শেয়ার বাজার

আপনার ফোন হ্যাকারের নিয়ন্ত্রণে কি না বুঝবেন যেভাবে

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: শনিবার, ২১ ডিসেম্বর ২০২৪

আপনার ফোন হ্যাকারের নিয়ন্ত্রণে কি না বুঝবেন যেভাবে

সারাক্ষণ স্মার্টফোন ব্যবহার করছেন। কারো সঙ্গে যোগাযোগ করা, শপিং করে বিল মেটানো থেকে শুরু করে বাস-ট্রেনের টিকিট কাটা, সিনেমা দেখা সবই সম্ভব এক স্মার্টফোনে। তাই তো বলা যায়, সঙ্গে স্মার্টফোন থাকলে আর কিছুই লাগে না।

দিনের বেশিরভাগ সময় কাটছে স্মার্টফোন নিয়ে। স্মার্টফোন যে কোনো সময় হ্যাক হয়ে যাচ্ছে। বিভিন্নভাবে হ্যাকাররা ফাঁদ পেতে রাখে। অ্যাপ যতই আন-ইনস্টল করুন বা ফোন রিস্টার্ট দিন না কেন, তাতে হ্যাক হওয়া থেকে মুক্ত হওয়া যায় না। তবে আপনার ফোন হ্যাকারের নিয়ন্ত্রণে আছে কি না তা কিন্তু বুঝতে পারবেন একটু সচেতন হলেই।

আসুন জেনে নেওয়া যাক কী কী বিষয়ে নজর দিলেই ব্যাপারটি আপনি বুঝতে পারবেন-

>> ফোন চার্জ দেওয়ার কিছুক্ষণের মধ্যেই চার্জ তলানিতে এসে ঠেকেছে। ফোন হ্যাক করলেও এই সমস্যা দেখা দিতে পারে। তবে ফোন খারাপ হলেই যে এমন হতে পারে। এর কারণ এমন কোনো অ্যাপ্লিকেশন চলছে, তার জন্যই এই সমস্যা। আর এই অ্যাপ্লিকেশনের মাধ্যমেই হয়তো কোনো হ্যাকর হানা দিয়েছে আপনার ফোনে।

>> অনেক ক্ষণ ধরে ফোনে কথা বললে মুঠোফোন গরম হয়ে যাওয়া খুবই সাধারণ বিষয়। কিন্তু যদি দেখা যায় ফোন নিয়ে বিন্দুমাত্রও ঘাঁটাঘাঁটি করলেন না অথচ ফোন খুব গরম হয়ে গেল! এরকম যদি হয় তা হলেও কিন্তু সাবধান হয়ে যাওয়াই ভালো।

>> ফোনে দেখবেন মাঝে-মধ্যেই মেসেজ বা পপ আপ আসতে থাকে। তা হলে আগে থেকেই সাবধান হয়ে যান। যদি দেখেন বিভিন্ন রকম অযাচিত ও অশ্লীল নোটিফিকেশন ফোনে আসতে শুরু করে দিয়েছে, তা হলেও সতর্ক হোন।

>> ফোন যদি হঠাৎ করে নিজে থেকেই রিস্টার্ড হতে শুরু করে দিয়েছে, বা নিজে থেকেই অ্যাপ ইনস্টলড হতে শুরু করে, তা হলে বুঝবেন লক্ষণ খুব একটা সুবিধার নয়৷

>> যদি হঠাৎ দেখেন ফোন হয়তো নিজে থেকই কোনো অ্যাপ ইনস্টলড হতে শুরু করে। তা হলে বুঝবেন সমস্যা আছে। এমনো হতে পারে ফোনে নিজে থেকেই কোনো নম্বর ডায়াল হয়ে যাচ্ছে বা কোনো অ্যাপ নিজে থেকেই খুলে যাচ্ছে। তেমন হলে বুঝতে হবে আপনার মুঠোফোনের নিয়ন্ত্রণ এরই মধ্যে হয়তো অন্য কারো হাতে চলে গেছে।

>> যদি দেখেন, আপনার ফোন থেকে আপনারই ঘনিষ্ঠদের ফোনে কল ও মেসেজ চলে যাচ্ছে। বা নিজে থেকেই পোস্ট হয়ে যাচ্ছে, তখনই সাবধান হোন।

>> যদি ফোনের গ্যালারিতে অচেনা কারো ছবি রয়েছে অথবা সন্দেহজনক ছবি আপনার ফোনে আচমকাই চলে আসছে। আপনার ফোনের ক্যামেরার ফ্ল্যাশও যদি আপনি হাত না লাগাতেই অন হয়ে যায়, তাহলে আপনাকে বুঝতে হবে ফোনটি হয়তো কারো নিয়ন্ত্রণে আছে।

হ্যাকিং থেকে বাঁচতে-

অবশ্যই সবসময় সফটওয়্যার আপডেট করে রাখুন৷ ফোনে চেষ্টা করবেন ভালো কোম্পানির অ্যান্টিভাইরাস ইনস্টল করে রাখতে। অজানা কোনো অ্যাপ ইনস্টল না করাই ভালো। ডাউনলোড করার আগে ভালো করে দেখে নিন অ্যাপটি কে বা কারা তৈরি করেছে? রিভিউও দেখে নিন। অ্যাপটি ইনস্টল করার সময় যদি কিউআর কোড স্ক্যান করতে বলে, তা হলে বুঝবেন সেটি ভুয়া হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

ই-মেইল বা মেসেজে কোনো লিঙ্ক এলে সেটি খুলবেন না। যদি কোনো অ্যাপ ডাউনলোড করতে বলা হয়, তাহলে ভুলেও সেই ফাঁদে পা দেবেন না। এভাবেই ম্যালঅয়্যার ইনস্টল করিয়ে ফোন দখলে নেয় হ্যাকাররা। তাই সতর্ক থাকুন।


সূত্র: ইন্ডিয়া টাইমস

Dummy Ad 1

সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল কানের এআই লুক বানাবেন যেভাবে

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১৭ মে, ২০২৬

সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল কানের এআই লুক বানাবেন যেভাবে

প্রযুক্তির দুনিয়ায় এখন অসম্ভব বলে প্রায় কিছুই নেই। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই এখন শুধু তথ্য খোঁজার মাধ্যম নয়, বরং হয়ে উঠেছে ব্যক্তিগত স্টাইলিস্ট, ফটোগ্রাফার এমনকি ভার্চুয়াল গ্ল্যামার ডিজাইনারও। সঠিক প্রম্পট ব্যবহার করলেই মুহূর্তে বদলে যেতে পারে আপনার সাধারণ ছবি। আপনিও হয়ে উঠতে পারেন কান চলচ্চিত্র উৎসবের লাল গালিচার তারকা।

সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে ‘এআই কানস লুক’। যেখানে সাধারণ মানুষও এআইয়ের সাহায্যে তৈরি করছেন সেলিব্রিটি ধাঁচের গ্ল্যামারাস ছবি। ডিজাইনার পোশাক, বিলাসবহুল গয়না, সিনেম্যাটিক আলো কিংবা পাপারাজ্জিদের ফ্ল্যাশ সবকিছুই তৈরি হচ্ছে শুধু কয়েক লাইনের নির্দেশনায়।

রয়্যাল গোল্ডেন আওয়ার লুক

ভাবুন তো, কানের লাল গালিচায় আপনি হেঁটে চলেছেন। সূর্যাস্তের সোনালি আলো আপনার পোশাকে তৈরি করছে রাজকীয় আবহ। এআই দুনিয়ায় এই স্টাইলটি পরিচিত ‘রয়্যাল গোল্ডেন আওয়ার লুক’ নামে।

এই লুক তৈরি করতে লিখুন: Generate a Cannes Film Festival sunset red carpet scene with me walking confidently in a flowing designer outfit, warm golden sunlight, dramatic shadows, luxury photographers, cinematic atmosphere, realistic face details, fashion editorial style, ultra-HD.

লাক্সারি বলিউড স্টাইল পোর্ট্রেট

যারা বলিউড তারকাদের গ্ল্যামার পছন্দ করেন, তাদের জন্য এটি হতে পারে আদর্শ স্টাইল। ঝলমলে পোশাক, ডায়মন্ড জুয়েলারি আর সিনেম্যাটিক আলোয় নিজেকে একেবারে তারকার মতো দেখাতে পারবেন।

চ্যাটজিপিটিতে লিখুন: Create a glamorous Bollywood celebrity look at the Cannes Film Festival, detailed embroidery outfit, diamond accessories, dramatic makeup, soft spotlight lighting, cinematic photography, elegant luxury carpet background, realistic fashion magazine quality.

পাপারাজ্জি মোমেন্ট লুক

চারদিকে ক্যামেরার ফ্ল্যাশ, ভিড়ের মাঝখানে আপনি একেবারে হলিউড তারকার মতো অনুভূতি এনে দিতে পারে এই স্টাইল।

জেমিনিতে লিখুন: Generate a realistic Cannes Film Festival paparazzi moment with camera flashes everywhere, luxury evening gown/tuxedo, crowded celebrity background, cinematic motion blur, candid photography style, ultra-detailed face, glossy magazine aesthetic.

মিনিমাল এলিগ্যান্ট ফ্যাশন শুট

যারা অতিরিক্ত জাঁকজমক পছন্দ করেন না, তাদের জন্য রয়েছে মিনিমাল গ্ল্যামার লুক। সাধারণ কিন্তু অভিজাত স্টাইলেই এখানে ফুটে উঠবে ব্যক্তিত্ব।

জেমিনিতে লিখুন: Create a minimalist Cannes Film Festival portrait with clean fashion styling, neutral luxury outfit, soft studio-style lighting, elegant facial expression, premium cinematic photography, blurred red carpet background, high-detail realistic skin texture.

ড্রামাটিক নাইট গ্ল্যামার সিন

রাতের ঝলমলে আলো আর রহস্যময় ছায়ার মাঝে নিজেকে আরও আকর্ষণীয় করে তুলতে চাইলে এই স্টাইল হতে পারে সেরা।

জেমিনিতে লিখুন: Generate a dramatic night scene photo at the Cannes Film Festival with sparkling lights, black luxury outfit, reflective red carpet, celebrity crowd, cinematic shadows, realistic photography, luxury jewelry, ultra-HD fashion editorial quality.

ফিউচারিস্টিক এআই সেলিব্রিটি লুক

মেটালিক পোশাক, হলোগ্রাফিক আলো আর ভবিষ্যৎধর্মী ফ্যাশনের মিশেলে তৈরি এই লুক এখন বেশ ট্রেন্ডিং। প্রযুক্তি আর গ্ল্যামারের দুর্দান্ত সংমিশ্রণ এটি।

চ্যাটজিপিটিতে লিখুন: Create a futuristic Cannes Film Festival red carpet portrait with metallic designer outfit, holographic lighting, cyber-luxury fashion style, cinematic atmosphere, ultra-realistic face details, futuristic celebrity photography, dramatic camera flashes.

এআই এখন শুধু প্রযুক্তি নয়, এটি হয়ে উঠেছে ব্যক্তিগত সৃজনশীলতার নতুন হাতিয়ার। সঠিক প্রম্পট ব্যবহার করলেই আপনি মুহূর্তে তৈরি করতে পারবেন সিনেম্যাটিক, গ্ল্যামারাস এবং সোশাল মিডিয়ায় ভাইরাল হওয়ার মতো ছবি। তাই দেরি না করে আপনিও তৈরি করে ফেলতে পারেন নিজের স্বপ্নের কানস রেড কার্পেট লুক।


সারাদিন নেটফ্লিক্স দেখেন? আপনাকেও নেটফ্লিক্স সারাদিন দেখে

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১৩ মে, ২০২৬

সারাদিন নেটফ্লিক্স দেখেন? আপনাকেও নেটফ্লিক্স সারাদিন দেখে

ওটিটি প্ল্যাটফর্মগুলোর মধ্যে নেটফ্লিক্সের জনপ্রিয়তা দিনদিন বাড়ছে। মোবাইলের পাশাপাশি এখন স্মার্ট টিভির বড় পর্দাতেও ব্যবহারকারীরা উপভোগ করেন এই স্ট্রিমিং পরিষেবা। কিন্তু জানেন কি, নেটফ্লিক্স যে আপনার উপর নজরদারি চালায়।

ইউজারদের দীর্ঘ সময় স্ক্রিনে আটকে রাখার অভিযোগ নতুন নয়। আগে এমন সমালোচনার মুখে পড়েছে মেটা কিংবা ইউটিউব। এবার একই ধরনের অভিযোগে কাঠগড়ায় জনপ্রিয় স্ট্রিমিং প্ল্যাটফর্ম নেটফ্লিক্স। যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাস অঙ্গরাজ্যে প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে এরই মধ্যে মামলা দায়ের হয়েছে।

অভিযোগে বলা হয়েছে, ব্যবহারকারীদের অজান্তেই তাদের নানা ধরনের তথ্য সংগ্রহ করে নেটফ্লিক্স। এরপর সেই ডাটা বিশ্লেষণ করে এমনভাবে কনটেন্ট সাজানো হয়, যাতে দর্শকরা একের পর এক সিনেমা বা ওয়েব সিরিজ দেখতে থাকেন। সমালোচকদের দাবি, এই কৌশল ব্যবহারকারীদের মধ্যে এক ধরনের ডিজিটাল আসক্তি তৈরি করে, আর এর প্রভাব থেকে শিশুরাও বাদ যায় না।

মামলার নথিতে অভিযোগ করা হয়েছে, নেটফ্লিক্সের কৌশল খুবই সহজ শিশুসহ পুরো পরিবারকে স্ক্রিনের সামনে ধরে রাখো, তাদের তথ্য সংগ্রহ করো, তারপর সেই তথ্য থেকেই লাভবান হও।

আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম রয়টার্সের তথ্য অনুযায়ী, মামলাটি দায়ের করেছে টেক্সাস অ্যাটর্নি জেনারেল কেন প্যাক্সটনের কার্যালয়। অভিযোগের মূল কেন্দ্রবিন্দু হলো নেটফ্লিক্স কী ধরনের ব্যবহারকারী তথ্য সংগ্রহ করে এবং সেই তথ্য কীভাবে ব্যবহার করে। অভিযোগকারীদের দাবি, প্ল্যাটফর্মটি ব্যবহারকারীদের দেখার অভ্যাস, পছন্দ, কতক্ষণ কোন কনটেন্ট দেখা হচ্ছে এসব বিশ্লেষণ করে এমন একটি ব্যক্তিকেন্দ্রিক অভিজ্ঞতা তৈরি করে, যা দর্শকদের আরও বেশি সময় প্ল্যাটফর্মে ধরে রাখতে সহায়তা করে।

তবে বিশেষজ্ঞদের একাংশ বলছেন, নেটফ্লিক্স আপনাকে দেখছে-এ কথাটি আক্ষরিক অর্থে সত্য নয়। অর্থাৎ ক্যামেরা দিয়ে সরাসরি নজরদারি নয়, বরং ব্যবহারকারীর আচরণগত তথ্য বিশ্লেষণই এখানে মূল বিষয়। আপনি কী দেখছেন, কোথায় থামছেন, কোন ধরনের কনটেন্ট বেশি পছন্দ করছেন এসব তথ্যের ভিত্তিতেই সাজানো হয় আপনার হোমপেজের সুপারিশ তালিকা।

প্রযুক্তি বিশ্লেষকদের মতে, আধুনিক স্ট্রিমিং প্ল্যাটফর্মগুলোর বড় শক্তিই হলো এই অ্যালগরিদমভিত্তিক ব্যক্তিকেন্দ্রিক অভিজ্ঞতা। তবে প্রশ্ন উঠছে, ব্যবহারকারীদের মনোযোগ ধরে রাখার এই প্রতিযোগিতা ঠিক কোথায় গিয়ে সীমা অতিক্রম করছে।


এবার আপনার প্রশ্নের উত্তর দেবে গুগল ম্যাপ

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২১ এপ্রিল, ২০২৬

এবার আপনার প্রশ্নের উত্তর দেবে গুগল ম্যাপ

ডিজিটাল দুনিয়ায় পথ খোঁজা এখন আর কোনো ঝামেলার বিষয় নয়। গুগল ম্যাপস খুললেই মুহূর্তে মিলছে গন্তব্য, দূরত্ব, সময় আর রুটের হিসাব। তবে শুধু পথ দেখানোতেই থেমে থাকছে না এই অ্যাপ নতুন আপডেটে এটি হয়ে উঠছে আরও স্মার্ট, আরও ব্যক্তিগত সহকারী।

সম্প্রতি গুগল ম্যাপে যুক্ত হয়েছে ‘আস্কস ম্যাপস’ নামের একটি নতুন ফিচার, যা ব্যবহারকারীদের সরাসরি প্রশ্নের উত্তর দিতে সক্ষম। গুগল জেমিনি প্রযুক্তির সহায়তায় তৈরি এই ফিচারের মাধ্যমে ম্যাপের ভেতরেই চ্যাট বা ভয়েস মেসেজের মাধ্যমে যে কোনো প্রশ্ন করা যাবে। ফলে আর আলাদা করে সার্চ করতে হবে না আপনার প্রয়োজনীয় তথ্য নিজেই খুঁজে দেবে ম্যাপ।

ধরুন, আপনি নতুন কোনো এলাকায় গিয়েছেন এবং জানতে চান কোথায় ভালো খাবার পাওয়া যায়, কোন রেস্তোরাঁয় পার্কিং সুবিধা আছে, কোন রেস্তোরাঁয় স্থানীয় এবং জনপ্রিয় খাবার পাওয়া যাবে, কিংবা কোথায় বসে খাওয়ার পাশাপাশি লাইভ খেলা দেখা যাবে এই সব প্রশ্নের উত্তর এক জায়গাতেই পাওয়া যাবে। এমনকি বয়স্ক বাবা-মাকে নিয়ে ভ্রমণে গেলে কোথায় আরামদায়ক পরিবেশ পাওয়া যাবে, তাও জানিয়ে দেবে এই ফিচার।

আগেও গুগল ম্যাপ ব্যবহারকারীদের রিভিউ, রেটিং এবং ব্যক্তিগত সার্চ হিস্ট্রির ভিত্তিতে সাজেশন দিত। তবে নতুন ‘আস্কস ম্যাপস’ ফিচার সেই অভিজ্ঞতাকে আরও উন্নত করেছে। এখন ব্যবহারকারীর পছন্দ, অভ্যাস এবং পরিস্থিতি বুঝে রিয়েল-টাইমে আরও নির্ভুল ও প্রাসঙ্গিক তথ্য দেওয়া সম্ভব হচ্ছে।

বর্তমানে এই ফিচারটি ইংরেজি ভাষায় চালু হয়েছে। তবে খুব শিগগিরই আরও ভাষায়, বিশেষ করে হিন্দিতে এটি চালুর পরিকল্পনা রয়েছে। ফলে ভবিষ্যতে আরও বেশি ব্যবহারকারী সহজেই এই সুবিধা উপভোগ করতে পারবেন।

বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এই আপডেটের ফলে গুগল ম্যাপ আর শুধু একটি নেভিগেশন অ্যাপ নয় এটি হয়ে উঠছে একটি পূর্ণাঙ্গ ট্রাভেল গাইড। দৈনন্দিন জীবন থেকে শুরু করে ভ্রমণ সব ক্ষেত্রেই এটি ব্যবহারকারীদের সিদ্ধান্ত নিতে সাহায্য করবে দ্রুত ও সহজভাবে।