শেয়ার বাজার

প্লট দুর্নীতি মামলা শেখ হাসিনা, টিউলিপ ও আজমিনার মামলার রায় ২ ফেব্রুয়ারি

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৩ জানুয়ারী ২০২৬

প্লট দুর্নীতি মামলা শেখ হাসিনা, টিউলিপ ও আজমিনার মামলার রায় ২ ফেব্রুয়ারি

পূর্বাচল নতুন শহর প্রকল্পে অনিয়মের মাধ্যমে রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রাজউক) ১০ কাঠার প্লট বরাদ্দ নেওয়ার অভিযোগে ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, তার বোন শেখ রেহানার মেয়ে টিউলিপ রিজওয়ানা সিদ্দিক ও আজমিনা সিদ্দিকসহ ১৮ জনের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলার যুক্তিতর্কের শুনানি অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুনানি শেষে এ মামলার রায়ের জন্য আগামী ২ ফেব্রুয়ারি দিন ধার্য করেছেন আদালত।

মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) ঢাকার বিশেষ জজ-৪ আদালতের বিচারক রবিউল আলমের আদালতে মামলার যুক্তিতর্ক শুনানি শেষে এ রায়ের দিন নির্ধারণ করা হয়েছে। বিষয়টি  বার্তাবেলা  নিউজকে নিশ্চিত করেছেন দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) পাবলিক প্রসিকিউটর হাফিজুর রহমান।

গত ৫ জানুয়ারি একই আদালত মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ সমাপ্ত ঘোষণা করেন। ওইদিন আদালতে তদন্তকারী কর্মকর্তা ও দুদকের সহকারী পরিচালক আফনান জান্নাত কেয়া সাক্ষ্য দেন। পরে আসামি মোহাম্মদ খুরশীদ আলমের পক্ষে তার আইনজীবী শাহিন উর রহমান তদন্তকারী কর্মকর্তাকে জেরা করেন। জেরা শেষে আদালত সাক্ষ্যগ্রহণ সমাপ্ত ঘোষণা করেন।

এ মামলায় তদন্তকারী কর্মকর্তাসহ মোট ৩১ জন সাক্ষী আদালতে সাক্ষ্য দিয়েছেন। পরে ৮ জানুয়ারি আত্মপক্ষ সমর্থনের শুনানি অনুষ্ঠিত হয়।

মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, ক্ষমতার অপব্যবহার ও অনিয়মের মাধ্যমে পূর্বাচল নতুন শহর প্রকল্পে ১০ কাঠা সরকারি প্লট বরাদ্দ নেওয়ার অভিযোগে গত বছরের ১৩ জানুয়ারি দুদকের সহকারী পরিচালক আফনান জান্নাত কেয়া আজমিনা সিদ্দিকের বিরুদ্ধে মামলা করেন। ওই মামলায় শেখ হাসিনা ও টিউলিপ সিদ্দিকসহ ১৬ জনকে আসামি করা হয়।

তদন্ত শেষে গত বছরের ১০ মার্চ আরও দুজনকে যুক্ত করে মোট ১৮ জনের বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট দাখিল করা হয়।

অন্য আসামিরা হলেন- জাতীয় গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের প্রশাসনিক কর্মকর্তা সাইফুল ইসলাম সরকার, সিনিয়র সহকারী সচিব পুরবী গোলদার, অতিরিক্ত সচিব অলিউল্লাহ, সচিব কাজী ওয়াছি উদ্দিন, রাজউকের সাবেক চেয়ারম্যানের ব্যক্তিগত সহকারী আনিছুর রহমান মিঞা, তন্ময় দাস, মোহাম্মদ নাসির উদ্দীন, মেজর (ইঞ্জি.) সামসুদ্দীন আহমদ চৌধুরী (অব.), রাজউকের সাবেক পরিচালক নুরুল ইসলাম, সহকারী পরিচালক মাজহারুল ইসলাম, পরিচালক কামরুল ইসলাম এবং উপ-পরিচালক নায়েব আলী শরীফ।

পরবর্তীতে মামলায় যুক্ত হওয়া দুই আসামি হলেন— সাবেক প্রধানমন্ত্রীর একান্ত সচিব-১ মোহাম্মদ সালাহ উদ্দিন এবং সাবেক গৃহায়ন ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী শরীফ আহমেদ।


Dummy Ad 1

রিমান্ড শেষে কারাগারে জবির সহকারী প্রক্টর দ্বীন ইসলাম

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১৯ মার্চ, ২০২৪

রিমান্ড শেষে কারাগারে জবির সহকারী প্রক্টর দ্বীন ইসলাম

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) শিক্ষার্থী ফাইরুজ অবন্তিকাকে আত্মহত্যায় প্ররোচণার মামলায় রিমান্ড শেষে সহকারী প্রক্টর দ্বীন ইসলামকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। মঙ্গলবার (১৯ মার্চ) দুপুরে এক দিনের রিমান্ড শেষে কুমিল্লা চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে আনা হয়। এ সময় আদালতের বিচারক মো. আবু বকর সিদ্দিক তাকে জেল হাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

গত সোমবার জবির শিক্ষার্থী ফাইরুজ সাদাফ অবন্তিকার আত্মহত্যার ঘটনায় তার মায়ের দায়ের করা মামলায় গ্রেপ্তার সহপাঠী রায়হান সিদ্দিকী আম্মানের দুইদিন ও বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর দ্বীন ইসলামে একদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত। 

এর আগে ১৭ মার্চ বিকেলে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের কাছ থেকে তাদেরকে গ্রহণ করে কুমিল্লা জেলা পুলিশের একটি দল। গত ১৫ মার্চ রাতে ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিয়ে সহকারী প্রক্টর ও আম্মান সিদ্দিকী নামের সহপাঠীকে দায়ী করে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করে জবির আইন বিভাগের শিক্ষার্থী অবন্তিকা। নিহত অবন্তিকার মা তাহমিনা শবনম বাদী হয়ে থানায় আত্মহত্যার প্ররোচনার অভিযোগে মামলা দায়ের করেন।


বাল্যবিবাহ নিরোধ কমিটি কিশোর-কিশোরী ক্লাব সচল করার সুপারিশ

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ০৮ ডিসেম্বর, ২০২৩

বাল্যবিবাহ নিরোধ কমিটি কিশোর-কিশোরী ক্লাব সচল করার সুপারিশ

জাতীয় এবং জেলা পর্যায়ে বাল্যবিবাহ নিরোধ কমিটি এবং কিশোর-কিশোরী ক্লাবকে সচল করার লক্ষ্যে কাজ করতে হবে। বাল্যবিবাহ রোধে সরকারি এবং বেসরকারি সংগঠনের কার্যক্রম ও তথ্যসমূহের মধ্যে সমন্বয় করে একটি শক্তিশালী এবং একক ডেটাবেইজ তৈরি করতে হবে।

বৃহস্পতিবার (৭ ডিসেম্বর) রাজধানীর সিরডাপ অডিটোরিয়ামে নারী-নির্যাতন রোধে মাল্টিসেক্টরাল প্রোগ্রাম ও ব্লাস্ট যৌথভাবে একটি মতবিনিময় সভার আয়োজন করেন। সেখানে এসব সুপারিশ করেন বক্তারা।

সভায় ‘নারী-নির্যাতন রোধে মাল্টিসেক্টরাল প্রোগ্রাম’ ও বাংলাদেশ লিগ্যাল এইড অ্যান্ড সার্ভিসেস ট্রাস্ট (ব্লাস্ট)-এর মধ্যে সমন্বয় বৃদ্ধির জন্য একটি সমঝোতা স্মারকও সই হয়।

সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ফরিদা পারভীন বলেন, নারী নির্যাতন প্রতিরোধের ১৬ দিনব্যাপী পক্ষে আমরা আছি। এসময় এ বিষয়ে কথা বলা খুবই সময়পোযোগী। প্রধানমন্ত্রীর নেওয়া ১০টি প্রকল্পের মধ্যে একটি হলো বাল্যবিবাহ রোধ করা। ২০৩০ সালের মধ্যে নারী-পুরুষের সবখানে সমান অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে হলে আমাদের প্রাথমিক দায়িত্ব হলো বাল্যবিবাহ রোধ করা। সেই লক্ষ্যে আমাদের কিশোর-কিশোরী ক্লাবে সাংস্কৃতিক, খেলাধুলা এবং আত্মরক্ষামূলক দক্ষতা শেখানো হচ্ছে যা আমাদের জন্য একটি বড় অর্জন। তিনি মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের প্রকল্প অফিসারের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলেন, ১০৯-এর মাধ্যমে বাংলাদেশের সব জেলায় সেবাসমূহ নিশ্চিত করার জন্য কাজ করতে হবে।

সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের পরিচালক (যুগ্ম সচিব) জাকিয়া আফরোজ, মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব (উন্নয়ন অধিশাখা) এবং প্রকল্প পরিচালক ড. প্রকাশ কান্তি চৌধুরী, মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের অতিরিক্ত পরিচালক (যুগ্ম সচিব) সালেহা বিনতে সিরাজ, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের উপ-সচিব এসপিএস স্পেশালিস্ট, (এটুআই) খন্দকার মনোয়ার মোরশেদ।

সভাপতির বক্তব্যে ব্লাস্টের আইন উপদেষ্টা এস এম রেজাউল করিম বলেন, সরকারকে তার কাজে সহায়তা করার জন্য এবং দেশের সব পর্যায়ে সরকারের এ কার্যক্রম পৌঁছে দেওয়ার জন্য ব্লাস্ট সরকারের সঙ্গে কাজ করে আসছে।

ব্লাস্টের অ্যাডভোকেসি উপদেষ্টা অ্যাডভোকেট তাজুল ইসলামের সঞ্চালনায় মতবিনিময় সভায় স্বাগত বক্তব্য দেন নারী নির্যাতন প্রতিরোধ প্রকল্পে মাল্টি সেক্টরাল প্রোগ্রাম অফিসার রাইসুল ইসলাম এবং সভার উদ্দেশ্য ও প্রেক্ষাপট তুলে ধরেন ব্লাস্টের পরিচালক (অ্যাডভোকেসি ও কমিউনিকেশন) মাহবুবা আক্তার।


বিএনপির ১১ জনের কারাদণ্ড গুলশান থানার মামলায়

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১১ ডিসেম্বর, ২০২৩

বিএনপির ১১ জনের কারাদণ্ড গুলশান থানার মামলায়

বার্তাবেলা: পাঁচ বছর আগে গুলশান থানায় করা নাশকতার মামলায় বিএনপির ১১ নেতাকর্মীকে পৃথক তিন ধারায় সাড়ে চার বছরের কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত। সোমবার (১১ ডিসেম্বর) ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. মেহেদী হাসান এ রায় ঘোষণা করেন।

রায়ে দণ্ডবিধির ১৪৩ ধারায় ৬ মাস, ১৪৭ ও ৪২৭ ধারায় দুই বছর করে চার বছরের কারাদণ্ডের আদেশ দেন বিচারক। সকল ধারার সাজা একইসাথে চলবে বলেও রায়ে উল্লেখ করা হয়। ফলে আসামিদের দুই বছর কারাভোগ করতে হবে।

কারাদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন- মো. মামুন চৌধুরী, বিল্লাল হোসেন, অসীম ওরফে অসীম আকরাম, নুরুল ওরফে নূর হোসেন, মো. শরীফ উদ্দিন ওরফে মামুন, আমিনুল ইসলাম, অহিদুল ইসলাম শাহীন, মো. রফিকুল ইসলাম, মো. সিদ্দিকুর রহমান প্রান্ত, জয়নাল, মীর মোহাম্মদ স্বপন। তারা সবাই বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মী-সমর্থক।

রায় ঘোষণার সময় আসামিদের মধ্যে অসীম ওরফে অসীম আকরাম ও মো. শরীফ উদ্দিন ওরফে মামুন আদালতে উপস্থিত ছিলেন। রায় ঘোষণা শেষে তাদের সাজা পরোয়ানা দিয়ে কারাগারে পাঠানো হয়। অন্যরা পলাতক থাকায় তাদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে।

মামলার সূত্রে জানা যায়, ২০১৮ সালের ২৩ অক্টোবর অবরোধের সমর্থনে বিএনপির নেতাকর্মীরা ঢাকার গুলশান এলাকায় বেআইনিভাবে জনতাবদ্ধ হন। তারা জনমনে আতঙ্ক সৃষ্টির লক্ষ্য ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে বলে মামলায় অভিযোগ করে পুলিশ। এ ঘটনার দিন ২৩ অক্টোবর পুলিশ বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেন। তদন্ত শেষে ২০১৯ সালের ১ এপ্রিল ১১ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট দেয় পুলিশ।