শেয়ার বাজার

ম্যাচ শেষে মেসিকে লাল-হলুদ দুই কার্ডই দিলেন রেফারি

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: বুধবার, ৭ অক্টোবর ২০২৬

ম্যাচ শেষে মেসিকে লাল-হলুদ দুই কার্ডই দিলেন রেফারি

যে দুটি কার্ড ফুটবল মাঠে সাধারণত শাস্তির প্রতীক, মেসির বিদায়ের রাতে সেই লাল ও হলুদ কার্ডই হয়ে উঠলো ভালোবাসা আর স্মৃতির বিশেষ উপহার। শেষ বাঁশি বাজার পর চিলির রেফারি ফার্নান্দো ভেখার নিজের ব্যবহৃত দুই কার্ডই তুলে দিলেন আর্জেন্টাইন কিংবদন্তির হাতে।

আর্জেন্টিনার জার্সিতে লিওনেল মেসির শেষ ম্যাচ। মনুমেন্টালে বেনিনের বিপক্ষে ৩-০ গোলের জয়, একটি গোল ও দুটি অ্যাসিস্টে আরও একবার নিজের শ্রেষ্ঠত্বের স্বাক্ষর রেখে আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের ইতি টেনেছেন ৩৯ বছর বয়সী মহাতারকা। কিন্তু ম্যাচ শেষ হওয়ার পর ঘটে গেল এমন এক দৃশ্য, যা কোনো ম্যাচের পরিসংখ্যানের খাতায় লেখা থাকবে না, থেকে যাবে স্মৃতি হয়ে।

শেষ বাঁশি বাজার পর মেসিকে ঘিরে তখন সতীর্থ, প্রতিপক্ষ ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের ভিড়। ঠিক সেই সময় আর্জেন্টিনার শেষ আন্তর্জাতিক ম্যাচটির দায়িত্বে থাকা চিলিয়ান রেফারি ফার্নান্দো ভেখার এগিয়ে যান মেসির কাছে। হাতে ছিল ম্যাচে ব্যবহৃত তার হলুদ ও লাল কার্ড।

কার্ড দুটি মেসির হাতে তুলে দেন ভেখার শাস্তি হিসেবে নয়, বরং মেসির শেষ আন্তর্জাতিক ম্যাচের স্মারক হিসেবে। ঘটনাটি ক্যামেরায় ধরা পড়তেই মুহূর্তটি ছড়িয়ে পড়ে।

ইতালির লা গেজেটা ডেলো স্পোর্ট-ও জানিয়েছে, ম্যাচ শেষে রেফারি মেসিকে হলুদ ও লাল কার্ড দুটি স্মারক হিসেবে দেন। অর্থাৎ মাঠে মেসিকে কোনো কার্ড দেখানো হয়নি; বরং ম্যাচ শেষ হওয়ার পরই এগুলো উপহার হিসেবে তার হাতে তুলে দেওয়া হয়।

এই উপহারের সঙ্গে আরও একটি স্মরণীয় জিনিস যোগ হয়, ম্যাচের বলও মেসির হাতে তুলে দেওয়া হয়। এরপর বেনিনের খেলোয়াড়েরা একে একে তার কাছে এসে শুভেচ্ছা জানান। ২১ বছরের আন্তর্জাতিক অধ্যায়ের শেষ ম্যাচে প্রতিপক্ষের কাছ থেকেও এমন সম্মানই যেন মেসির ক্যারিয়ারের সারাংশ হয়ে উঠেছিল।

মেসির বিদায়ী অনুষ্ঠানে পরে গায়িকা সোলেদাদ পাস্তোরুত্তিকে সেই কার্ড হাতে দেখা যায়। আর্জেন্টাইন সংবাদমাধ্যম টিএন জানিয়েছে, রেফারির দেওয়া কার্ড দুটি পরে মেসি সোলেদাদের হাতে তুলে দেন। তিনি সেদিন মেসির সম্মানে গানও পরিবেশন করেন।

সব মিলিয়ে একটি অদ্ভুত সুন্দর প্রতীক তৈরি হয়েছে। ফুটবলে লাল কার্ড মানে বিদায়, হলুদ কার্ড মানে সতর্কতা; কিন্তু মেসির ক্ষেত্রে শেষ রাতে এই দুই কার্ডের অর্থ হয়ে গেল সম্পূর্ণ ভিন্ন। এগুলো আর শাস্তির প্রতীক নয়; বরং হয়ে গেল তার শেষ আন্তর্জাতিক ম্যাচের স্মৃতি।

বেনিনের বিপক্ষে সেই ম্যাচে মেসি করেন একটি গোল এবং দুটি অ্যাসিস্ট। ২০৮তম আন্তর্জাতিক ম্যাচে তার গোলসংখ্যা দাঁড়ায় ১২৬, সঙ্গে ৭০টি অ্যাসিস্ট।

আর তাই মনুমেন্টালে শেষ বাঁশির পর মেসির হাতে উঠে আসা সেই লাল-হলুদ কার্ড যেন বলে গেল অন্য এক গল্প। যে কার্ড দিয়ে ফুটবলারকে মাঠ থেকে বের করে দেওয়া হয়, মেসির ক্ষেত্রে সেই কার্ডই শেষ পর্যন্ত হয়ে রইল ভালোবাসায় মোড়া বিদায়ের স্মার

Dummy Ad 1

কুমিল্লা-ঢাকা ম্যাচ দিয়ে বিপিএল পর্দা উঠছে ১৯ জানুয়ারি

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১১ ডিসেম্বর, ২০২৩

কুমিল্লা-ঢাকা ম্যাচ দিয়ে বিপিএল পর্দা উঠছে ১৯ জানুয়ারি

বার্তাবেলা: সবকিছু নির্ভর করবে জাতীয় সংসদ নির্বাচন পরবর্তী রাজনৈতিক ও পারিপার্শ্বিক অবস্থার ওপর। জাতীয় সংসদ নির্বাচন নির্বিঘ্নে সম্পন্ন হলে আগামী ১৯ জানুয়ারি এবারের বিপিএল শুরুর কথা ভাবা হচ্ছে।

১৯ জানুয়ারি ধরে সেভাবে সূচিও দেওয়া হয়েছে প্রতিযোগী দলগুলোকে। কোনোরকম ঝামেলা না হলে সেই সূচি অনুযায়ীই মাঠে গড়াবে বিপিএল।

সূচি অনুযায়ী, আগামী বছরের ১৯ জানুয়ারি উদ্বোধনী ম্যাচে মুখোমুখি হবে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স আর দুর্দান্ত ঢাকা। দুপুরে শেরে বাংলা স্টেডিয়ামে শুরু হবে ম্যাচটি।

একই ভেন্যুতে ওইদিন সন্ধ্যায় দ্বিতীয় ম্যাচ। এই ম্যাচে রংপুর রাইডার্স মোকাবিলা করবে ফরচুন বরিশালের। আজ (সোমবার) সন্ধ্যায় বিপিএলের এই সূচি দেওয়া হয়েছে।

১৯ জানুয়ারি শুরু হওয়া ঢাকা পর্ব চলবে ৪ দিনের। ২৩ জানুয়ারি শেষ হবে প্রথমপর্ব। দ্বিতীয় পর্বের খেলা হবে সিলেট আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে। তার আগে ২৪ ও ২৫ জানুয়ারি ২ দিন বিশ্রাম ও ভ্রমণ বিরতি।

এরপর ২৬ জানুয়ারি থেকে সিলেট পর্ব মাঠে গড়াবে। চলবে ৩ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত। এরপর বিপিএল আবার ফিরে আসবে ঢাকায়। আগের মতই ২ দিন বিরতির পর আবার ৬ ফেব্রুয়ারি শুরু হবে ঢাকা পর্ব। শেষ হবে ১০ ফেব্রুয়ারি।

এই পর্ব শেষে ২ দিন বিরতি দিয়ে বিপিএল আবার চলে যাবে চট্টগ্রাম। সেখনে খেলা শুরু ১৩ ফেব্রুয়ারি। চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে খেলা চলবে ২০ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত। ২১ ও ২২ ফেব্রুয়ারি ভ্রমণ ও বিশ্রামের কারণে দুদিন বিরতি।

এরপর শেষ অংশ আবার ঢাকায়। ২৩ ফেব্রুয়ারি থেকে ঢাকায় শেষ পর্ব। আর ১ মার্চ শুক্রবার টুর্নামেন্টের ফাইনাল।


সুপার লিগের বিধ্বংসী সৌম্যকে ওয়ানডেতে দেখতে চান মিরাজ

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ০৮ ডিসেম্বর, ২০২৪

সুপার লিগের বিধ্বংসী সৌম্যকে ওয়ানডেতে দেখতে চান মিরাজ

সবার জানা, রংপুর রাইডার্সের হয়ে গ্লোবাল টি-টোয়েন্টি সুপার লিগে খেলা সৌম্য সরকার, রিশাদ হোসেন, আফিফ হোসেন ধ্রুব ও গায়ানা অ্যামাজন ওয়ারিয়র্সের তানজিম সাকিব ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজে বাংলাদেশ দলে আছেন।

কয়েক ঘণ্টা পরই সেন্ট কিটসের ওয়ার্নার পার্কে তিন ম্যাচ সিরিজের প্রথম ওয়ানডেতে ওয়েস্ট ইন্ডিজের মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ। মেহেদী হাসান মিরাজের নেতৃত্বে দলটি মাঠে নামবে সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায়।

তামিম ইকবাল আগে থেকেই ছিলেন না। ঘরের মাঠে দক্ষিণ আফ্রিকা সিরিজ থেকে সাকিব আল হাসানও দলের বাইরে। ইনজুরির কারণে ওয়েস্ট ইন্ডিজের মাটিতে টেস্ট সিরিজে দলে ছিলেন না নিয়মিত অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত ও মুশফিকুর রহিম।

অভিজ্ঞদের ছাড়া অ্যান্টিগায় প্রথম টেস্ট ২০১ রানে হারলেও জ্যামাইকায় শেষ টেস্টে দারুণ লড়াই করে ১০১ রানে জিতেছিল বাংলাদেশ। এতে ১-১ সমতায় লাল বলের সিরিজ শেষ করেছে টাইগাররা।

টেস্টের মতো ওয়ানডে সিরিজেও দলে নেই সাকিব, মুশফিক ও শান্ত। তাদেরকে ছাড়া একদিনের সিরিজে কী করে মিরাজের দল, সেটা দেখতে মুখিয়ে আছেন ভক্ত-সমর্থকরা।

আশার কথা হলো- সাকিব, মুশফিক ও শান্ত না থাকলেও ওয়ানডে সিরিজে বাংলাদেশ দলে থাকছেন সদ্য সমাপ্ত গ্লোবাল সুপার লিগে দারুণ পারফর্ম করা সৌম্য সরকার, রিশাদ হোসেন, আফিফ হোসেন ধ্রব ও তানজিম সাকিব।

টেস্ট দলের বাইরে থেকে যারা ওয়ানডে স্কোয়াডে ঢুকেছেন, তাদের মধ্যে সৌম্য, আফিফ, রিশাদ খেলেন রংপুর রাইডার্সের হয়ে। আর ডানহাতি পেসার তানজিম সাকিব খেলেছেন গায়ানা অ্যামাজন ওয়ারিয়র্সের হয়ে। অর্থাৎ ভিন্ন ফরম্যাটে হলেও তারা ওয়েস্ট ইন্ডিজের মাটিতেই খেলার মধ্যে ছিলেন।

বিষয়টিকে ইতিবাচক দৃষ্টিতে দেখছেন মিরাজ। ভারপ্রাপ্ত অধিনায়ক জানান, গ্লোবাল সুপার লিগ ২০ ওভারের টুর্নামেন্ট হলেও তারা সবাই খেলার ভিতরেই ছিল। সেটা ওয়ানডে সিরিজে দলের জন্য ভালো হবে। বিশেষ করে ফাইনালে ভিক্টোরিয়ার বিপক্ষে সৌম্য সরকারের দেড়শোর বেশি স্ট্রাইকরেটে ৮৪ রানের ঝড়ো ইনিংসকে মিরাজ বড় করে দেখছেন। তার বিশ্বাস, ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজে সৌম্যর রানে ফেরা বেশ কাজে দেবে।

আজ রোববার ম্যাচপূর্ব সংবাদ সম্মেলনে এসে ওই ৪ ক্রিকেটার প্রসঙ্গে মিরাজ বলেন, ‘খুবই ভালো একটা দিক। দেখেন ওরা তিনজন খেলার ভেতর আছে। অনুশীলনের চেয়ে তো খেলাটা অনেক গুরুত্বপূর্ণ। যেহেতু ওরা খেলার ভেতর আছে, একই রকম কন্ডিশনে আছে। ওরা টিমের সঙ্গে জয়েন করবে। আশা করি, ওদের অবদানটা অনেক গুরুত্বপূর্ণ। যেহেতু সৌম্য ভালো খেলেছে, এটা আমাদের জন্য একটা বিরাট সুবিধা হয়ে থাকবে।’


সাকিবকে নিয়ে ভেবে ‘সময় নষ্ট’ করতে চান না শান্ত

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২০ অক্টোবর, ২০২৪

সাকিবকে নিয়ে ভেবে ‘সময় নষ্ট’ করতে চান না শান্ত

শেরে বাংলাদেশ ক্রিকেট স্টেডিয়ামের আশপাশের এলাকা আজ রোববার স্বাভাবিক ছিল। কিন্তু গত বুধবার থেকে টানা ৩দিন ‘হোম অব ক্রিকেটের’ বাইরের জায়গাটা মোটেও স্থিতিশীল ছিল না। পুরো এলাকা ছিল উত্তপ্ত। সাকিব আল হাসানের বিরোধী ও ভক্তদের অবস্থান, স্লোগান, ব্যানার, ফেস্টুন ও দেয়াল লিখনে ছিলো সয়লাব। দুই গ্রুপের ছিল পাল্টাপাল্টি কর্মসূচীও।

আগামীকাল সোমবার দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে শুরু হবে ঢাকা টেস্ট। স্বস্তির বিষয় হলো- একদিন আগে হলেও সবকিছু স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরেছে স্টেডিয়াম এলাকায়। এর আগে হট্টগোলের মধ্যেই অনুশীলন করেছে বাংলাদেশ ও দক্ষিণ আফ্রিকা ক্রিকেট দল।

বিরোধীরা বলেছে, সাকিবকে খেলতে দিলে মিরপুর ব্লকেড করে দেওয়া হবে। বিসিবি সভাপতির কাছে স্মারক লিপিও দিয়েছে তারা। অন্যদিকে ভক্তদের দাবি, দেশের মাটিতেই সাকিবকে টেস্ট থেকে বিদায় নেওয়ার সুযোগ দিতে হবে। এছাড়া ৪ দফা দাবি জানায় সমর্থকরা।

এসব ঝামেলার মধ্যে নতুন কোচ নিয়োগ বিসিবির। তার আগে ভারতের বিপক্ষে বাজেভাবে সিরিজ হার। সব কিছু মিলিয়ে ঢাকা টেস্টে নামার আগে দেশের ক্রিকেটীয় পরিবেশ প্রেক্ষাপট কিছুটা হলেও প্রতিকূল বাংলাদেশের জন্য। এমন অবস্থায় খেলার প্রতি মনোযোগ ধরে রাখা এবং ভালো খেলার একাগ্রতা ধরে রাখাও বেশ কঠিন।

আজ রোববার ম্যাচপূর্ব সংবাদ সম্মেলনে এসেছেন বাংলাদেশ অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত। সেখানে এসব বিষয়ে প্রশ্নের জবাব দেন অধিনায়ক।

শুরুতেই উঠে আসে সাকিব-ইস্যু। এছাড়া ক্রিকেটারদের জন্য বর্তমান পারিপাশ্বিক অবস্থা কতটা কঠিন, আগামীকাল স্বাভাবিক মানসিকতা নিয়ে খেলতে পারবেন কিনা ক্রিকেটাররা, এসব নিয়েও ছিল প্রশ্ন।

শান্ত অকপটে স্বীকার করেন যে, পরিস্থিতি আসলেই কঠিন। তবে এসব নিয়ে বেশি সময় নষ্ট করতে চান না তিনি। বরং ম্যাচের দিকেই বেশি মনোযোগী হতে চান টাইগার অধিনায়ক।

শান্ত বলেন, ‘এটা আমাদের কন্ট্রোলে নেই। যেহেতু কন্ট্রোলে নেই, এটা নিয়ে খুব বেশি চিন্তা করা মানে সময় নষ্ট। যত বেশি সম্ভব খেলায় ফোকাস করা, খুব ইম্পরট্যান্ট দুটি টেস্ট। খেলোয়াড়রা খুব ভালোভাবে প্রস্তুতি নিচ্ছে এবং এটাতেই মনোযোগ রাখার চেষ্টা করছে।’

সাকিবকে নিয়ে টেস্ট ম্যাচটি খেলতে চেয়েছিলেন শান্ত। শেষ পর্যন্ত বাঁহাতি-অলরাউন্ডাকে না পাওয়াকে দুর্ভাগ্যজনক বলে মনে করেন তিনি।

শান্ত বলেন, ‘পরিকল্পনা তো ছিলই, বিশ্বের অন্যতম সেরা খেলোয়াড়। শুধু বাংলাদেশই বলবো না, গোটা বিশ্বের। খুবই দুর্ভাগ্যজনক, যেকোনো কারণেই হয়নি। আমি ব্যক্তিগতভাবে মনে করি, প্রত্যেক খেলোয়াড় মনে করে, পেন্ডিং থেকেই গেল। দুর্ভাগ্যজনক। হওয়া উচিৎ ছিল। আমরা সবাই জানি কেন হয়নি। এটা নিয়ে টেস্ট ম্যাচের আগের দিন বেশি কথা বলতে চাই না। আমি চাই প্রত্যেক খেলোয়াড় খেলায় মনোযোগ রাখুক।’