শেয়ার বাজার

গাবতলী-নারায়ণগঞ্জ মেট্রোরেল: ৪৬ হাজার কোটি টাকা ঋণের খোঁজে সরকার

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: শনিবার, ৩ অক্টোবর ২০২৬

গাবতলী-নারায়ণগঞ্জ মেট্রোরেল: ৪৬ হাজার কোটি টাকা ঋণের খোঁজে সরকার

যানজটের শহর রাজধানী ঢাকায় ভোগান্তি ছাড়া যাতায়াতের জন্য নির্ভরযোগ্য নাম হয়ে উঠেছে মেট্রোরেল হিসেবে পরিচিত ম্যাস র‌্যাপিড ট্রানজিট (এমআরটি)। উত্তরা থেকে মতিঝিল পর্যন্ত চলাচলকারী মেট্রোরেলের সফলতা সামনে রেখে আরও কয়েকটি এমআরটি লাইন বাস্তবায়ন করতে যাচ্ছে সরকার। যেগুলোর মাধ্যমে মহানগরীর সঙ্গে আশপাশের এলাকার যোগাযোগ হবে আরও দ্রুত।

এমনই একটি নিরাপদ, শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত, সময়-সাশ্রয়ী, বিদ্যুৎচালিত ও পরিবেশবান্ধব অত্যাধুনিক প্রকল্প নেওয়া হচ্ছে গাবতলী থেকে নারায়ণগঞ্জ পর্যন্ত। এমআরটি লাইন-২ হিসেবে পরিচিত এই মেট্রোরেল রুটের দৈর্ঘ্য হবে ৩০ দশমিক ৪০ কিলোমিটার। বাস্তবায়ন সময় নির্ধারণ করা হয়েছে ২০৩৬ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত।

প্রকল্পের মোট প্রাক্কলিত ব্যয় ধরা হয়েছে ৬০ হাজার ৯৬২ কোটি টাকা। এর মধ্যে সরকারি অর্থায়ন থাকবে ১৫ হাজার ৩৮ কোটি টাকা। বাকি ৪৫ হাজার ৯২৪ কোটি টাকা প্রকল্প ঋণ হিসেবে ধরা হয়েছে। এই ঋণের জন্য বর্তমানে উন্নয়ন সহযোগীর (ডিপি) খোঁজ করছে সরকার।

প্রকল্পের মোট প্রাক্কলিত ব্যয় ধরা হয়েছে ৬০ হাজার ৯৬২ কোটি টাকা। এর মধ্যে সরকারি অর্থায়ন থাকবে ১৫ হাজার ৩৮ কোটি টাকা। বাকি ৪৫ হাজার ৯২৪ কোটি টাকা প্রকল্প ঋণ হিসেবে ধরা হয়েছে। এই ঋণের জন্য বর্তমানে উন্নয়ন সহযোগীর (ডিপি) খোঁজ করছে সরকার। 

প্রকল্প প্রস্তাব এখন ফান্ড সার্চিং কমিটিতে

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, গাবতলী থেকে ঢাকা উদ্যান, মোহাম্মদপুর বাসস্ট্যান্ড, জিগাতলা, সায়েন্স ল্যাব, নিউমার্কেট, আজিমপুর, পলাশী, ঢাকা মেডিকেল কলেজ, গুলিস্তান, মতিঝিল, কমলাপুর, মান্ডা, দক্ষিণগাঁও, দামড়িপাড়া, সাইনবোর্ড, ভূইঘর ও জালকুড়ি হয়ে নারায়ণগঞ্জের তারাবো পর্যন্ত এই মেট্রোরেল চলাচল করবে। এর মধ্যে ২২ দশমিক ৯০ কিলোমিটার লাইন উড়াল সড়ক বা এলিভেটেড এবং সাড়ে সাত কিলোমিটার পাতাল বা মাটির নিচ দিয়ে যাবে।

অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী এ বিষয়ে প্রাথমিক উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাব (পিডিপিপি) অনুমোদন করেছেন। এখন বৈদেশিক ঋণ পেতে উন্নয়ন সহযোগী খোঁজার জন্য অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগে (ইআরডি) প্রকল্পটি পাঠানো হয়েছে। সেখানে এটি নিয়ে কাজ করছে ফান্ড সার্চিং কমিটি। চলতি মাসেই প্রকল্পের অর্থায়নের বিষয়ে ফান্ড সার্চিং কমিটি সভা করবে বলে জানা গেছে।

পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জাগো নিউজকে বলেন, ‘মেট্রোরেল-২ প্রকল্পের পিডিপিপি মন্ত্রী অনুমোদন করেছেন। এখন ডিপি (উন্নয়ন সহযোগী) খোঁজার জন্য পিডিপিপি ইআরডিতে পাঠানো হয়েছে।’

বিশ্বব্যাংক করবে স্বল্প অর্থায়ন

প্রকল্প সংশ্লিষ্টরা জানান, এমআরটি লাইন-২ প্রকল্পে ঋণ সহায়তার জন্য বিশ্বব্যাংক ও এশীয় অবকাঠামো বিনিয়োগ ব্যাংকের (এআইআইবি) সঙ্গে আলোচনা হয়েছে। বিশ্বব্যাংক সম্প্রতি মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে বৈঠক করেছে এবং প্রকল্পে অর্থায়নের ওপর একটি উপস্থাপনা দিয়েছে। বিশ্বব্যাংক স্বল্প পরিসরে অর্থায়ন করবে। সুতরাং এআইআইবিসহ আরও কিছু উন্নয়ন সহযোগী দরকার হবে। সে অনুযায়ী এমআরটি লাইন-২ প্রকল্পের পিডিপিপি পরিকল্পনা কমিশনে পাঠানো হয়। সেখানে পর্যালোচনা শেষ করে কমিশনের মতামত দিয়ে ইআরডিতে পাঠানো হয়েছে মূলত উন্নয়ন সহযোগীদের কাছ থেকে ঋণ সংগ্রহের জন্য।

প্রকল্পে বড় আকারে বৈদেশিক ঋণ দরকার হবে। বিশ্বব্যাংক ৭০ মিলিয়ন ডলার ঋণ দেবে। বাকি ঋণের বিষয়ে ফান্ড সার্চিং কমিটিতে আলোচনা হবে। মেট্রোরেল-২ নিয়ে দ্রুত সময়ে ফান্ড সার্চিং কমিটির বৈঠক হবে।- ইআরডির যুগ্মসচিব (বিশ্বব্যাংক) মো. আশফাকুল আমিন মুকুট

ইআরডির বিশ্বব্যাংক শাখা জানায়, সরকারি অর্থায়ন বাদ দিলে প্রকল্পটির জন্য ৩ দশমিক ৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের বেশি ঋণ প্রয়োজন। এক্ষেত্রে বিশ্বব্যাংক প্রাথমিকভাবে ৭০ মিলিয়ন ঋণ দেওয়ার নিশ্চয়তা দেবে। বাকি ঋণ কোথা থেকে মিলবে সেই বিষয়ে ছক কষছে ইআরডি।

কারিগরি সহায়তাও দেবে বিশ্বব্যাংক

পরিকল্পনা অনুযায়ী, এই মেট্রোরেল গাবতলী থেকে নারায়ণগঞ্জের তারাবো পর্যন্ত চলাচল করার কথা রয়েছে। যেখানে স্টেশন হবে ২৪টি। মাঝখানের স্টেশনের মধ্যে রয়েছে– ঢাকা উদ্যান, বসিলা মোড়, মোহাম্মদপুর বিআরটিসি বাসস্ট্যান্ড, জিগাতলা, সায়েন্স ল্যাব, নিউমার্কেট, আজিমপুর, লালবাগ, চকবাজার, মিটফোর্ড, নয়াবাজার, ধোলাইখাল, দয়াগঞ্জ, কাপ্তানবাজার ও ডেমরা। এছাড়া গুলিস্তান থেকে নয়াবাজার হয়ে সদরঘাট পর্যন্ত এর একটি শাখা লাইন নিয়ে যাওয়ারও প্রস্তাব রয়েছে।

প্রকল্পটি বাস্তবায়নের জন্য টেকনিক্যাল অ্যাসিস্ট্যান্স প্রজেক্ট প্রোফর্মার (টিএপিপি) আওতায় সম্ভাব্যতা সমীক্ষা, প্রাথমিক ও বিশদ নকশা প্রণয়ন এবং দরপত্র প্রস্তুত করতে সহায়তা করবে বিশ্বব্যাংক।

কর্মকর্তারা যা বলছেন

প্রকল্পের অর্থায়নের বিষয়ে যোগাযোগ করা হলে মেট্রোরেল পরিচালনাকারী সরকারি প্রতিষ্ঠান ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেডের (ডিএমটিসিএল) কোম্পানি সচিব মো. আব্দুল বাতেন ফকির কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।

তবে ইআরডির যুগ্মসচিব (বিশ্বব্যাংক) মো. আশফাকুল আমিন মুকুট জাগো নিউজকে বলেন, ‘মেট্রোরেল-২ প্রকল্পটি আমাদের কাছে এসেছে। প্রকল্পে বড় আকারে বৈদেশিক ঋণ দরকার হবে। বিশ্বব্যাংক ৭০ মিলিয়ন ডলার ঋণ দেবে। বাকি ঋণের বিষয়ে ফান্ড সার্চিং কমিটিতে আলোচনা হবে। মেট্রোরেল-২ নিয়ে দ্রুত সময়ে ফান্ড সার্চিং কমিটির বৈঠক হবে।’

Dummy Ad 1

জয়পুরহাটে আগুনে দগ্ধ হয়ে শিশুর মৃত্যু

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১৬ মার্চ, ২০২৪

জয়পুরহাটে আগুনে দগ্ধ হয়ে শিশুর মৃত্যু

জয়পুরহাট প্রতিনিধি: জয়পুরহাটে আগুনে দগ্ধ হয়ে তিন বছর বয়সী এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। আজ শুক্রবার সকালে জয়পুরহাট ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে চিকৎসাধীন অবস্থায় শিশুটি মারা যায়। তার নাম অর্ক। সে জয়পুরহাট সদর উপজেলার পারুলিয়া গ্রামের শয়ন মন্ডলের মেয়ে।

জয়পুরহাট সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি)  হুমায়ূন কবির বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

ওসি হুমায়ূন কবির জানান, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় অর্ক নিজ বাড়ির বারান্দায় খেলাধুলা করছিল। তখন পূজা দেওয়ার সন্ধ্যাবাতির আগুন লেগে দগ্ধ হয় অর্ক। শিশুটির চিৎকারে স্থানীয়রা তাকে জয়পুরহাট জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করেন।

সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শুক্রবার সকালে মারা যায় শিশুটি। তার মরদেহ বাড়িতে পাঠানো হয়েছে। শিশুটির মৃত্যুতে পুরো গ্রামে শোকের ছায়া নেমে এসেছে


নিয়োগপত্রের দাবিতে দ্বিতীয় দিনের মতো ৫১ প্রার্থীর অনশন

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

নিয়োগপত্রের দাবিতে দ্বিতীয় দিনের মতো ৫১ প্রার্থীর অনশন

চূড়ান্তভাবে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক পদে নিয়োগের জন্য সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েও নিয়োগপত্র না পাওয়ার প্রতিবাদে দ্বিতীয় দিনের মতো অনশন করেছেন জামালপুরের ৫১ চাকরি প্রার্থী।

বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) বেলা সাড়ে ১০টা থেকে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কার্যালয়ের সামনে অবস্থান নিয়ে অনশন শুরু করেন তারা।

অনশনকারীরা জানান, প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক নিয়োগে জামালপুর জেলায় ১৩৬ জন প্রার্থী চূড়ান্তভাবে নিয়োগের জন্য সুপারিশপ্রাপ্ত হন। এর মধ্যে প্রথম ধাপে ৮৪ জনকে নিয়োগপত্র দেওয়া হয়। পরে সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) আরও একজনকে নিয়োগপত্র দেওয়া হয়েছে। ফলে একই নিয়োগ প্রক্রিয়ায় চূড়ান্তভাবে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েও ৫১ জন এখনো নিয়োগপত্র পাননি।

নিয়োগপত্র না পাওয়ায় মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) থেকে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কার্যালয়ের সামনে অবস্থান নিয়ে অনশন কর্মসূচি পালন করছেন তারা। বুধবার দ্বিতীয় দিনের মতো কর্মসূচি অব্যাহত রাখেন অনশনকারীরা।

চূড়ান্ত সুপারিশপ্রাপ্ত মো. সোহেল আলম বলেন, একই নিয়োগ প্রক্রিয়ায় চূড়ান্তভাবে সুপারিশপ্রাপ্ত হওয়ার পরও ৫১ জনকে নিয়োগপত্র দেওয়া হয়নি। দ্রুত নিয়োগপত্র দিয়ে তাদের কর্মস্থলে যোগদানের সুযোগ দেওয়ার দাবি জানান তিনি।

চূড়ান্ত সুপারিশপ্রাপ্ত মোছা. রেবেকা বেগম বলেন, নিয়োগের জন্য সুপারিশপ্রাপ্ত হওয়ার পরও দীর্ঘদিন ধরে তারা অনিশ্চয়তার মধ্যে রয়েছেন। দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত কর্মসূচি চালিয়ে যাওয়ার কথা জানান তিনি।

জামালপুর জেলা সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. হারুন-অর-রশিদ বলেন, ‌‘৫১ জন প্রার্থীর বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’


ফরিদপুরের মধুখালীতে যুববকে কুপিয়ে হত্যা

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২২ মার্চ, ২০২৪

ফরিদপুরের মধুখালীতে যুববকে কুপিয়ে হত্যা

ফরিদপুরের মধুখালীতে ধারালো অস্ত্র দিয়ে যুবকে কুপিয়ে হত্যা, নিহত ব্যক্তির নাম নিজাম উদ্দিন (৩৫) নিজাম উদ্দিন উপজেলার রায়পুর ইউনিয়নের হাটঘাটা গ্রামের মানিক শেখের ছেলে। 

জানা যায়, বৃহস্পতিবার রাত আনুমানিক ১ টার দিকে নিজাম উদ্দিনের শ্বশুর বাড়ি থেকে তার শ্যালকসহ বেশ কয়েকজন নিজামের ঘরে ঢুকে তার স্ত্রীকে ঘর থেকে বের করে দেয় এবং নিজাম উদ্দিনকে ধারলো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে যখন করে পালিয়ে যায়।

নিহত নিজাম উদ্দিনের ছোট ভাই আজিম উদ্দিন বলেন, আমার বড় ভাইকে তার শ্যালক আশুারুল, ইলিয়াস, মামুন, হারুনসহ বেশ কয়েকজন মধ্যরাতে ঘরে ঢুকে এলোপাথাড়ি কুপিয়ে জখম করে। আমার ভাই নিজাম উদ্দিন তার শালিকা'কে নিয়ে ঝামেলা ছিলো শালিকাকে নিয়ে বেড়াতে যায় আমার ভাই তারপর তাকে নিয়ে রাতে আমাদের বাড়িতে চলে আসে এই খবর পেয়ে আমার ভাইয়ের শ্বশুর বাড়ি থেকে লোকজন শালিকাকে নিতে এসে ঘরে ঢুকে আমার ভাইকে কুপিয়ে হত্যা করে। আমি হত্যাকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানাই।

নিহত নিজাম উদ্দিনের শরীরে একাধিক জখমের চিহ্ন রয়েছে। তার শ্বশুর বাড়ি উপজেলার রায়পুর ইউনিয়নের দীঘলিয়া গ্রামে। রাতে আশঙ্কাজনক অবস্থায় নিজাম উদ্দিনকে ফরিদপুরে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল নিয়ে গেলে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় নেবার পথে মারা যান তিনি।

সকালে হত্যার সংবাদ পেয়ে মধুখালী থানা পুলিশ আসে পরে সিআইডির ক্রাইম সিন ইউনিট এসে লাশের সুরতহাল করে ফরিদপুর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করে।

এই বিষয়ে মধুখালী থানার অফিসার ইনচার্জ মিরাজ হোসেন বলেন, সকালে তথ্য পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠাই এখনও পর্যন্ত কেউ অভিযোগ দেইনি অভিযোগ দিলে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।