শেয়ার বাজার

ধর্ষণকাণ্ড: জাবিতে দ্বিতীয় দিনের মত প্রশাসনিক ভবন অবরোধ

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৪

ধর্ষণকাণ্ড: জাবিতে দ্বিতীয় দিনের মত প্রশাসনিক ভবন অবরোধ

বার্তাবেলা ডেস্ক: জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে ধর্ষক ও তার সহযোগীদের সর্বোচ্চ সাজাসহ পাঁচ দফা দাবিতে দ্বিতীয় দিনের মত নতুন প্রশাসনিক ভবন ‘প্রতীকী অবরোধ’ করেছেন আন্দোলনকারীরা। 

মঙ্গলবার সকাল ৯টা থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের প্ল্যাটফর্ম ‘নিপীড়নবিরোধী মঞ্চের’ ব্যানারে দুই ঘণ্টা ধরে এ অবরোধ করা হয়। পরে বেলা ১১টায় এই অবরোধ তুলে নেওয়া হয়। 

অবরোধ চলাকালে প্রশাসনিক ভবনে কোনো কর্মকর্তাদের প্রবেশ করতে দেওয়া হয়নি। এ ছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক নূরুল আলমকেও দেখা যায়নি। 

এর আগে সোমবার সকাল ৯টা থেকে বেলা ১১টা পর্যন্ত নতুন প্রশাসনিক ভবনে প্রতীকী অবরোধ করেছিল ‘নিপীড়নবিরোধী মঞ্চ'। 

‘নিপীড়নবিরোধী মঞ্চের’ পাঁচ দফা দাবির মধ্যে রয়েছে- ধর্ষক ও তার সহায়তাকারীদের সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করা; মেয়াদোত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের হল থেকে বের করে গণরুম বিলুপ্তপূর্বক নিয়মিত শিক্ষার্থীদের আবাসন নিশ্চিত ও র‌্যাগিং সংস্কৃতির সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের চিহ্নিত করে বিচারের আওতায় আনা; নিপীড়ক শিক্ষক মাহমুদুর রহমান জনির বিচার নিষ্পত্তি করাসহ ক্যাম্পাসে বিভিন্ন সময়ে নানাবিধ অপরাধে অভিযুক্তদের বিচারের আওতায় আনা; নিপীড়কদের সহায়তাকারী প্রক্টর ও মীর মশাররফ হোসেন হলের প্রাধ্যক্ষের অপরাধ তদন্ত ও সুষ্ঠু হওয়ার স্বার্থে তদন্ত চলাকালে তাদের প্রশাসনিক পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়া; মাদকের সিন্ডিকেট চিহ্নিত করে জড়িতদের ক্যাম্পাসে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করে তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া।

বিশ্ববিদ্যালয়ের সরকার ও রাজনীতি বিভাগের অধ্যাপক শামছুল আলম বলেন, “বিশ্ববিদ্যালয়কে মাদকমুক্ত করতে হবে, অছাত্রদের সরিয়ে দিতে হবে। প্রশাসন আমাদেরকে বলেছিল, পাঁচ কর্মদিবসে অছাত্রদের বের করে দিবে। কিন্তু তারা সেটা পারেনি। প্রশাসন কোনো ব্যবস্থা না নিয়ে ঢাকায় দ্বারে দ্বারে ঘুরছে।“ 

তিনি বলেন, “সোমবার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে প্রশাসন দেখা করেছে। এখানে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কী করবেন? তার কাছে গিয়েছিলেন নিশ্চয় ক্যাম্পাসে পুলিশের সহায়তা নিয়ে তল্লাশি করার জন্য। কিন্তু পুলিশ এখানে কী সহায়তা করবে, তারা কি বহিরাগত অছাত্রদের চেনে? এখানে হল প্রশাসন যদি কাজ করে তাহলে কিন্তু সমাধান হয়। কিন্তু তারা কেউ কাজ করছেন না।”

গত ১৫ বছরে প্রতিটা হল টর্চার সেলে পরিণত হয়েছে; রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে যে বিচারহীনতা চলছে তার প্রভাব এখানে পড়েছে বলে জানান এই অধ্যাপক।  

বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষক সমিতির সহসভাপতি ও প্রাণ রসায়ন ও অনুপ্রাণ বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক সোহেল আহমেদ বলেন, “এক পৈশাচিক ঘটনা জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অনেকগুলো ব্যাধিকে জাতির সামনে তুলে ধরেছে। এই সংক্রামক ব্যাধিগুলো দূর করা যাবে না এটা এমনও না। এটা অবশ্যই দূর করার মত। কিন্তু এক্ষেত্রে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনকে যে দায়িত্বশীল হতে হবে। সেই দায়িত্ব আমরা দেখিনি। 

“বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবারকে যে ঘটনাগুলো কলুষিত করেছে, কলঙ্কিত করেছে, সম্মান ক্ষুণ্ন করেছে সেই সম্মান উদ্ধারে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের কোনো তৎপরতা আমরা দেখতে পাচ্ছি না।" 

তিনি বলেন, “এই বিশ্ববিদ্যালয়ে মাদক কীভাবে ছড়িয়ে গেছে, মাদক ব্যবসা, চোরা চালান, মাদক সেবন সামনে এসেছে। র‍্যাবের ব্রিফিং থেকে জানা গেছে, বিশ্ববিদ্যালয়ে দিনের পর দিন যে পাশবিক ঘটনাগুলো ঘটছিল তা এই অছাত্ররা করছিল। এই প্রশাসন ব্যর্থ হয়েছে তারা দায় এড়াতে পারে না। শুধু এই প্রশাসন তা উপলব্ধি করতে পারছে না।" 

অবরোধ চলাকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের নাটক ও নাট্যতত্ত্ব বিভাগের শিক্ষার্থী কনোজ কান্তি রায় বলেন, "এই ক্যাম্পাসে একজন বৈধ শিক্ষার্থী থাকার জায়গা ও লেখাপড়ার জন্য চেয়ার-টেবিল পায় না। অন্যদিকে কিছু অবৈধ শিক্ষার্থী ক্ষমতাসীন ছাত্র সংগঠনের ছত্রছায়ায় থেকে তাদের সঙ্গে লেজুড়বৃত্তি করে হলগুলোতে থাকছে।যার ফলে বৈধ শিক্ষার্থীরা তাদের অধিকার থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।

“গণরুমে ওঠার পরে যারা ক্ষমতাসীন ছাত্র সংগঠনের সঙ্গে জড়িত হয় তাদেরকে আগে সিট দেওয়া হয়। এর মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের মধ্যে ক্ষমতা কুক্ষিগত করার একটা প্রবণতা তৈরি হয়। আর গণরুম ও গেস্টরুমের কালচার এবং র‍্যাগিং শিক্ষার্থীদের মস্তিষ্ককে বিকৃত করে তোলে।” 

এ সময় সমাবেশে আরও উপস্থিত ছিলেন পরিবেশ বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক জামাল উদ্দিন, ফার্মেসি বিভাগের অধ্যাপক মাফরুহি সাত্তার ও সোহেল রানা, ইতিহাস বিভাগের অধ্যাপক পারভীন জলী, সাংবাদিকতা ও গণমাধ্যম অধ্যয়ন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক আমেনা ইসলাম, প্রাণ রসায়ন ও অনুপ্রাণ বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক বোরহান উদ্দিন, ভূগোল ও পরিবেশ বিভাগের অধ্যাপক নূরুল ইসলাম।

Dummy Ad 1

জয়পুরহাটে আগুনে দগ্ধ হয়ে শিশুর মৃত্যু

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১৬ মার্চ, ২০২৪

জয়পুরহাটে আগুনে দগ্ধ হয়ে শিশুর মৃত্যু

জয়পুরহাট প্রতিনিধি: জয়পুরহাটে আগুনে দগ্ধ হয়ে তিন বছর বয়সী এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। আজ শুক্রবার সকালে জয়পুরহাট ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে চিকৎসাধীন অবস্থায় শিশুটি মারা যায়। তার নাম অর্ক। সে জয়পুরহাট সদর উপজেলার পারুলিয়া গ্রামের শয়ন মন্ডলের মেয়ে।

জয়পুরহাট সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি)  হুমায়ূন কবির বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

ওসি হুমায়ূন কবির জানান, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় অর্ক নিজ বাড়ির বারান্দায় খেলাধুলা করছিল। তখন পূজা দেওয়ার সন্ধ্যাবাতির আগুন লেগে দগ্ধ হয় অর্ক। শিশুটির চিৎকারে স্থানীয়রা তাকে জয়পুরহাট জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করেন।

সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শুক্রবার সকালে মারা যায় শিশুটি। তার মরদেহ বাড়িতে পাঠানো হয়েছে। শিশুটির মৃত্যুতে পুরো গ্রামে শোকের ছায়া নেমে এসেছে


বরেণ্য সাংবাদিক গাজীউল হাসান খানের জন্মদিন উদযাপন

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

বরেণ্য সাংবাদিক গাজীউল হাসান খানের জন্মদিন উদযাপন

মহিন উদ্দিন স্বপন | জ্যেষ্ঠ বিশেষ প্রতিনিধি:

বরেণ্য সাংবাদিক, সাবেক কূটনীতিক ও একুশে পদকপ্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা গাজীউল হাসান খানের জন্মদিন উদযাপন করেছে কুমিল্লা সাংবাদিক ফোরাম, ঢাকা (সিজেএফডি)। সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) জাতীয় প্রেস ক্লাবে ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়ন (ডিইউজে) কার্যালয়ে এ উপলক্ষ্যে আলোচনা ও শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

সিজেএফডি সভাপতি সাঈদ আহমেদ খানের সভাপতিত্বে ও নির্বাহী সদস্য দিদারুল আলম দিদারের সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ডিইউজে সাধারণ সম্পাদক খুরশিদ আলম। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ডিআরইউ’র সাবেক সভাপতি-সাধারণ সম্পাদক মুরসালিন নোমানি ও সিজেএফডির সাবেক সভাপতি ও নির্বাহী সদস্য (কো-অপ্ট) সাজ্জাদ হোসেন।

এছাড়া, সিজেএফডির সহ-সভাপতি নাসরীন সুলতানা, সালাম ফারুক, যুগ্ম-সম্পাদক  মনির আহমাদ জারিফ, দফতর সম্পাদক আশিকুর রহমান, শিক্ষা-প্রশিক্ষণ সম্পাদক কাজী দ্বীন মোহাম্মদ বেলাল, ক্রীড়া-সংস্কৃতি সম্পাদক আহমেদ আজম, ইভেন্ট-আপ্যায়ন সম্পাদক মাহমুদুল হাসান বিপ্লব সিকদার, সমাজকল্যাণ সম্পাদক হাবিবুর রহমান বাবু, নির্বাহী সদস্য আব্দুল ওয়াদুদ, সাবেক নির্বাহী সদস্য সায়ীদ মালিক, সদস্য মহিন উদ্দিন স্বপন ও সাইফুল ইসলাম'সহ অন্যান্য সদস্যসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমের সাংবাদিক ও শুভানুধ্যায়ীরা উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে বক্তারা গাজীউল হাসান খানের দীর্ঘ ও বর্ণাঢ্য সাংবাদিকতা জীবন, মুক্তিযুদ্ধে তার ভূমিকা এবং দেশের সাংবাদিকতায় তাঁর অবদানের কথা স্মরণ করেন। তারা তার সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করে জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানান

অনুষ্ঠানে সিজেএফডি সভাপতি সাঈদ আহমেদ খান বলেন, গাজীউল হাসান খান শুধু কুমিল্লার গর্ব নন, তিনি বাংলাদেশের সাংবাদিকতারও একজন উজ্জ্বল নক্ষত্র। তার দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবন ও পেশাগত অবদান নতুন প্রজন্মের সাংবাদিকদের জন্য অনুকরণীয় হয়ে থাকবে।

অনুভূতি ব্যক্ত করতে গিয়ে গাজীউল হাসান খান বলেন, আমার জন্মস্থান কুমিল্লা। ডিউজে বা বিএফইউজের মতো ইউনিয়ন আমাকে স্মরণ করেনি, বাসসের পদ ছাড়ার পর আমাকে সম্মাননা দেয়নি, কিন্তু আমার এলাকার সন্তানদের সমন্বয়ে গঠিত কুমিল্লা সাংবাদিক ফোরাম,, ঢাকা আমাকে যে সম্মান দিয়েছে। আমার বংশধর ও প্রতিব্বশীরাই আমাকে স্মরণ করেছে। আমি সে সম্মান লালন করে মৃত্যুবরণ করতে চাই।

এসময় তিনি তরুণ প্রজন্মের প্রতি দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্যের পাশাপাশি পেশাগত জীবনের স্মৃতিচারণ করেন।

১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে তিনি সক্রিয় ভূমিকা পালন করেন এবং ‘স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র’-এর বিভিন্ন অনুষ্ঠানে অংশ নেন। ১৯৭৬ সালে কমনওয়েলথ বৃত্তি নিয়ে উচ্চশিক্ষার জন্য লন্ডনে যান এবং আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিষয়ে উচ্চতর ডিপ্লোমা অর্জন করেন। ১৯৭৭ থেকে ১৯৭৯ সাল পর্যন্ত লন্ডনের ফ্লিট স্ট্রিট থেকে প্রকাশিত ‘ওয়ার্ল্ড টাইমস’ নিউজ ম্যাগাজিনে সিনিয়র সাংবাদিক হিসেবে কাজ করেন। এ সময় সহকর্মীদের নিয়ে তিনি ‘কমনওয়েলথ জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশন (সিজেএ)’ প্রতিষ্ঠা করেন। পরবর্তী সময়ে তিনি বিবিসিতেও কাজ করেন।

১৯৮০ সালে লন্ডনে ‘ইস্ট এন্ড’ প্রকাশনা সংস্থা ও একটি নিউজ ম্যাগাজিন প্রকাশ করেন। যুক্তরাজ্যে বসবাসরত বাংলাদেশিদের ইতিহাসে তিনি প্রথমবারের মতো বাংলা ভাষার ছাপাখানা প্রতিষ্ঠা করেন। সেখান থেকে বাংলা বই, সাহিত্য সংকলন, পত্রিকা ও শিশুদের পাঠ্যবই প্রকাশিত হয়।

১৯৯৩ সালে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন ডিসিতে বাংলাদেশ দূতাবাসে প্রেস মিনিস্টার হিসেবে কূটনৈতিক দায়িত্ব পালন করেন। নিউইয়র্ক সিটিতে ‘সাউথ এশিয়া ওয়াচ’ নামের মানবাধিকার সংস্থার পরিচালক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৯৮ সালের শেষ দিকে তিনি বাংলাদেশের সাংবাদিকতায় প্রত্যাবর্তন করেন। ২০০৩ সালে তিনি বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থার (বাসস) ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পান। বাসসে পেশাগত জীবন শেষে জাতীয় দৈনিকগুলোতে সংবাদ বিশ্লেষণসহ কলাম লেখা শুরু করেন।ইতিহাসের বই পড়ুন

সাংবাদিকতায় বিশেষ অবদানের জন্য ২০০৬ সালে গাজীউল হাসান খান একুশে পদক লাভ করেন। তিনি একই সঙ্গে সাংবাদিক ও সুলেখক। তার প্রকাশিত গ্রন্থের মধ্যে রয়েছে ‘রাজনীতির অগ্নিপুরুষ ভাসানী’, ‘প্যালেস্টাইন এক চলমান ইতিহাস’, ‘প্যালেস্টাইন এক সংগ্রামের ইতিহাস’, ‘ইতিহাসের অনুঘটক’সহ আরও কয়েকটি গ্রন্থ। বিশ্ব পরিস্থিতি ও সমসাময়িক আন্তর্জাতিক রাজনীতি নিয়েও তিনি নিয়মিত লিখেছেন।