শেয়ার বাজার

ইরানের সঙ্গে কতক্ষণ টিকতে পারবে ইসরায়েল

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: শনিবার, ৬ এপ্রিল ২০২৪

ইরানের সঙ্গে কতক্ষণ টিকতে পারবে ইসরায়েল

গাজা যুদ্ধ ঘিরে মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি বেশ উত্তপ্ত। এমন উত্তপ্ত পরিস্থিতির মধ্যে গত সোমবার সিরিয়ায় একটি ইরানি দূতাবাসে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায় ইসরায়েল। ইসরায়েলি এই হামলার সমুচিত জবাব দেওয়ার অঙ্গীকার ব্যক্ত করে পাল্টা হামলার প্রস্তুতি শুরু করেছে ইরান। ফলে ইরানের সামনে ইসরায়েল কতক্ষণ টিকবে তা নিয়ে চলছে নানা সমীকরণ।

গত কয়েক বছর ধরে ইরান ও ইসরায়েলের সামরিক সক্ষমতা বেশ বেড়েছে। সম্প্রতি ইরান সামরিক প্রযুক্তির দিকে মনোনিবেশ করেছে। গ্লোবাল ফায়ার পাওয়ারের তথ্যমতে, ১৪৫টি দেশের মধ্যে ইরান ১৪তম আর ইসরায়েল ১৭তম অবস্থানে রয়েছে। ওয়েবসাইটের তথ্যমতে দুই দেশের মধ্যকার সামরিক সক্ষমতার তথ্য তুলে ধরা হলো।

ওয়েবসাইটের তথ্যানুসারে, ইরানের ৬ লাখ ১০ হাজার নিয়মিত সেনা রয়েছে। অন্যদিকে ইসরায়েলের রয়েছে এক লাভ ৭০ হাজার সেনা। তবে রিজার্ভ সেনার দিক দিয়ে আগায়ে রয়েছে ইসরায়েলের। তাদের সেনা হচ্ছে চার লাখ ৬৫ হাজার। অন্যদিকে ইরানের রিজার্ভ সেনা হলো তিন লাখ ৫০ হাজার।

আধাসামরিক বাহিনীর দিক দিয়ে আগায়ে রয়েছে ইরান। দেশটিতে ২ লাখ ২০ হাজার আধাসামরিক বাহিনীর সদস্য রয়েছেন। অন্যদিকে ইসরায়েলের রয়েছে মাত্র ৩৫ হাজার সেনা।

সামরিক উড়োজাহাজের দিক দিয়ে আগায়ে রয়েছে ইসরায়েল। দেশটির ৬১২টি সামরিক উড়োজাহাজ রয়েছে। অন্যদিকে ইরানের সামরিক উড়োজাহাজের সংখ্যা ৫৫১টি। যুদ্ধবিমানের দিক দিয়েও আগায়ে ইসরায়েল। দেশটির ২৪১টি যুদ্ধবিমান রয়েছে। অন্যদিকে ইরানের ১১৬টি যুদ্ধবিমান রয়েছে।

হামলায় ব্যবহৃত যুদ্ধবিমান ইসরায়েলের ৩৯টি আর ইরানের রয়েছে ২৩টি। অন্যদিকে পরিবহন উড়োজাহাজে এগিয়ে রয়েছে ইরান। দেশটির ৮৬টি আর অন্যদিকে ইসরায়েলের রয়েছে ১২টি।

হেলিকপ্টারের দিক দিয়েও এগিয়ে রয়েছে ইসরায়েল। দেশটির ১৪৬টি হেলিকপ্টার রয়েছে। অন্যদিকে ইরানের বহরে রয়েছে ১২৯টি হেলিকপ্টার। এ ছাড়া ইরানের ট্যাংক রয়েছে এক হাজার ৯৯৬টি। অন্যদিকে ইসরায়েলের রয়েছে এক হাজার ৩৭০টি।

সাঁজোয়া যানেও এগিয়ে রয়েছে ইরান। দেশটির ৬৫ হাজার ৭৬৫টি সাঁজোয়া যান রয়েছে। অন্যদিকে ইসরায়েলের রয়েছে ৪৩ হাজার ৪০৩টি। এ ছাড়া সাবমেরিন রয়েছে ইরানের ১৯টি। অন্যদিকে ইসরায়েলের রয়েছে মাত্র ৫টি।

Dummy Ad 1

অবশেষে গাজায় যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব পাস জাতিসংঘে

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২৫ মার্চ, ২০২৪

অবশেষে গাজায় যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব পাস জাতিসংঘে

অবশেষে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় জরুরিভিত্তিতে যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব পাস হলো। সোমবার (২৫ মার্চ) পাস হওয়া এই প্রস্তাবে গাজায় যুদ্ধবিরতির পাশাপাশি হামাসের হাত থাকা জিম্মিদের অবিলম্বে নিঃশর্ত মুক্তির শর্ত রাখা হয়েছে।

কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার প্রতিবেদন অনুযায়ী, এ প্রস্তাবে  ভোটদানে বিরত ছিল ইসরায়েলের সবচেয়ে ঘনিষ্ঠ মিত্র যুক্তরাষ্ট্র। তবে নিরাপত্তা পরিষদের বাকি ১৪টি দেশ প্রস্তাবটির পক্ষে ভোট দেয়।

এই প্রস্তাবকে স্বাগত জানিয়ে জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস বলেছেন, দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর নিরাপত্তা পরিষদে গাজায় যুদ্ধবিরতি সংক্রান্ত প্রস্তাব পাস হয়েছে। এই প্রস্তাব অবশ্যই বাস্তবায়ন হতে হবে। যদি কোনো পক্ষ এই যুদ্ধবিরতি ও এর শর্তগুলো বাস্তবায়নে ব্যর্থ হয়, তাহলে তা হবে ক্ষমার অযোগ্য অপরাধের শামিল।

এর আগে শুক্রবার জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে গাজায় যুদ্ধবিরতির খসড়া প্রস্তাব দিয়েছিল যুক্তরাষ্ট্র। কিন্তু রাশিয়া ও চীনের ভেটোর কারণে প্রস্তাবটি পাস হয়নি। সেদিন মস্কোর অভিযোগ ছিল, ওয়াশিংটনের দ্বিমুখী নীতি ইসরায়েলের ওপর কোনো চাপ তৈরি করছে না।

জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে তোলা প্রস্তাবের পক্ষে ভোট দেয় ১১ দেশ। বিপক্ষে দেয় তিন দেশ। আর ভোট দেওয়া থেকে বিরত থাকে একটি দেশ।

তবে জাতিসংঘে নিযুক্ত রাশিয়ার রাষ্ট্রদূত ভ্যাসিলি নেবেনজিয়া বলেছিলেন, এই খসড়াটি অত্যন্ত রাজনীতিকরণ করা হয়েছে ও এতে রাফায় সামরিক অভিযান চালানোর জন্য কার্যকর সবুজ সংকেত রয়েছে।


পোল্যান্ডের সর্বোচ্চ সম্মাননা ফেরত দিলেন জেলেনস্কি, দুই দেশে উত্তেজনা

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২১ জুন, ২০২৬

পোল্যান্ডের সর্বোচ্চ সম্মাননা ফেরত দিলেন জেলেনস্কি, দুই দেশে উত্তেজনা

পোল্যান্ডের সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় সম্মাননা ‘অর্ডার অব দ্য হোয়াইট ঈগল’ ফেরত দিয়েছেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি। পোল্যান্ডের বর্তমান প্রেসিডেন্ট পোলিশ ঐতিহাসিক ও রাজনৈতিক বিরোধের জেরে জেলেনস্কির এই খেতাব কেড়ে নেওয়ার ঘোষণা দেওয়ার পর জেলেনস্কি নিজেই তা ডাকযোগে ফেরত পাঠান।

শনিবার (২০ জুন) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) এক পোস্টে জেলেনস্কি এই সম্মাননা ফেরত দেওয়ার কথা জানান। পোস্টে তিনি সম্মাননার পদক এবং সেটি পোল্যান্ডের প্রেসিডেন্টের কার্যালয়ে ডাকযোগে পাঠানোর রসিদের ছবিও জুড়ে দেন।

জেলেনস্কি তার পোস্টে লিখেছেন, ইউক্রেনীয়রা বিশ্বাস করত এই সম্মাননা পুরো ইউক্রেনের জনগণ ও আমাদের সেনাবাহিনীর জন্য ছিল। আজ আমি এটি পোল্যান্ডের প্রেসিডেন্টের কাছে ফেরত পাঠিয়েছি। আমি বিশ্বাস করি, ইউক্রেনীয়রা যে সম্মানের যোগ্য, ভবিষ্যৎ তা প্রমাণ করবে।

একই সঙ্গে, রাশিয়ার চার বছরের আগ্রাসনের বিরুদ্ধে পোল্যান্ডের সমর্থনের জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে তিনি বলেন, ইউক্রেন ঐতিহাসিক মতপার্থক্য দূর করতে সব সময় প্রস্তুত।

এর আগে পোল্যান্ডের প্রেসিডেন্ট কারোল নাওরোকি এক ভিডিওবার্তায় জেলেনস্কিকে দেওয়া এই সর্বোচ্চ সম্মাননা বাতিল করার ঘোষণা দেন।

গত ২৬ মে ইউক্রেনের স্পেশাল অপারেশন ফোর্সের একটি ইউনিটের নাম দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধকালীন বিতর্কিত ইউক্রেনীয় বিদ্রোহী সেনাবাহিনী বা ‘ইউপিএ’ (UPA)-এর নামে করার ডিক্রি জারি করেন জেলেনস্কি। এই ইউপিএ-এর বিরুদ্ধে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় হাজার হাজার পোলিশ নাগরিককে নির্মমভাবে হত্যার অভিযোগ রয়েছে। ২০১৬ সালে পোল্যান্ডের পার্লামেন্ট একে ‘গণহত্যা’ হিসেবে স্বীকৃতি দেয়। পোলিশ সমাজ এই ক্ষত এখনো ভুলে যায়নি উল্লেখ করে প্রেসিডেন্ট নাওরোকি জেলেনস্কির ওই সিদ্ধান্তের তীব্র সমালোচনা করেন।

২০২৩ সালে ইউক্রেনের নিরাপত্তা, মানবাধিকার রক্ষা ও বীরোচিত প্রতিরোধের স্বীকৃতি হিসেবে তৎকালীন পোলিশ প্রেসিডেন্ট আন্দ্রেজ দুদা জেলেনস্কিকে এই সম্মাননা দিয়েছিলেন।

জেলেনস্কির সম্মাননা কেড়ে নেওয়ার এই ঘটনাকে পোল্যান্ডের পক্ষ থেকে এক ধরনের বৈরি আচরণ এবং মস্কোর জন্য বড় উপহার হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট কার্যালয়ের প্রধান কিরিলো বুদানভ। এই ঘটনার প্রতিবাদে বুদানভসহ ইউক্রেনের আরও চারজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা তাদের পাওয়া পোলিশ রাষ্ট্রীয় সম্মাননা ফেরত দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন।

তবে ইউক্রেনের সাবেক প্রধানমন্ত্রী আরসেনি ইয়াতসেনিউক এই সিদ্ধান্তের সমালোচনা করে বলেছেন, পোল্যান্ডের প্রেসিডেন্টের একটি ভুল সিদ্ধান্তকে আমাদের আরেকটি ভুল সিদ্ধান্ত দিয়ে সংশোধন করা যায় না।

এদিকে এই ঐতিহাসিক বিতর্ককে কেন্দ্র করে দুই দেশের সম্পর্কে চলমান উত্তেজনা প্রশমনের আহ্বান জানিয়েছেন পোল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী ডোনাল্ড টাস্ক। প্রেসিডেন্ট নাওরোকির রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বী টাস্ক এক বার্তায় বলেন, এই আবেগ ও উত্তেজনা স্তিমিত করা প্রয়োজন। পোল্যান্ড ও ইউক্রেনের এই দ্বিমত পুতিনকে আনন্দিত করছে এবং আমাদের মিত্রদের স্তব্ধ করছে।

আগামী সপ্তাহে পোল্যান্ডে ইউক্রেনের যুদ্ধ-পরবর্তী পুনর্গঠন নিয়ে একটি বড় সম্মেলন হওয়ার কথা রয়েছে, যেখানে জেলেনস্কিরও অংশ নেওয়ার কথা ছিল। তবে এই নতুন কূটনৈতিক টানাপোড়েন সেই সম্মেলনে কী প্রভাব ফেলে, এখন সেটিই দেখার বিষয়।


আফগানিস্তান সীমান্তে পাকিস্তানের হামলা, নিহত ২৯

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২৯ জুন, ২০২৬

আফগানিস্তান সীমান্তে পাকিস্তানের হামলা, নিহত ২৯

আফগানিস্তান সীমান্তে বড় ধরনের সামরিক অভিযান চালিয়েছে পাকিস্তান। দেশটির নিরাপত্তা বাহিনীর স্থল ও বিমান হামলায় অন্তত ২৯ জন সশস্ত্র যোদ্ধা নিহত হয়েছেন। সম্প্রতি পাকিস্তানে একের পর এক প্রাণঘাতী হামলার জবাবে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন কর্মকর্তারা।

পাকিস্তানের তথ্যমন্ত্রী আতাউল্লাহ তারার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এই অভিযানের কথা নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, দেশের বিভিন্ন স্থানে সশস্ত্র গোষ্ঠীর হামলার জবাবে এই অভিযান চালানো হয়েছে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) দেওয়া এক পোস্টে আতাউল্লাহ তারার বলেন, নিখুঁত নিশানায় চালানো এই হামলায় পূর্ব আফগানিস্তানের পাক্তিয়া, পাক্তিকা ও কুনার প্রদেশের তিনটি আস্তানা ধ্বংস করা হয়েছে। তবে এই হামলার বিষয়ে আফগানিস্তানের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো প্রতিক্রিয়া জানা যায়নি।

তথ্যমন্ত্রী তারার জানান, আফগান সীমান্ত এলাকায় চালানো পাকিস্তানের এই সর্বশেষ অভিযানে পাকিস্তানি তালেবানের (টিটিপি) লুকিয়ে থাকার জায়গা ও নিরাপদ আশ্রয়স্থলগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে।

সাম্প্রতিক বছরগুলোতে পাকিস্তানে পুলিশ ও নিরাপত্তা বাহিনীকে লক্ষ্য করে হামলা আশঙ্কাজনকভাবে বেড়েছে। এসব সহিংসতার জন্য পাকিস্তানি তালেবান বা টিটিপি এবং তাদের সহযোগী সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোকে দায়ী করে আসছে ইসলামাবাদ।

টিটিপি আফগান তালেবানের চেয়ে একটি আলাদা সশস্ত্র গোষ্ঠী হলেও তারা পরস্পর মিত্র। ২০২১ সালে প্রতিবেশী আফগানিস্তানে আফগান তালেবান ফের ক্ষমতায় আসার পর থেকে এ অঞ্চলে সমীকরণ অনেকটাই বদলে গেছে। রোববারের এই আন্তঃসীমান্ত বিমান ও স্থল হামলার ফলে ইসলামাবাদ এবং কাবুলের মধ্যকার উত্তেজনা আরও বাড়বে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

করাচি হামলার পর এই পদক্ষেপ

পাকিস্তানের আধাসামরিক বাহিনী রেঞ্জার্সের আঞ্চলিক সদর দপ্তরে অস্ত্র ও বিস্ফোরক নিয়ে একদল যোদ্ধা হামলা চালানোর ঠিক পরদিনই এই অভিযান চালানো হলো। করাচির ওই হামলায় তিন পাকিস্তানি সেনা নিহত হন। পরে নিরাপত্তা বাহিনী পাল্টা প্রতিরোধ গড়ে তুলে তিন হামলাকারীকে হত্যা করে এবং একজনকে আহত অবস্থায় গ্রেপ্তার করে। সামরিক বাহিনীর তথ্যমতে, গ্রেফতার হওয়া ওই ব্যক্তি একজন আফগান নাগরিক।

শনিবার রাতে দেওয়া এক বিবৃতিতে জামাত-উল-আহরার নামের একটি গোষ্ঠী করাচি হামলার দায় স্বীকার করেছে। গোষ্ঠীটি পাকিস্তানি তালেবান বা টিটিপির একটি বিচ্ছিন্ন অংশ হিসেবে পরিচিত।

উত্তেজনা বাড়ছে দুই দেশে

গত তিন সপ্তাহের কম সময়ের মধ্যে আফগানিস্তানে এটি পাকিস্তানের দ্বিতীয় দফা বিমান হামলা। এর আগে গত ফেব্রুয়ারি মাস থেকে দুই দেশের মধ্যে দফায় দফায় সামরিক সংঘাত চলছে। আফগান ভূখণ্ডে পাকিস্তানের বিমান হামলার জবাবে আফগানিস্তানও পাল্টা হামলা চালিয়েছিল। এরপর থেকে সীমান্ত সংঘাত ও লড়াইয়ে এরই মধ্যে শত শত মানুষের মৃত্যু হয়েছে।

পাকিস্তান বরাবরই অভিযোগ করে আসছে, আফগান তালেবান সরকার তাদের দেশে টিটিপিসহ বিভিন্ন সশস্ত্র যোদ্ধাদের আশ্রয় দিচ্ছে। আর এই যোদ্ধারাই পাকিস্তানের ভেতরে ঢুকে প্রাণঘাতী হামলা চালাচ্ছে। তবে কাবুলের পক্ষ থেকে বরাবরই এই অভিযোগ অস্বীকার করা হয়েছে।