শেয়ার বাজার

চাঁদাবাজদের তালিকা তৈরি, দুদিনের মধ্যে অভিযান: ডিএমপি কমিশনার

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: শুক্রবার, ২০ ডিসেম্বর ২০২৪

চাঁদাবাজদের তালিকা তৈরি, দুদিনের মধ্যে অভিযান: ডিএমপি কমিশনার

চাঁদাবাজির কারণে নিত্যপণ্যের দাম বৃদ্ধি পাচ্ছে উল্লেখ করে ডিএমপি কমিশনার শেখ মো. সাজ্জাত আলী বলেছেন, ঢাকা শহরে চাঁদাবাজদের তালিকা তৈরির কাজ চলমান। দুই-তিনদিনের মধ্যে তালিকা ধরে অভিযান শুরু হবে।

শনিবার (২১ ডিসেম্বর) দুপুরে রাজধানীর কাকরাইলে ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনে পুলিশ, ছাত্র, জনতা ও রমনা মডেল থানা এলাকার নাগরিকদের সমন্বয়ে মতবিনিময় সভায় তিনি একথা বলেন।

ডিএমপি কমিশনার বলেন, চাঁদাবাজির কারণে নিত্যপণ্যের দাম বৃদ্ধি পাচ্ছে। এ কারণে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত শ্রেণির মানুষের দুর্ভোগ হচ্ছে। চাঁদাবাজি বন্ধ করতে হবে। চাঁদাবাজদের তালিকা তৈরি করা হচ্ছে। দুই-তিনদিনের মধ্যে তালিকা ধরে গ্রেফতার শুরু হবে।

কেউ চাঁদাবাজি করবেন না। চাঁদাবাজি করলে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না, যোগ করেন তিনি।

ঢাকায় ছিনতাই বেড়েছে উল্লেখ করে ডিএমপি কমিশনার বলেন, মোবাইল ছিনতাই বেড়েছে। রাস্তা-ঘাটে বের হলে সবাইকে সচেতন হয়ে চলাচল করতে হবে।

ফুটপাতের হকারদের বিষয়ে তিনি বলেন, হকারদের একবারে উচ্ছেদ করে দেওয়া অমানবিক। তবে হকাররা যেন সংযত অবস্থায় রাস্তায় থাকে এ জন্য তাদের প্রতি অনুরোধ। তবে হকারদের কাছ থেকে কাউকে চাঁদা দেওয়া যাবে না।

ডিএমপি কমিশনার আরও বলেন, মোটরসাইকেল ঝুঁকিপূর্ণ বাহন। এক মোটরসাইকেলে দুই-তিনজন অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। ঢাকায় ট্রাফিক ব্যবস্থাকে শৃঙ্খলার মধ্যে নিয়ে আসবো। যারা রাস্তা ব্যবহার করবেন অবশ্যই শৃঙ্খলা মেনে চলবেন।

ফুটপাতে মোটরসাইকেল চলাচলের ব্যাপারে তিনি কঠোর হুঁশিয়ারি দেন।

ঢাকার পুলিশ প্রধান বলেন, যানজটের মধ্যে গাড়িচালকরা অনবরত হর্ন বাজাতে থাকেন। কিন্তু যানজটের মধ্যে হর্ন বাজালে সমাধান কি? যারা বারংবার হর্ন বাজাবে তাদের বিরুদ্ধে শিগগির ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Dummy Ad 1

জয়পুরহাটে বাজার স্থিতিশীল রাখতে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১৬ মার্চ, ২০২৪

জয়পুরহাটে বাজার স্থিতিশীল রাখতে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান

জয়পুরহাট প্রতিনিধি: জয়পুরহাটে নিত্যপণ্যের বাজার স্থিতিশীল রাখতে অভিযান চালিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। পণ্যের যথাযথ মূল্য তালিকা সংরক্ষণ না করা, অধিক মূল্যে পণ্য বিক্রি করায় এক ব্যবসায়ীকে এক হাজার টাকা জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।

শনিবার সকালে শহরের নতুনহাটে বাজারে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট উজ্জ্বল বাইন।

তিনি জানান, রমজান ঘিরে নিত্যপণ্যের বাজারদর ঠিক রাখতে অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে।

দোকানে পণ্যের মূল্যতালিকা, বাড়তি দাম রাখা ও ভেজাল পণ্য বিক্রি করা হচ্ছে কি না এসব দেখা হচ্ছে।

তিনি আরও জানান, রমজান মাসে ভোক্তাদের চাহিদাকে পুঁজি করে কিছু অসাধু ব্যবসায়ী বেশি মূল্যে পণ্য বিক্রি করতে চান। এ বিষয়টিকে সামনে রেখে জয়পুরহাটের জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের নির্দেশনায় এই ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়। বাজার স্থিতিশীল রাখতে জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা অব্যাহত থাকবে।


কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম বাজারে ফুটপাতে গড়ে ওঠা অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে ঝটিকা অভিযান; হাইওয়ে পুলিশ

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২৫ মার্চ, ২০২৪

কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম বাজারে ফুটপাতে গড়ে ওঠা অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে ঝটিকা অভিযান; হাইওয়ে পুলিশ

এমএ আলম, চৌদ্দগ্রাম প্রতিনিধি: কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম উপজেলার উপর দিয়ে ঢাকা টু চট্রগ্রাম হাইওয়ে মহাসড়কে চৌদ্দগ্রাম বাজার অংশে ফুটপাতে গাড়ী পার্কিং, অবৈধ স্থাপনা ও ভ্রাম্যমান দোকান উচ্ছেদে ঝটিকা অভিযান পরিচালনা করে হাইওয়ে পুলিশ।

মহাসড়কে যানচলাচল স্বাভাবিক রাখতে এবং যাত্রী সাধারণের চলাচলে ভোগান্তি কমাতে চৌদ্দগ্রাম এলাকায় বাজার এবং মহাসড়কের দু’পাশে গড়ে ওঠা অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করে চৌদ্দগ্রাম হাইওয়ে পুলিশ ও থানা পুলিশ।

আজ সোমবার (২৫ মার্চ) দুপুরে চৌদ্দগ্রাম বাজার এবং মহাসড়কের দু’পাশে  অবৈধভাবে গড়ে ওঠা শতাধিক স্থাপনা উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করেন। চৌদ্দগ্রাম হাইওয়ে থানার ওসি লোকমান হোসেন।

এসময় সাংবাদিকদের চৌদ্দগ্রাম হাইওয়ে থানার ওসি লোকমান হোসেন বলেন, ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের যানচলাচল স্বাভাবিক রাখতে চৌদ্দগ্রাম মহাসড়কের দু’পাশে এবং বাজার অংশে ফুটপাতে গড়ে ওঠা অবৈধ স্থাপনা, গাড়ী পার্কিং ও ভ্রাম্যমান দোকান উচ্ছেদে এই আভিযান পরিচালনা করা হয়েছে।

 এসময় তিনি আরো বলনে, এসব অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদের পর পুনরায় যাতে দোকানপাট বসতে না পারে সেজন্য হাইওয়ে পুলিশের পক্ষ থেকে প্রতি দিন মনিটরিং করা হবে। আর মহাসড়কের পাশে গড়ে উঠা অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও তিনি জানান।


কুমিল্লা-২ (হোমনা ও মেঘনা) আসনের নবনির্বাচিত এমপি আবদুল মজিদের গণ-সংবর্ধনা

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ০৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪

কুমিল্লা-২ (হোমনা ও মেঘনা) আসনের নবনির্বাচিত এমপি আবদুল মজিদের গণ-সংবর্ধনা

বার্তাবেলা ডেস্ক: কুমিল্লা-২ (হোমনা ও মেঘনা) আসনের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য (এমপি) অধ্যাপক আবদুল মজিদকে সংবর্ধনা দিতে কুমিল্লার হোমন উপজেলার পঞ্চ গ্রামের (অর্থাৎ দৌলতপুর, আড়ালিয়কান্দি, আলগীরচর, দয়রাকান্দি ও মিঠাইভাঙ্গা) সকল শ্রেনী পেশার মানুষের উদ্যোগে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

শুক্রবার (০২ জানুয়ারী) বিকেলে দৌলতপুর আমেনা আলীম ষ্টেডিয়াম মাঠে জাঁকজমক পূর্ণ গন সংবর্ধনা ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে সভাপতি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন দৌলতপুর গ্রামের নুরুবাঘার সুযোগ্য সন্তান ও ইটালি প্রবাসী আনোয়ার বাঘা। উক্ত অনুষ্ঠানে আমন্ত্রীত অতীথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন হোমনা উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক সিদ্দিকুর রহমান আবুল।

এ সময় এলাকার আওয়ামীলীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগসহ সহযোগী সংগঠনের নেতারাও তাকে ফুল দিয়ে অভিনন্দন জানান। ‍ 


এছাড়াও, এম পি মহোদয়কে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান পঞ্চ গ্রামের ইমরান বাঘা,সামাদ মেম্বার সহ অন্যান্য ব্যাক্তিবর্গ। আরও ফুলেল শুভেচছা জানান দৌলতপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের পক্ষে শিক্ষক ইমাম উদ্দিন ও প্রধান শিক্ষক মোঃ ইব্রাহিম স্যার। আধ্যাপক মজিদ তাকে ভোট দিয়ে সংসদ সদস্য নির্বাচিত করায় হোমনা-মেঘনা উপজেলার সকল ভোটার ও গ্রাম বাসিকে ধন্যবাদ জানান ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তিনি হোমনা-মেঘনা উপজেলার চাঁদাবাজ ও সন্ত্রাসিদের  উৎখাতে  জিরুটলারেন্স নীতি ঘোষণা করেন এবং সকলকে দ্রুত এসব অপকর্ম ছেড়ে ভালো হয়ে যাওয়ার আহ্বান জানান। 

এ সময় তিনি বলেন, গণ মানুষের জয় হয়েছে। নির্বাচিত হওয়ায় এখন তার দায়িত্ব আরো বেড়ে গেল। এলাকার উন্নয়নে সর্বদা নিজেকে নিয়োজিত রাখার অঙ্গিকার ব্যক্ত করেন তিনি।

তিনি প্রতি গ্রামে ও ইউনিয়নে সত্ ও সম্মানিত ব্যাক্তিদের সমন্নয়ে "শান্তি কমিটি" গঠনের আহ্বান জানান এবং উনার নিজের ইউনিয়ন থেকেই এই "শান্তি কমিটি" গঠনের উদ্যোগ- শুরু করার ঘোষণা দেন। তিনি জনগণকে বলেন আমি দীর্ঘ ৩২ বছর যাবত আওয়ামী রাজনীতিতে  সক্রিয় আছি এবং প্রায় ২৫ বছর যাবত সভাপতির দায়িত্ব পালন করছি। কিন্তু আমি আওয়ামীলীগ" মনোনীত প্রার্থী বা "নৌকা মার্কার"প্রার্থী  না হওয়া সত্ত্বেও আপনারা আমাকে ভালবেসে দলমত নির্বিশেষে সতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে "ট্রাক মার্কায়" ভোট দিয়ে  নির্বাচিত করেছেন। 

তাই আমি দলিয় উর্ধ্বে থেকে- সকলের এম পি হিসেবে নয়- আপনাদের সেবক হিসেবে আজীবন পাশে থাকতে চাই। উল্লেখ্যযে অধ্যাপক আবদুল মজিদ স্যার কুমিল্লার কোম্পানিগন্জের "বদিউল আলম কলেজের " গনিতের প্রভাষক ছিলেন।  আশির দশক থেকেই পপি গাইড লিখে এবং পপি লাইব্রেরীর সত্তাধীকারী হিসেবে এলাকায় ও পুরো দেশজুড়ে জনপ্রিয় ছিলেন। পরর্বতীতে কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলার রামচন্দ্রপুর "অধ্যাপক আবদুল মজিদ কলেজ ও হোমনয় নিজ স্রীর নামে রেহানা মজিদ মহিলা কলেজ প্রতিষ্ঠা করেন। তিনি হোমনা-মেঘনার অসংখ্য স্কুল,  কলেজ ও মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠায় অবদান রেখে আসছেন। এলাকার মানুষের জন্য আজীবন কাজ করে যাবেন বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

উল্লেখ, গত ৭ জানুয়ারী নির্বাচনে ভিপুল ভোটে কুমিল্লা-২ (হোমনা ও মেঘনা) আসনে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হোমনা উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি অধ্যক্ষ আবদুল মজিদ ট্রাক প্রতীক নিয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তিনি সাবেক সংসদ সদস্য বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ মনোনীত নৌকা প্রতীকের প্রার্থী সেলিমা আহমাদকে ১ হাজার ৯৬১ ভোটের ব্যবধানে পরাজিত করে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন।

তিনি হোমনা উপজেলার একমাত্র ও প্রথম বিনোদন কেন্দ্র নিজ গ্রামে প্রতিষ্টা করেন। যা " আবদুল মজিদ বাগান বাড়ি" নামে পরিচিত।  সেই বিনোদন কেন্দ্রে প্রতিদিন হোমনা তথা আসেপাশের উপজেলার হাজার হাজার ভ্রমণপ্রেমী শিশু, কিশোর ও বয়স্ক লোকজন এর আগমন ঘটে। 


তাছাড়া তার সহধর্মিণী রেহানা মজিদ বর্তমানে হোমনা উপজেলার রানিং "উপজেলা চেয়ারম্যান"। স্বামী স্ত্রী একই উপজেলার "এম পি "ও "উপজেলা চেয়ারম্যান"।

এখন আব্দুল মজিদের গল্পটা সবার জানা। তাকে নিয়ে সামাজিক মাধ্যমেও চলছে বিস্তর লেখালেখি। বলছেন, আব্দুল মজিদ একজন শিক্ষানুরাগী। জীবনের সময়টা ব্যয় করেছেন মানুষকে শিক্ষিত করে গড়ে তোলার পেছনে। এখন তিনি সংসদে যাচ্ছেন, নিশ্চয়ই শিক্ষা নিয়ে তিনি বড় কোনো কাজ করবেন।

এসবের পাশাপাশি আব্দুল মজিদের পপি লাইব্রেরিটি কিন্তু এখনো আছে। সেই লাইব্রেরির পেইজ থেকেও প্রতিষ্ঠা আব্দুল মজিদকে শুভেচ্ছাও জানানো হয়েছে।