শেয়ার বাজার

ফয়জুর রহমান আইডিয়াল ইনস্টিটিউট
জাঁকজমক পূর্ণ-বার্ষিক-ক্রীড়া-প্রতিযোগিতার-পুরস্কার-বিতরণ অনুষ্ঠিত

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: বৃহঃস্পতিবার, ১ ফেব্রুয়ারি ২০২৪

জাঁকজমক পূর্ণ-বার্ষিক-ক্রীড়া-প্রতিযোগিতার-পুরস্কার-বিতরণ অনুষ্ঠিত

রাজধানীর ধানমন্ডিস্থ সুলতানা কামাল মহিলা ক্রীড়া কমপ্লেক্সে ফয়জুর রহমান আইডিয়াল ইনস্টিটিউটের ছাত্র-ছাত্রীদের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণ মঙ্গল ও বুধবার (৩০/৩১ জানুয়ারী ২০২৪ইং) অনুষ্ঠিত হয়েছে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ছাত্রীদের অনুষ্ঠানে অধ্যাপিকা হোসনে আরা, ভাষা ও শিক্ষা গবেষণা ইনস্টিটিউট, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়। এবং ছাত্রদের অনুষ্ঠানে অধ্যাপক ডাঃ মোঃ কামরুল ইসলাম, সার্জন-ইউরোলজি ট্রান্সপ্লান্ট, ডেলটা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, ঢাকা। 


বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অর্থপেডিক সার্জন ও দন্ত চিকিৎসক এবং ডাঃ ফয়জুর রহমান এর সুযোগ্য দুই সন্তান ডাঃ মোঃ এখলাস এবং  ডাঃ মোঃ এবাদ।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ত্ব করেন মোঃ রুহুল আমিন, প্রধান শিক্ষক, ফয়জুর রহমান আইডিয়াল ইনস্টিটিউট ও সভাপতি, ক্রিড়া সাংগঠনিক কমিটি।

অনুষ্ঠানে প্রধান মেহমান হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাপানি গবেষক ও অধ্যাপক। 



এছাড়াও অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত বিশেষ মেহমান হিসেবে পুরস্কার বিতরণ  করেন অত্র স্কুলের ম্যানেজিং কমিটির সাবেক অভিভাবক সদস্য মোঃ রকিব উদ্দিন। 

অনুষ্ঠানের সার্বিক ব্যবস্থাপনায় ছিলেন অত্র ইনস্টিটিউট এর সকল সিনিয়র শিক্ষকবৃন্দ।

Dummy Ad 1

এশিয়ার সেরা ১০০ বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলাদেশের একটিও নেই, ঢাবির অবস্থান ১৮৬

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২৩ জুন, ২০২৩

এশিয়ার সেরা ১০০ বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলাদেশের একটিও নেই, ঢাবির অবস্থান ১৮৬

তবে শীর্ষ ১০০ বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্য প্রতিবেশী দেশ ভারতের ৪টি ও পাকিস্তানের ১টি বিশ্ববিদ্যালয় আছে।

যুক্তরাজ্যভিত্তিক শিক্ষা সাময়িকী 'টাইমস হায়ার এডুকেশন' প্রকাশিত 'এশিয়া ইউনিভার্সিটি র‍্যাঙ্কিং ২০২৩'- এ সেরা ১০০ বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে বাংলাদেশের কোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নাম আসেনি।

তবে শীর্ষ ১০০ বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্য প্রতিবেশী দেশ ভারতের ৪টি ও পাকিস্তানের ১টি বিশ্ববিদ্যালয় আছে।

তালিকায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অবস্থান ১৮৬তম। আর ১৯২তম অবস্থানে আছে নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়।

গতকাল বৃহস্পতিবার এই তালিকা প্রকাশ করা হয়। র‍্যাঙ্কিংয়ে এশিয়ার সেরা বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে শীর্ষে আছে চীনের সিংহুয়া ও পিকিং বিশ্ববিদ্যালয়। আর এশিয়ার সেরা দশের মধ্যে চীনের ৪টি, হংকংয়ের ৩টি, সিঙ্গাপুরের ২টি ও জাপানের ১টি বিশ্ববিদ্যালয় রয়েছে।

এ বছর ১৩টি বিষয়কে পারফরম্যান্স ইন্ডিকেটর বিবেচনায় নিয়ে এশিয়ার সেরা বিশ্ববিদ্যালয়ের এই তালিকা করা হয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর পাঠদান, মৌলিক গবেষণা, জ্ঞান বিতরণের পদ্ধতি, আন্তর্জাতিক দৃষ্টিভঙ্গিসহ কয়েকটি বিষয় বিবেচনা করা হয়েছে এবারের তালিকায়।


বরাদ্দ অনিশ্চয়তায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ভোটকেন্দ্র প্রস্তুতে ‘অনীহা’

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১২ জানুয়ারি, ২০২৬

বরাদ্দ অনিশ্চয়তায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ভোটকেন্দ্র প্রস্তুতে ‘অনীহা’

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের বাকি মাত্র একমাস। এ নির্বাচনে দেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো ভোটকেন্দ্র হিসেবে ব্যবহার করা হবে। নির্বাচন কমিশন (ইসি) থেকে চিঠি দিয়ে প্রস্তুতি নিতে বলা হলেও তাতে নড়চড় নেই শিক্ষা প্রশাসনে। বরাদ্দের অনিশ্চয়তায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে ভোটকেন্দ্র প্রস্তুতে এক ধরনের ‘অনীহা’ দেখা যাচ্ছে।

শিক্ষা প্রশাসনের কর্মকর্তারা বলছেন, ভোটকেন্দ্র প্রস্তুতে সরকারি বরাদ্দের কোনো তথ্য তারা এখনো পাননি। বরাদ্দ নিয়ে এমন অনিশ্চয়তার কারণে প্রস্তুতি শুরু করাও সম্ভব হয়নি। ভোটকেন্দ্রের প্রস্তুতি শুধু চিঠি ইস্যুর মধ্যেই সীমাবদ্ধ। তবে কোনো কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান নিজ উদ্যোগ ও খরচে ভোটকেন্দ্র প্রস্তুতে কিছু কাজ করছে বলেও তথ্য পাওয়া গেছে।

ইসির চিঠি পেলেও মিলছে না বরাদ্দ

জানা যায়, গত ২৮ ডিসেম্বর নির্বাচন কমিশন সচিবালয় থেকে একটি চিঠি ইস্যু করা হয়। স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব ও শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলীকে এ চিঠি দেওয়া হয়েছে।

ভোটকেন্দ্র প্রস্তুতে কোনো বরাদ্দের বিষয়ে আমরা তথ্য পাইনি। কীভাবে ভোটকেন্দ্রগুলো মেরামত বা সংস্কার করা হবে, তা আমি বলতে পারছি না।- শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী মো. তারেক আনোয়ার জাহেদী

চিঠিতে বলা হয়েছে, জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে নির্বাচন কমিশন সূচি ঘোষণা করেছে। নির্বাচনে ভোটকেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত হয়—এমন প্রতিষ্ঠান বা স্থাপনাগুলো সংস্কার, মেরামত, ভোটকেন্দ্রে সিসি ক্যামেরা স্থাপন, রাস্তা সংস্কার বা মেরামতের প্রয়োজন হলে এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের সম্মতির প্রয়োজন হবে না বলে কমিশন সভায় সিদ্ধান্ত হয়েছে।

জানা যায়, সরকারি-বেসরকারি প্রাথমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয়, কলেজ এবং মাদরাসাগুলো মূলত ভোটকেন্দ্র হিসেবে ব্যবহার করা হবে। এর মধ্যে দেশের প্রাথমিক স্তরের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো নির্মাণ করে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি)। নিজস্ব প্রকৌশল বিভাগ না থাকায় এ দপ্তরের ওপর নির্ভরশীল তারা। অন্যদিকে, মাধ্যমিক পর্যায় ও কলেজ এবং মাদরাসা পর্যায়ের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর অবকাঠামোর সঙ্গে যুক্ত শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর।

জানতে চাইলে শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী মো. তারেক আনোয়ার জাহেদী  বার্তাবেলা নিউজকে বলেন, ‘ভোটকেন্দ্র প্রস্তুতে কোনো বরাদ্দের বিষয়ে আমরা তথ্য পাইনি। কীভাবে ভোটকেন্দ্রগুলো মেরামত বা সংস্কার করা হবে, তা আমি বলতে পারছি না।’

কিছু প্রতিষ্ঠান হয়তো পারবে, কিন্তু সেখানেও নিয়মের মারপ্যাঁচ রয়েছে। নির্বাচন কমিশন ও সরকারের যথাযথ কর্তৃপক্ষ ভোটকেন্দ্রের প্রস্তুতির দিকে নজর না দিলে ভোটের দিন লেজেগোবরে অবস্থা তৈরি হতে পারে।- ঢাকা জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা আব্দুল মজিদ

শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করে বার্তাবেলা নিউজকে বলেন, ‘নির্বাচন কমিশনের চিঠির পর সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোতে যোগাযোগ করা হয়। তাদের কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি। কেউ কেউ বলেছেন—ভোটকেন্দ্র প্রস্তুতে কোনো বরাদ্দ নেই। এ কারণে কোনো অর্থও দেওয়া সম্ভব নয়। এখন এ সংস্কার ও প্রস্তুতির কাজ কীভাবে করা হবে, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। বরাদ্দের এমন অনিশ্চয়তায় মূলত সবাই চুপ। কারও কোনো নড়চড় নেই।’

স্থানীয় সরকার প্রকৌশল (এলজিইডি) অধিদপ্তরের কয়েকজন কর্মকর্তার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলেও তারা এ বিষয়ে কিছু জানেন না বলে দাবি করেন। একই সঙ্গে বিষয়টি নিয়ে তারা গণমাধ্যমে কথা বলতে চান না বলে জানান।

ভোটকেন্দ্রে কোন ধরনের সংস্কার-প্রস্তুতি প্রয়োজন

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দেশের ৬৪ জেলায় ৩০০ আসনে ৪২ হাজার ৭৬১টি ভোটকেন্দ্র চূড়ান্ত করা হয়েছে। এর মধ্যে পুরুষদের জন্য এক লাখ ১৫ হাজার ১৩৭ এবং নারীদের জন্য এক লাখ ২৯ হাজার ৬০২ কক্ষ নির্ধারণ করা হয়েছে। মোট কক্ষের সংখ্যা ২ লাখ ৪৪ হাজার ৬৪৯টি।

বিষয়টি খোঁজ নিয়ে দেখতে হবে। বরাদ্দ না পাওয়ার প্রশ্নই আসে না। পয়ঃনিষ্কাশন, বৈদ্যুতিক সরঞ্জামাদিসহ আনুষঙ্গিক কেনাকাটা ও প্রস্তুতি শুরু হয়ে যাওয়ার কথা। শিগগির আমরা এ বিষয়ে অগ্রগতি জানতে চেয়ে চিঠি দেবো।- ইসি সচিব আখতার আহমেদ

এবার সংসদ নির্বাচন ও গণভোট একসঙ্গে অনুষ্ঠিত হবে। এজন্য ভোটগ্রহণের সময় বাড়ানো হয়েছে। সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত ভোটগ্রহণ করা হবে। কেন্দ্রে সাড়ে ৪টার মধ্যে প্রবেশ করা ভোটাদের ভোট গ্রহণে যত সময় লাগবে, তা নেওয়া হবে। ফলে ভোটগ্রহণ শেষ হতেই প্রায় ৫টা বাজবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এরপর ভোট গণনা শুরু হবে। সেটি করতেও অনেক সময় লাগবে। রাতেও কাজ চলবে।

পাশাপাশি ভোটগ্রহণের আগের দিন রাতে কেন্দ্রে সরঞ্জাম পাঠানো হবে। ভোটগ্রহণ কর্মকর্তা, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরাও কেন্দ্রে অবস্থান করবেন। ফলে দুই রাতের সম্পূর্ণ প্রস্তুতি থাকতে হবে। এছাড়া দিনের বেলায়ও ভোটকেন্দ্রের কক্ষ ও বুথগুলোতে বৈদ্যুতিক বাতির প্রয়োজন হতে পারে। এজন্য পর্যাপ্ত বৈদ্যুতিক বাতি, গোসলখানা, পয়ঃনিষ্কাশনের ব্যবস্থা থাকতে হবে।

শিক্ষক ও শিক্ষা কর্মকর্তারা জানান, উপজেলা পর্যায়ের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে বৈদ্যুতিক পাখা বা ফ্যান থাকলেও বাতির ব্যবস্থা নেই। কারণ স্কুলগুলোতে দিনের বেলা ক্লাস হয়। আবার পর্যাপ্ত পয়ঃনিষ্কাশন সুবিধাও অধিকাংশ প্রতিষ্ঠানে নেই। এসব বিষয়ে প্রস্তুতি ও সংস্কার করতে টাকা প্রযোজন। কিন্তু কর্তৃপক্ষের কোনো সাড়া না পাওয়ায় প্রধান শিক্ষক-অধ্যক্ষ ও শিক্ষা কর্মকর্তারা বেকায়দায় পড়েছেন।

নির্দেশনার অপেক্ষায় শিক্ষা কর্মকর্তারা

ভোটকেন্দ্র হতে পারে বা সক্ষমতা আছে এমন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের তালিকা জমা দিয়েছেন সব জেলার শিক্ষা কর্মকর্তারা। কিন্তু সংস্কারের কোনো আনুষ্ঠানিক নির্দেশনা পাননি তারা। কীভাবে, কত টাকা বরাদ্দ দেওয়া হবে, তা নিয়েও কোনো ধারণা নেই তাদের। প্রধান শিক্ষক ও অধ্যক্ষরাও বিষয়টি নিয়ে অন্ধকারে।

গাইবান্ধা জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মো. আতাউর রহমান সরকার বার্তাবেলা নিউজকে বলেন, ‘ভোটকেন্দ্র হতে পারে—এমন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের তালিকা চাওয়া হয়েছিল। আমরা তালিকা করে জমা দিয়েছি। কিন্তু কোনো বরাদ্দ বা সংস্কারের নির্দেশনা পাইনি। ফলে কোনো কেন্দ্র প্রস্তুতে পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে কি না, তা আমি জানি না। জেলা প্রশাসন হয়তো এটা জানাতে পারবেন।’

রাজবাড়ীর একটি কলেজের অধ্যক্ষ নাম প্রকাশ না করে বার্তাবেলা নিউজকে বলেন, ‘কেন্দ্রের তালিকায় আমাদের কলেজের নাম আছে। তবে আমরা কোনো প্রস্তুতি শুরু করতে পারিনি। আমাদের তহবিলে সংস্কারের জন্য তেমন টাকা নেই। নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় কিছু করতে হলে গভর্নিং বডির অনুমোদন লাগবে। এখন কলেজে গভর্নিং বডিও নেই। সেজন্য আমরা কোনো পদক্ষেপ নিতে পারছি না।’

ঢাকার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে চিঠি, নিজস্ব তহবিল থেকে খরচের নির্দেশ

ভোটকেন্দ্র প্রস্তুতি ঢাকা জেলা শিক্ষা অফিস থেকে গত ৬ জানুয়ারি সব শিক্ষা কর্মকর্তাকে নির্বাচনকালীন কার্যক্রমের জন্য একটি চিঠি দেওয়া হয়েছে। তাতে বরাদ্দের বিষয়ে সুস্পষ্ট নির্দেশনা নেই।

চিঠিতে বলা হয়েছে, যেসব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ভোটগ্রহণ করা হবে, সেখানে সিসি ক্যামেরা স্থাপন, সংস্কার বা মেরামত, বুথ ও আঙিনায় বৈদ্যুতিক বাতির ব্যবস্থা এবং টয়লেট সুবিধা নিশ্চিত করতে হবে। এক্ষেত্রে স্থানীয় সরকার বিভাগ ও শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরে যোগাযোগ করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে। সিসি ক্যামেরা ও বৈদ্যুতিক বাতির ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনে প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব তহবিল থেকে বিধি মোতাবেক খরচ করা যেতে পারে।

ঢাকা জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা আব্দুল মজিদ বার্তাবেলা নিউজকে বলেন, ‘আমরা চিঠি দিয়েছি ঠিক, তবে যেসব কাজ করতে বলা হয়েছে তা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পক্ষে নির্বাহ করা সম্ভব নয়। কিছু প্রতিষ্ঠান হয়তো পারবে, কিন্তু সেখানেও নিয়মের মারপ্যাঁচ রয়েছে। নির্বাচন কমিশন ও সরকারের যথাযথ কর্তৃপক্ষ ভোটকেন্দ্রের প্রস্তুতির দিকে নজর না দিলে ভোটের দিন লেজেগোবরে অবস্থার তৈরি হতে পারে।

ভোটকেন্দ্র প্রস্তুতে গড়িমসির বিষয়ে জানতে চাইলে ইসি সচিব আখতার আহমেদ বার্তাবেলা  নিউজকে বলেন, ‘ডিসেম্বরে আমরা চিঠি দিয়েছি। সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সিসি ক্যামেরা সচল করতে বলা হয়েছে। যেখানে নেই, সেখানে কিনতে বলা হয়েছে। এক্ষেত্রে কোনো বরাদ্দ প্রয়োজন হলে তা সরকারের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় দিতে বাধ্য থাকবে। আনুষঙ্গিক সব প্রস্তুতি তারা নেবেন। আমরা যতদূর জানি কাজ এগিয়ে চলেছে। তবে কেউ গড়িমসি করলে ইসি প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে।’

সংস্কার ও মেরামতের জন্য শিক্ষা কর্মকর্তারা বরাদ্দ পাননি বলে অভিযোগ করেছেন। এ প্রসঙ্গে ইসি সচিব বলেন, ‘বিষয়টি খোঁজ নিয়ে দেখতে হবে। বরাদ্দ না পাওয়ার প্রশ্নই আসে না। পয়ঃনিষ্কাশন, বৈদ্যুতিক সরঞ্জামাদিসহ আনুষঙ্গিক কেনাকাটা ও প্রস্তুতি শুরু হয়ে যাওয়ার কথা। শিগগির আমরা এ বিষয়ে অগ্রগতি জানতে চেয়ে চিঠি দেবো।’ 


সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে বৈষম্য চান না প্রধানমন্ত্রী: নওফেল

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২১ জানুয়ারি, ২০২৪

সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে বৈষম্য চান না প্রধানমন্ত্রী: নওফেল

বার্তাবেলা ডেস্ক: দেশের সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কোনো ধরনের বৈষম্য চান না বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল। তিনি বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী বলেছেন—বিশ্ববিদালয়গুলোর মধ্যে কোনো রকমের বৈষম্য থাকা উচিত নয়। সেটা হোক প্রাইভেট কিংবা পাবলিক।’

বুধবার (১৭ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে প্রাইভেট ইউনিভার্সিটি একাডেমিকদের সঙ্গে মতবিনিময়সভায় এসব কথা বলেন মন্ত্রী।

মহিবুল হাসান চৌধুরী বলেন, আমাদের দেশের প্রাইভেট ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থীরা এখন আন্তর্জাতিক চাকরির ক্ষেত্রে ভালো জায়গায় যেতে পারছেন। সবার জন্য উচ্চশিক্ষার সুযোগও সৃষ্টি করা সম্ভব হয়েছে।

সভায় শিক্ষামন্ত্রীর বিশ্ববিদ্যালয় পরিচালনায় ফ্যাকাল্টিদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার বিষয়ে গুরুত্বারোপ করেন। এ লক্ষ্যে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় আইন পরিবর্তন করার কথাও বলেন তিনি। একই সঙ্গে প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের চাকরি স্থায়ী করা এবং পেনশন দেওয়ার বিষয়টি বিবেচনা করার আহ্বান জানান মন্ত্রী।

ইন্ডাস্ট্রি ও একাডেমিয়ার সমন্বয়ের গুরুত্ব তুলে ধরে তিনি বলেন, ইন্ডাস্ট্রি একাডেমিয়া সমন্বয়ের বিষয়টি ভুলভাবে ব্যাখ্যা দেওয়া হয়। ইন্ডাস্ট্রি বলতে আমরা বুঝি ফিজিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ, মানে কলকারখানা। আমি বলছি— ভোকেশনের কথা। ভোকেশনের সঙ্গে একাডেমিয়ার লিংক বড় বিষয়।