শেয়ার বাজার

দক্ষিণ লেবাননে ইসরায়েলের বিমান হামলা

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: বুধবার, ৮ এপ্রিল ২০২৬

দক্ষিণ লেবাননে ইসরায়েলের বিমান হামলা

দক্ষিণ লেবাননে বুধবার সকালে ব্যাপক বিমান হামলা চালিয়েছে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী। এ থেকেই বোঝা যাচ্ছে ইসরায়েলের কাছে যুক্তরাষ্ট্র এবং ইরানের মধ্যকার যুদ্ধবিরতি চুক্তিটি লেবাননের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। ওই চুক্তির ঘোষণার পরপরই বুধবার সকালে দেশটির দক্ষিণাঞ্চলের টায়ার এবং নাবাতিয়েহ এলাকায় হামলা চালানো হয়।

যুদ্ধবিরতির চুক্তি ইরানসমর্থিত লেবানিজ সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহর সঙ্গে চলা সংঘাতকেও অন্তর্ভুক্ত করার দাবি অস্বীকার করেছেন ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু।

এ বিষয়ে লেবানন সরকার এবং হিজবুল্লাহর পক্ষ থেকে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে এই চুক্তিতে মধ্যস্থতাকারী দেশ পাকিস্তান ইঙ্গিত দিয়েছিল যে, চুক্তির মধ্যে লেবাননও অন্তর্ভুক্ত হয়েছে।

সাম্প্রতিক কিছু প্রতিবেদন থেকে জানা গেছে, হিজবুল্লাহ যে কোনো চুক্তির মধ্যে লেবানন ফ্রন্টকেও অন্তর্ভুক্ত করার জন্য ইরানের প্রতি আহ্বান জানিয়েছিল।

অন্যদিকে ইসরায়েল ইঙ্গিত দিয়েছে, তারা লেবাননের সীমান্তের ভেতরে একটি নিরাপত্তা বাফার জোন তৈরি করতে চায়। এরই মধ্যে ইসরায়েলি সৈন্যরা লেবাননে ঢুকেছে এবং আশঙ্কা করা হচ্ছে, এর ফলে দেশটির কিছু অংশ ইসরায়েলের দখলে চলে যেতে পারে।

Dummy Ad 1

নেতানিয়াহু ব্যর্থ
‘‌ইসরায়েলের ইতিহাসে এমন কূটনৈতিক বিপর্যয় আর ঘটেনি’

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ০৮ এপ্রিল, ২০২৬

‘‌ইসরায়েলের ইতিহাসে এমন কূটনৈতিক বিপর্যয় আর ঘটেনি’

ইরানের সঙ্গে যুদ্ধবিরতি নিয়ে প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর তীব্র সমালোচনা করেছেন ইসরায়েলের বিরোধীদলীয় নেতা ইয়ার লাপিদ। তিনি বলেন, আমাদের ইতিহাসে এমন কূটনৈতিক বিপর্যয় আর কখনো ঘটেনি। দ্য টাইমস অব ইসরায়েলের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। 

তিনি সামাজিক মাধ্যম এক্সে এক পোস্টে লিখেছেন, আমাদের ইতিহাসে এমন কূটনৈতিক বিপর্যয় আর কখনো ঘটেনি। আমাদের জাতীয় নিরাপত্তার মূল বিষয় নিয়ে যখন সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছিল, তখন ইসরায়েল আলোচনার টেবিলেই ছিল না।

ইয়ার লাপিদ বলেন, সেনাবাহিনীকে যা করতে বলা হয়েছিল, তার সবই তারা করেছে এবং জনগণ অসাধারণ সহনশীলতা দেখিয়েছে। কিন্তু প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু ‘কূটনৈতিকভাবে ব্যর্থ হয়েছেন, কৌশলগতভাবে ব্যর্থ হয়েছেন এবং তিনি নিজে যে লক্ষ্যগুলো নির্ধারণ করেছিলেন, তার কোনোটিই পূরণ করতে পারেননি’।

তিনি আরও বলেন, অহংকার, অবহেলা এবং কৌশলগত পরিকল্পনার অভাবে নেতানিয়াহু যে কূটনৈতিক ও কৌশলগত ক্ষতি করেছেন, তা মেরামত করতে আমাদের বছরের পর বছর সময় লাগবে।



বিশ্বের শীর্ষ ধনীদের নতুন তালিকা প্রকাশ, শীর্ষে বানার্ড আর্নল্ট

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ০৩ এপ্রিল, ২০২৪

বিশ্বের শীর্ষ ধনীদের নতুন তালিকা প্রকাশ, শীর্ষে বানার্ড আর্নল্ট

পুরো বিশ্বে যখন কিনা অর্থনৈতিক সংকট চলছে, সেই সময়ও ধনী ব্যক্তিরা আরও ধনী হচ্ছেন। সম্প্রতি ২০২৪ সালের শীর্ষ ধনীদের নতুন তালিকা প্রকাশ করেছে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক ব্যবসা-বাণিজ্যবিষয়ক ম্যাগাজিন ফোর্বস। দেখা গেছে―চলমান বিশ্বে যুদ্ধ, রাজনৈতিক অস্থিরতা ও উচ্চ মূল্যস্ফীতির মতো বিভিন্ন বাধা অতিক্রম করেও গতবারের তুলনায় সম্পদ বেড়েছে অনেক ধনীদের।

বিলিওনিয়ারদের তালিকায় জায়গা করে নেয়া দুই-তৃতীয়াংশ ধনীদের সম্পদমূল্য গত বছরের তুলনায় বৃদ্ধি পেয়েছে, আর কমেছে মাত্র এক-চতুর্থাংশ ব্যক্তিদের সম্পদমূল্য। এছাড়া শীর্ষ ২০ ধনীর সম্পদমূল্য অনেক বেশিই বৃদ্ধি পেয়েছে। সামগ্রিকভাবে তাদের সম্পদমূল্য বৃদ্ধি পেয়েছে ৭০ হাজার কোটি ডলার।

ফোর্বসের প্রকাশ করা তালিকায় এবার শীর্ষে রয়েছে ফ্রান্সের বানার্ড আর্নল্ট ও তার পরিবার। তার সর্বমোট সম্পদমূল্য ২৩৩ বিলিয়ন ডলার। ৭৫ বছর বয়সী বার্নাড হচ্ছেন লুই ভুইতোঁ ও সেফোরাসহ বিশ্বের ৭৫টি নামিদামি ফ্যাশন ও কসমেটিক্স ব্র্যান্ডের মালিক।

এরপর দ্বিতীয়তে রয়েছেন নাগরিক টেসলা ও স্পেস এক্সের কর্ণধার ইলন মাস্ক। ৫২ বছর বয়সী এই ব্যক্তির সম্পদমূল্য দাঁড়িয়েছে ১৯৫ বিলিয়ন ডলার।

তৃতীয়তে রয়েছে ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান অ্যামাজনের সহ-প্রতিষ্ঠাতা জেফ বেজোস। গত বছরের তুলনায় এবার তার সম্পদমূল্য বেড়েছে প্রায় ৮৫ বিলিয়ন ডলার। তার মোট সম্পদমূল্য ১৯৪ বিলিয়ন ডলার।

তালিকায় চতুর্থ অবস্থানে জায়গা করে নিয়েছেন সোশ্যাল মিডিয়া ফেসবুকের সহ-প্রতিষ্ঠাতা মার্ক জাকারবার্গ। ৩৯ বছর বয়সী এই ব্যক্তির গতবার সম্পদমূল্য ছিল ৬৪ দশমিক ৪ বিলিয়ন ডলার। তা এবার বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৭৭ বিলিয়ন ডলার।

তালিকায় সপ্তম অবস্থানে রয়েছেন বিশ্বের আলোচিত বিলিওনিয়ার মাইক্রোসফটের প্রতিষ্ঠাতা বিল গেটস। এবার তার সম্পদমূল্য বেড়ে ১২৮ বিলিয়ন ডলারে দাঁড়িয়েছে। আর ভারতীয় ধনকুবের মুকেশ আম্বানি ১১৫ দশমিক ৬ বিলিয়ন ডলার নিয়ে তালিকার ৯ম-এ অবস্থান করছেন।

এবার বিশ্বের বিলিওনিয়ারদের নিয়ে প্রকাশ করা এই তালিকায় নতুন করে যুক্ত হয়েছেন ১৪১ জনের বেশি ধনী ব্যক্তি। সবমিলে এখন বিশ্বে বিলিওনিয়ার রয়েছেন ২ হাজার ৭৮১ জন।


ইরানের সঙ্গে কতক্ষণ টিকতে পারবে ইসরায়েল

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ০৬ এপ্রিল, ২০২৪

ইরানের সঙ্গে কতক্ষণ টিকতে পারবে ইসরায়েল

গাজা যুদ্ধ ঘিরে মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি বেশ উত্তপ্ত। এমন উত্তপ্ত পরিস্থিতির মধ্যে গত সোমবার সিরিয়ায় একটি ইরানি দূতাবাসে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায় ইসরায়েল। ইসরায়েলি এই হামলার সমুচিত জবাব দেওয়ার অঙ্গীকার ব্যক্ত করে পাল্টা হামলার প্রস্তুতি শুরু করেছে ইরান। ফলে ইরানের সামনে ইসরায়েল কতক্ষণ টিকবে তা নিয়ে চলছে নানা সমীকরণ।

গত কয়েক বছর ধরে ইরান ও ইসরায়েলের সামরিক সক্ষমতা বেশ বেড়েছে। সম্প্রতি ইরান সামরিক প্রযুক্তির দিকে মনোনিবেশ করেছে। গ্লোবাল ফায়ার পাওয়ারের তথ্যমতে, ১৪৫টি দেশের মধ্যে ইরান ১৪তম আর ইসরায়েল ১৭তম অবস্থানে রয়েছে। ওয়েবসাইটের তথ্যমতে দুই দেশের মধ্যকার সামরিক সক্ষমতার তথ্য তুলে ধরা হলো।

ওয়েবসাইটের তথ্যানুসারে, ইরানের ৬ লাখ ১০ হাজার নিয়মিত সেনা রয়েছে। অন্যদিকে ইসরায়েলের রয়েছে এক লাভ ৭০ হাজার সেনা। তবে রিজার্ভ সেনার দিক দিয়ে আগায়ে রয়েছে ইসরায়েলের। তাদের সেনা হচ্ছে চার লাখ ৬৫ হাজার। অন্যদিকে ইরানের রিজার্ভ সেনা হলো তিন লাখ ৫০ হাজার।

আধাসামরিক বাহিনীর দিক দিয়ে আগায়ে রয়েছে ইরান। দেশটিতে ২ লাখ ২০ হাজার আধাসামরিক বাহিনীর সদস্য রয়েছেন। অন্যদিকে ইসরায়েলের রয়েছে মাত্র ৩৫ হাজার সেনা।

সামরিক উড়োজাহাজের দিক দিয়ে আগায়ে রয়েছে ইসরায়েল। দেশটির ৬১২টি সামরিক উড়োজাহাজ রয়েছে। অন্যদিকে ইরানের সামরিক উড়োজাহাজের সংখ্যা ৫৫১টি। যুদ্ধবিমানের দিক দিয়েও আগায়ে ইসরায়েল। দেশটির ২৪১টি যুদ্ধবিমান রয়েছে। অন্যদিকে ইরানের ১১৬টি যুদ্ধবিমান রয়েছে।

হামলায় ব্যবহৃত যুদ্ধবিমান ইসরায়েলের ৩৯টি আর ইরানের রয়েছে ২৩টি। অন্যদিকে পরিবহন উড়োজাহাজে এগিয়ে রয়েছে ইরান। দেশটির ৮৬টি আর অন্যদিকে ইসরায়েলের রয়েছে ১২টি।

হেলিকপ্টারের দিক দিয়েও এগিয়ে রয়েছে ইসরায়েল। দেশটির ১৪৬টি হেলিকপ্টার রয়েছে। অন্যদিকে ইরানের বহরে রয়েছে ১২৯টি হেলিকপ্টার। এ ছাড়া ইরানের ট্যাংক রয়েছে এক হাজার ৯৯৬টি। অন্যদিকে ইসরায়েলের রয়েছে এক হাজার ৩৭০টি।

সাঁজোয়া যানেও এগিয়ে রয়েছে ইরান। দেশটির ৬৫ হাজার ৭৬৫টি সাঁজোয়া যান রয়েছে। অন্যদিকে ইসরায়েলের রয়েছে ৪৩ হাজার ৪০৩টি। এ ছাড়া সাবমেরিন রয়েছে ইরানের ১৯টি। অন্যদিকে ইসরায়েলের রয়েছে মাত্র ৫টি।