শেয়ার বাজার

মানসিক প্রশান্তি খুঁজতে ৯০ শতাংশ মানুষ পরকীয়া করেন, বলছে সমীক্ষা

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৪

মানসিক প্রশান্তি খুঁজতে ৯০ শতাংশ মানুষ পরকীয়া করেন, বলছে সমীক্ষা

বার্তাবেলা ডেস্ক: বিবাহবহির্ভূত বা পরকীয়া সম্পর্ক দাম্পত্য জীবনে ক্ষতিকর প্রভাব ফেলে। এর পরিণতি কখনো কখনো হতে পারে মারাত্মক। দাম্পত্য জীবনে অশান্তি, মনোমালিন্য, মতের অমিল, একে অপরকে সময় না দেওয়া ইত্যাদি কারণে পরকীয়া সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন অনেকেই। 

সাম্প্রতিক বিভিন্ন গবেষণা জানাচ্ছে, যারা ঘন ঘন ভ্রমণ করেন বা বাড়ির বাইরে থাকতে পছন্দ করেন, তারা বিবাহবহির্ভূত সম্পর্কে খুব সহজেই জড়িয়ে পড়েন।

তবে পরকীয়া সব সময় শারীরিক আকর্ষণেই গড়ে ওঠে তা কিন্তু নয়। সমীক্ষা বলছে, বেশিরভাগ বিবাহবহির্ভূত সম্পর্ক যৌন আসক্তি বা যৌন মিলনের বিষয়ে নয় বরং মানসিক প্রশান্তির সঙ্গে যুক্ত।

আরও পড়ুন: হাঁটু মুড়ে বসে কেন প্রোপোজ করা হয়?

একটি গবেষণা বলছে, মাত্র ১০ শতাংশ বিবাহবহির্ভূত সম্পর্ক যৌন মিলনের ওপর ভিত্তি করে গড়ে ওঠে। অন্যদিকে ৯০ শতাংশ বিবাহবহির্ভূত সম্পর্কে মানুষ জড়িয়ে পড়েন মানসিক প্রশান্তি খুঁজতে। বিবাহবহির্ভূত সম্পর্ক গড়ে তোলার আরও একটি কারণ হলো দাম্পত্য জীবনে একঘেয়েমি বোধ করা।

‘গ্লিডেন’ নামক ফ্রান্সভিত্তিক বিবাহবহির্ভূত সম্পর্কের একটি ডেটিং অ্যাপের ২০ শতাংশই ভারতীয়। এটি ভারতে একটি সমীক্ষা চালায় ও নারীদের জিজ্ঞাসা করে, কেন তারা স্বামীর সঙ্গে প্রতারণা করছেন।

আরও পড়ুন: প্রিয়জনকে চুমু দিলে কী কী হয় জানলে অবাক হবেন

সমীক্ষা বলছে, বিবাহবহির্ভূত সম্পর্কের কারণে ২০-৪০ শতাংশ বিবাহবিচ্ছেদ ঘটে। যদিও অনেক দম্পতিই তাদের সামাজিক সম্মান, সন্তানের ভবিষ্যৎ কিংবা পরিবারের কথা চিন্তা করে বিবাহবিচ্ছেদ থেকে সরে দাঁড়ান।

গ্যালাপ পোলের একটি সমীক্ষা বলছে, আমেরিকার ৯১ শতাংশ পুরুষ ও নারী উভয়ই বিশ্বাসঘাতকতাকে নৈতিকভাবে ভুল বলে মনে করেন। বিবাহবহির্ভূত সম্পর্ক পরিবার, বিবাহ ও সম্পর্কের ভিত্তির জন্য হুমকিস্বরূপ। এটি নৈতিক মূল্যবোধের অনুপস্থিতি ও বিশ্বাসভঙ্গের ফলাফল।

বিজ্ঞানীদের মতে, বিবাহবহির্ভূত সম্পর্ক মূলত প্যাথলজিক্যাল। যাই হোক, পরকীয়া এড়ানোর সমাধান হলো দম্পতিদের মধ্যে ভালো বোঝাপোড়া, মানসিক, আধ্যাত্মিক ও শারীরিক সংযোগ থাকা।

Dummy Ad 1

আলুতে ভেজাল আছে কি না, কীভাবে বুঝবেন

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১২ জানুয়ারি, ২০২৬

আলুতে ভেজাল আছে কি না, কীভাবে বুঝবেন

রান্নায় আলু ছাড়া ভাবতেই পারি না। বাড়িতে সবজি না থাকলেও ঝুড়িতে আলু থাকা বাধ্যতামূলক। রান্না করতে ইচ্ছে না হলেও এই আলু অনেকের ভরসা। আলু এমন একটি সবজি, যা যে কোনো ধরনের খাবারের সঙ্গে সহজেই মিশে যায়। বিশ্বব্যাপী এই সবজি অত্যন্ত জনপ্রিয় এবং প্রচুর পরিমাণে ব্যবহারের কারণে এর চাহিদা সবসময়ই থাকে।

কিন্তু আজকাল অধিকাংশ খাবারে ভেজাল মেশানো হয়। এতে ক্ষতিকর রাসায়নিক থাকলে স্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকি তৈরি হয়। তাই প্রতিবার আলু ব্যবহার করার আগে যাচাই করা জরুরি। কৃত্রিম রং এবং রাসায়নিক সরাসরি কিডনি ও লিভারের ওপর প্রভাব ফেলতে পারে। এছাড়া ভেজাল আলু দিয়ে তৈরি খাবার খাওয়ার ফলে পেট ফাঁপা, কোষ্ঠকাঠিন্য এবং ক্ষুধা হ্রাসের মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে।

আসুন জেনে নেওয়া যাক আলু পরীক্ষা করবেন যেভাবে-

রং পরীক্ষা করে

মাটি মাখা আলু বিক্রি করেন। কিনে এনে প্রথমে পানিতে চুবিয়ে রাখুন। এতে সব ময়লা ও মাটি পরিষ্কার হয়ে যাবে এরপর আলুর খোসা ছাড়িয়ে দু’ভাগে কেটে দেখুন। সাধারণ আলুর বাইরের অংশ ও ভেতরের অংশে তেমন কোনো পার্থক্য থাকে না। কিন্তু যদি আলুতে ভেজাল মেশানো থাকে, তাহলে বাইরের অংশ গাঢ় এবং ভেতরের অংশ হালকা রঙের হয়। বিশেষ করে ভেতরে হালকা সাদা ভাব থাকলে বুঝবেন এতে ভেজাল রয়েছে।

আলুর ঘ্রাণ শুঁকে

আলু কিনতে গেলে প্রথমেই ঘ্রাণ নিয়ে দেখুন। সাধারণ আলুতে মাটির হালকা ঘ্রাণ থাকে। কিন্তু যদি ঘ্রাণ কড়া বা ঝাঁঝালো হয়, তাহলে বুঝবেন এতে রাসায়নিক মেশানো থাকতে পারে। আলুর খোসা ছাড়ানোর পরে বা কাটার পরে এই ঘ্রাণ আরও তীব্র হয়ে ওঠে। এভাবে সহজেই বোঝা যায় যে আলুতে ভেজাল আছে কি না।

পানিতে ডুবিয়ে দিয়ে

একটি বালতিতে পানি নিন এবং আলুগুলো এতে ডুবিয়ে দিন। যদি আলু আসল হয়, তা ডুবে যাবে। আর যদি ভেজাল মেশানো আলু হয়, তা পানিতে ভেসে উঠে। এভাবে খুব সহজেই আলুর বিশুদ্ধতা পরীক্ষা করা যায়।

অস্বাভাবিক চকচকে

আসল আলুর ত্বক সাধারণত কিছুটা রুক্ষ এবং পাতলা হয়, তাই হালকাভাবে ঘষতে হয়। কিন্তু যদি ত্বক অস্বাভাবিকভাবে মসৃণ, ঘন হয়ে থাকে বা খুব সহজে উঠে যায়, তবে এটি সতর্ক হওয়ার বিষয়। এছাড়া আলুর রং বা দাগ যদি অস্বাভাবিকভাবে উজ্জ্বল বা লালাভ দেখায়, তাহলে বোঝা যায় এতে রাসায়নিক মিশ্রণ রয়েছে। এমন আলু স্বাস্থ্য ও ত্বকের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে, তাই কেনার আগে রং ও দাগ ভালোভাবে পরীক্ষা করা জরুরি।


প্লাস্টিক দূষণ নিয়ন্ত্রণে আইনের কঠোর প্রয়োগ নিশ্চিত করুন : টিআইবি

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১৬ জুন, ২০২৩

প্লাস্টিক দূষণ নিয়ন্ত্রণে আইনের কঠোর প্রয়োগ নিশ্চিত করুন : টিআইবি

বিশ্বের প্রথম দেশ হিসেবে ২০০২ সালে বাংলাদেশে পলিথিন শপিং ব্যাগ নিষিদ্ধ হলেও ‘‘পরিবেশ সংরক্ষণ আইন, ১৯৯৫’’- এ সিঙ্গেল ইউজ প্লাস্টিক ও লেমিনেটেড প্লাস্টিকের ব্যবহার নিষিদ্ধ না হওয়ায় ফলে ‘‘প্লাস্টিক দূষণ’’ অব্যাহত থাকায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)। বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে অনতিবিলম্বে প্লাস্টিকের বেআইনি উৎপাদন, বাজারজাতকরণ ও ব্যবহার রোধে পরিবেশ সংরক্ষণ আইন, ১৯৯৫-এর ৬(ক) ধারা সংশোধন, দূষণ-কর আরোপ এবং প্লাস্টিক দূষণের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান ও প্রকল্পের জবাবদিহির লক্ষ্যে পরিবেশ আইনের কার্যকর প্রয়োগ নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে আহ্বান জানাচ্ছে সংস্থাটি।

বৈশ্বিক মোট প্লাস্টিক দূষণের ২.৪৭ শতাংশ বাংলাদেশে হয়ে থাকে উল্লেখ করে টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, ‘পলিথিনের ব্যবহার নিষিদ্ধ করে আইন করা হলেও, কার্যকর প্রয়োগের অভাবে প্লাস্টিক থেকে পরিবেশ দূষণ শুধু অব্যাহতই নয় বরং উদ্বেগজনকভাবে বৃদ্ধি-ই পেয়েছে। প্লাস্টিক বর্জ্যসহ ব্যাপকভাবে বর্জ্য ফেলার কারণে বুড়িগঙ্গা, তুরাগ, বালু, শীতলক্ষ্যা ও কর্ণফুলী নদী বাংলাদেশের অন্যতম দূষিত নদীতে পরিণত হয়েছে। প্লাস্টিক দূষণের কারণে আমাদের বাস্তুতন্ত্র ও ভূমির ব্যাপক দূষণ ঘটায় গাছপালা ও অন্যান্য প্রাণীর অস্তিত্ব আজ হুমকির সম্মুখীন। এ ছাড়া জৈব রাসায়নিক সারে প্রচুর পরিমাণে মাইক্রোপ্লাস্টিক থাকায়, তা কৃষিকাজে ব্যবহারের ফলে স্থায়ীভাবে মাটি দূষিত হচ্ছে।’

পরিবেশ দূষণ রোধে পিছিয়ে থাকা দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান চতুর্থ, এনভায়রনমেন্টাল পারফরমেন্স ইনডেক্স (ইপিআই)-২০২২ এর এই তথ্য উল্লেখ করে ড. ইফতেখারুজ্জামান বলছেন, ‘প্লাস্টিক পণ্য উৎপাদন ও ব্যবহার হ্রাস এবং প্লাস্টিক বর্জ্যরে সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনার জন্য প্লাস্টিক দূষণসংক্রান্ত বিধিমালা অবিলম্বে প্রণয়ন করতে হবে। পাশাপাশি সম্ভাব্য ক্ষেত্রসমূহে প্লাস্টিকের ব্যবহার নিষিদ্ধ ও সীমিত করাসহ প্লাস্টিকের পরিবেশবান্ধব প্রাকৃতিক বিকল্প এবং বায়েডিগ্রেডেবল প্লাস্টিক উৎপাদনে প্রণোদনা ও উৎসাহ প্রদানে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে। একইসঙ্গে প্লাস্টিকের বেআইনি উৎপাদন, বাজারজাতকরণ ও ব্যবহার রোধে দূষণ-কর প্রয়োগসহ আইনের কঠোর প্রয়োগ, প্রয়োজনে বিদ্যমান আইন সংস্কার করে শাস্তির পরিমাণ বৃদ্ধি ও তার লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে।’

সম্প্রতি বাংলাদেশ সরকার প্লাস্টিক দূষণ মোকাবেলায় বিশ্ব ব্যাংক প্রণীত একটি অ্যাকশন প্ল্যান নীতিগতভাবে গ্রহণের পাশাপাশি জেলা কার্যালয় ও প্রতিষ্ঠানসমূহে ‘‘সিঙ্গেল ইউজ প্লাস্টিক’’ ব্যবহার বর্জনের যে নির্দেশনা প্রদান করেছে, তা যেন শুধু ‘‘কাগজে-কলমে’’ সীমাবদ্ধ না থাকে, সে ব্যাপারে সংশ্লিষ্টদের আন্তরিক হওয়ার আহ্বান জানাচ্ছে টিআইবি। একইসঙ্গে প্লাস্টিক দূষণ মোকাবেলায় গৃহীত সকল কর্মকাণ্ডে সাধারণ জনগণসহ সংশ্লিষ্ট সকল অংশীজনের অর্থবহ সচেতনতা ও কার্যকর অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে হবে। পাশাপাশি প্লাস্টিক দূষণ রোধে ব্যবহৃত তহবিলসহ সার্বিকভাবে পরিবেশ সুরক্ষা কার্যক্রম বাস্তবায়নে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে হবে। সর্বোপরি, আইন ভঙ্গকারী এবং প্লাস্টিক দূষণের সঙ্গে জড়িত ব্যাক্তি, প্রতিষ্ঠান ও প্রকল্পের কার্যকর জবাবদিহি নিশ্চিত করার জন্য টিআইবি জোর দাবি জানাচ্ছে।


মাছের মাথা খেলে কী কী হয়?

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২৯ জানুয়ারি, ২০২৪

মাছের মাথা খেলে কী কী হয়?

মাছে ভাতে বাঙালি। মাছ না হলে অর্ধেক দিন খাবার হজম করা মুশকিল হয় অনেকেরই। অনেকের আবার প্রতিদিনই মাছের কোনো না কোনো পদ রাখতে হয় পাতে।

তবে এর মধ্যে অনেকে আছেন যারা মাছের মাথাটা খেতে বেশি ভালবাসেন। মাছের মাথার স্বাদ রীতিমতো সুস্বাদু। তবে মাছের মাথা খাওয়া শরীরের জন্য কতটা ভালো?

বিশেষজ্ঞদের মতে, মাছের মাথা থেকে প্রায় সবরকম পুষ্টিগুণই পাওয়া যায়। এতে ক্যালোরির পরিমাণ বেশি থাকে আবার স্বাস্থ্যকর ফ্যাটও বেশি থাকে।

আরও পড়ুন: স্তন্যদান নিয়ে ৭টি ভুল ধারণা এবং যেসব বিষয় আপনার জানা উচিৎ

মাছের মাথায় কোলেস্টেরল ও স্যাচুরেটেড ফ্যাটের পরিমাণও অনেকটাই কম। মাছের মাথা সোডিয়াম ও পটাশিয়ামের গুণে সমৃদ্ধ। এতে তেমন কার্বোহাইড্রেট নেই। বরং প্রোটিন আছে অনেকটাই।

মাছের মাথা খাবেন কেন ?

মানসিক অবসাদ কমায়

মাছের মাথায় একটা বিশেষ ধরনের ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড রয়েছে। এটির নাম ডোকোসাহেক্সাইনোয়িক অ্যাসিড। এটি মানসিক অবসাদ কমাতে সাহায্য করে।

হার্টের রোগ দূর করে

হার্ট ভাল রাখতে সাহায্য করে মাছের মাথা। এর মধ্যে স্যাচুরেটেড ফ্যাট ও কোলেস্টেরলের পরিমাণ একেবারেই কম। তাই মাছের মাথা খেলে হার্টের রোগের ঝুঁকি কমে।

মানসিক চাপ

মানসিক চাপ বা মেন্টাল স্ট্রেস কমাতেও মাছের মাথার বড় ভূমিকা রয়েছে। ওমেগা থ্রি অ্যাসিডই এর কারণ।