখন কিন্তু এটা বোর্ডের লায়াবিলিটি না। এটা হলো প্লেয়াররা যখন ক্লাবের সাথে কন্ট্রাক্ট করে, কী কন্ট্রাক্ট, কিভাবে করছে, এটা ওই দুই পার্টির।’

তবে ভবিষ্যতে এমন সমস্যা ঠেকাতে নতুন কাঠামো নিয়ে ভাবার প্রয়োজন রয়েছে বলে মনে করেন তিনি, ‘ভবিষ্যতে এই জিনিসগুলো যেরকম রেগুলার বেসিসে হচ্ছে, আগেও হয়েছে, এখনো হচ্ছে, ভবিষ্যতে এটাকে ট্রাই-পার্টি কন্ট্রাক্টে আনা যায় নাকি, এটা নিয়ে আমাদের একটু চিন্তা করে দেখতে হবে। কারণ প্রতিটা সিজনে কারো না কোনো না কোনো টিমের এই অভিযোগ আসছে। আর আজকে থেকে না, লাস্ট ১০-১৫-২০ বছর ধরে চলছে।’

এ প্রসঙ্গে বিসিবির আর্থিক সম্পৃক্ততার কথাও উল্লেখ করেন তিনি। তামিম বলেন, ‘এই জিনিসটাকে আমরা চেঞ্জ করে ট্রাই-পার্টি কন্ট্রাক্ট করলো…বিসিবি কিন্তু ক্লাবগুলোকে একটা খরচ দেয় এখন, ২৫-৩০ লাখ টাকার মতো একটা খরচ দেয়। বিসিবিরও জানা উচিত, যদি এরকম ধরনের কোনো ইস্যু আসে।’

যদিও এখনই নিশ্চিত করে কিছু বলতে চান না তামিম, ‘আমি বলছি না, আমি শিওর না,কিন্তু আমি সবার সাথে কথা বলে আর সামনে যে ইলেক্টেড বোর্ড আসবে, আশা করি তারাও এই জিনিসটা দেখবেন যে প্রিমিয়ার লিগে ট্রাই-পার্টি কন্ট্রাক্ট করা যায় নাকি। তাহলে হয়তো বা এই সমস্যাগুলো অনেকটা কমে আসবে।’

Dummy Ad 1

ফিফার নিয়ম নিয়ে নতুন বিতর্ক: উরুগুয়ের জার্সির চার তারকা কি বৈধ?

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১৫ জুন, ২০২৬

ফিফার নিয়ম নিয়ে নতুন বিতর্ক: উরুগুয়ের জার্সির চার তারকা কি বৈধ?

২০২৬ বিশ্বকাপ চলাকালেই আবারও আলোচনায় উঠে এসেছে উরুগুয়ের জার্সির চার তারকা। ফুটবল বিশ্বে দীর্ঘদিনের এই বিতর্ক নতুন করে উসকে দিয়েছে ফিফার জার্সি-সংক্রান্ত নীতিমালা। বর্তমান বিশ্বকাপে অংশ নেওয়া উরুগুয়ে জাতীয় দলের জার্সিতে চারটি তারকা রয়েছে। এর মধ্যে দুটি এসেছে তাদের ১৯৩০ ও ১৯৫০ সালের বিশ্বকাপ জয়ের স্মারক হিসেবে। বাকি দুটি তারকা ১৯২৪ ও ১৯২৮ অলিম্পিক ফুটবল টুর্নামেন্টে স্বর্ণপদক জয়ের স্বীকৃতি হিসেবে যুক্ত করা হয়েছে। সেই সময় অলিম্পিক ফুটবল প্রতিযোগিতাকে বিশ্বসেরার আসর হিসেবে গণ্য করা হতো এবং ফিফাও দীর্ঘদিন ধরে এই অর্জনকে বিশেষ মর্যাদা দিয়ে এসেছে।

তবে সমালোচকদের একটি অংশের দাবি, বিশ্বকাপ জয়ের সংখ্যা দুই হওয়ায় উরুগুয়ের জার্সিতে চারটি তারকা থাকা উচিত নয়। তাদের মতে, বিশ্বকাপ ট্রফির প্রতিনিধিত্বকারী তারকার সংখ্যা কেবল বিশ্বকাপ শিরোপার সমান হওয়া উচিত।

অন্যদিকে উরুগুয়ে ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন জোর দিয়ে বলছে, ফিফার অনুমোদন নিয়েই তারা চার তারকা ব্যবহার করছে। সংস্থাটির মতে, ১৯২৪ ও ১৯২৮ সালের অলিম্পিক সাফল্য ছিল বিশ্ব ফুটবলের ইতিহাসে অনন্য অর্জন এবং সেই কারণেই জার্সিতে চার তারকার ঐতিহ্য বজায় রাখা হয়েছে।

একই ধরনের বিতর্ক সম্প্রতি দেখা গেছে মিসরের জার্সি নিয়েও। আফ্রিকা কাপ অব নেশনসে সাতবার চ্যাম্পিয়ন হওয়ার স্মারক হিসেবে জার্সিতে সাতটি তারকা ব্যবহার করছিল মিসর। তবে বিশ্বকাপ শুরুর কয়েক মাস আগেই ফিফা তাদের জানিয়ে দেয়, জাতীয় দলের জার্সিতে এমন তারকা ব্যবহার করা যাবে না, কারণ সেগুলো বিশ্বকাপ শিরোপার প্রতিনিধিত্ব করে না। ফলে বাধ্য হয়ে সাত তারকাবিশিষ্ট জার্সি বাদ দিতে হয় মিসরকে।

এই সিদ্ধান্তের পর নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে—যেখানে মিসরকে তারকা সরাতে হয়েছে, সেখানে উরুগুয়ে কীভাবে অলিম্পিক শিরোপার স্বীকৃতিস্বরূপ চার তারকা ব্যবহার করার অনুমতি পাচ্ছে? ফুটবল বিশ্বে তাই তারকা-নীতির সামঞ্জস্য নিয়েও চলছে তুমুল আলোচনা।


পরিচালক নাজমুলকে শোকজ করেছে বিসিবি

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১৫ জানুয়ারি, ২০২৬

পরিচালক নাজমুলকে শোকজ করেছে বিসিবি

একের পর এক মন্তব্য করে বিতর্কের জন্ম দিয়ে যাচ্ছেন বিসিবি পরিচালক এম নাজমুল ইসলাম। প্রথমে তামিম ইকবালকে ‘ভারতীয় দালাল’ বলার পর গতকাল ক্রিকেটারদের পারফরম্যান্স অনুযায়ী বেতন দেওয়া উচিত- এমন মন্তব্য করে আবারও দিয়েছেন সমালোচনার জন্ম।

বিসিবির এই পরিচালকের এমন মন্তব্যে তার পদত্যাগের দাবি তুলেছে ক্রিকেটার্স ওয়েলফায়ার অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (কোয়াব)। সেটি না হলে সব ধরনের ক্রিকেট বয়কটের ঘোষণা দিয়েছেন কোয়াবের সভাপতি মোহাম্মদ মিঠুন।

এরমধ্যে  বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড জানিয়েছে, এমন মন্তব্যের কারণে শোকজ করা হয়েছে বিসিবি পরিচালক এম নাজমুল ইসলামকে। ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে চাওয়া হয়েছে লিখিত জবাবও।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিসিবি জানিয়েছে, বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) সম্প্রতি বোর্ডের এক সদস্যের করা আপত্তিকর মন্তব্যে গভীর অনুতাপ প্রকাশ করছে। এই মন্তব্য ঘিরে তৈরি হওয়া উদ্বেগকে স্বীকার করে পেশাদারত্ব, ক্রিকেটারদের প্রতি সম্মান ও ক্রিকেট খেলার মান ও মূল্যবোধ রক্ষার ক্ষেত্রে তার অটুট প্রতিশ্রুতি পুনরায় নিশ্চিত করতে চায়।

এম নাজমুলের ইসলামকে শোকজ করার বিষয়টিও নিশ্চিত করা হয়েছে এই সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে। ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে এই শোকজের লিখিত জবাব দিতে হবে সেই পরিচালককে, ‘একটি সাংবিধানিক সংস্থা হিসেবে বিসিবি তাদের নিজস্ব নিয়ম ও নীতিমালা অনুযায়ী বিষয়টি দেখছে। এই দায়িত্বের অংশ হিসেবে সংশ্লিষ্ট বোর্ড সদস্যের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক শাস্তিমূলক প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। ওই সদস্যকে শোকজ নোটিশ দেওয়া হয়েছে। তাকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে লিখিত জবাব দিতে বলা হয়েছে। নিয়ম অনুযায়ী বিষয়টি নিষ্পত্তি হবে। প্রক্রিয়ার ফল অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

নাজমুল পদত্যাগ না করলে সব ধরনের ক্রিকেট বয়কটের হুমকি দিয়ে রেখেছে কোয়াব। আজ (১৫ জানুয়ারি) মাঠে ফিরছে বিপিএল। সেটিকে আমলে নিয়েছে বিসিবি। বিজ্ঞপ্তির শেষ অংশে বলা হয়েছে, ‘বিসিবি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করে, খেলোয়াড়রা বিপিএল এবং বোর্ডের আওতায় সকল ক্রিকেট কার্যক্রমের মূল অংশীদার এবং প্রাণ। বোর্ড আন্তরিকভাবে আশা করছে যে, ক্রিকেটাররা তাদের পেশাদারিত্ব ও দায়বদ্ধতা প্রদর্শন চালিয়ে যাবেন, টুর্নামেন্টের সফল সমাপ্তি নিশ্চিত করবেন এবং বিপিএলের সুষ্ঠু ধারাবাহিকতা বজায় রাখবেন।’


ইনজুরি থেকে সেরে উঠলেন নাসিম শাহ

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ০২ ডিসেম্বর, ২০২৩

ইনজুরি থেকে সেরে উঠলেন নাসিম শাহ

ইনজুরির কারণে ভারত বিশ্বকাপ থেকে ছিটকে গিয়েছিলেন পাকিস্তানের পেসার নাসিম শাহ। টুর্নামেন্ট শুরুর আগমুহূর্তে কাঁধের চোটে পড়ে জমজমাট এই আসরে খেলতে পারেননি এই ডানহাতি পেসার।

নাসিমের ইনজু্রি এতটাই জটিল ছিল যে, শেষ পর্যন্ত অস্ত্রোপচার করতে হয়েছিল তাকে। অবশেষে সফল অস্ত্রোপচারের পর পুরোপুরিভাবে পুনর্বাসন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেছেন তিনি।

নিজের ইনস্টাগ্রামে এক পোস্টের মাধ্যমে সুসংবাদটি দিয়েছেন নাসিম শাহ নিজেই। পোস্টে পুনর্বাসন প্রক্রিয়ায় সহায়তা করার জন্য পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড ও মেডিক্যাল টিমের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন এই ২০ বছর বয়সী পেসার।

ইনস্টাগ্রাম পোস্টে নাসিম লিখেছেন, ‘আজ আমি ইংল্যান্ডে আমার পুনর্বাসন সম্পন্ন করেছি। এই সব প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার জন্য আমি পিসিবির প্রতি অনেক কৃতজ্ঞ। আমার মেডিকেল টিমের ডাঃ ইমতিয়াজ আহমেদ, ফিজিও জর্জ আর্ল এবং ইংল্যান্ডে অ্যাডাম রাইটকে সার্বক্ষণিক দেখাশোনার জন্য বিশেষ ধন্যবাদ।’

চলতি বছরের এশিয়া কাপের আসর চলাকালীন সময়ে কাঁধের ইনজুরিতে পড়েছিলেন নাসিম শাহ। চোট থেকে সেরে উঠতে ইংল্যান্ডে অস্ত্রোপচার করানো হয় তার। নাসিম শাহ বিশ্বকাপে খেলতে না পারার কারণে তার অভাব হাড়েহাড়ে টের পায় পাকিস্তান। বিশ্বকাপে ৯ ম্যাচ খেলে মাত্র ৪টিতে জিতেছিল পাকিস্তান। অথচ এই পাকিস্তান বিশ্বকাপের আসর শুরু হওয়ার আগে আইসিসির র্যাংকিংয়ের শীর্ষে ছিল।