শেয়ার বাজার

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়
পরীক্ষায় ৩০ মিনিট বেশি সময় পাবেন প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীরা

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৪ ডিসেম্বর ২০২৪

পরীক্ষায় ৩০ মিনিট বেশি সময় পাবেন প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীরা

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২৩ সালের স্নাতক দ্বিতীয় বর্ষ পরীক্ষায় অংশ নেওয়া পরীক্ষার্থীদের মধ্যে প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীরা নির্ধারিত সময়ের চেয়ে বাড়তি ৩০ মিনিট সময় বরাদ্দ পাবেন।

বৃহস্পতিবার (১৯ ডিসেম্বর) জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক মো. এনামুল করিমের সই করা চিঠি থেকে এ তথ্য জানা গেছে। চিঠিটি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে থাকা স্নাতক কলেজগুলোর কেন্দ্রসচিবকে পাঠানো হয়েছে।

চিঠিতে বলা হয়েছে, আপনার কলেজ কেন্দ্রে ২০২৩ সালের অনার্স দ্বিতীয় বর্ষ পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারী পরীক্ষার্থীদের মধ্যে প্রতিবন্ধী (অটিস্টিক, ডাউন সিনড্রোম, সেরিব্রাল পলসি) পরীক্ষার্থী থাকলে বর্ণিত শর্তে ৩০ মিনিট অতিরিক্ত সময় প্রাপ্য হবে।


শর্তগুলো হলো- সমাজসেবা অধিদপ্তর কর্তৃক প্রতিবন্ধী সনদ থাকতে হবে, পরীক্ষা শুরুর কমপক্ষে দু-দিন আগে অধ্যক্ষ বা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা প্রতিবন্ধী পরীক্ষার্থীদের তথ্য (প্রবেশপত্রের কপি ও প্রতিবন্ধী সনদের কপি) পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক বা সংশ্লিষ্ট উপ-পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক বরাবরে প্রেরণ করতে হবে।

তাছাড়া প্রতিবন্ধী পরীক্ষার্থীদের উত্তরপত্র পৃথকভাবে সিলগালা করে ‘উপ-পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অনার্স দ্বিতীয় বর্ষ শাখা, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়, গাজীপুর-১৭০৪’ এ ঠিকানায় পাঠাতে হবে। প্যাকেটের ওপরে প্রতিবন্ধী পরীক্ষার্থীর উত্তরপত্র লাল কালিতে লিখতে হবে বলেও চিঠিতে উল্লেখ করা হয়।

Dummy Ad 1

সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে বৈষম্য চান না প্রধানমন্ত্রী: নওফেল

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২১ জানুয়ারি, ২০২৪

সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে বৈষম্য চান না প্রধানমন্ত্রী: নওফেল

বার্তাবেলা ডেস্ক: দেশের সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কোনো ধরনের বৈষম্য চান না বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল। তিনি বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী বলেছেন—বিশ্ববিদালয়গুলোর মধ্যে কোনো রকমের বৈষম্য থাকা উচিত নয়। সেটা হোক প্রাইভেট কিংবা পাবলিক।’

বুধবার (১৭ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে প্রাইভেট ইউনিভার্সিটি একাডেমিকদের সঙ্গে মতবিনিময়সভায় এসব কথা বলেন মন্ত্রী।

মহিবুল হাসান চৌধুরী বলেন, আমাদের দেশের প্রাইভেট ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থীরা এখন আন্তর্জাতিক চাকরির ক্ষেত্রে ভালো জায়গায় যেতে পারছেন। সবার জন্য উচ্চশিক্ষার সুযোগও সৃষ্টি করা সম্ভব হয়েছে।

সভায় শিক্ষামন্ত্রীর বিশ্ববিদ্যালয় পরিচালনায় ফ্যাকাল্টিদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার বিষয়ে গুরুত্বারোপ করেন। এ লক্ষ্যে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় আইন পরিবর্তন করার কথাও বলেন তিনি। একই সঙ্গে প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের চাকরি স্থায়ী করা এবং পেনশন দেওয়ার বিষয়টি বিবেচনা করার আহ্বান জানান মন্ত্রী।

ইন্ডাস্ট্রি ও একাডেমিয়ার সমন্বয়ের গুরুত্ব তুলে ধরে তিনি বলেন, ইন্ডাস্ট্রি একাডেমিয়া সমন্বয়ের বিষয়টি ভুলভাবে ব্যাখ্যা দেওয়া হয়। ইন্ডাস্ট্রি বলতে আমরা বুঝি ফিজিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ, মানে কলকারখানা। আমি বলছি— ভোকেশনের কথা। ভোকেশনের সঙ্গে একাডেমিয়ার লিংক বড় বিষয়।


ফয়জুর রহমান আইডিয়াল ইনস্টিটিউট
জাঁকজমক পূর্ণ-বার্ষিক-ক্রীড়া-প্রতিযোগিতার-পুরস্কার-বিতরণ অনুষ্ঠিত

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ০১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪

জাঁকজমক পূর্ণ-বার্ষিক-ক্রীড়া-প্রতিযোগিতার-পুরস্কার-বিতরণ অনুষ্ঠিত

রাজধানীর ধানমন্ডিস্থ সুলতানা কামাল মহিলা ক্রীড়া কমপ্লেক্সে ফয়জুর রহমান আইডিয়াল ইনস্টিটিউটের ছাত্র-ছাত্রীদের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণ মঙ্গল ও বুধবার (৩০/৩১ জানুয়ারী ২০২৪ইং) অনুষ্ঠিত হয়েছে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ছাত্রীদের অনুষ্ঠানে অধ্যাপিকা হোসনে আরা, ভাষা ও শিক্ষা গবেষণা ইনস্টিটিউট, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়। এবং ছাত্রদের অনুষ্ঠানে অধ্যাপক ডাঃ মোঃ কামরুল ইসলাম, সার্জন-ইউরোলজি ট্রান্সপ্লান্ট, ডেলটা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, ঢাকা। 


বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অর্থপেডিক সার্জন ও দন্ত চিকিৎসক এবং ডাঃ ফয়জুর রহমান এর সুযোগ্য দুই সন্তান ডাঃ মোঃ এখলাস এবং  ডাঃ মোঃ এবাদ।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ত্ব করেন মোঃ রুহুল আমিন, প্রধান শিক্ষক, ফয়জুর রহমান আইডিয়াল ইনস্টিটিউট ও সভাপতি, ক্রিড়া সাংগঠনিক কমিটি।

অনুষ্ঠানে প্রধান মেহমান হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাপানি গবেষক ও অধ্যাপক। 



এছাড়াও অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত বিশেষ মেহমান হিসেবে পুরস্কার বিতরণ  করেন অত্র স্কুলের ম্যানেজিং কমিটির সাবেক অভিভাবক সদস্য মোঃ রকিব উদ্দিন। 

অনুষ্ঠানের সার্বিক ব্যবস্থাপনায় ছিলেন অত্র ইনস্টিটিউট এর সকল সিনিয়র শিক্ষকবৃন্দ।


সরকারি স্কুলে ৩ হাজার শিক্ষক পদ শূন্য, নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি কবে

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

সরকারি স্কুলে ৩ হাজার শিক্ষক পদ শূন্য, নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি কবে

দেশের সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে তিন হাজারেরও বেশি শিক্ষক পদ শূন্য। পাশাপাশি প্রায় চারশ বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক পদও ফাঁকা। সেখানে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব পালন করছেন সহকারী শিক্ষকরা। এতে ক্লাস ও পরীক্ষা চালিয়ে নিতে হিমশিম খাচ্ছে বিদ্যালয়গুলো। তারা দ্রুত শিক্ষক নিয়োগের দাবি জানিয়েছেন।

মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) তথ্যমতে, দেশের সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষকের অনুমোদিত পদ ১৫ হাজার ২৯৩টি। তার মধ্যে তিন হাজারেরও কিছু বেশি সহকারী শিক্ষক পদ শূন্য। প্রধান শিক্ষকের ৩৮৩টি পদ খালি।

মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক ও মাউশি কর্মকর্তারা জানান, সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়গুলোতে এখন সবচেয়ে বেশি সংকট বিজ্ঞান, গণিত ও তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি (আইসিটি) বিষয়ের শিক্ষক। গুরুত্বপূর্ণ এসব বিষয়ে অনেক ক্ষেত্রে ইসলাম শিক্ষা, কৃষি শিক্ষা কিংবা অন্য কোনো বিষয়ের বিশেষজ্ঞ শিক্ষককে ক্লাস নিতে হচ্ছে। এতে শিক্ষার্থীদের বিজ্ঞান, গণিত ও তথ্যপ্রযুক্তির শিক্ষায় ব্যাপক শিখন ঘাটতি থেকে যাচ্ছে।

অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে মাধ্যমিক শিক্ষার মানোন্নয়নে গঠিত পরামর্শক কমিটির সভাপতি ছিলেন ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের ইমিরেটাস অধ্যাপক ড. মনজুর আহমদ। তিনি জাগো নিউজকে বলেন, ‘শিক্ষকসংকট ও বিষয়ভিত্তিক দক্ষ শিক্ষকের অভাবে মাধ্যমিক শিক্ষার মান ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। এর সবচেয়ে বড় ভুক্তভোগী গ্রাম ও প্রান্তিক অঞ্চলের শিক্ষার্থীরা। দ্রুত শিক্ষক সংকট দূর করতে হবে। পাশাপাশি বিষয়ভিত্তিক শিক্ষক নিয়োগে জোর দিতে হবে।’

মাউশির মহাপরিচালক (ডিজি) অধ্যাপক ড. খান মইনুদ্দিন আল মাহমুদ সোহেল জাগো নিউজকে বলেন, ‘শিক্ষক সংকট নিরসনে আমরা কাজ করছি। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা মেনে শিগগির এ বিষয়ে পদক্ষেপ নেওয়া হবে।’

কবে নাগাদ শিক্ষক নিয়োগে বিজ্ঞপ্তি হতে পারে এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, ‘এ নিয়ে এখনই সুনির্দিষ্ট কিছু বলা সম্ভব নয়। তবে দ্রুত সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়গুলোতে শূন্যপদে শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হবে।’