শেয়ার বাজার

ফরিদপুরের মধুখালীতে খালেদা জিয়ার রোগ মুক্তি ও সুস্থতা কামনায় ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: বুধবার, ৩ এপ্রিল ২০২৪

ফরিদপুরের মধুখালীতে খালেদা জিয়ার রোগ মুক্তি ও সুস্থতা কামনায় ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত

ফরিদপুরের মধুখালীতে বিএনপির চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার রোগ মুক্তি ও সুস্থতা কামনায় ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। 

বুধবার (৩ এপ্রিল) মধুখালী পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠ প্রাঙ্গণে উপজেলা বিএনপির সভাপতি রাকিব হোসেন চৌধুরী ইরানের সভাপতিত্বে ও উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক হায়দার আলী মোল্লার সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ফরিদপুর জেলা বিএনপির আহব্বায়ক এডভোকেট সৈয়দ মোদাররেস আলী ইছা বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, 

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন  ফরিদপুর জেলা বিএনপির সদস্য সচিব এ,কে এম কিবরিয়া স্বপন, কৃষকদলের কেন্দ্রীয় কমিটির সহ- সভাপতি খন্দকার নাসিরুল ইসলাম, ফরিদপুর জেলা বিএনপির যুগ্ন আহব্বায়ক আলী আসরাফ নান্নু, মধুখালী পৌর বিএনপির সভাপতি শাহাবুদ্দীন আহমেদ সতেজ, ফরিদপুর জেলা বিএনপির সহ- সভাপতি আব্দুল আলীম মানিক,  কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সাবেক সহ- সাংগঠনিক সম্পাদক মাফুজুর রহমান মাফুজ, জেলা সেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব  শাহারির শিথিল, জেলা বিএনপির ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক কায়েস, মধুখালী উপজেলা যুবদলের আহব্বায়ক এস এম মুক্তার উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব তারিকুল ইসলাম ইনামুল,  মধুখালী উপজেলা জামাতে ইসলামির আমির মাওঃ আলীমুজ্জামান, মধুখালী কৃষকদলের আহব্বায়ক মেহেদী হাসান মুন্নু সদস্য সচিব শেখ তানভীর আহম্মেদ শিমুল  মধুখালী উপজেলা সেচ্ছাসেবক দলের আহ্বান আকরাম হোসেন  পৌর সেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব ইমাম হোসেন, উপজেলা সেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব জহুরুল ইসলাম লিটনসহ এসময় উপজেলা ও বিভিন্ন ইউনিয়নে ছাত্রদল যুবদল কৃষকদল শ্রমিকদল তাতীঁদল সেচ্ছাসেবক দলসহ অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।

Dummy Ad 1

ভোটের পর আ’লীগের দ্বিতীয় যৌথসভা বুধবার, সভাপতিত্ব করবেন কাদের

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১৫ জানুয়ারি, ২০২৪

ভোটের পর আ’লীগের দ্বিতীয় যৌথসভা বুধবার, সভাপতিত্ব করবেন কাদের

বার্তাবেলা ডেস্ক: দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনের পর দলের শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে ঢাকা মহানগর উত্তর-দক্ষিণ আওয়ামী লীগ ও সব সহযোগী সংগঠনের সভাপতি-সাধারণ সম্পাদকদের নিয়ে দ্বিতীয় যৌথসভা ডেকেছে আওয়ামী লীগ। বুধবার (১৭ জানুয়ারি) বিকেল সাড়ে ৩টায় বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এ সভা অনুষ্ঠিত হবে।

সোমবার (১৫ জানুয়ারি) আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

এতে বলা হয়, বুধবার আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে দলের শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ আওয়ামী লীগ এবং সহযোগী সংগঠনগুলোর সভাপতি-সাধারণ সম্পাদকদের যৌথসভা অনুষ্ঠিত হবে। এতে সভাপতিত্ব করবেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।


শহীদদের রক্তের ঋণ শোধে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার ডাক তারেক রহমানের

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২৫ ডিসেম্বর, ২০২৫

শহীদদের রক্তের ঋণ শোধে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার ডাক তারেক রহমানের

১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধ থেকে শুরু করে ২০২৪ সালের গণআন্দোলন- দুই সময়ের শহীদদের রক্ত ঝরানোর ধারাবাহিকতাকে এক সুতোয় গেঁথে বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ রাজনীতির দিকনির্দেশনা দিয়েছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।

তিনি মৌলিক অধিকার পুনরুদ্ধার, গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা এবং সব ধর্ম ও শ্রেণি-পেশার মানুষকে সঙ্গে নিয়ে নিরাপদ রাষ্ট্র গঠনের আহ্বান জানিয়ে বলেছেন, শহীদদের রক্তের ঋণ শোধ করার একমাত্র পথ হলো ঐক্যবদ্ধ হয়ে প্রত্যাশিত বাংলাদেশ গড়ে তোলা।

বৃহস্পতিবার বিকেলে রাজধানীর ৩০০ ফিট এলাকায় বিএনপি আয়োজিত গণসংবর্ধনা অনুষ্ঠানে তারেক রহমান এসব কথা বলেন।

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বলেন, ১৯৭১ সালে এই দেশের মানুষ যেমন স্বাধীনতা অর্জন করেছিল, ২০২৪ সালে ছাত্র-জনতা, কৃষক, শ্রমিক, গৃহবধূ, নারী-পুরুষ, মাদ্রাসার ছাত্রসহ দলমত ও শ্রেণি-পেশা নির্বিশেষে সব মানুষ ৫ আগস্ট দেশের স্বাধীনতা এবং সার্বভৌমত্ব রক্ষা করেছিল।

নিরাপদ দেশ গড়া

তারেক রহমান বলেন, ‘বাংলাদেশের মানুষ আজ তাদের মৌলিক অধিকার পুনরুদ্ধার করতে চায়। কথা বলার অধিকার ফিরে পেতে চায়। গণতান্ত্রিক অধিকার ফিরে পেতে চায়। মানুষ চায় তারা তাদের যোগ্যতা অনুযায়ী ন্যায্য অধিকার পাবে।’

‘আজ আমাদের সময় এসেছে সকলে মিলে দেশ গড়ার। এই দেশে যেমন পাহাড়ের মানুষ আছে, একইভাবে সমতল মানুষ আছে। এই দেশে মুসলমান, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান, হিন্দুসহ বিভিন্ন ধর্মের মানুষ বসবাস করে। আমরা চাই সকলে মিলে এমন একটি বাংলাদেশ গড়ে তুলবো, যে বাংলাদেশের স্বপ্ন একজন মা দেখেন। অর্থাৎ একটি নিরাপদ বাংলাদেশ আমরা গড়ে তুলতে চাই। যে বাংলাদেশে একজন নারী, একজন পুরুষ, একজন শিশু- যেই হোক না কেন নিরাপদে ঘর থেকে বের হলে যেন নিরাপদে ইনশাআল্লাহ ঘরে আবার ফিরে আসতে পারে,’ যোগ করেন তিনি।

প্রত্যাশা পূরণ

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান দেশের বিভিন্ন জনগোষ্ঠীর কথা তুলে ধরে বলেন, ‘এই দেশের জনসংখ্যার অর্ধেক নারী, চার কোটির বেশি তরুণ প্রজন্মের সদস্য, পাঁচ কোটির মতো শিশু, ৪০ লাখের মতো প্রতিবন্ধী মানুষ ও কয়েক কোটি কৃষক শ্রমিক রয়েছেন। এই মানুষগুলোর প্রত্যাশা আছে রাষ্ট্রের কাছে। আকাঙ্ক্ষা আছে দেশের কাছে। আজ আমরা সকলে যদি ঐক্যবদ্ধ হই, যদি সকলে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হই, তাহলে এই লাখ-কোটি মানুষের প্রত্যাশাগুলো পূরণ করতে পারি ইনশাআল্লাহ।’

রক্তের ঋণ শোধ

মুক্তিযুদ্ধ ও সাম্প্রতিক আন্দোলনের শহীদদের কথা স্মরণ করে তারেক রহমান বলেন, ‘১৯৭১ সালে আমাদের শহীদরা নিজের জীবন উৎসর্গ করেছিলেন এরকম একটি বাংলাদেশ গঠনের জন্য।’

তিনি অভিযোগ করেন, ১৫ বছরের স্বৈরাচারের আমলে হাজারো মানুষ গুম-খুনের শিকার হয়েছে। শুধু রাজনৈতিক দলের সদস্য নয়, নিরীহ মানুষও প্রতিবাদ করতে গিয়ে অত্যাচার ও নির্যাতনের শিকার হয়েছে, জীবন দিয়েছে।

২০২৪ সালের আন্দোলন প্রসঙ্গে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বলেন, ‘আমরা দেখেছি তরুণ প্রজন্মের সদস্যরা কীভাবে নিজের জীবন উৎসর্গ করেছে দেশের স্বাধীনতা এবং সার্বভৌমত্ব রক্ষা করার জন্য।’

সম্প্রতি নিহত শরিফ ওসমান হাদির প্রসঙ্গ টেনে তারেক রহমান বলেন, ‘কয়েক দিন আগে এই বাংলাদেশের ২৪-এর আন্দোলনের সাহসী প্রজন্মের সাহসী সদস্য ওসমান হাদিকে হত্যা করা হয়েছে। ওসমান হাদি শহীদ হয়েছে। ওসমান হাদি চেয়েছিল এই দেশের মানুষের জন্য গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হোক। এই দেশের মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার প্রতিষ্ঠিত হোক। এই দেশের মানুষ তাদের গণতান্ত্রিক এবং অর্থনৈতিক অধিকার ফিরে পাক।’

সব শহীদের রক্তের ঋণ শোধ করার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ‘২৪-এর আন্দোলনে যারা শহীদ হয়েছেন ওসমান হাদিসসহ, ৭১-এ যারা শহীদ হয়েছেন, বিগত স্বৈরাচারের সময় বিভিন্নভাবে খুন-গুমের শিকার হয়েছেন। এই মানুষগুলোর রক্তের ঋণ শোধ করতে আসুন আমরা প্রত্যাশিত বাংলাদেশ গড়ে তুলবো। যেখানে আমরা সকলে মিলে কাজ করবো। যেখানে আমরা সকলে মিলে আমাদের প্রত্যাশিত বাংলাদেশ গড়ে তুলব।’

ধৈর্য ধারণের আহ্বান

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বলেন, ‘আধিপত্যবাদী শক্তির ভক্ত-চরেরা বিভিন্নভাবে ষড়যন্ত্রে এখন লিপ্ত রয়েছে। আমাদের ধৈর্যশীল হতে হবে, ধৈর্য ধারণ করতে হবে।’

তরুণ প্রজন্মের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘আপনারাই আগামী দিনে দেশকে নেতৃত্ব দেবেন, দেশকে গড়ে তুলবেন। এই দায়িত্ব তরুণ প্রজন্মের সদস্যদের আজ গ্রহণ করতে হবে। যাতে করে এই দেশকে আমরা সুন্দরভাবে গড়ে তুলতে পারি। শক্ত গণতান্ত্রিক ও শক্তিশালী অর্থনৈতিক ভিত্তির ওপর গড়ে তুলতে পারি।’

এসময় মঞ্চে উপস্থিত নেতাদের কথা উল্লেখ করে তারেক রহমান বলেন, ‘আমার সাথে আজকে মঞ্চে বহু জাতীয় নেতৃবৃন্দ বসে আছেন। আসুন আজকে আমরা দুহাত তুলে আল্লাহর দরবারে দোয়া করে আল্লাহর রহমত চাই। যে জাতীয় নেতৃবৃন্দ মঞ্চে আছেন, বাইরে আছেন, আমরা সকলে মিলে নেতৃত্ব দিয়ে জনগণের প্রত্যাশিত বাংলাদেশ গড়ে তুলতে চাই।’

দেশের শান্তি রক্ষার ওপর গুরুত্ব দিয়ে তিনি বলেন, ‘আমাদের যেকোনো মূল্যে দেশের শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষা করতে হবে। যেকোন উসকানির মুখে ধীর-শান্ত থাকতে হবে। আমরা দেশের শান্তি চাই, আমরা দেশের শান্তি চাই, আমরা দেশের শান্তি চাই।’

আই হ্যাভ এ প্ল্যান

যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক অধিকার আন্দোলনের নেতা মার্টিন লুথার কিংয়ের কথা উল্লেখ করে তারেক রহমান বলেন, ‘তার একটি বিখ্যাত ডায়ালগ আছে- আই হ্যাভ অ্যা ড্রিম। আজ এই বাংলাদেশের মাটিতে দাঁড়িয়ে আপনাদের সকলের সামনে আমি বলতে চাই, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের একজন সদস্য হিসেবে আপনাদের সামনে আমি বলতে চাই- আই হ্যাভ অ্যা প্ল্যান ফর দ্য পিপল অব মাই কান্ট্রি, ফর মাই কান্ট্রি।’

এই পরিকল্পনা দেশের মানুষের স্বার্থে, দেশের উন্নয়নের জন্য, দেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন জন্য বাস্তবায়ন করতে প্রত্যেক মানুষের সহযোগিতা লাগবে বলে উল্লেখ করে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান।

তিনি আরও বলেন, ‘আপনারা যদি আমাদের পাশে থাকেন, আমাদের সহযোগিতা করেন, ইনশাআল্লাহ আমরা ‘আই হ্যাভ এ প্ল্যান’ বাস্তবায়ন করতে সক্ষম হবো।’


ন্যায়ের আলোকে দেশ পরিচালনা
তারেক রহমান বলেন, ‘আসুন আমরা আল্লাহ রাব্বুল আলামিনের দরবারে হাত তুলে প্রার্থনা করি- হে রাব্বুল আলামিন, একমাত্র মালিক, একমাত্র পরওয়ারদিগার, একমাত্র রহমতদানকারী, একমাত্র সাহায্যকারী, আজ আপনি যদি আমাদের রহমত দেন, তাহলে আমরা এই দেশের মানুষ কঠোর পরিশ্রম করার মাধ্যমে আমাদের প্রত্যাশিত বাংলাদেশ গড়ে তুলতে পারবো। আজ যদি আল্লাহর রহমত এই দেশ ও দেশের মানুষের পক্ষে থাকে, আল্লাহর সাহায্য ও দয়া এই দেশ ও দেশের মানুষের ওপর থাকে, ইনশাআল্লাহ আমরা প্রত্যাশিত বাংলাদেশ গড়ে তুলতে সক্ষম হবো।’

‘আসুন আমরা সকলে মিলে প্রতিজ্ঞা করি, ইনশাআল্লাহ আগামী দিনে দেশের দায়িত্বে যারা আসবে, আমরা সকলে নবী করিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের যে ন্যায়পরায়ণতা সেই ন্যায়পরায়ণতার আলোকে দেশ পরিচালনার সর্বোচ্চ চেষ্টা করবো, যোগ করেন তিনি।

খালেদা জিয়ার জন্য দোয়া কামনা
নিজের মা খালেদা জিয়ার প্রসঙ্গ টেনে তারেক রহমান বলেন, ‘এই একটি মানুষ, যে মানুষটি এই দেশের মাটি, এই দেশের মানুষকে নিজের জীবনের থেকেও বেশি ভালোবেসেছেন। তার সাথে কী হয়েছে আপনারা প্রত্যেকে সে সম্পর্কে অবগত আছেন। সন্তান হিসেবে আপনাদের কাছে চাইবো, আজ আল্লাহর দরবারে আপনারা দোয়া করবেন যাতে আল্লাহ ওনাকে তৌফিক দেন, উনি যাতে সুস্থ হতে পারেন।’

নিজের অনুভূতির কথা তুলে ধরে তারেক রহমান বলেন, ‘সন্তান হিসেবে আমার মন মায়ের বিছানার পাশে পড়ে আছে সেই হাসপাতালের ঘরে। কিন্তু সেই মানুষটি যাদের জন্য জীবন উৎসর্গ করেছেন, অর্থাৎ আপনারা, সেই মানুষগুলোকে আমি কোনোভাবেই ফেলে যেতে পারিনি। সেজন্যই আজ হাসপাতালে যাওয়ার আগে আপনাদেরসহ টেলিভিশনগুলোর মাধ্যমে যারা সমগ্র বাংলাদেশে আমাকে দেখছেন, সবার কাছে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করার জন্য আমি এখানে দাঁড়িয়েছি আপনাদের সামনে।’

শান্তি ও নিরাপত্তার প্রতি গুরুত্ব
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বলেন, ‘আমরা যে ধর্মের মানুষ হই, যে শ্রেণির মানুষ হই, যে রাজনৈতিক দলের সদস্য হই, অথবা একজন নির্দলীয় ব্যক্তি হই- আমাদের নিশ্চিত করতে হবে যেকোনো মূল্যে দেশের শান্তি-শৃঙ্খলাকে ধরে রাখতে হবে। যেকোনো মূল্যে যেকোনো বিশৃঙ্খলাকে পরিত্যাগ করতে হবে। যেকোনো মূল্যে নিশ্চিত করতে হবে মানুষ যাতে নিরাপদ থাকতে পারে। শিশু হোক, নারী হোক, পুরুষ হোক, যেকোনো বয়স, শ্রেণি, পেশা ও ধর্মের মানুষ যেন নিরাপদ থাকে, এই হোক আমাদের চাওয়া আজকে।’

তিনি সবাইকে মিলে কাজ করার জন্য প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান। সেই সঙ্গে এভাবে বরণ করে নেওয়ার জন্য সবার কাছে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

মতপার্থক্য থাকলেও যেন মতবিভেদ না হয়: তারেক রহমান

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১০ জানুয়ারি, ২০২৬

মতপার্থক্য থাকলেও যেন মতবিভেদ না হয়: তারেক রহমান

মতপার্থক্য থাকলেও যেন মতবিভেদ না হয়—সে জন্য আলোচনার মাধ্যমে সমস্যা সমাধানের তাগিদ দিয়েছেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। শনিবার (১০ জানুয়ারি) দুপুরে রাজধানীর বনানীর একটি হোটেলে গণমাধ্যম ব্যক্তিত্বদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি।

বিএনপির চেয়ারম্যানের দায়িত্ব নেওয়ার পর প্রথম বক্তব্যে তারেক রহমান বলেন, বর্তমান বাস্তবতায় ৫ আগস্টের আগে ফিরে তাকানোর সুযোগ নেই। যে কোনো মূল্যে দেশকে গণতান্ত্রিক ধারায় রাখতে হবে।

জবাবদিহিতা নিশ্চিতের ওপর জোর দিয়ে নিজের ও বিএনপির পরিকল্পনার কিছু অংশ তুলে ধরেন বিএনপি চেয়ারম্যান। দেশকে এগিয়ে নিতে ঐক্যবদ্ধ হয়ে সবাইকে কাজ করার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, বিগত সরকারের আমলে মতবিরোধের বাজে দৃষ্টান্ত দেখেছে দেশ। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি দেশ গণতন্ত্রের দিকে যাবে বলেও আশা প্রকাশ করেন তিনি।

কর্মসংস্থানের মাধ্যমে দেশকে এগিয়ে নিতে না পারলে সব অর্জন ধ্বংস হয়ে যাবে উল্লেখ করে তারেক রহমান বলেন, বিএনপি বিজয়ী হলে নারী, কৃষক, প্রবাসী, তরুণসহ সব নাগরিকের জীবনমান উন্নয়নে নানান পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হবে। দেশ পুনর্গঠনে গণমাধ্যমকর্মীরা দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করবেন বলেও প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন বিএনপি চেয়ারম্যান।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত বিএনপির নেতার মধ্যে ছিলেন—মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য ও নির্বাচন পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম খান, স্থায়ী কমিটির সদস্য মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ (বীর বিক্রম), আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, সালাহউদ্দিন আহমদ, ড. আব্দুল মঈন খান, মির্জা আব্বাস এবং গয়েশ্বর চন্দ্র রায়।

এছাড়া উপস্থিত ছিলেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ড. আসাদুজ্জামান রিপন, যুগ্ম মহাসচিব ড. হুমায়ূন কবির, বিএনপি চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা ও নির্বাচন পরিচালনা কমিটির মুখপাত্র ড. মাহদী আমিন, বিএনপি চেয়ারম্যানের প্রেস সচিব সালেহ শিবলী, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ইসমাইল জবিউল্লাহ, আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক ব্যারিস্টার নাসির উদ্দীন অসীম এবং চেয়ারম্যানের একান্ত সচিব এ বি এম আব্দুস সাত্তার।

গণমাধ্যম প্রতিনিধিদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন— দৈনিক যুগান্তরের সম্পাদক ও বিএনপির উপদেষ্টা কাউন্সিলের সদস্য কবি আব্দুল হাই শিকদার, আমাদের সময় পত্রিকার সাবেক নির্বাহী সম্পাদক এহসান মাহমুদ, দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ডের এডিটর ইনাম আহমেদ, দৈনিক ইত্তেফাকের সম্পাদক তাসমিমা হোসেন, বাংলাদেশ টেলিভিশনের মহাপরিচালক মাহাবুবুল আলম, রয়টার্সের সিনিয়র সাংবাদিক রুমা পল, মানবজমিন পত্রিকার সম্পাদক মতিউর রহমান, জাগো নিউজ ২৪ ডটকম-এর সম্পাদক কে এম জিয়াউল হক, ডেইলি স্টারের সম্পাদক ও প্রকাশক মাহফুজ আনাম এবং নাগরিক টিভির প্রধান বার্তা সম্পাদক দ্বীপ আজাদ।

এছাড়া বিভিন্ন জাতীয় ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সম্পাদক ও সাংবাদিকসহ আনুমানিক ৩০০ থেকে ৩৫০ জন গণমাধ্যমকর্মী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।