শেয়ার বাজার

খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশ, নতুন ভোটার ৪৫ লাখ ৭১ হাজার

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: রবিবার, ১০ আগস্ট ২০২৫

খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশ, নতুন ভোটার ৪৫ লাখ ৭১ হাজার

১৩তম জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে হালনাগাদ ভোটার তালিকার খসড়া প্রকাশ করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। হালনাগাদ তালিকা প্রকাশের পর দেশে মোট ভোটারের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১২ কোটি ৬১ লাখ ৭০ হাজার ৯০০ জনে। তালিকায় নতুন করে যুক্ত হয়েছেন ৪৫ লাখ ৭১ হাজার ২১৬ জন।

রোববার (১০ আগস্ট) ‘হালনাগাদ ভোটার তালিকার খসড়া’ প্রকাশ করা হয়। এদিন দুপুরে আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে এক ব্রিফিংয়ে ইসির সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ এ তথ্য জানান।

সিনিয়র সচিব জানান, আজ সারা দেশের নির্বাচন অফিসগুলোতে একযোগে হালনাগাদ ভোটার তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে।

আইন অনুযায়ী এ বছরের ২ মার্চ ভোটার তালিকা প্রকাশ করেছিল ইসি। তখন ভোটারের সংখ্যা ছিল ১২ কোটি ৩৭ লাখ ৩২ হাজার ২৭৪ জন।

ভোটার তালিকা হালনাগাদ কার্যক্রমে বাড়ি বাড়ি গিয়ে ৪৫ লাখ ৭১ হাজার ২১৬ জনকে নতুন করে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। অন্যদিকে মৃত ও কর্তনকৃত ভোটার হিসেবে ২১ লাখ ৩২ হাজার ৫৯০ জনকে বিদ্যমান তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে।

এই হিসাবে নতুন অন্তর্ভুক্তি ও বাদ দেওয়া মিলিয়ে মোট ভোটারের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১২ কোটি ৬১ লাখ ৭০ হাজার ৯০০ জনে।

সচিব বলেন, আগামী ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত যাদের বয়স ১৮ বছর পূর্ণ হবে, তারাও ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হতে পারবেন। নবীন ভোটারদের এক বছর অপেক্ষা না করানোর জন্য নতুন আইনে এই সুযোগ রাখা হয়েছে।

তিনি আরও জানান, এ বছর ইসি মোট তিন দফায় ভোটার তালিকা প্রকাশ করবে— ২ মার্চ, ৩১ আগস্ট এবং ৩১ অক্টোবর। শেষ দফার তালিকা প্রকাশের পর চূড়ান্ত ভোটারের সংখ্যা জানা যাবে।

কারও তথ্যে ভুল থাকলে সংশোধনের জন্য ১২ দিনের সুযোগ থাকবে। যোগ্য ব্যক্তির নাম অন্তর্ভুক্তি, মৃত্যুজনিত বা অন্তর্ভুক্তি হওয়ার অযোগ্য ব্যক্তির নাম বাদ দেওয়া, ভোটার স্থানান্তর এবং কোনো ত্রুটি সংশোধনের জন্য ২১ আগস্ট পর্যন্ত আবেদন করা যাবে।

২৪ আগস্টের মধ্যে এসব আবেদন নিষ্পত্তি হবে। এরপর অন্যান্য কাজ শেষে চলতি মাসের ৩১ আগস্ট চূড়ান্ত হালনাগাদ ভোটার তালিকা প্রকাশ করা হবে।

Dummy Ad 1

চৌদ্দগ্রাম প্রেসক্লাবের নতুন নেতৃত্বে সভাপতি তৌহিদ, সম্পাদক সোহাগ, সাহিত্য-সংস্কৃতি ও ক্রীড়া সম্পাদক মহিন উদ্দিন স্বপন

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১৯ মার্চ, ২০২৪

চৌদ্দগ্রাম প্রেসক্লাবের নতুন নেতৃত্বে সভাপতি তৌহিদ, সম্পাদক সোহাগ, সাহিত্য-সংস্কৃতি ও ক্রীড়া সম্পাদক মহিন উদ্দিন স্বপন

চৌদ্দগ্রাম প্রতিনিধি: কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম প্রেসক্লাবের নতুন কমিটি গঠিত হয়েছে। চৌদ্দগ্রাম প্রেসক্লাবের আয়োজনে মঙ্গলবার (১৯ মার্চ) বিকেলে চৌদ্দগ্রামের একটি হোটেলে এক সাধারণ সভায় উক্ত কমিটি গঠিত হয়। কুমিল্লা থেকে প্রকাশিত দৈনিক ভোরের কলামের সম্পাদক ও প্রকাশক তৌহিদ মাহমুদ অপুকে সভাপতি এবং ঢাকা থেকে প্রকাশিত দৈনিক স্বাধীন ভোরের সম্পাদক’ মোঃ সোহাগ মিয়াজীকে সাধারণ সম্পাদক করে ২১ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন করা হয়। 

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, দৈনিক জনকন্ঠের কুমিল্লা জেলা প্রতিনিধি ও কুমিল্লা প্রেস ক্লাবের সাবেক সিনিয়র সহ সভাপতি অধ্যাপক মীর শাহ আলম। চৌদ্দগ্রামের সিনিয়র সাংবাদিক এমএ কুদ্দুসের সভাপতিত্বে এসময় উপস্থিত ছিলেন, সাংবাদিক জগলুল কবির নাসির, মীর মাজহারুল হক রণি, নাসির উদ্দিন, আরিফুর রহমানসহ সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ।

২১ সদস্যের কমিটির অন্য পদে নির্বাচিতরা হলেন সহ-সভাপতি এম এ মান্নান, আবদুল মমিন ভূঁইয়া মীরু, আনিসুর রহমান, যুগ্ম সাধারন সম্পাদক রুবেল মজুমদার, এমএ আলম। সাংগঠনিক সম্পাদক ফারুক হোসেন মজুমদার, সহ সাংগঠনিক সম্পাদক ইয়াসিন ফারুক, সাহিত্য-সংস্কৃতি ও ক্রীড়া সম্পাদক মহিন উদ্দিন স্বপন, দপ্তর সম্পাদক আবদুর রউফ, সহ দপ্তর সম্পাদক সবুজ খন্দকার, অর্থ সম্পাদক আতাউর রহমান রিপন, পাঠাগার বিষয়ক সম্পাদক খোরশেদ আলম, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক শফিউল আলম, সহ প্রচার সম্পাদক খুশি কামাল, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক আশিকুর রহমান। 

কমিটির নির্বাহী সদস্যরা হলেন, এম এ কুদ্দুস, জগলুল কবির নাসির, মীর মাজহারুল হক রণি, আরিফুর রহমান মজুমদার, আকতার হোসেন সাদ্দাম, শরিফুল ইসলাম মজুমদার । 

উল্লেখ যে, চৌদ্দগ্রাম প্রেসক্লাবের কমিটির মেয়াদ ৬মাস আগে শেষ হওয়ায় গঠনতন্ত্র অনুযায়ী ২৯/০২/২০২৪ইং তারিখে চৌদ্দগ্রাম প্রেসক্লাবের এক সাধারণ সভা অনুষ্টিত হয়। উক্ত সাধারণ সভায় সকল সদস্যদের মতামতের ভিত্তিতে পুরোনো কমিটি বিলুপ্ত ঘোষনা করা হয় এবং সিদ্ধান্ত গৃহিত হয় ১৯শে মার্চ-২০২৪ তারিখে পূনরায় একটি সাধারণ সভা অনুষ্টিত হবে এবং সেই সভায় নতুন কমিটি গঠন করা হবে। তারই ধারাবাহিকতায় আজ (১৯ মার্চ) মঙ্গলবার জরুরী এক সাধারন সভায় উপস্থিত সদস্যদের মতামতের ভিত্তিতে উক্ত কমিটি গঠন করা হয়। কমিটি গঠনের পূর্বে চৌদ্দগ্রাম প্রেসক্লাবের বিপুল সংখক নেতৃবৃন্দ স্ব পরিবারে দিন ব্যাপী একটি বার্ষিক বনভোজনের আয়োজন করেন। নতুন কমিটির নের্তৃত্বে চৌদ্দগ্রাম প্রেসক্লাবের নতুন সদস্য অর্ন্তভূক্ত করার বিষয়েও সিদ্ধান্ত গৃহিত হয়।


আগামী ঈদের আগে এলএনজি সরবরাহ স্বাভাবিক হওয়ার সম্ভাবনা 

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ৩১ মার্চ, ২০২৪

আগামী ঈদের আগে এলএনজি সরবরাহ স্বাভাবিক হওয়ার সম্ভাবনা 

সংস্কার শেষে দেশে ফিরছে সামিটের মালিকানাধীন ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল। আগামী সোমবার মহেশখালীতে এই টার্মিনাল পৌঁছাবে। ঈদের আগেই যুক্ত হবে অপারেশনাল কাজে। এরমধ্য দিয়ে প্রায় ছয় মাস পর দেশে তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) সরবরাহ স্বাভাবিক হওয়ার আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

সূত্র জানায়- আমদানি করা এলএনজি কার্গো মহেশখালীতে স্থাপন করা দুই ভাসমান টার্মিনাল দিয়েই খালাস করা হয়। এর একটি মার্কিন কোম্পানি এক্সিলারেট এনার্জির ‘এক্সিলেন্স’। অন্যটি দেশীয় সামিট প্রাইভেটের মালিকানাধীন ‘সামিট’। এ দুই টার্মিনালের রিগ্যাসিফিকেশন ক্যাপাসিটি দৈনিক ১ হাজার মিলিয়ন ঘনফুট।

গত ১ নভেম্বর সংস্কারের জন্য সিঙ্গাপুর পাঠানো হয় এক্সিলেন্স কে। এতে দুই টার্মিনালের একটি দিয়ে গ্যাস সরবরাহ বন্ধ হয়ে যায়। চট্টগ্রামসহ সারাদেশে তীব্র গ্যাস সংকট দেখা দেয়। রান্নায় ভোগান্তি, সিএনজি ফিলিং স্টেশনে যানবাহনের দীর্ঘ সারি, শিল্প-কারখানায় উৎপাদন বিঘœ ঘটতে শুরু করে।

এরমধ্যে গত ৭ জানুয়ারি সংস্কার শেষে মহেশখালীতে ফিরে এক্সিলেন্স। এরপর এই এলএনজি টার্মিনালের কমিশনিং শুরু হয়। ত্রুটি সারিয়ে গত ২২ জানুয়ারি থেকে এক্সিলেন্স টার্মিনাল দিয়ে ফের গ্যাস সরবরাহ শুরু হয়। তবে একই সময়ে সংস্কারের জন্য সামিটের টার্মিনাল সিঙ্গাপুর পাঠানোয় গ্যাস সংকট রয়ে যায়।

এলএনজি টার্মিনাল দুটির নিয়ন্ত্রক সংস্থা- রূপান্তরিত প্রাকৃতিক গ্যাস কোম্পানি লিমিটেড (আরপিজিসিএল)। এই সংস্থার কর্মকর্তারা বলছেন- সামিটের টার্মিনালটি ফিরে এলে দুটি টার্মিনাল দিয়েই এলএনজি সরবরাহ শুরু করা যাবে। এতে জাতীয় গ্রিডে গ্যাসের সরবরাহ বাড়বে। গ্যাস সংকট কমবে।

সংশ্লিষ্টরা জানান, গত ২২ জানুয়ারি সংস্কারের জন্য সিঙ্গাপুরের উদ্দেশ্যে মহেশখালী ছেড়ে যায় সামিটের টার্মিনাল। এরপর সিঙ্গাপুরের সিট্রিয়াম বেনোই ইয়ার্ডে এই টার্মিনালের ড্রাই-ডকিং কাজ শুরু হয়। কাজ শেষে গত ২৬ মার্চ এটি বাংলাদেশের উদ্দেশ্যে রওনা দেয়। আগামী ১ এপ্রিল এটি পৌঁছানোর কথা।

বিষয়টি নিশ্চিত করে আরপিজিসিএল’র উপ-মহাব্যবস্থাপক (এলএনজি) প্রকৌশলী মুহাম্মদ নাছির উদ্দীন বলেন, সামিটের টার্মিনাল আগামী ১ এপ্রিল দেশে পৌঁছালে ৬-৭ এপ্রিলের মধ্যে অপারেশনাল কাজে যুক্ত হওয়ার কথা। এরমধ্য দিয়ে দীর্ঘদিন পর দুটি টার্মিনালই চালু হতে যাচ্ছে।

তিনি বলেন, এই মুহূর্তে এক্সিলেন্স টার্মিনাল দিয়ে প্রতিদিন ৬০০-৬৫০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা হচ্ছে। সামিটের টার্মিনাল অপারেশনাল কাজে যুক্ত হলে গ্যাস সরবরাহ প্রতিদিন ৯০০ মিলিয়ন ঘনফুট ছাড়িয়ে যাবে। যা গ্রীষ্ম মৌসুমে গ্যাসের তীব্র চাহিদা পূরণে সহায়ক হবে।

জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ বাড়লে পুরোপুরি এলএনজি নির্ভর চট্টগ্রামে গ্যাসের সংকট কমে আসবে বলে মনে করেন কর্ণফুলী গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেডের (কেজিডিসিএল) মহাব্যবস্থাপক (অপারেসন্স) প্রকৌশলী আমিনুর রহমান।

তিনি বলেন, এই মুহূর্তে আমরা দিনে ২৩৫ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস পাচ্ছি। দুটি টার্মিনাল চালু হলে যা ২৯০-৩০০ মিলিয়ন ঘনফুটে উন্নীত হবে বলে আশা করছি। এতে বিদ্যুৎ ও সার কারখানায় গ্যাস সরবরাহ বৃদ্ধি করা সম্ভব হবে।


টিসিবির সয়াবিন তেল কিনতে ব্যয় বাড়ছে সরকারের

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২০ অক্টোবর, ২০২৪

টিসিবির সয়াবিন তেল কিনতে ব্যয় বাড়ছে সরকারের

ট্রেডিং কর্পোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) জন্য ৫৫ লাখ লিটার সয়াবিন তেল কেনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এতে ব্যয় হবে প্রায় ৮৭ কোটি টাকা। এই তেল কিনতে অনুমোদন দিয়েছে সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটি।

অন্তর্বর্তী সরকার দেশ পরিচালনার দায়িত্ব নেওয়ার পর টিসিবির জন্য এই প্রথম সয়াবিন তেল কেনার অনুমোদন দেওয়া হলো। প্রতি লিটার সয়বিন তেল কেনা হবে ১৫৭ টাকা ৯০ পয়সা করে। আওয়ামী লীগ সরকার সর্বশেষ যে দামে সয়াবিন তেল কিনেছিল এবার তার থেকে লিটারে প্রায় সাড়ে ৭ টাকা বেশি পড়ছে।

রোববার (২০ অক্টোবর) সচিবালয়ে অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটি বৈঠকে এই সয়াবিন তেল কেনার অনুমোদন দেওয়া হয়।

বৈঠক সূত্রে জানা গেছে, স্থানীয়ভাবে উন্মুক্ত দরপত্র (জাতীয়) পদ্ধতিতে ৫৫ লাখ লিটার সয়াবিন তেল কেনার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। সিটি এডিবল অয়েল লিমিটেড থেকে এই তেল কিনতে মোট খরচ হবে ৮৬ কোটি ৮৪ লাখ ৫০ হাজার টাকা। প্রতি লিটার সয়াবিন তেলের মূল্য ধরা হয়েছে ১৫৭ টাকা ৯০ পয়সা।

এর আগে শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগ সরকারের অধীনে সর্বশেষ সয়াবিন তেল কেনার অনুমোদন দেওয়া হয় গত ২৯ জুন। ওইদিন অনুষ্ঠিত সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি স্থানীয়ভাবে উন্মুক্ত দরপত্র পদ্ধতিতে ২ কোটি ২০ লাখ লিটার সয়াবিন তেল কেনার অনুমোদন দেয়।

প্রতি লিটার সয়াবিন তেলের দাম ধরা হয় ১৫০ টাকা ৪৮ পয়সা। এতে ২ কোটি ২০ লাখ লিটার সয়াবিন তেল কিনতে মোট ৩৩১ কোটি ৫ লাখ ৬০ হাজার টাকা ব্যয়ের অনুমোদন দেওয়া হয়। এই সয়াবিন তেলও সিটি এডিবল অয়েল লিমিটেড থেকে কেনার সিদ্ধান্ত হয়। অর্থাৎ আওয়ামী লীগ সরকার সর্বশেষ যে দামে সয়াবিন তেল কিনেছে তার তুলনায় এবার প্রতি লিটারে ৭ টাকা ৪২ পয়সা বেশি পড়ছে।

সয়াবিন তেল কিনতে ব্যয় বেশি হলেও সম্প্রতি আওয়ামী লীগ সরকারের তুলনায় বেশ কম দামে মসুর ডাল কিনছে সরকার। গত ৯ অক্টোবর অনুষ্ঠিত সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটি বৈঠকে স্থানীয়ভাবে উন্মুক্ত দরপত্র পদ্ধতিতে ১০ হাজার মেট্রিক টন মসুর ডাল কেনার অনুমোদন দেওয়া হয়। এই মসুর ডাল কিনতে মোট খরচ ধরা হয় ৯৬ কোটি ৩৯ লাখ টাকা। আর প্রতি কেজি মসুর ডালের দাম ধরা হয় ৯৬ টাকা ৩৯ পয়সা।

এর আগে শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগ সরকারের অধীনে সর্বশেষ মসুর ডাল কেনা হয় ১০২ টাকা ২০ পয়সা কেজি দরে। অর্থাৎ আওয়ামী লীগ সরকার সর্বশেষ যে দামে মসুর ডাল কিনে তার তুলনায় অন্তর্বর্তী সরকারের মসুর ডাল কিনতে কেজিতে ৫ টাকা ৮১ পয়সা কম পড়েছে।