শেয়ার বাজার

ডেঙ্গুতে মৃত্যু ৩০০ ছুঁইছুঁই

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১০ অক্টোবর, ২০২৬

ডেঙ্গুতে মৃত্যু ৩০০ ছুঁইছুঁই

এডিস মশাবাহিত ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়ে দেশে মৃতের সংখ্যা দিন দিন বাড়ছে। একদিনে মারা গেছেন আরও চারজন। এ নিয়ে চলতি বছর মোট ২৯৯ জনের মৃত্যু হলো।

এছাড়া হাসপাতালে নতুন রোগী ভর্তি হয়েছেন এক হাজার ৬৩১ জন। এর ফলে এবার মোট ভর্তি হলেন ৯৭ হাজার ৮২ জন।

শনিবার (১০ অক্টোবর) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুমের ডেঙ্গু-সংক্রান্ত ড্যাশবোর্ড থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানায়, নতুন মারা যাওয়া চারজনের মধ্যে দুজন পুরুষ ও দুজন নারী।

মোট মারা যাওয়া ব্যক্তিদের তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, ২৯৯ জনের মধ্যে নারী ৫১ দশমিক ৯ শতাংশ এবং পুরুষ ৪৮ দশমিক ১ শতাংশ।

মাসের হিসাব অনুযায়ী, জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারিতে দুজন করে, মার্চ ও এপ্রিলে শূন্য, মে মাসে এক ও জুনে ১৩ জন প্রাণ হারান। এরপর পরিস্থিতির অবনতি হতে থাকে। জুলাইয়ে ৩৬ এবং আগস্টে ৪৩ জন মারা যান।

সেই তুলনায় সেপ্টেম্বরে অবস্থার আরও অবনতি ঘটে। প্রাণহানি হয় ১৪৮ জনের। আর চলতি অক্টোবরে এখন পর্যন্ত মৃত্যু হয়েছে ৫৪ জনের। এর মধ্যে একদিনে সর্বোচ্চ ১০ জন মারা যান ৬ অক্টোবর।

ঢাকা বিভাগের ক্ষেত্রে দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) আওতাধীন হাসপাতালে ৮০, উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) আওতাধীন হাসপাতালে ৩৬ ও সিটি করপোরেশনের বাইরে ১৭ জন প্রাণ হারিয়েছেন। সেই সঙ্গে খুলনায় ৬১, চট্টগ্রাম ও বরিশালে ২৬ জন করে, ময়মনসিংহে ২৩, রাজশাহীতে ২১, রংপুরে ছয় ও সিলেটে তিনজন মারা গেছেন।

রোগীর মাসভিত্তিক হিসাব মতে, অক্টোবরে এখন পর্যন্ত ১৭ হাজার ৪৬২ জন ডেঙ্গু নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। আগের মাস সেপ্টেম্বরে এই সংখ্যা ছিল ৪৩ হাজার ৭৭৪ জন।

এর আগে জানুয়ারিতে এক হাজার ৮১, ফেব্রুয়ারিতে ৪০৯, মার্চে ৩৫৩, এপ্রিলে ৬৪০, মে মাসে ৭১৪, জুনে দুই হাজার ৯০৭, জুলাইয়ে নয় হাজার ২০৬ ও আগস্টে ২০ হাজার ৫৩৬ জন হাসপাতালে আসেন। তাদের মধ্যে ছাড়পত্র পেয়েছেন ৮৯ হাজার ৩৮০ জন।


প্রধানমন্ত্রীকে একনজর দেখতে সৈয়দপুরের পথে পথে মানুষের ঢল

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২০ অক্টোবর, ২০২৬

প্রধানমন্ত্রীকে একনজর দেখতে সৈয়দপুরের পথে পথে মানুষের ঢল

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সফরকে কেন্দ্র করে সৈয়দপুরে উৎসাহ-উদ্দীপনা বিরাজ করছে। নীলফামারীর সৈয়দপুর বিমানবন্দর ও সংলগ্ন সড়কগুলোতে প্রধানমন্ত্রীকে একনজর দেখার জন্য সকাল থেকেই ভিড় করছেন হাজার হাজার সাধারণ মানুষ ও দলীয় নেতাকর্মী।

মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) সকাল ১০টার দিকে বিশেষ সামরিক বিমানযোগে তিনি সৈয়দপুর বিমানবন্দরে অবতরণ করবেন। সৈয়দপুর বিমানবন্দরে অবতরণের পর তিনি সড়কপথে রংপুরের ঐতিহাসিক ধর্মসভা ও কালিমন্দির পরিদর্শন করবেন। পরবর্তীতে সেখান থেকে রাজশাহী যাওয়ার কথা রয়েছে তার।

প্রধানমন্ত্রীর এই সফরকে কেন্দ্র করে নিরাপত্তার পাশাপাশি পুরো উত্তরাঞ্চলজুড়ে বইছে আনন্দঘন পরিবেশ। সৈয়দপুর বিমানবন্দর থেকে শুরু করে কামারপুকুর, চিকলী এবং সংলগ্ন ঢাকা-রংপুর মহাসড়কের দু’পাশে দীর্ঘ লাইন ধরে দাঁড়িয়ে থাকা অসংখ্য সাধারণ মানুষ, নারী-শিশু এবং উৎফুল্ল দলীয় নেতাকর্মীরা প্রধানমন্ত্রীকে একনজর দেখার জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছেন।

প্রধানমন্ত্রীর এই সফরকে কেন্দ্র করে সৈয়দপুর ও রংপুরে কঠোর নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে।


চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষায় যাতায়তে রাঙ্গুনিয়ায় ফ্রি বাস।

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ০২ মার্চ, ২০২৪

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষায় যাতায়তে রাঙ্গুনিয়ায় ফ্রি বাস।

রাংগুনিয়া প্রতিনিধি: চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষায় রাঙ্গুনিয়ার শিক্ষার্থীদের যাতায়াতের সুবিধার জন্য পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও  রাঙ্গুনিয়া স্টুডেন্টস ফোরামের প্রধান পৃষ্টপোষক ড. হাছান মাহমুদ এমপি'র তত্ত্বাবধানে ফ্রি বাস সাভিস চালু করা হয়েছে।  

বাস সার্ভিস চালু হওয়ায় রাঙ্গুনিয়া থেকে ভর্তি পরীক্ষায় যাতায়াতে শিক্ষার্থীদের পথের দূর্ভোগটা কমবে।’

শনিবার (২ মার্চ) সকালে  “রাঙ্গুনিয়া স্টুডেন্ট ফোরাম চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়” সংগঠনের উদ্যোগে এ. বি.সি.ও ডি. ইউনিটে ৪ দিনের ফ্রি বাস সার্ভিস চালু করা হয়। ভর্তি পরীক্ষা চলাকালীন “রাঙ্গুনিয়া স্টুডেন্ট ফোরাম চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়” সংগঠনের সহযোগিতায় প্রতিদিন বাস সার্ভিস রাঙ্গুনিয়ার রোয়াজারহাট থেকে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় যাবে।

কয়েক বছর ধরে রাঙ্গুনিয়ার শিক্ষার্থীদের জন্য সেবাটি চলছে। বাস সার্ভিস উদ্বোধনীতে  উপস্থিত ছিলেন উপজেলা যুবলীগের শাখার সভাপতি বি. কে লিটন চৌধুরী, উপজেলা ছাত্রলীগে সভাপতি রাসেল রাসু,রাঙ্গুনিয়া স্টুডেন্ট'স ফোরাম চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক সভাপতি মোস্তফা আজিজ, সাবেক সাধারণ সম্পাদক সাবিনা চৌধুরী, বর্তমান সভাপতি মুহাম্মদ আবু মোকাররম দস্তগীর, সাধারণ সম্পাদক পলাশ বড়ুয়া প্রমুখ। বাসটি ৪৫ জনের বেশি শিক্ষার্থীও অভিভাবককে নিয়ে ট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে গমন করে।