শেয়ার বাজার

অস্ত্র ও গুলিসহ আত্মসমর্পণ করলো সুন্দরবনের ৩ বনদস্যু

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: বৃহঃস্পতিবার, ৯ জুলাই ২০২৬

অস্ত্র ও গুলিসহ আত্মসমর্পণ করলো সুন্দরবনের ৩ বনদস্যু

সুন্দরবনের দুর্ধর্ষ বনদস্যু 'বড় জাহাঙ্গীর বাহিনী'র তিন সদস্য অস্ত্র ও গুলি জমা দিয়ে কোস্ট গার্ডের কাছে আত্মসমর্পণ করেছেন। বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) সকালে মোংলার কোস্ট গার্ড পশ্চিম জোন সদর দপ্তরে আনুষ্ঠানিকভাবে দস্যুরা আত্মসমর্পণ করেন।

কোস্ট গার্ড মিডিয়া কর্মকর্তা (ঢাকা) লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন বলেন, ‘বৃহস্পতিবার সকালে মোংলায় কোস্ট গার্ড পশ্চিম জোন সদর দপ্তরে বনদস্যু বড় জাহাঙ্গীর বাহিনীর তিন সদস্য অস্ত্র ও গুলিসহ কোস্ট গার্ডের কাছে আত্মসমর্পণ করেছেন। এ সময় দস্যুরা তাদের কাছে থাকা দুইটি দেশীয় একনালা বন্দুক, একটি দেশীয় পাইপগান, ৪০ রাউন্ড তাজা গুলি ও একটি ওয়াকিটকি কোস্ট গার্ডের কাছে জমা দেন। এছাড়াও দস্যু বাহিনীর কাছি জিম্মি থাকা এক জেলেকে উদ্ধার করা হয়।

আত্মসমর্পণকারী দস্যু মো. আলামিন হোসেনের (৪০) বাড়ী মোংলায় ও তৈবুর রহমানের (২৪) সাতক্ষীরায় এবং মনিরুজ্জামান মামুনের (২০) খুলনায়। বড় জাহাঙ্গীর বাহিনীর সদস্য হিসেবে তারা দীর্ঘদিন ধরে সুন্দরবনের সাধারণ জেলে ও বাওয়ালিদের জিম্মি করে মুক্তিপণ আদায় করে আসছিল।

জব্দকৃত অস্ত্র, গুলি ও আত্মসমর্পণকারী দস্যুদের পুনর্বাসনের ব্যবস্থাসহ পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ এবং উদ্ধারকৃত জেলেকে তার পরিবারের কাছে হস্তান্তরের কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।\

এর আগে গত ২১ মে সুন্দরবনের দুর্ধর্ষ বনদস্যু সুমন বাহিনী প্রধান সুমনসহ সাত দস্যু পাঁচটি অস্ত্র ও ২৫ রাউন্ড গুলি নিয়ে কোস্ট গার্ডের কাছে আত্মসমর্পণ করেন।

চলতি বছরের ১২ ফেব্রুয়ারি থেকে এ পর্যন্ত ৪৯ টি দেশি-বিদেশি আগ্নেয়াস্ত্র, ৩১৬ রাউন্ড তাজা গুলি, ১০৮ রাউন্ড ফাঁকা গুলি, ১৯৪ রাউন্ড এয়ারগান গুলি ও দুইটি ওয়াকি-টকি উদ্ধারসহ ৪২ জন বনদস্যুকে আটক করা হয়েছে। এসময় দস্যুদের কাছে জিম্মি থাকা ৪১ জনকে জীবিত উদ্ধার করে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সহায়তা প্রদান শেষে নিরাপদে তাদের পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

Dummy Ad 1

ভারত নির্বাচন বিশ্লেষণ করতে পারে, মতামত দেওয়ার অধিকার রাখে না

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২৮ জানুয়ারি, ২০২৬

ভারত নির্বাচন বিশ্লেষণ করতে পারে, মতামত দেওয়ার অধিকার রাখে না

আসন্ন নির্বাচন নিয়ে ভারত বিশ্লেষণ করতে পারে, তবে মতামত দেওয়ার সুযোগ (অধিকার) দেশটি রাখে না বলে মন্তব্য করেছেন তথ্য উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান। এছাড়া পতিত স্বৈরাচার ভোটের পরিবেশ নষ্টের চেষ্টা করলে সরকার প্রতিহত করতে প্রস্তুত বলেও জানান তিনি।  

বুধবার (২৮ জানুয়ারি) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে উপদেষ্টা এ কথা জানান। রিজওয়ানা হাসান পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়; পানি সম্পদ মন্ত্রণালয় এবং তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টার দায়িত্বে রয়েছেন। 

কোনো কোনো জেলায় ডিসিদের গণভোটের পক্ষে সেভাবে প্রচারণায় দেখা যাচ্ছে না- এ বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করলে উপদেষ্টা বলেন, আমরা যা করছি তা হলো, আমরা উপদেষ্টারা দেশের ৬৪ জেলায় গিয়ে বিভিন্ন জেলার যারা সুশীল সমাজের আছেন, শিক্ষক প্রতিনিধি আছেন, ছাত্র প্রতিনিধি আছেন, যারা ধর্মীয় নেতা আছেন- সবাইকে গণভোটটা কেন হচ্ছে, গণভোটের অন্তর্ভুক্ত বিষয়গুলো কী- এটা বুঝিয়ে দিচ্ছি। এখন যেহেতু নির্বাচনের প্রচার শুরু হয়ে গেছে, এখন আর আমরা কোনো উপদেষ্টা সেখানে যাচ্ছি না। আমাদের কিছু ম্যাটেরিয়াল আছে গণভোটের স্বপক্ষে, সেটাই আমরা বিলি করে বেড়াচ্ছি।  

তিনি বলেন, কিন্তু জেলা প্রশাসকেরা কোথায় প্রচার করছেন, করছেন না... জেলা প্রশাসকেরা প্রচার করবেন হচ্ছে যে ১২ তারিখে সাধারণ ভোটের পাশাপাশি একটা গণভোট হবে। সাধারণ ভোটের পাশাপাশি জনগণ যেন গণভোটে যেতে পারে সে খবরটা জানানো। এর বেশি তো আর তাদের কিছু করার কথা না।  

সার্বিকভাবে এখন পর্যন্ত ভোটের পরিবেশ কেমন দেখছেন? দুই দলের মধ্যে ঢিল ছোড়াছুড়ি হচ্ছে। পাশাপাশি পার্শ্ববর্তী দেশ ভারত থেকেও ভোট নিয়ে মন্তব্য আসছে- এ বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করলে উপদেষ্টা বলেন, শোনেন, প্রথম কথা হচ্ছে নির্বাচনের পরিবেশ তো উত্তেজনাপূর্ণ হবে। এক দল আরেক দলকে হারাবার চেষ্টা করবে, এক দল জিতবার চেষ্টা করবে। যে দল জিতবার চেষ্টা করবে সে তার পক্ষকে ঘায়েল করার জন্য কথা বলবে, প্রতিপক্ষ আরেকজনকে ঘায়েল করার কথা বলবে, এটা খুব স্বাভাবিক কথা।

তিনি বলেন, কোনো কোনো জায়গায় হয়তো ভদ্রতা সভ্যতার সীমাটা রাখা হচ্ছে না, সেজন্য সব দলকেই দায়িত্বশীল আচরণ করতে হবে। যদি কোনোটা আইনশৃঙ্খলা পর্যায়ে পৌঁছে যায় তখন সেটা সরকারের দায়িত্ব। তার আগ পর্যন্ত কে কার জনসভায় কী বললো না বললো সেটা তো সরকারের দায়িত্ব না।  

নির্বাচন সম্পূর্ণ একটি দেশের অভ্যন্তরীণ বিষয় মন্তব্য করে রিজওয়ানা হাসান বলেন, সেখানে অন্য দেশ বিশ্লেষণ করতে পারে, কিন্তু মতামত তো দেওয়ার সুযোগ রাখে না। তার বিশ্লেষণ থাকতে পারে কিন্তু কে জিতলে কী ধারণা করবে জিতবার আগেই এত কথা বলে দিলে তো এই মন্তব্য বস্তুনিষ্ঠ সেরকম মনে করার কোনো সুযোগ নেই।  

ভোটের পরিবেশ নষ্ট হলে আওয়ামী লীগকেই দায়ী করা হবে- সরকারের এমন একটা বিবৃতি আছে। এ বিষয়ে তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা বলেন, ভোটের পরিবেশ নষ্ট করার যে আওয়ামী লীগ চেষ্টা করেনি তা তো ঠিক কথা না। ভোটের যেদিন শিডিউল ঘোষণা হলো সেদিনই তো বিভিন্ন জায়গায় ককটেল বিস্ফোরণ করা হলো এবং সেটার ভুক্তভোগী আমরাও কয়েকজন আছি। ফলে ভোটের পরিবেশ নষ্ট করার জন্য যদি পতিত স্বৈরাচারের কোনো শক্তি কোনো রকম চেষ্টা করে সেটা প্রতিরোধ করার জন্য সরকার প্রস্তুত আছে, প্রয়োজনে প্রস্তুতি আমরা বাড়াবো।

মানুষের ভেতরে ভোটের পরিবেশ নিয়ে ভয় কাজ করছে- এ বিষয়ে তিনি বলেন, আপনি আমাকে সুনির্দিষ্ট তথ্য দেবেন যে কোন মানুষ আপনাকে বলেছে তার ভোট দিতে ভয় লাগছে। আমরা যে এত কয়টা জেলায় গেলাম সব জায়গায় আমরা দেখে এসেছি প্রতিটি জায়গায় নির্বাচনের একটা আমেজ শুরু হয়েছে। যখন আমরা গেছি তখনও কিন্তু নির্বাচনের প্রচার-প্রচারণা শুরু হয়নি। তো প্রচার-প্রচারণা শুরু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে উত্তেজনাও বাড়বে, আগ্রহও বাড়বে, আনন্দও বাড়বে। এটা সবসময় বাংলাদেশে হয়ে থাকে। কোনো জায়গাতে কোনো মানুষ আমাকে বলেনি যে আপা ভোট দিতে কেমন করে যাবো আমার ভয় লাগছে। আপনাকে যদি কেউ এটা বলে থাকে আমাদের জানাবেন তার ভয় দূর করার দায়িত্ব অবশ্যই আমাদের।

সরকারের এ উপদেষ্টা আরও বলেন, এই যে ভয়ের একটা আবহ তৈরি করা নানান প্রচার-প্রচারণা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে, নানান কিছু ভিত্তিহীন বক্তব্য দিয়ে দিয়ে একটা ভয়ের আবহ তৈরি করার চেষ্টা করা হচ্ছে। এ জন্যই বলা হচ্ছে যে পতিত স্বৈরাচার যদি নির্বাচনের পরিবেশকে বিঘ্ন করার জন্য কোনো কাজ করে আমরা সেটার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবো।


বনশ্রীতে স্কুলছাত্রীকে হত্যার ঘটনায় হোটেলকর্মী মিলন গ্রেফতার

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১২ জানুয়ারি, ২০২৬

বনশ্রীতে স্কুলছাত্রীকে হত্যার ঘটনায় হোটেলকর্মী মিলন গ্রেফতার

রাজধানীর দক্ষিণ বনশ্রীর একটি বাসা থেকে ফাতেমা আক্তার নিলি নামের এক স্কুলছাত্রীর গলাকাটা মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় একজনকে গ্রেফতার করেছে র‍্যাব। তার নাম মিলন। পেশায় মিলন একজন হোটেলকর্মী।

সোমবার (১২ জানুয়ারি) সকালে র‍্যাবের লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইংয়ের পরিচালক উইং কমান্ডার এম জেড এম ইন্তেখাব চৌধুরী এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, দক্ষিণ বনশ্রীর নিজ বাসায় খুন হওয়া স্কুলছাত্রীর চাঞ্চল্যকর হত্যা মামলার সন্দেহজনক আসামি হোটেলকর্মী মিলনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এ বিষয়ে পরবর্তী আইনগত পদক্ষেপ প্রক্রিয়াধীন।

জানা গেছে, গ্রেফতার মিলন নিহত নিলির বাবার রেস্তোরাঁয় কাজ করেন। নিলি বাসায় একা ছিল সেই সুযোগে মিলন তাকে গলাকেটে হত্যা করে। তবে কি কারণে হত্যা সে বিষয়ে এখনও জানাতে পারেনি তদন্ত সংশ্লিষ্টরা।

এ হত্যার ঘটনায় অজ্ঞাতপরিচয়ের ব্যক্তিদের আসামি করে গত শনিবার রাতে একটি মামলা হয়।

গত শনিবার বিকেলে দক্ষিণ বনশ্রীর এল ব্লকের প্রীতম ভিল থেকে ওই ছাত্রীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। জাতীয় জরুরি সেবা নম্বরে (৯৯৯) খবর পেয়ে মরদেহ উদ্ধার করা হয় বলে জানিয়েছিলেন খিলগাঁও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ শফিকুল ইসলাম।

খিলগাঁও থানা-পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ফাতেমা আক্তার (১৭) বনশ্রীর রেডিয়েন্ট স্কুল অ্যান্ড কলেজের দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী। মা-বাবা, ভাই ও বোনের সঙ্গে ওই বাসায় থাকতো নিলি। তাদের গ্রামের বাড়ি হবিগঞ্জের লাখাইয়ে। তার বাবা সজীব মিয়া বনশ্রীতে একটি রেস্তোরাঁ চালান। দুই দিন আগে তার মা-বাবা ও ভাই হবিগঞ্জে গ্রামের বাড়িতে যান। ঢাকায় সে ও তার বোন ছিল। বিকেলে ফাতেমার বোন জিমে যান। ফিরে এসে ফাতেমার গলাকাটা মরদেহ দেখতে পান।


মির্জা ফখরুল
জামায়াত একটি রেজিমেন্টেড পলিটিক্যাল পার্টি, তারা গণতন্ত্রে বিশ্বাসী না

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২০ জুন, ২০২৬

জামায়াত একটি রেজিমেন্টেড পলিটিক্যাল পার্টি, তারা গণতন্ত্রে বিশ্বাসী না

জামায়াত একটি রেজিমেন্টেড পলিটিক্যাল পার্টি, তারা গণতন্ত্রে বিশ্বাসী নয় বলে মন্তব্য করেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী ও বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করেছিলেন এবং বেগম খালেদা জিয়া সংসদীয় গণতন্ত্র চালু করেছিলেন। তাই গণতন্ত্র নিয়ে বিএনপিকে প্রশ্ন করার সুযোগ নেই।

শনিবার (২০ জুন) বেলা ১২টার দিকে মুন্সিগঞ্জ শহরের উত্তর ইসলামপুর এলাকায় ঝুঁকিপূর্ণ কাঠেরপুল পরিদর্শনকালে এসব কথা বলেন তিনি। এ সময় স্থানীয়দের দ্রুত সময়ের মধ্যে পাঁকা প্রশস্ত সেতু নির্মাণ করে দেওয়ার আশ্বাস দেন মন্ত্রী।

মির্জা ফখরুল বলেন, বিএনপি একমাত্র দল যারা গত পঞ্চাশ বছর ধরে গণতন্ত্রের জন্য লড়াই-সংগ্রাম করে আসছে। জনগণের সমর্থনে বিএনপি দুই তৃতীয়াংশ ভোটে নির্বাচিত হয়েছে। সুতরাং বিএনপির ব্যাপারে গণতন্ত্র নিয়ে প্রশ্ন করতে গেলে সেটি সমীচীন হবে না।

বিএনপি মহাসচিব বলেন, এই সরকার মাত্র তিন মাস সময় পেয়েছে। এ তিন মাস সময়ের মধ্যে বহু কাজ সরকার শুরু করেছে। আপনারা দেখেছেন ফ্যামিলি কার্ড-কৃষক কার্ড করেছে। এছাড়া ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সংশ্লিষ্টদের ভাতা দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে। সেই সঙ্গে দেশব্যাপী খাল কাটা কর্মসূচি শুরু করেছে।

এর আগে, দুপুরের মুন্সিগঞ্জের জুলাই গণঅভ্যুত্থানে নিহত শহীদ সজল মোল্লা, রিয়াজুল ফরাজী, নূর মোহাম্মদ ডিপজলের কবর জিয়ারত করেন মির্জা ফখরুল। এ সময় শহীদ পরিবারের সদস্যদের হাতে আর্থিক অনুদানের চেক তুলে দেন তিনি।

এরপর এদিন বিকেলে মুন্সিগঞ্জ সার্কিট হাউজ মিলনায়তনে জেলার অবকাঠামগত উন্নয়ন সংক্রান্ত মতবিনিময় সভায় যোগ দেন তিনি।

মির্জা ফখরুলের দিনব্যাপী নানা কর্মসূচিতে তার সঙ্গে ছিলেন- মুন্সিগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য শেখ মো. মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ, মুন্সিগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য ও কেন্দ্রীয় বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট আব্দুস সালাম আজাদ, কেন্দ্রীয় বিএনপি সমাজ কল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক ও মুন্সিগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য মো. কামরুজ্জামান রতন প্রমুখ।