শেয়ার বাজার

ভারতীয় হাইকমিশনে দেওয়া বিএনপির স্মারকলিপিতে যা আছে

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: রবিবার, ৮ ডিসেম্বর ২০২৪

ভারতীয় হাইকমিশনে দেওয়া বিএনপির স্মারকলিপিতে যা আছে

বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মা বরাবর স্মারক লিপি দিয়েছে বিএনপির ৩ অঙ্গ সংগঠন যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল ও ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা। রোববার (৮ ডিসেম্বর) ভারতীয় হাইকমিশনে এ স্মারকলিপি দিয়ে আসেন ৬ সদস্যের প্রতিনিধি দল।

বিএনপির তিন অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের ছয় সদস্যের প্রতিনিধি দলে ছিলেন জাতীয়তাবাদী যুবদলের কেন্দ্রীয় সভাপতি মোনায়েম মুন্না, সাধারণ সম্পাদক নুরুল ইসলাম নয়ন, জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি এসএম জিলানী, সাধারণ সম্পাদক রাজীব আহসান, জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব এবং সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দিন নাছির। এই ছয় নেতার স্বাক্ষর আছে স্মারকলিপিতে।

স্মারক লিপিতে বিষয় হিসেবে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক অবন্ধুসুলভ ঘটনাবলী নিয়ে গভীর উদ্বেগ

স্মারক লিপিতে লেখা আছে, ‘আমরা, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠন জাতীয়তাবাদী যুবদল, জাতীয়তাবাদী স্বোচ্ছাসেবক দল ও জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের পক্ষ থেকে এই মর্মে গভীর উদ্বেগ ও বিস্ময় প্রকাশ করছি যে, দুনিয়া কাঁপানো ছাত্র-জনতার অভাবনীয় তুমুল আন্দোলনে স্বৈরাচারী শেখ হাসিনা আপনার দেশে পালিয়ে যাওয়ার পর আপনারা তাকে আশ্রয় দিয়েছেন। অতঃপর আপনার দেশের অতি উগ্রবাদী নেতৃবৃন্দ এবং বিশেষ করে কতিপয় সংবাদ মাধ্যম ও মিডিয়া বাংলাদেশের এই গণশত্রু হাসিনা ওয়াজেদকে পুনরায় পুনর্বাসন এবং বাংলাদেশের শান্তিপূর্ণ পরিবেশ অস্থিতিশীল করবার নিমিত্তে একের পর এক অজ্ঞ-অর্বাচীনের ন্যায় কাজ করে যাচ্ছে । যাতে স্পষ্টত প্রতীয়মান হয়, আমাদের বন্ধু রাষ্ট্র ভারতের বন্ধুত্ব ছিল হাসিনার সাথে, বাংলাদেশের জনগণের সাথে নয়।

হাসিনা এখন বাংলাদেশের নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতার বিরুদ্ধে হুমকি হয়ে উঠেছে। একদিকে তিনি বাংলাদেশের ভিন্ন দলমতের মানুষদের ঘরবাড়ি সম্পত্তি জ্বালিয়ে দেওয়ার হুকুম দিচ্ছেন। অপরদিকে, যারা তার বিরুদ্ধে মামলা করেছে তাদেরকে হত্যা করার হুমকি দিচ্ছেন। ভারতের নিরাপদে আশ্রয়ে থেকে বাংলাদেশের পরিস্থিতি অস্থিতিশীল করার এই অপচেষ্টা বাংলাদেশের জনগণ ইতিবাচকভাবে নিচ্ছে না।’

এক্সিলেন্সি,

‘আপনি সম্যক অবগত আছেন যে, গত ২ ডিসেম্বর ২০২৪-এ আগরতলায় বাংলাদেশ সহকারী হাইকমিশনে ন্যাক্কারজনক হামলা চালানো হয়েছে। নৈতিক পদস্খলনের কারণে ইসকন থেকে বহিষ্কৃত সাবেক ইসকন নেতা শ্রী চিন্ময় কৃষ্ণ দাসকে গ্রেফতারের প্রতিবাদে উগ্র হিন্দুত্ববাদী হাজার হাজার মানুষ যখন রাষ্ট্রীয় মদদ ও প্রশ্রয়ে বাংলাদেশ সহকারী হাইকমিশনে হামলা করছিল তখন নীরব দর্শকের ভূমিকা পালন করেছে আপনার দেশের আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।

প্রাপ্ত বিবরণগুলো চূড়ান্তভাবে প্রমাণ করে যে, পূর্বপরিকল্পিতভাবে বাংলাদেশ সহকারী হাইকমিশনের প্রধান ফটক ভেঙে বিক্ষোভকারীদের প্রাঙ্গণে আক্রমণ করার সম্মতি দেওয়া হয়েছিল। এই প্রক্রিয়ায়, স্থানীয় আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সদস্যদের উপস্থিতিতে, তারা জাতীয় পতাকা ভাঙচুর করে, বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা অবমাননা করে এবং সহকারী হাইকমিশনের অভ্যন্তরে সম্পত্তিরও ক্ষতি করে। দুঃখজনকভাবে, প্রাঙ্গণ রক্ষার দায়িত্বে থাকা স্থানীয় পুলিশ সদস্যদের শুরু থেকেই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সক্রিয় না থাকতে দেখা গেছে। এটি কূটনৈতিক নিয়ম এবং আন্তর্জাতিক আইনের একটি গুরুতর লঙ্ঘন। একই সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্কের ভিয়েনা কনভেনশন, ১৯৬১ এর সুস্পষ্ট লঙ্ঘন। এহেন ন্যাক্কারজনক বিস্ময়কর ঘটনাসমূহের ধারাবাহিকতা অব্যাহত থাকলেও আপনার সরকারের নীরবতায় বাংলাদেশের জনগণ হতাশ। আমরা পরস্পরের স্বাধীনতা ও স্বার্বভৌমত্বের প্রতি গভীরভাবে শ্রদ্ধাশীল। আমাদের দুই দেশের সম্পর্কের ভিত্তি হবে সমতা, পরস্পরের প্রতি আস্থা, বিশ্বাস এবং সম্মান প্রদর্শনের ওপর।’

‘স্বার্বভৌম কোনো রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালানো রাষ্ট্রের সার্বভৌমত্ব লঙ্ঘনের সামিল। ভারতের সাম্প্রতিক ঘটনা প্রবাহ বাংলাদেশের জনগণের প্রতি অবজ্ঞা স্বরূপ বলে আমরা চাই ভারত সরকার ভারতীয় মিডিয়া আউটলেটগুলোকে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক গড়ে তুলতে এবং বস্তুনিষ্ঠ সংবাদের মাধ্যমে ভারতীয় সংবিধানের ৫৫ অনুচ্ছেদে বর্ণিত আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তার আদর্শ প্রচার করতে পরামর্শ দেবে।’

আমরা আশা করি, ‘বাংলাদেশের বিরুদ্ধে অপপ্রচার, অপতথ্য বন্ধ করতে ভারতীয় সরকার কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।’

‘দক্ষিণ এশিয়ার ভূ-রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য দেশগুলোর মধ্যে একটি স্থিতিশীল, পারস্পরিক শ্রদ্ধাপূর্ণ অংশীদারত্ব অপরিহার্য। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল জাতিসংঘের সনদের নীতির উপর ভিত্তি করে সকল সদস্যের সার্বভৌম সমতার ভিত্তিতে আমাদের দুই দেশের মধ্যে শক্তিশালী ও বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক গড়ে তুলতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।’

আমাদের পক্ষ থেকে এই স্মারকলিপির মাধ্যমে আপনাকে অবগত করছি এবং অনুরোধ জানাচ্ছি যে, ‘জাতীয়তাবাদী যুবদল, জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দল ও জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের অবস্থান ও মতামত ভারতীয় সরকারের নিকট পৌঁছে দেওয়ার যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।’

Dummy Ad 1

হাদিকে নিয়ে পোস্টে রিপোর্ট: আসিফ মাহমুদের ফেসবুক পেজ রিমুভ

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২৬ ডিসেম্বর, ২০২৫

হাদিকে নিয়ে পোস্টে রিপোর্ট: আসিফ মাহমুদের ফেসবুক পেজ রিমুভ

ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদিকে নিয়ে দেওয়া পোস্টে রিপোর্ট করে তার অফিশিয়াল ফেসবুক পেজ রিমুভ করে দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া।

শুক্রবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) নিজের ফেসবুক আইডিতে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ কথা জানান।

পোস্টে আসিফ মাহমুদ লেখেন, ওসমান হাদি ভাই সংশ্লিষ্ট সব পোস্ট, ভিডিওতে স্ট্রাইক এবং সংঘবদ্ধ রিপোর্ট করে আমার অফিশিয়াল পেইজটি (৩০ লাখের বেশি ফলোয়ার) রিমুভ করে দেওয়া হয়েছে।

অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক এই উপদেষ্টা আরও লেখেন, বিভিন্ন টেলিগ্রাম গ্রুপে লিংক দিয়ে সংঘবদ্ধ রিপোর্ট করা হয়েছে। হাদি ভাইকে নিয়ে দেওয়া তিনটি ভিডিওতেই স্ট্রাইক করা হয়েছে।


ভোটের পর আ’লীগের দ্বিতীয় যৌথসভা বুধবার, সভাপতিত্ব করবেন কাদের

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১৫ জানুয়ারি, ২০২৪

ভোটের পর আ’লীগের দ্বিতীয় যৌথসভা বুধবার, সভাপতিত্ব করবেন কাদের

বার্তাবেলা ডেস্ক: দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনের পর দলের শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে ঢাকা মহানগর উত্তর-দক্ষিণ আওয়ামী লীগ ও সব সহযোগী সংগঠনের সভাপতি-সাধারণ সম্পাদকদের নিয়ে দ্বিতীয় যৌথসভা ডেকেছে আওয়ামী লীগ। বুধবার (১৭ জানুয়ারি) বিকেল সাড়ে ৩টায় বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এ সভা অনুষ্ঠিত হবে।

সোমবার (১৫ জানুয়ারি) আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

এতে বলা হয়, বুধবার আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে দলের শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ আওয়ামী লীগ এবং সহযোগী সংগঠনগুলোর সভাপতি-সাধারণ সম্পাদকদের যৌথসভা অনুষ্ঠিত হবে। এতে সভাপতিত্ব করবেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।


সংরক্ষিত নারী আসন
এমপি হতে নেত্রী-অভিনেত্রীদের মনোনয়ন দৌড়ে এগিয়ে যারা!

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ০২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪

এমপি হতে নেত্রী-অভিনেত্রীদের মনোনয়ন দৌড়ে এগিয়ে যারা!

বার্তাবেলা ডেস্ক: সংসদ ও সরকার গঠনের পর এবার সংসদে সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনয়নের পালা। এরই মধ্যে জোটবদ্ধভাবে ৪৮ আসনে মনোনয়ন দেওয়ার বিষয়ে নির্বাচন কমিশনকে অবহিত করেছে আওয়ামী লীগ। বাকি দুটি আসন পাবে জাতীয় পার্টি। আওয়ামী লীগের মনোনয়নে সংরক্ষিত আসনে এমপি হতে আগ্রহী অনেকেই নেতাদের বাসায় ভিড় করছেন। চেষ্টা করছেন দলীয় সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গেও দেখা করতে।

দলীয় নেতাদের আড্ডায় ও নানা ইঙ্গিতে অনেকের নাম উঠে আসছে, যাদের অনেককেই দেখা যেতে পারে সংসদে। এর মধ্যে দলের কেন্দ্রীয় নেত্রী, সহযোগী সংগঠনের নেত্রী এবং বিভিন্ন জেলায় আওয়ামী লীগের নেত্রীদের বিবেচনায় রাখা হবে বলে শোনা যাচ্ছে। এর বাইরেও জোট শরিকদের দু-তিনটি আসন দেওয়ার বিষয়ে আলোচনা চলছে। তবে পুরোনোদের সিংহভাগ এবার মনোনয়ন পাবেন না বলেই ইঙ্গিত দিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।

এবার নারী আসনে জায়গা পেতে পারেন- আওয়ামী লীগের অর্থ ও পরিকল্পনা সম্পাদক ওয়াসিকা আয়শা খান, কৃষি ও সমবায় সম্পাদক ফরিদুন্নাহার লাইলী, স্বাস্থ্য ও জনসংখ্যা সম্পাদক ডা. রোকেয়া সুলতানা, শিক্ষা সম্পাদক বেগম শামসুন নাহার (চাঁপা), কার্যনির্বাহী সদস্য পারভিন জামান কল্পনা ও মারুফা আক্তার পপি। এর বাইরে কেন্দ্রীয় নেতাদের মধ্যে আখতার জাহান, মেরিনা জাহান, সফুরা বেগম, হোসনে আরা লুৎফা ডালিয়াও আসতে পারেন।

পেশাগত অঙ্গনে সাফল্যের স্বীকৃতিস্বরূপ জাতীয় প্রেস ক্লাবের প্রথম নারী সভাপতি ফরিদা ইয়াসমিন থাকতে পারেন এবারের সংসদে। আইন অঙ্গনে সাফল্যের জন্য সুপ্রিম কোর্ট বার অ্যাসোসিয়েশনের সহ-সভাপতি অ্যাডভোকেট জেসমিন সুলতানাকেও রাখার হতে পারে। গত সংসদের সদস্য আরমা দত্ত ও খালেদ মোশাররফের কন্যা মাহজাবীন খালেদ এবারও থাকতে পারেন।

যুব মহিলা লীগের সাবেক সভাপতি নাজমা আক্তার ও সাবেক সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপিকা অপু উকিল, সংগঠনটির ঢাকা মহানগর উত্তরের সাবেক সভাপতি সাবিনা আক্তার তুহিনও আছেন আলোচনায়।

ধানমন্ডি থানা মহিলা আওয়ামী লীগের নেত্রী ও বঙ্গবন্ধু পরিবারের সদস্য শেখ মিলি, নৌকা নিয়ে হেরে যাওয়া কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগ নেত্রী সানজিদা খানমের নামও আছে আলোচনায়। এর বাইরে নৌকার মনোনয়ন পেয়েও নাগরিকত্ব জটিলতায় নির্বাচন না করতে পারা আওয়ামী লীগের আন্তর্জাতিক সম্পাদক শাম্মী আহমেদ এবং সাবেক প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিমও আছেন দৌড়ে।

বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা বরাবরের মতো দেশ, রাজনীতি ও আওয়ামী লীগে অসামান্য অবদান রাখা পরিবারের সন্তান এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার প্রথিতযশা নারীদের আওয়ামী লীগের মনোনয়নের ক্ষেত্রে প্রাধান্য দেবেন বলে আমার বিশ্বাস।- জাতীয় সংসদের হুইপ আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপন

বরাবরের মতো এবারও আঞ্চলিক নেতা বা জেলা নেতাদের মধ্যে অনেকেই আসবেন সংরক্ষিত আসনে। পাশাপাশি পেশাগত অঙ্গনে সফল, প্রয়াত বাবা-মায়ের দীর্ঘ রাজনৈতিক বা পেশাগত জীবনের সাফল্যের স্বীকৃতিস্বরূপ তাদের সন্তানদের কয়েকজনও আসবেন এই সংসদের সংরক্ষিত আসনে।

জোট নেতাদের মধ্যে সাম্যবাদী দলের সাধারণ সম্পাদক দিলীপ বড়ুয়ার স্ত্রী, জাসদের সভাপতি হাসানুল হক ইনুর স্ত্রী আফরোজা হক আসতে পারেন এই সংসদে। এছাড়া জাতীয় পার্টির সভাপতি আনোয়ার হোসেন মঞ্জুর পরিবারের কাউকে আনা হতে পারে।

এ নিয়ে যুব মহিলা লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপিকা অপু উকিল জাগো নিউজকে বলেন, ‘নেত্রী যেটা ভালো মনে করেন, সেটাই করবেন। আমরা তার কর্মী, তার সিদ্ধান্ত মাথা পেতে নিই।’

সুপ্রিম কোর্ট বার অ্যাসোসিয়েশনের সহ-সভাপতি অ্যাডভোকেট জেসমিন সুলতানা জাগো নিউজকে বলেন, ‘আমি ছাত্রজীবন থেকেই আওয়ামী লীগের নানা প্ল্যাটফর্মে দলীয় কার্যক্রম করে আসছি। বিশেষ করে, আইনজীবীদের নিয়ে আমার উল্লেখযোগ্য কাজ আছে। এরই মধ্যে করোনার সময়ে করোনা মোকাবিলা ফান্ড গঠন করে আইনজীবীদের পাশে ছিলাম। তাদের সহায়তা করেছি। আমার এলাকা চাঁদপুরেও করোনার সময় আইনজীবী ও সাধারণ মানুষের পাশে ছিলাম।’

তিনি বলেন, ‘আমি যদি সংসদ সদস্য হতে পারি, আইন প্রণয়নে সুন্দর ভূমিকার পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রীর ভিশন- ‘স্মার্ট বাংলাদেশ’ গঠনে একজন সক্রিয় কর্মী হিসেবে কাজ করবো।’

নারী আসনে মনোনয়নের বিষয়ে আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও জাতীয় সংসদের হুইপ আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপন জাগো নিউজকে বলেন, ‘বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা বরাবরের মতো দেশ, রাজনীতি ও আওয়ামী লীগে অসামান্য অবদান রাখা পরিবারের সন্তান এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার প্রথিতযশা নারীদের আওয়ামী লীগের মনোনয়নের ক্ষেত্রে প্রাধান্য দেবেন বলে আমার বিশ্বাস।’

এ নিয়ে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘মহিলা সংরক্ষিত আসনের জন্য মনোনয়ন নেওয়ার বা চাওয়ার যে হিড়িক, সেই তুলনায় আমাদের দেওয়ার সুযোগ খুব কম। আমরা আমাদের পরীক্ষিত, ত্যাগীদের গুরুত্ব দেবো। যারা দলের জন্য ত্যাগ স্বীকার করেছেন, যারা আমাদের দুঃসময়ের পরীক্ষিত কর্মী, তাদের ব্যাপারটা আমরা অগ্রাধিকার দেবো।’

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ফলাফলে আওয়ামী লীগ ২২৩, ১৪ দলীয় শরিক জাসদ একটি ও ওয়ার্কার্স পার্টি একটি, স্বতন্ত্র ৬২ আসন পেয়েছে। কল্যাণ পার্টি পেয়েছে একটি আসন। জাতীয় পার্টি ১১টি আসন পেয়েছে। সংখ্যানুপাতিক পদ্ধতিতে নারী আসনের ৫০টির মধ্যে আওয়ামী লীগ ৩৮টি, জাতীয় পার্টি দুটি ও স্বতন্ত্ররা ১০টি আসন পায়।

এরই মধ্যে নারী আসন বণ্টনের সুবিধার্থে সংসদে প্রতিনিধিত্বকারী দল ও স্বতন্ত্রদের কাছে ৩০ জানুয়ারি মধ্যে দলে যোগদান বা জোট করার বিষয়ে চিঠি দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। ৩১ জানুয়ারি জোটবদ্ধভাবে ৪৮ আসনে মনোনয়ন দেওয়ার কথা জানিয়ে সবার সই নিয়ে ইসিতে চিঠি জমা দেয় আওয়ামী লীগ।