শেয়ার বাজার

ঢাকা সিটি নির্বাচনে মেয়র পদে কে হতে পারেন জামায়াতের ‘চমক’

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

ঢাকা সিটি নির্বাচনে মেয়র পদে কে হতে পারেন জামায়াতের ‘চমক’

সংসদ নির্বাচন শেষে এখন আলোচনায় ঢাকার দুই সিটি করপোরেশন নির্বাচন। নতুন সরকার আপাতত প্রশাসক বসালেও নির্বাচনের প্রস্তুতি নিচ্ছে সব দল। শুরু হয়েছে মনোনয়নপ্রত্যাশীদের দৌড়ঝাঁপ। এছাড়া জাতীয় নির্বাচনের মতো সিটি নির্বাচনেও স্পষ্ট হচ্ছে জোটগত সমীকরণ।

জামায়াতে ইসলামীসহ ১১ দলীয় জোট স্থানীয় নির্বাচনে শক্ত অবস্থান নিতে চায়। এরই মধ্যে দলটি সম্ভাব্য প্রার্থী বাছাই শুরু করেছে। ঢাকার দুই সিটি করপোরেশনে কারা মেয়র পদে নির্বাচন করবেন তা নিয়ে দলের বিভিন্ন ইউনিটের নেতাকর্মীদের মধ্যে চলছে আলোচনা। নিজেরা ছাড় দিয়ে জোট থেকে প্রার্থী দিলে সেটা হবে জামায়াতের অন্যতম চমক। সেক্ষেত্রে আলোচনায় এগিয়ে এনসিপি।

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন

দলীয় সূত্র জানায়, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন নির্বাচনে সদ্য প্রশাসক বসিয়েছে বিএনপি সরকার। ছয় মাসের মধ্যে সিটি নির্বাচন হবে বলেও একটি গুঞ্জন চলছিল। ছয় মাস বা একবছর- যখনই নির্বাচন হোক তার জন্য এখনই প্রস্তুতি নিচ্ছে জামায়াতসহ জোটে থাকা দলগুলো।

জামায়াত থেকে বেশ কয়েকজন নেতা সিটি নির্বাচনে লড়তে চান। এর মধ্যে মনোনয়ন দৌড়ে এগিয়ে থাকা কয়েকজনের নাম আলোচনায় রয়েছে। মেয়র পদে আলোচনায় আছেন জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগর উত্তরের আমির সেলিম উদ্দীন। তিনি জাতীয় নির্বাচনে সিলেট-৬ আসন থেকে নির্বাচন করে পরাজিত হন। এছাড়া আলোচনায় রয়েছেন ইসলামী ছাত্রশিবিরের সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি ও বর্তমান শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট আতিকুর রহমান, যিনি ঢাকা-১১ আসনে প্রার্থী ছিলেন।

দলের একটি সূত্র জানায়, জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নেওয়া প্রার্থীদের পুনরায় মনোনয়ন না দেওয়ার বিষয়ে অভ্যন্তরীণ আলোচনা রয়েছে। এ বিষয়ে জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এহসানুল মাহবুব জুবায়ের বার্তাবেলা নিউজকে বলেন, ‘দুই সিটিতেই কয়েকজনের নাম আলোচনায় আছে এবং প্রার্থী প্রায় চূড়ান্ত করা হয়েছে। শিগগির আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেওয়া হবে।’

ঢাকা মহানগর উত্তরের মজলিশে শুরার এক সদস্য বলেন, ‘সেলিম উদ্দীন দীর্ঘদিন উত্তরের আমির হিসেবে কাজ করছেন এবং সংগঠনের কাজে সক্রিয় থাকায় মনোনয়নের ক্ষেত্রে তিনি এগিয়ে থাকতে পারেন।’

ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন

ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন নির্বাচনেও মেয়র পদে জামায়াতের সম্ভাব্য প্রার্থী নিয়ে আলোচনা চলছে। ডাকসু ভিপি ও ইসলামী ছাত্রশিবিরের সাহিত্য ও প্রকাশনা সম্পাদক সাদিক কায়েম, ছাত্রশিবিরের সদ্য বিদায়ী কেন্দ্রীয় সভাপতি জাহিদুল ইসলাম এবং ঢাকা-৬ আসনে সংসদ সদস্য প্রার্থী আব্দুল মান্নানের নাম রয়েছে আলোচনায়।

তবে ১১ দলীয় নির্বাচনি ঐক্যের একটি সূত্র জানায়, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন নির্বাচনে জামায়াত এনসিপিকে সমর্থন দিতে পারে। জোটের এক শীর্ষ নেতা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, এই সিটিতে এনসিপি থেকে মেয়র পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার সম্ভাবনা বেশি। সেক্ষেত্রে দলটির মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ মেয়র প্রার্থী হতে পারেন। আসিফ নিজেও জানিয়েছেন তিনি মেয়র পদে লড়বেন। এরই মধ্যে উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সমন্বয়ক সারজিস আলমের নেতৃত্বে সিটি করপোরেশন নির্বাচন সামনে রেখে কমিটি গঠন করেছে এনসিপি।

এনসিপি সূত্রে আরও জানা যায়, আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া ঢাকা দক্ষিণে মেয়র পদে নির্বাচন করতে পারেন। আর ঢাকা উত্তরে মনোনয়ন পেতে পারেন দলটির মহানগর উত্তরের আহ্বায়ক আরিফুল ইসলাম আদিব।

কাউন্সিলর প্রার্থীও প্রায় চূড়ান্ত

ঢাকার দুই সিটি করপোরেশন নির্বাচনে ওয়ার্ড কাউন্সিলর পদে কারা নির্বাচন করবেন সেটিও প্রায় চূড়ান্ত করেছে জামায়াতে ইসলামী।

জামায়াতের চকবাজার থানা পশ্চিমের আমির আবুল হোসাইন বার্তাবেলা নিউজকে বলেন, ‘গত এক বছর আগে থেকে ওয়ার্ড কাউন্সিলর যাচাই-বাছাই প্রায় শেষ। যারা সম্ভাব্য প্রার্থী তারা জাতীয় নির্বাচনে ভালোভাবে কাজ করেছে, প্রচার-প্রচারণায় নিজেদের এগিয়ে রেখেছে। এক্ষেত্রে ঢাকায় যারা দীর্ঘ ১০ থেকে ২০ বছর ধরে সংগঠন করছেন, এলাকায় পরিচিতি আছে তাদের প্রায়োরিটি দেওয়া হয়েছে।’

Dummy Ad 1

ভারতীয় হাইকমিশনে দেওয়া বিএনপির স্মারকলিপিতে যা আছে

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ০৮ ডিসেম্বর, ২০২৪

ভারতীয় হাইকমিশনে দেওয়া বিএনপির স্মারকলিপিতে যা আছে

বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মা বরাবর স্মারক লিপি দিয়েছে বিএনপির ৩ অঙ্গ সংগঠন যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল ও ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা। রোববার (৮ ডিসেম্বর) ভারতীয় হাইকমিশনে এ স্মারকলিপি দিয়ে আসেন ৬ সদস্যের প্রতিনিধি দল।

বিএনপির তিন অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের ছয় সদস্যের প্রতিনিধি দলে ছিলেন জাতীয়তাবাদী যুবদলের কেন্দ্রীয় সভাপতি মোনায়েম মুন্না, সাধারণ সম্পাদক নুরুল ইসলাম নয়ন, জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি এসএম জিলানী, সাধারণ সম্পাদক রাজীব আহসান, জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব এবং সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দিন নাছির। এই ছয় নেতার স্বাক্ষর আছে স্মারকলিপিতে।

স্মারক লিপিতে বিষয় হিসেবে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক অবন্ধুসুলভ ঘটনাবলী নিয়ে গভীর উদ্বেগ

স্মারক লিপিতে লেখা আছে, ‘আমরা, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠন জাতীয়তাবাদী যুবদল, জাতীয়তাবাদী স্বোচ্ছাসেবক দল ও জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের পক্ষ থেকে এই মর্মে গভীর উদ্বেগ ও বিস্ময় প্রকাশ করছি যে, দুনিয়া কাঁপানো ছাত্র-জনতার অভাবনীয় তুমুল আন্দোলনে স্বৈরাচারী শেখ হাসিনা আপনার দেশে পালিয়ে যাওয়ার পর আপনারা তাকে আশ্রয় দিয়েছেন। অতঃপর আপনার দেশের অতি উগ্রবাদী নেতৃবৃন্দ এবং বিশেষ করে কতিপয় সংবাদ মাধ্যম ও মিডিয়া বাংলাদেশের এই গণশত্রু হাসিনা ওয়াজেদকে পুনরায় পুনর্বাসন এবং বাংলাদেশের শান্তিপূর্ণ পরিবেশ অস্থিতিশীল করবার নিমিত্তে একের পর এক অজ্ঞ-অর্বাচীনের ন্যায় কাজ করে যাচ্ছে । যাতে স্পষ্টত প্রতীয়মান হয়, আমাদের বন্ধু রাষ্ট্র ভারতের বন্ধুত্ব ছিল হাসিনার সাথে, বাংলাদেশের জনগণের সাথে নয়।

হাসিনা এখন বাংলাদেশের নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতার বিরুদ্ধে হুমকি হয়ে উঠেছে। একদিকে তিনি বাংলাদেশের ভিন্ন দলমতের মানুষদের ঘরবাড়ি সম্পত্তি জ্বালিয়ে দেওয়ার হুকুম দিচ্ছেন। অপরদিকে, যারা তার বিরুদ্ধে মামলা করেছে তাদেরকে হত্যা করার হুমকি দিচ্ছেন। ভারতের নিরাপদে আশ্রয়ে থেকে বাংলাদেশের পরিস্থিতি অস্থিতিশীল করার এই অপচেষ্টা বাংলাদেশের জনগণ ইতিবাচকভাবে নিচ্ছে না।’

এক্সিলেন্সি,

‘আপনি সম্যক অবগত আছেন যে, গত ২ ডিসেম্বর ২০২৪-এ আগরতলায় বাংলাদেশ সহকারী হাইকমিশনে ন্যাক্কারজনক হামলা চালানো হয়েছে। নৈতিক পদস্খলনের কারণে ইসকন থেকে বহিষ্কৃত সাবেক ইসকন নেতা শ্রী চিন্ময় কৃষ্ণ দাসকে গ্রেফতারের প্রতিবাদে উগ্র হিন্দুত্ববাদী হাজার হাজার মানুষ যখন রাষ্ট্রীয় মদদ ও প্রশ্রয়ে বাংলাদেশ সহকারী হাইকমিশনে হামলা করছিল তখন নীরব দর্শকের ভূমিকা পালন করেছে আপনার দেশের আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।

প্রাপ্ত বিবরণগুলো চূড়ান্তভাবে প্রমাণ করে যে, পূর্বপরিকল্পিতভাবে বাংলাদেশ সহকারী হাইকমিশনের প্রধান ফটক ভেঙে বিক্ষোভকারীদের প্রাঙ্গণে আক্রমণ করার সম্মতি দেওয়া হয়েছিল। এই প্রক্রিয়ায়, স্থানীয় আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সদস্যদের উপস্থিতিতে, তারা জাতীয় পতাকা ভাঙচুর করে, বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা অবমাননা করে এবং সহকারী হাইকমিশনের অভ্যন্তরে সম্পত্তিরও ক্ষতি করে। দুঃখজনকভাবে, প্রাঙ্গণ রক্ষার দায়িত্বে থাকা স্থানীয় পুলিশ সদস্যদের শুরু থেকেই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সক্রিয় না থাকতে দেখা গেছে। এটি কূটনৈতিক নিয়ম এবং আন্তর্জাতিক আইনের একটি গুরুতর লঙ্ঘন। একই সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্কের ভিয়েনা কনভেনশন, ১৯৬১ এর সুস্পষ্ট লঙ্ঘন। এহেন ন্যাক্কারজনক বিস্ময়কর ঘটনাসমূহের ধারাবাহিকতা অব্যাহত থাকলেও আপনার সরকারের নীরবতায় বাংলাদেশের জনগণ হতাশ। আমরা পরস্পরের স্বাধীনতা ও স্বার্বভৌমত্বের প্রতি গভীরভাবে শ্রদ্ধাশীল। আমাদের দুই দেশের সম্পর্কের ভিত্তি হবে সমতা, পরস্পরের প্রতি আস্থা, বিশ্বাস এবং সম্মান প্রদর্শনের ওপর।’

‘স্বার্বভৌম কোনো রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালানো রাষ্ট্রের সার্বভৌমত্ব লঙ্ঘনের সামিল। ভারতের সাম্প্রতিক ঘটনা প্রবাহ বাংলাদেশের জনগণের প্রতি অবজ্ঞা স্বরূপ বলে আমরা চাই ভারত সরকার ভারতীয় মিডিয়া আউটলেটগুলোকে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক গড়ে তুলতে এবং বস্তুনিষ্ঠ সংবাদের মাধ্যমে ভারতীয় সংবিধানের ৫৫ অনুচ্ছেদে বর্ণিত আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তার আদর্শ প্রচার করতে পরামর্শ দেবে।’

আমরা আশা করি, ‘বাংলাদেশের বিরুদ্ধে অপপ্রচার, অপতথ্য বন্ধ করতে ভারতীয় সরকার কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।’

‘দক্ষিণ এশিয়ার ভূ-রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য দেশগুলোর মধ্যে একটি স্থিতিশীল, পারস্পরিক শ্রদ্ধাপূর্ণ অংশীদারত্ব অপরিহার্য। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল জাতিসংঘের সনদের নীতির উপর ভিত্তি করে সকল সদস্যের সার্বভৌম সমতার ভিত্তিতে আমাদের দুই দেশের মধ্যে শক্তিশালী ও বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক গড়ে তুলতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।’

আমাদের পক্ষ থেকে এই স্মারকলিপির মাধ্যমে আপনাকে অবগত করছি এবং অনুরোধ জানাচ্ছি যে, ‘জাতীয়তাবাদী যুবদল, জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দল ও জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের অবস্থান ও মতামত ভারতীয় সরকারের নিকট পৌঁছে দেওয়ার যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।’


আমরা সরকারও মানছি না, রাজপথও ছাড়ছি না: মান্না

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪

আমরা সরকারও মানছি না, রাজপথও ছাড়ছি না: মান্না

বার্তাবেলা ডেস্ক: সরকার দ্রব্যমূল্য কমাতে পারবে না বলে দাবি করেছেন নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না। মঙ্গলবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর মৌচাক মোড়ে ‘গণতন্ত্রের পক্ষে গণস্বাক্ষর’ কর্মসূচিতে এ কথা বলেন তিনি।

মান্না বলেন, এই সরকার দ্রব্যমূল্য কমাতে পারবে না। কারণ এরাই সিন্ডিকেট, আর সিন্ডিকেটই সরকার।

তিনি আরও বলেন, স্বৈরাচার সরকারের বিরুদ্ধে আমাদের লড়াই চলবে। দেশের জনগণকে এই সরকারের হাত থেকে মুক্ত করেই আমরা ফিরবো। ঢাকা মহানগরের সব থানা থেকে শুরু করে সারাদেশে আমরা জনগণকে উদ্বুদ্ধ করার জন্য গণস্বাক্ষর কর্মসূচি চালিয়ে যাবো। পাশাপাশি শেখ হাসিনা সরকারের অবৈধ ক্ষমতাকে চ্যালেঞ্জ করার কর্মসূচিও থাকবে।

তিনি জানান, ১৬ ফেব্রুয়ারি গণতন্ত্র মঞ্চের উদ্যোগে সমাবেশ ও বিক্ষোভ মিছিল হবে। ১৫-১৯ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত যাত্রাবাড়ী, শনির আখড়া, ফার্মগেট, খামারবাড়ি এবং ২৩-২৪ তারিখে খিলগাঁওয়ে নাগরিক ঐক্যের গণস্বাক্ষর কর্মসূচি হবে। ২০-২২ ফেব্রুয়ারি ভাষা দিবসের কর্মসূচি থাকবে।

নাগরিক ঐক্যের সভাপতি বলেন, এর মানে বার্তা পরিষ্কার, আমরা তোমাকে মানছি না, রাজপথ ছাড়ছি না। তোমাকে যেতে হবে।

মান্নার সভাপতিত্বে এতে আরও বক্তব্য রাখেন জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জেএসডি) সাধারণ সম্পাদক শহীদ উদ্দিন মাহমুদ স্বপন, নাগরিক ঐক্যের সাধারণ সম্পাদক শহীদুল্লাহ কায়সারসহ নেতারা।

মান্না বলেন, আওয়ামী লীগ সরকার গত ১৫ বছরে লুটপাট করে দেশের অর্থনীতি ধ্বংস করেছে। ব্যাংক ব্যবস্থা ধ্বংস করেছে। বাংলাদেশ ব্যাংকে ডলার নেই, টাকা নেই। সরকারের কাছেও টাকা নেই।


হাসনাতের আসনে বিএনপি প্রার্থী মঞ্জুরুলের মনোনয়ন বাতিল

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১৭ জানুয়ারি, ২০২৬

হাসনাতের আসনে বিএনপি প্রার্থী মঞ্জুরুলের মনোনয়ন বাতিল

কুমিল্লা-৪ আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মঞ্জুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়নপত্র বাতিল করেছে নির্বাচন কমিশন।

শনিবার (১৭ জানুয়ারি) ইসির আপিল শুনানিতে এ সিদ্ধান্ত হয়। এনসিপি প্রার্থী হাসনাত আবদুল্লাহর মনোনয়ন বাতিল চেয়ে নির্বাচন কমিশনে আপিল করেন মঞ্জুরুল আহসান মুন্সী। ইসি তার আবেদন নামঞ্জুর করে। ফলে হাসনাতের মনোনয়ন বৈধই থাকছে। তবে ঋণখেলাপির অভিযোগে মঞ্জুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়ন বাতিল করেছে নির্বাচন কমিশন

গত ৯ জানুয়ারি নির্বাচন কমিশনে হাসনাতের মনোনয়ন বাতিল চেয়ে আবেদন করেন মঞ্জুরুল আহসান মুন্সী। তার আগে মঞ্জুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়ন বাতিল চেয়ে আবেদন করেছিলেন হাসনাত।

এর আগে ঋণ খেলাপির অভিযোগ এনে মঞ্জুরুল আহসান মুন্সীর মনোয়নপত্র কেন বাতিল করা হবে না, এজন্য ইসিতে আপিল করেছিলেন হাসনাত আবদুল্লাহ।