শেয়ার বাজার

শি-ট্রাম্প বৈঠকে গুরুত্ব পাচ্ছে যেসব বিষয়

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: বৃহঃস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬

শি-ট্রাম্প বৈঠকে গুরুত্ব পাচ্ছে যেসব বিষয়

শুরু হয়েছে বহুল প্রত্যাশিত মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের বৈঠক। বৈঠকের শুরুতেই শি-কে উদ্দেশ করে যেসব উষ্ণ মন্তব্য করেছেন, তা আলোচনার শুরুতেই চীনকে যুক্তরাষ্ট্রের সমমর্যাদার শক্তি হিসেবে উপস্থাপন করেছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

স্টিমসন সেন্টারের ‘রিইমাজিনিং ইউএস গ্র্যান্ড স্ট্র্যাটেজি প্রোগ্রাম’-এর গবেষক কেলি গ্রিয়েকো বিবিসিকে বলেন, ট্রাম্পের এমন বক্তব্য মূলত দুই দেশের আলোচনাকে সমতার জায়গায় নিয়ে গেছে।

তিনি বলেন, ট্রাম্প চাইবেন চীন যেন যুক্তরাষ্ট্রের কৃষিপণ্য, উড়োজাহাজ এবং অন্যান্য পণ্য কেনার বিষয়ে চুক্তি করে। গ্রিয়েকোর ভাষায়, ট্রাম্প দেশে ফিরে গিয়ে বলতে চাইবেন যে তিনি ‘ভালো চুক্তি’ করে এসেছেন।

তবে তিনি মনে করেন, গত এক বছরে চীনের বিরুদ্ধে ট্রাম্পের শুল্কনীতি খুব একটা সফল হয়নি। ফলে এখন যুক্তরাষ্ট্রের দর-কষাকষির অবস্থান আগের তুলনায় দুর্বল হয়ে পড়েছে।

অন্যদিকে, বেইজিংও বিরল খনিজ বা ‘রেয়ার আর্থ’ ইস্যুতে নিজেদের শক্ত অবস্থান দেখিয়েছে। এই ধাতুগুলো ইলেকট্রনিকস ও সেমিকন্ডাক্টর উৎপাদনের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

বিশ্লেষকদের মতে, ট্রাম্পের আরেকটি বড় লক্ষ্য হবে চীনকে বোঝানো যাতে বেইজিং ইরানের ওপর চাপ সৃষ্টি করে যুদ্ধ বন্ধে ভূমিকা রাখে। তবে কেলি গ্রিয়েকো মনে করেন, চীন যদি এ ক্ষেত্রে কোনো সহায়তা করে, তাহলে তারা বিনিময়ে কিছু চাইবেই।

এর পাশাপাশি ইরান যুদ্ধ, তাইওয়ান ইস্যু নিয়েও গুরুত্বর সঙ্গে আলোচনা করতে পারেন দুই নেতা।

Dummy Ad 1

যুদ্ধে ইরানের কাছে যুক্তরাষ্ট্র ‘অপমানিত’ হচ্ছে: জার্মান চ্যান্সেলর

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২৮ এপ্রিল, ২০২৬

যুদ্ধে ইরানের কাছে যুক্তরাষ্ট্র ‘অপমানিত’ হচ্ছে: জার্মান চ্যান্সেলর

জার্মানির চ্যান্সেলর ফ্রিডরিশ ম্যার্ৎস বলেছেন, ইরানের সঙ্গে চলমান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র কার্যত ‘অপমানিত’ হচ্ছে। তিনি সতর্ক করে বলেন, এই সংঘাত থেকে বের হওয়ার কোনো স্পষ্ট পথ ওয়াশিংটনের সামনে নেই, বরং পরিস্থিতিতে তেহরানই ক্রমশ প্রাধান্য পাচ্ছে।

সোমবার (২৭ এপ্রিল) জার্মানির মার্সবার্গ শহরে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে এক আলোচনায় ম্যার্ৎস বলেন, এই পরিস্থিতি যুক্তরাষ্ট্রের জন্য একটি গভীর কৌশলগত সমস্যার দিক তুলে ধরেছে। তিনি অতীতের সামরিক ব্যর্থতার উদাহরণ টেনে বলেন, এ ধরনের সংঘাতে সমস্যাটা হলো- শুধু ঢোকা নয়, বের হওয়ার পথও থাকতে হয়। আমরা আফগানিস্তানে ২০ বছর ধরে সেটা খুব কষ্টের সঙ্গে দেখেছি। ইরাকেও দেখেছি।

তিনি আরও বলেন, ইরানের কর্মকর্তারা খুব দক্ষতার সঙ্গে আলোচনা করছেন ও তারা অনেক বেশি শক্তিশালী বলে প্রতীয়মান হচ্ছে, যতটা আগে মনে করা হয়েছিল। তার মতে, পুরো একটি জাতি ইরানের নেতৃত্বের হাতে অপমানিত হচ্ছে, বিশেষ করে ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর ভূমিকার কারণে।

ম্যার্ৎস দ্রুত যুদ্ধের অবসান ঘটানোর আহ্বান জানিয়ে বলেন, এর প্রভাব এরই মধ্যে জার্মানির অর্থনীতিতে পড়তে শুরু করেছে। তিনি বলেন, এই মুহূর্তে পরিস্থিতি খুব জটিল ও এর জন্য আমাদের অনেক অর্থ ব্যয় করতে হচ্ছে। ইরানের বিরুদ্ধে এই যুদ্ধ আমাদের অর্থনৈতিক উৎপাদনে সরাসরি প্রভাব ফেলছে।

জার্মান নেতা জানান, বার্লিন এখনো প্রস্তুত রয়েছে হরমুজ প্রণালী দিয়ে জাহাজ চলাচল নিরাপদ রাখতে মাইন অপসারণকারী জাহাজ মোতায়েন করতে। তবে তিনি জোর দিয়ে বলেন, এমন পদক্ষেপ নেওয়া নির্ভর করছে সংঘাত বন্ধ হওয়ার ওপর।

ম্যার্ৎসের এই মন্তব্য এমন সময়ে এলো, যখন ইউরোপজুড়ে এই যুদ্ধের বিস্তৃত প্রভাব নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। বিশেষ করে জ্বালানি সরবরাহে বিঘ্ন ও অর্থনৈতিক অস্থিরতা নিয়ে শঙ্কা দেখা দিয়েছে।

এর আগে জার্মানির পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইয়োহান ওয়াডেফুল সতর্ক করে বলেন, পারমাণবিক হুমকি এখনো বৈশ্বিক নিরাপত্তা পরিস্থিতিকে প্রভাবিত করছে, যদিও বার্লিন পারমাণবিক বিস্তার রোধে তাদের প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেছে।

তিনি জাতিসংঘে পারমাণবিক অস্ত্র বিস্তার রোধ চুক্তি নিয়ে বৈঠকের আগে বলেন, যতদিন আমাদের ও আমাদের মিত্রদের বিরুদ্ধে পারমাণবিক হুমকি থাকবে, ততদিন আমাদের একটি বিশ্বাসযোগ্য প্রতিরোধ ব্যবস্থা প্রয়োজন হবে।

এদিকে, ইউরোপে বাড়তে থাকা উদ্বেগের প্রেক্ষাপটে ফ্রান্স ও জার্মানি সম্প্রতি পারমাণবিক প্রতিরোধ ব্যবস্থায় সহযোগিতা আরও জোরদার করেছে। বিশ্লেষকদের মতে, ইরান যুদ্ধ ও বৃহত্তর আঞ্চলিক অস্থিরতা ঘিরে উদ্বেগ থেকেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।


টিকটক ভিডিও দেখে ১৯ বছর পর একে অপরকে খুঁজে পেলেন যমজ বোন

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২৬ জানুয়ারি, ২০২৪

টিকটক ভিডিও দেখে ১৯ বছর পর একে অপরকে খুঁজে পেলেন যমজ বোন

দুজন দেখতে হুবহু একই রকম। চোখ, কান, নাক, মুখের আদলে দুজনের মধ্যে পার্থক্য খুঁজে বের করা দুষ্কর। কারণ সম্পর্কে তারা যমজ বোন। অথচ ১৯ বছর ধরে একই শহরে থাকা সত্ত্বেও তারা কেউ কাউকে চিনতেন-ই না! হঠাৎ ভাইরাল হওয়া এক টিকটক ভিডিওর সূত্র ধরে পরিচয় হয় তাদের। সেখান থেকেই বেরিয়ে এলো পুরো সিনেমার মতো কিন্তু বাস্তব গল্প।

গল্পটার শুরু ২০০২ সালে, পূর্ব এশিয়ার দেশ জর্জিয়ায়। সে বছরের ২০ জুন আজা শোনি নামের এক নারী জর্জিয়ার কিরতিশখি গ্রামে দুটি জমজ কন্যা শিশুর জন্ম দেন। জন্মদানের পর বেশকিছু জটিলতায় কোমায় চলে যান শোনি। আর পরিবারে আরও তিনটি সন্তান থাকায় বাবা গোচ গাখারিয় জমজ বাচ্চা দুটি আলাদা দুটি পরিবারে বিক্রি করে দেন।

পরে ওই দুই শিশু অ্যামি খাভিশা ও আনো সারতানিয়া নামে বেড়ে ওঠে। বয়স যখন ১২ বছর তখন অ্যামি তার প্রিয় টিভি শো ‘জর্জিয়াস গট ট্যালেন্ট’ দেখছিলেন। সেখানে তিনি একটি মেয়েকে দেখেতে পান, যার সঙ্গে তার চেহারার হুবহু মিল রয়েছে। কিন্তু তিনি তখনও জানতেন না যে, নাচতে থাকা মেয়েটিই তার বোন। শেষমেষ ২০২১ সালে একটি টিকটক ভিডিওর সূত্র ধরে একে অপরকে খুঁজে পান দুই বোন।

২০২১ সালে অ্যামি তার চুলের রং নীল করেন ও টিকটকে একটি ভিডিও পোস্ট করেন। সেই ভিডিও আবার এক বন্ধু অ্যানোকে পাঠান ও জানতে চান যে অ্যানো চুলে নতুন রঙ করেছেন কি না। ভিডিওটি দেখে অ্যানো তার বন্ধুকে জানা, ভিডিওর মেয়েটি তিনি নন।

পরে চেহারায় হুবহু মিল থাকা মেয়েটির পরিচয় জানার জন্য অ্যানো ভিডিওটি ফেসবুকে আপলোড করেন। এরপর অ্যামি কৌতুহলী হয়ে অপর তরুণীর প্রোফাইলে গিয়ে জানতে পারেন, মেয়েটির নাম আনো সারতানিয়া। তিনি থাকেন ৩২০ কিলোমিটার দূরের শহর তিবিলিসিতে।

কিন্তু কোনোভাবেই কিছুতেই আনোর সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারছিলেন না অ্যামি। পরে একটি বিশ্বিবদ্যালয়ের হোয়াটস অ্যাপ গ্রুপে ভিডিওটি পোস্ট করে অ্যামি জানতে চান যে এই মেয়েটিকে কেউ চেনেন কি না। সেখানে একজন সাড়া দেন।

পরে তার মাধ্যমে যোগাযোগ হয় আনোর সঙ্গে। এভাবেই যমজ বোন পরস্পরকে খুঁজে পান। অ্যামি বলেন, তিবিলিসির রুস্তাভেলি মেট্রো স্টেশনে যখন আমাদের দেখা হলো, তখন মনে হচ্ছিল আমি আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে আছি। যেন নিজেকেই দেখছি। একই মুখ, একই চোখ, একই নাক। এমনকি, কণ্ঠস্বর পর্যন্ত এক। আমি জড়িয়ে ধরা পছন্দ করি না। কিন্তু সেই মুহূর্তে নিজেকে আর সামলাতে পারিনি। আনোকে জড়িয়ে ধরি।

অ্যামি–আনো জানান, পরবর্তী সময়ে তারা ডিএনএ পরীক্ষার মাধ্যমে নিশ্চিত হয়েছেন যে তারা সত্যিই যমজ বোন। তবে তারা তাদের বাবাকে আর খুঁজে বের করার চেষ্টা করেননি। তাদের দাবি, যে বাবা তার সন্তানদের বিক্রি করে দিয়েছেন, সেই বাবার সঙ্গে দেখা করা উচিত না।

তবে তারা তাদের জন্মদাত্রী মা আজার সঙ্গে লাইপজিগের একটি হোটেলে দেখা করেন। তখন আজা তাদের বলেন, অ্যামি–আনোর জন্মের পর তিনি কোমায় চলে গিয়েছিলেন। পরে সুস্থ হয়ে সন্তানদের খুঁজলে হাসপাতালের কর্মীরা জানিয়েছিলেন, তার সন্তানরা জন্মের পরপরই মারা গেছে।

অ্যামি-আনোর এই ঘটনায় জর্জিয়ার একটি কলঙ্কিত দিকও বের হয়ে এসেছে। বিবিসি জানিয়েছে, জর্জিয়ায় ১৯৫০ থেকে ২০০৫ পর্যন্ত বহু শিশু চুরি করে বিক্রি করে দেওয়ার পেছনে হাসপাতাল কর্মীরা ব্যাপকমাত্রায় জড়িত ছিলেন। এসব ক্ষেত্রে হতভাগা মা ও পরিবারের অন্য সদস্যদের বলা হতো, তাদের সন্তান জন্মের পরেই মারা গেছে।

অ্যামি ও আনোর পালক মায়েরা জানান, হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে টাকার বিনিময়ে নিয়ে আসা হয়েছিল তাদের। দত্তক নেওয়া পরিবার দুটিও জানতো না যে, অ্যামি-অ্যানো জমজ বোন ছিলেন।

সূত্র: এনডিটিভি


ইরানের ২ নম্বর শর্ত
হরমুজের নিয়ন্ত্রণ: ক্রিপ্টোতে টোল আদায়, ব্যারেলপ্রতি গুনতে হবে ১ ডলার

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ০৯ এপ্রিল, ২০২৬

হরমুজের নিয়ন্ত্রণ: ক্রিপ্টোতে টোল আদায়, ব্যারেলপ্রতি গুনতে হবে ১ ডলার


যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ইরানের দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এই যুদ্ধবিরতির সময় হরমুজ প্রণালি দিয়ে যেসব জাহাজ চলাচল করবে তাদের প্রতি ব্যারেলের জন্য ১ ডলারের সমপরিমাণ ক্রিপ্টোকারেন্সি দিতে হবে। ইরানের ১০ দফা শর্তের ২ নম্বর দফায় হরমুজ প্রণালি নিয়ন্ত্রণের একচ্ছত্র অধিকারের কথা বলা হয়েছে।

এদিকে যুদ্ধবিরতির পরপরই হরমুজে টোল আদায়ের জন্য ইরানের সঙ্গে একটি ‘যৌথ উদ্যোগ’ গঠনের কথা জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

বুধবার (৮ এপ্রিল) ইরানের তেল, গ্যাস ও পেট্রোকেমিক্যাল পণ্য রপ্তানিকারক ইউনিয়নের মুখপাত্র হামিদ হোসেইনির বরাত দিয়ে এ তথ্য প্রকাশ করে দ্য ফিন্যান্সিয়াল টাইমস।

মুখপাত্র বলেন, প্রতি ব্যারেল তেলের জন্য ১ ডলার খরচ হবে এবং জাহাজগুলোকে তারা কী বহন করছে সে তথ্য ইরানি কর্তৃপক্ষকে ইমেইলের মাধ্যমে জানাতে হবে।

হোসেইনি বলেন, ই-মেইল পাওয়ার পর এবং ইরান যাচাই শেষ করলে, জাহাজগুলোকে কয়েক সেকেন্ডের মধ্যে বিটকয়েনে অর্থ পরিশোধ করতে হবে, যাতে নিষেধাজ্ঞার কারণে তা অনুসরণ বা জব্দ করা না যায়।

তিনি আরও জানান, এ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে যাতে কোনো অস্ত্র এই জলপথ দিয়ে পরিবহন করা না হয়।

তিনি বলেন, সব কিছুই যেতে পারবে, তবে প্রতিটি জাহাজের জন্য প্রক্রিয়াটি সময় নেবে এবং ইরান তাড়াহুড়ো করছে না।

এদিকে বুধবার (৮ এপ্রিল) ট্রাম্প বলেন, র বিষয়টি বিবেচনা করছে। তিনি এবিসি নিউজের সাংবাদিক জনাথন কার্লকে বলেন, ‘আমরা এটিকে একটি যৌথ উদ্যোগ হিসেবে করার কথা ভাবছি। এটি নিরাপত্তা নিশ্চিত করার একটি উপায় এবং অন্যদের থেকেও সুরক্ষা দেবে। এটি একটি ভালো বিষয়।’

হরমুজ প্রণালি ইরানের উপকূলের কাছে একটি গুরুত্বপূর্ণ তেল পরিবহন পথ। যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে এটি কার্যত বন্ধ। ফলে তেলের দাম বেড়ে গেছে। কারণ আগে বিশ্বের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ তেল এই পথ দিয়ে পরিবাহিত হতো।

মঙ্গলবার (৮ এপ্রিল) সন্ধ্যায় ইরানের ওপর হামলা স্থগিত করবেন বলে ঘোষণা দেন ট্রাম্প। এর পরপরই তেলের দাম কমতে শুরু করে।

একজন জ্যেষ্ঠ ইরানি কর্মকর্তা রয়টার্সকে জানান, ইরান বৃহস্পতি বা শুক্রবার যুক্তরাষ্ট্রের কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকের আগে সীমিতভাবে, ইরানের নিয়ন্ত্রণে প্রণালিটি খুলে দিতে পারে।

অন্যদিকে দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল জানিয়েছে, ইরান মধ্যস্থতাকারীদের বলেছে যে তারা টোল আদায় করবে এবং প্রতিদিন প্রায় ১২টি জাহাজ চলাচলের সীমা নির্ধারণ করবে।