শেয়ার বাজার

১৪ দলের শরিক গণতন্ত্রী পার্টির সব প্রার্থীর প্রার্থিতা বাতিল

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১২ ডিসেম্বর ২০২৩

১৪ দলের শরিক গণতন্ত্রী পার্টির সব প্রার্থীর প্রার্থিতা বাতিল

বার্তাবেলা: গণতন্ত্রী পার্টির কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটিতে দ্বন্দ্বের কারণে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দলটির সব প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিলের সিদ্ধান্ত নিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

ইসি জানায়, এবার নির্বাচনে দলটির ১২ প্রার্থী মনোনয়ন জমা দিয়েছিলেন।

মঙ্গলবার (১২ ডিসেম্বর) নির্বাচন কমিশনের উপসচিব মো. মাহবুব আলম শাহ্ সই করা চিঠিতে এই সিদ্ধান্তের কথা জানায় ইসি।

চিঠিতে বলা হয়, নির্বাচন কমিশনে নিবন্ধিত রাজনৈতিক দল ‘গণতন্ত্রী পার্টি’ নামীয় দলটির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক কর্তৃক পৃথকভাবে দাখিল করা কমিটি কমিশন কর্তৃক না-মঞ্জুর হয়েছে। সুতরাং গণতন্ত্রী পার্টি নামীয় রাজনৈতিক দলের অনুমোদিত কোনো কমিটি বিদ্যমান নেই।


Dummy Ad 1

সরকার পতনের কর্মসূচি আবারও আসছে: বিএনপির ফারুক

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ০৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪

সরকার পতনের কর্মসূচি আবারও আসছে: বিএনপির ফারুক

বার্তাবেলা ডেস্ক: বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা জয়নুল আবদিন ফারুক বলেছেন, ‘সরকার পতনের কর্মসূচি আসবে, সবকিছুর হিসাব নেওয়া হবে। লড়াই করে বাংলাদেশের একদলীয় শাসন বিদায় করে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা ফিরিয়ে আনা হবে।’

স্বৈরাচাররা ক্ষমতায় থাকতে রাষ্ট্রীয় যন্ত্র ব্যবহার করে মন্তব্য করে জয়নুল আবদিন ফারুক বলেন, ‘মির্জা ফখরুল, আপনাদের কাছে আমরা ক্ষমা চাই। জনগণ আমাদের সঙ্গে থাকলেও কেবল এই রাষ্ট্রযন্ত্রের জন্য কিছু করতে পারছি না।’

তিনি বলেন, ‘সরকার আজ বিএনপিকে অবহেলা করে কথা বলে। অথচ আপনাদের পায়ের তলার মাটি সরে যাচ্ছে। আমরা সৎ আছি, ন্যায়ের পথে আছি। এজন্য বিদেশের মাটিতে আমার নেত্রীর (খালেদা জিয়ার) এক ছটাক জায়গাজমিও নেই।’

শনিবার (৩ ফেব্রুয়ারি) জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে ‘স্বাধীনতা অধিকার আন্দোলন’ আয়োজিত মানবনন্ধন কর্মসূচিতে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, ‘এই সরকার যদি গণতন্ত্রে বিশ্বাস করতো, তাহলে ২০১৪ সালে ১৫৪ জন প্রতিনিধিকে সংসদ সদস্য হিসেবে নির্বাচন করতো না, দিনের ভোট রাতে করতো না। যে নির্বাচন কমিশন দুই হাজার কোটি টাকা দিয়ে ডামি নির্বাচন উপহার দিয়েছে, সে নির্বাচনের সময় নির্বাচন কমিশনার ঘুমিয়ে ছিলেন। একেক সময় একেক কথা বলেছেন।’

বিএনপির এ নেতা বলেন, ‘একদিকে বলে দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণের কথা, অন্যদিকে তৈরি করে সিন্ডিকেট। সে সিন্ডিকেটের টাকা দিয়ে কানাডায় বাড়ি বানানো হয়। অথচ বাংলাদেশের মানুষ একটা ডিম কিনে খেতে পারে না, মাংস কিনে খেতে পারে না। এসবের বিরুদ্ধে যখন আমরা কথা বলি, তখন আগুন সন্ত্রাসের উপাধি দেওয়া হয়।’

তিনি বলেন, ‘এত বছরেও সাগর-রুনি হত্যার চার্জশিট তৈরি করতে পারেনি এই সরকার। অথচ তারা আইনের শাসন, স্মার্ট বাংলাদেশের কথা বলেন। মানুষ এখন নির্ভয়ে ঘরে ঘুমাতে পারে না। যারা আজ মেগা প্রকল্পের নামে কোটি কোটি টাকা লুটপাট করে, তাদের পদত্যাগ করা উচিত। এই সরকার জনগণের ভোটের সরকার নয়।’

আরও পড়ুন: বিএনপি বাংলাদেশে ডামি বিরোধী দল: ওবায়দুল কাদের

সরকার গণমাধ্যমের স্বাধীনতা বিশ্বাস করে না মন্তব্য করে জয়নুল আবদিন ফারুক বলেন, ‘যখন গণমাধ্যম সোচ্চার হয় তখন গণমাধ্যম বন্ধ করে দেয় সরকার। যারা গণতান্ত্রিক নির্বাচন, সুষ্ঠু নির্বাচন বিশ্বাস করে না- তাদেরকে বিশ্বাস করা যায় না। যে সরকার রাজনৈতিক প্রতিহিংসাপরায়ণ সরকার- এ সরকারকে বিশ্বাস করা যায় না। সরকার জানে ব্যাংক লুট করতে, দুর্নীতি করতে।’

তিনি বলেন, ‘এ সরকার জনগণের ভোটের সরকার নয়। সরকার দিন দিন অবহেলিত হচ্ছে, তাদের পায়ের মাটি সরে যাচ্ছে। কষ্ট হচ্ছে বিএনপি নেতাকর্মীদের।’

মানববন্ধনে বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য আবু নাসের মো. রহমতুল্লাহসহ আয়োজক সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।


নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী
ইসিকে কমেডি সেন্টার নয়, আস্থার কেন্দ্র হিসেবেই জনগণ দেখতে চায়

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

ইসিকে কমেডি সেন্টার নয়, আস্থার কেন্দ্র হিসেবেই জনগণ দেখতে চায়

নির্বাচন কমিশনকে কমেডি সেন্টার নয়, আস্থার কেন্দ্র হিসেবেই জনগণ দেখতে চায় বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী।

মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) বিকেলে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এক পোস্টে তিনি এ কথা বলেন।

নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী লিখেছেন, ‘নির্বাচন কমিশনের গ্রহণযোগ্যতা ও নিরপেক্ষতা অক্ষুণ্ন রাখা উচিত। স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়ে একের পর এক পরস্পরবিরোধী ও বিভ্রান্তিকর বক্তব্য জনমনে অপ্রয়োজনীয় প্রশ্ন তৈরি করছে।’

তিনি বলেন, ‘একদিকে সম্ভাব্য সময়সূচি নিয়ে ঘোষণা, অন্যদিকে সরকারের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, এ বিষয়ে কোনো আলোচনা হয়নি; আবার কমিশনের পক্ষ থেকেই বলা হচ্ছে, তারিখ এখনো চূড়ান্ত নয়।’

এনসিপির এই নেতা বলেন, ‘নির্বাচন কমিশন একটি স্বাধীন সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান এবং দেশের গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ স্তম্ভ। তাই কমিশনের বক্তব্য হওয়া উচিত একক, স্পষ্ট, সমন্বিত ও তথ্যভিত্তিক।’

তিনি আরও বলেন, ‘জনগণের আস্থা নিয়ে কোনো ধরনের অস্পষ্টতা কাম্য নয়। নির্বাচন কমিশনকে কমেডি সেন্টার নয়, আস্থার কেন্দ্র হিসেবেই দেখতে চায় জনগণ।’


জাতীয় পার্টি নির্বাচন থেকে সরে যাওয়ার আশঙ্কা আছে

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১২ ডিসেম্বর, ২০২৩

জাতীয় পার্টি নির্বাচন থেকে সরে যাওয়ার আশঙ্কা আছে

বার্তাবেলা: আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জাতীয় পার্টি অংশগ্রহণ নাও করতে পারে বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।

মঙ্গলবার (১২ ডিসেম্বর) বিকেলে তেজগাঁওয়ে ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে এক মতবিনিময় সভা শেষে এ মন্তব্য করেন তিনি। দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে আওয়ামী লীগের দপ্তর বিষয়ক উপ-কমিটির এই মতবিনিময় সভা হয়।

জাতীয় পার্টি নির্বাচন থেকে সরে যাবে কি না- সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘আশঙ্কা আছে, আমাদের দলের অনেকেরই আশঙ্কা আছে; দেশের জনগণের মধ্যেও এটা নিয়ে একটা শঙ্কা আছে। কিন্তু এটা চূড়ান্ত কথা হিসেবে এই মুহূর্তে আমরা বিবেচনায় আনতে পারছি না।’

তিনি বলেন, ‘ডেমোক্রেসিতে অনেক কিছু সম্ভব। গণতান্ত্রিক নির্বাচনে বয়কট করা, ওয়াকআউট করা- এসব বিষয় গণতান্ত্রিক নির্বাচনের সব জায়গাতেই আছে। কী হবে এটা তো এই মুহূর্তে বলতে পারছি না, হলেও হতে পারে। কিন্তু এ ব্যাপারে এই মুহূর্তে আমি কী করে বলবো তারা সরে যাবে। এই মুহূর্তে বলতে পারছি না।’