শেয়ার বাজার

কঠিন হবে ২০০ রানের লক্ষ্যও, মনে করে দুই দলই

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: শুক্রবার, ৮ ডিসেম্বর ২০২৩

কঠিন হবে ২০০ রানের লক্ষ্যও, মনে করে দুই দলই

ঘূর্ণিঝড় মিগজাউমের প্রভাবে প্রায় ৪৯ ঘণ্টার বৃষ্টিতে নষ্ট হয়ে গেছে ঢাকা টেস্টের দেড় দিন। আজ ৯৮ ওভার খেলার কথা থাকলেও তৃতীয় দিনে মাঠে গড়িয়েছে মাত্র ৩২.৩ ওভার।

শুক্রবার দুপুর ১২ টায় খেলা শুরুর সময় বলে দেওয়া হলো, খেলা হবে বেলা বিকেল ৫ টা পর্যন্ত। কিন্তু তা আর হয়নি। বেলা পৌনে তিনটায় আলোর স্বল্পতায় সেই যে খেলা বন্ধ হলো, আর শুরু করা গেলো না। মানে আজকের নির্ধারিত সময়ের প্রায় আড়াই ঘণ্টা খেলা হয়নি।

দেড় দিনের বেশি সময় বৃষ্টি আর আলোর স্বল্পতায় ধুয়েমুছে গেছে। বাকি আছে দুদিন। আকাশের মত উইকেটের অবস্থাও বিশেষ ভালো না। এ উইকেটে আসলে কত রানের লিড হতে পারে নিরাপদ? কিউইদের কত রানের চ্যালেঞ্জ দিলে ম্যাচ জেতার সম্ভাবনা থাকবে বাংলাদেশের?

আজ দুপুর গড়িয়ে বিকেল নামতেই বাংলাদেশ ভক্ত ও সমর্থক সবার মনে ঘুরে ফিরে এ প্রশ্নই উঁকি দিচ্ছে। শুক্রবার দিন শেষে সংবাদ সম্মেলনেও উঠলো এ প্রশ্ন।

প্রথম ইনিংসে নিউজিল্যান্ডের হয়ে সর্বোচ্চ ৮৭ রান করা গ্লেন ফিলিপস আর বাংলাদেশের অফস্পিনার নাঈম হাসান দুজনের কাছেই রাখা হয়েছিল এ প্রশ্ন।

গ্লেন ফিলিপস মনে করেন, ১৮০ থেকে ২০০ রানের টার্গেট তাড়া করাই হবে কঠিন চ্যালেঞ্জ। এ কিউই অলরাউন্ডারের কথা, ‘সামনের দুদিন যদি উইকেটের চরিত্র পাল্টে না যায়, এমনই থাকে; তাহলে ২০০ রান করাও বেশ কঠিন।’

বাংলাদেশের অফস্পিনার নাঈম হাসানের আশা, তারা ২০০ থেকে ২২০ রানে লিড নিতে পারবেন। নাইমের কথা, ‘আমরা এখন ৩০ রানে এগিয়ে আছি। আশা করি এ লিডটা দুশো পেরিয়ে যাবে। যদি দুশো রানের বেশি লিড নেওয়া সম্ভব হয়, তাহলে জিতবো ইনশাআল্লাহ।’

নিউজিল্যান্ড ৫৫ রানে ৫ উইকেট নিয়ে খেলতে নেমে আজ বাকি ৫ উইকেটে আরও ১২৫ রান যোগ করেছে। বুক চিতিয়ে লড়াই করেছেন গ্লেন ফিলিপস। বাংলাদেশের তিন স্পিনার তাইজুল, নাঈম ও মিরাজকে হাত খুলে খেলে চাপের মুখেও রান করেছেন ফিলিপস। ৭২ বল খেলে ৯ বাউন্ডারি ও ৪ ছক্কা হাঁকিয়ে ৮৭ রান করেন এ ২৬ বছর বয়সী কিউই অলরাউন্ডার।

এখন দেখার বিষয়, ৩৮ রানে ২ উইকেট নিয়ে কাল শনিবার চতুর্থ দিন শুরু করে বাংলাদেশ কোথায় গিয়ে থামে। বুক ভরা সাহস ও আস্থায় ফিলিপসের ভূমিকায় অবতীর্ন হন কে?

Dummy Ad 1

ইনজুরি থেকে সেরে উঠলেন নাসিম শাহ

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ০২ ডিসেম্বর, ২০২৩

ইনজুরি থেকে সেরে উঠলেন নাসিম শাহ

ইনজুরির কারণে ভারত বিশ্বকাপ থেকে ছিটকে গিয়েছিলেন পাকিস্তানের পেসার নাসিম শাহ। টুর্নামেন্ট শুরুর আগমুহূর্তে কাঁধের চোটে পড়ে জমজমাট এই আসরে খেলতে পারেননি এই ডানহাতি পেসার।

নাসিমের ইনজু্রি এতটাই জটিল ছিল যে, শেষ পর্যন্ত অস্ত্রোপচার করতে হয়েছিল তাকে। অবশেষে সফল অস্ত্রোপচারের পর পুরোপুরিভাবে পুনর্বাসন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেছেন তিনি।

নিজের ইনস্টাগ্রামে এক পোস্টের মাধ্যমে সুসংবাদটি দিয়েছেন নাসিম শাহ নিজেই। পোস্টে পুনর্বাসন প্রক্রিয়ায় সহায়তা করার জন্য পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড ও মেডিক্যাল টিমের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন এই ২০ বছর বয়সী পেসার।

ইনস্টাগ্রাম পোস্টে নাসিম লিখেছেন, ‘আজ আমি ইংল্যান্ডে আমার পুনর্বাসন সম্পন্ন করেছি। এই সব প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার জন্য আমি পিসিবির প্রতি অনেক কৃতজ্ঞ। আমার মেডিকেল টিমের ডাঃ ইমতিয়াজ আহমেদ, ফিজিও জর্জ আর্ল এবং ইংল্যান্ডে অ্যাডাম রাইটকে সার্বক্ষণিক দেখাশোনার জন্য বিশেষ ধন্যবাদ।’

চলতি বছরের এশিয়া কাপের আসর চলাকালীন সময়ে কাঁধের ইনজুরিতে পড়েছিলেন নাসিম শাহ। চোট থেকে সেরে উঠতে ইংল্যান্ডে অস্ত্রোপচার করানো হয় তার। নাসিম শাহ বিশ্বকাপে খেলতে না পারার কারণে তার অভাব হাড়েহাড়ে টের পায় পাকিস্তান। বিশ্বকাপে ৯ ম্যাচ খেলে মাত্র ৪টিতে জিতেছিল পাকিস্তান। অথচ এই পাকিস্তান বিশ্বকাপের আসর শুরু হওয়ার আগে আইসিসির র্যাংকিংয়ের শীর্ষে ছিল।


আরও এক পাকিস্তানি
খুলনাকে শক্তিশালী করতে আসছেন আরও এক পাকিস্তানি

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১৫ জানুয়ারি, ২০২৪

খুলনাকে শক্তিশালী করতে আসছেন আরও এক পাকিস্তানি

বার্তাবেলা ডেস্ক: বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের বড় একটা অংশ জুড়েই আছেন পাকিস্তানের ক্রিকেটাররা। দেশের ক্রিকেটের সর্বোচ্চ এই আসরে বরাবরের মতো আকর্ষণ তারা। ব্যতিক্রম হয়নি এবারেও। বিপিএলের সাত ফ্র্যাঞ্চাইজ সাধ্যমতো পাকিস্তানের তারকাদের দলে আনার চেষ্টা করেই যাচ্ছে। যার সবশেষ সংযোজন দেখা গেল খুলনায়। 

এবারের বিপিএল শুরুর ৫ দিন আগে তারা দলে টেনেছে পাকিস্তানের অলরাউন্ডার মোহাম্মদ নাওয়াজকে। বিপিএলের শুরু থেকেই পাকিস্তানি এই ক্রিকেটারকে পেতে আশাবাদী খুলনা টাইগার্স। এ ছাড়া ঘরোয়া ক্রিকেটে খেলা আরিফ আহমেদকেও তারা দলে নিয়েছে। লিস্ট 'এ' ও প্রথম শ্রেনির ম্যাচ খেলা আরিফ অপেক্ষায় আছেন টি-টোয়েন্টি অভিষেকের।  

সবমিলিয়ে এবারে বেশ শক্তিশালী দল গড়ার চেষ্টাই করেছে খুলনা টাইগার্স। কদিন আগেই দলে যুক্ত হয়েছেন ওশানে থমাস ও নাহিদ রানা। বিদেশিদের মধ্যে এভিন লুইস, ফাহিম আশরাফ, দাসুন শানাকা, শাই হোপ ও মোহাম্মদ ওয়াসিম দলের বড় শক্তি। দেশীয়দের মধ্যে এনামুল হক বিজয়, রুবেল হোসেন, আফিফ হোসেন ধ্রুব কিংবা পারভেজ হোসেন ইমনরা ভরসা জোগাচ্ছেন তাদের। 

মোহাম্মদ ওয়াসিম জুনিয়র ও ফাহিম আশরাফ ছাড়াও মুকিদুল ইসলাম মুগ্ধ, নাহিদুল ইসলামের বোলিং খুলনার বোলিং ভরসা। মোহাম্মদ নাওয়াজের অন্তর্ভুক্তি তাতে বাড়তি শক্তি জোগাবে নিশ্চিতভাবেই। আর তাদের স্পিন আক্রমণে নাসুম আহমেদ বড় ভরসা। আছেন আফিফ নিজেও। 

তবে দলের অধিনায়ক কে হবেন, তা এখনো নিশ্চিত না। আগের আসরে ইয়াসির আলী চৌধুরী শুরুতে নেতৃত্ব দিলেও পরে তাকে সরিয়ে শাই হোপকে অধিনায়ক করা হয়েছিল। এবার ঠিক কে অধিনায়ক হবেন, তা নিয়ে আছে ধোঁয়াশা। দলটির প্রধান কোচের ভূমিকায় থাকবেন সাবেক টাইগার পেসার তালহা জুবায়ের। সাবেক এই টাইগার পেসার এর আগে বিপিএলে পেস বোলিং কোচ হিসেবে কাজ করেছেন।


ভারত-পাকিস্তান দ্বন্দ্বের যে সমাধান দিলেন শেহজাদ

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২১ ডিসেম্বর, ২০২৪

ভারত-পাকিস্তান দ্বন্দ্বের যে সমাধান দিলেন শেহজাদ

ক্রিকেটে ভারত-পাকিস্তান দ্বন্দ্ব সামনে আসলেই ভক্তদের মুখ থেকে অনায়াসেই এমন বাক্য বেরিয়ে যায়। যেখানে এই ম্যাচ নিয়ে ভক্তদের থাকার কথা প্রবল আগ্রহ, সেখানে তারাই হচ্ছেন বিরক্ত। যার জন্য দায়ী সরাসরি ভারত-পাকিস্তানই।

আইসিসি ইভেন্টের আয়োজক ভারত ও পাকিস্তানের কোনোটি হলেই শুরু হয় বিড়ম্বনা। কোনোভাবেই পাকিস্তানে টুর্নামেন্ট খেলতে যেতে চায় না ভারত। যার সর্বশেষ উদাহরণ চ্যাম্পিয়ন ট্রফি। বহু চেষ্টা করেও ভারতকে খেলতে যেতে রাজি করাতে পারেনি পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি)।

সমঝোতার মাধ্যমে শেষ পর্যন্ত সিদ্ধান্ত হয়, হাইব্রিড মডেলে হবে ২০২৫ সালের চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি। আয়োজক হিসেবে থাকবে পাকিস্তানই। তবে ভারতের সবগুলো ম্যাচ হবে আরব আমিরাতে। অচলাস্থা কেটে যাওয়ার পর গত বৃহস্পতিবার চূড়ান্ত হয় ভেন্যু।

ভারতের একঘেয়েমির কারণে কঠিন হয়েছে পাকিস্তানও। ২০২৩ সালের ওয়ানডে বিশ্বকাপ খেলতে গেলেও এবার পিসিবি জানিয়ে দিয়েছে, ২০২৭ সাল পর্যন্ত আইসিসির কোনো ইভেন্টে অংশ নিতে ভারতে যাবে না পাকিস্তান। অর্থাৎ এই সময়ে ভারতের মাটিতে হওয়া টুর্নামেন্টগুলোও হবে হাইব্রিড মডেলে।

দুই দেশের এই দ্বন্দ্ব ক্রিকেটীয় চেতনার সঙ্গেও বেমানান। আবার আইসিসি যে সমাধান দিয়েছে, তাও ক্ষণস্থায়ী। চলমান এই দ্বন্দ্বের একটি দীর্ঘস্থায়ী সমাধানের প্রয়োজন অনুভব করছেন ক্রিকেটভক্তরা।

এর জন্য একটি সমাধান দিয়েছেন পাকিস্তানের ক্রিকেটার আহমেদ শেহজাদ। তিনি ধারণা দেন, দুই দেশের সীমান্তে একটি স্টেডিয়াম হবে। যে স্টেডিয়ামের একটি গেট থাকবে পাকিস্তানে। অন্যটি ভারতে।

একটি পডকাস্টে শেহজাদ বলেন, ‘সীমান্তে একটি স্টেডিয়াম তৈরি করুন। একটি গেট ভারতের দিক থেকে খুলবে। তাদের খেলোয়াড়েরা সেই গেট দিয়ে মাঠে আসবে। আমাদের খেলোয়াড়েরা যাবে এদিক (পাকিস্তানের দিকের গেট) দিয়ে।’

শুধু সমাধান দিয়েই থামেননি শেহজাদ। কৌশলে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড (বিসিসিআই) ও ভারত সরকারের সমালোচনাও করেছেন। অনেকটা খোঁচা মেরে শেহজাদ বলেন, ‘আমার মনে হয় এরপরও বিসিসিআই ও ভারত সরকার ঝামেলা করবে। তারা বলবে, তোমাদের (পাকিস্তান) খেলোয়াড়েরা যখন মাঠে আমাদের প্রান্তে আসবে, আমরা তাদের ভিসা দেবো না।’