শেয়ার বাজার

বাইরের কারও ইন্ধনে চলছে জাপাকে দুর্বল করার চেষ্টা: চুন্নু

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: সোমবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৪

বাইরের কারও ইন্ধনে চলছে জাপাকে দুর্বল করার চেষ্টা: চুন্নু

বার্তাবেলা ডেস্ক: বাইরের কারও ইন্ধনে জাতীয় পার্টিকে দুর্বল করার চেষ্টা চলছে বলে জানিয়েছেন দলটির মহাসচিব মুজিবুল হক চুন্নু।

নির্বাচনে ভরাডুবি, অনিয়মসহ নানা অভিযোগে জাপার পরাজিত প্রার্থীরা যখন মহাসচিব ও চেয়ারম্যানকে দায়ী করছেন তখন এ আশঙ্কার কথা জানান চুন্নু। এর আগে রোববার (১৪ জানুয়ারি) দুপুরে বিশেষ সভা করেন জাপার পরাজিত প্রার্থীরা। সেখানে নির্বাচনে ভরাডুবির জন্য জাপা মহাসচিব ও চেয়ারম্যানকে দায়ী করেন তারা।

সোমবার (১৫ জানুয়ারি) এ প্রসঙ্গে দৃষ্টি আকর্ষণ করলে গণমাধ্যমকে চুন্নু বলেন, ‘নির্বাচনে কাঙ্ক্ষিত ফল পাইনি। সেই বিষয়ে আমার ও চেয়ারম্যানের মধ্যে দায়দায়িত্ব আছে। সেই দায়দায়িত্ব নিয়ে আমরা কথা বলতে পারতাম। আমরা ঘরের মধ্যে আলোচনা করতে পারতাম। ফোরামে আলোচনা করতে পারতাম, কিন্তু যেটা করছে সেটা আমার মনে হয় বাইরে থেকে কারও ইন্ধন আছে। পার্টিকে দুর্বল করার জন্য, কারও ইন্ধন আছে। না হলে এ ধরনের কথা বলার কোনো যুক্তি নেই। কারা ইন্ধন দিচ্ছে এটা এখনই বলতে পারবো না। এটা এখনই বলা মুশকিল, অনুমানের ওপর বলছি।’

ভোটে জাপাকে কেউ অর্থ দেয়নি জানিয়ে তিনি বলেন, কেউ আমাদের ভোট করতে টাকা দেয়নি। ব্যবসায়ীরাও দেয়নি। কেউ একটা পয়সা দিয়েছে, অসম্ভব।

চুন্নু বলেন, আমরা পরাজিত প্রার্থীদের সঙ্গে কথা বলতে চেয়েছিলাম। তার আগেই তারা ফরাসি বিপ্লবের মতো বিপ্লব আরম্ভ করে দিয়েছে।

দলের ভাঙনের গুঞ্জন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ তিনবার চারবার ভাঙছে। বিএনপিও অনেক বার ভাঙছে এটা চলমান প্রক্রিয়া। একটা দল ট্রেনের মতো যাচ্ছে। সেখান থেকে কোনো কোনো যাত্রী নেমে যায়, নতুন যাত্রী ওঠে। এটা কোনো বিষয় নয়। দল ভাঙছে না, কোন জেলার সভাপতি সেক্রেটারি আসছে, প্রেসিডিয়াম মেম্বার সংখ্যাগরিষ্ঠ কেউ বিবৃতি দেয়নি। নির্বাহী সদস্যরাও বিবৃতি দেয়নি। সাংগঠনিক ভাঙা একটা প্রক্রিয়া। কতিপয় প্রার্থী যারা ভেবেছে আমরা টাকা পেয়েছি, ওদের টাকা দেইনি। এটাই কারণ, অন্য কোনো কারণ নেই। এখানে ভাঙা ভাঙির কোনো বিষয় নেই।


Dummy Ad 1

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ
চরমোনাই পীর-ই থাকছেন দলের আমির, নতুন মহাসচিব গাজী আতাউর

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২৮ জুন, ২০২৬

চরমোনাই পীর-ই থাকছেন দলের আমির, নতুন মহাসচিব গাজী আতাউর

দলের প্রেসিডিয়াম সদস্য, উপদেষ্টা পরিষদ ও মজলিসে আমেলা পুনর্গঠন করেছে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ। এতে আমির পদে বহাল থাকছেন চরমোনাই পীর মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করীম। নতুন কমিটির মহাসচিব হয়েছেন গাজী আতাউর রহমান।

শনিবার (২৭ জুন) বিকেলে রাজধানীর পুরানা পল্টনের একটি হোটেলে দলের কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরার সভায় কমিটি পুনর্গঠন করা হয়। ইসলামী আন্দোলনের আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করীম (চরমোনাই পীর) নবগঠিত কমিটির সদস্যদের নাম ঘোষণা করেন।

নতুন কমিটির মহাসচিব গাজী আতাউর রহমান এর আগে দলটির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব ছিলেন। বর্তমান মহাসচিব ইউনুছ আহমাদকে নতুন কমিটিতে প্রেসিডিয়াম সদস্য করা হয়েছে।

ইসলামী আন্দোলনের ১১ সদস্যের নতুন প্রেসিডিয়াম সদস্যরা হলেন সৈয়দ মোসাদ্দেক বিল্লাহ আল মাদানী, সৈয়দ মুহাম্মদ ফয়জুল করীম, আবদুল আউয়াল, আবদুল হক আজাদ, ইউনুছ আহমাদ, মো. গিয়াসউদ্দিন খান, আশরাফ আলী আকন, নেয়ামতুল্লাহ আল ফরিদী, মাহবুবুর রহমান ও গাজী আতাউর রহমান।

১৪ সদস্যের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্যরা হলেন ওমর ফারুক সন্দ্বীপী, মিজানুর রহমান সাঈদ, আ ফ ম খালিদ হোসেন (অন্তর্বর্তী সরকারের ধর্ম উপদেষ্টা), মোশতাক আহমাদ, ওবায়দুর রহমান খান, মুহাম্মদ জহুরুল হক, শেখ আতিয়ার রহমান, আক্কাস আলী সরকার, আবদুল মতিন, সৈয়দ আলী মোস্তফা, এ কে এম এরফান খান, আবদুল কাদের (মেহেরপুর), লুৎফর রহমান এবং ফরিদ উদ্দিন আল মোবারক।

অধিবেশনে তিনজন নায়েবে আমির, চারজন যুগ্ম মহাসচিব, চারজন সহকারী মহাসচিবসহ ৪৮ সদস্যের মজলিসে আমেলা বা কর্মপরিষদ গঠন করা হয়।

নায়েবে আমিররা হলেন মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ ফয়জুল করীম, মাওলানা আবদুল আউয়াল এবং মাওলানা আবদুল হক আজাদ।

যুগ্ম মহাসচিবরা হলেন আশরাফুল আলম, শেখ ফজলে বারী মাসউদ, শাহ ইফতেখার তারিক ও মাওলানা নেছার উদ্দিন।

সহকারী মহাসচিব হিসেবে মাওলানা সৈয়দ এসহাক মুহাম্মদ আবুল খায়ের, মাওলানা আহমদ আব্দুল কাইয়ুম, কেএম আতিকুর রহমান ও শেখ ফজলুল করীম মারুফের নাম ঘোষণা করা হয়।

সদস্য হিসেবে যাদের নাম ঘোষণা করা হয় তারা হলেন মাহমুদুল হোসাইন ওয়ালী উল্লাহ (সংসদ সদস্য), মাওলানা লোকমান হোসেন জাফরী, হারুন অর রশীদ, মাওলানা নুরুল করীম আকরাম, শেখ আবু তাহের, মুফতি কেফায়েতুল্লাহ কাশফী, শওকত আলী হাওলাদার, মাওলানা মুহাম্মদ শোয়াইব হোসেন, আবদুর রহমান, আতিকুর রহমান মুজাহিদ, মুফতি হেমায়েতুল্লাহ কাসেমী, বেলাল নূর আজীজি, মাওলানা মুহাম্মদ খলিলুর রহমান, বীর মুুক্তিযোদ্ধা আবুল কাশেম, মুফতি দেলাওয়ার হোসাইন সাকী, শেখ মুহাম্মদ নুরুন নাবী, মাওলানা মাহমুদুল হাসান, মাওলানা মুহাম্মদ আরিফুল ইসলাম, মাওলানা সিরাজুল ইসলাম, কে এম শরীয়তুল্লাহ, মুহাম্মদ বরকতুল্লাহ লতিফ, নাছির উদ্দিন খাঁন, মুফতি মানসুর আহমাদ সাকী, মুহাম্মদ আমিনুল ইসলাম, মুফতি রেজাউল করীম আববার, মুফতি শামসুদ্দোহা আশরাফী, মুহাম্মদ আল ইকবাল, মুহাম্মদ সেলিম মাহমুদ, মাওলানা আলমগীর হোসাইন তালুকদার, কে এম বেলাল হোসাইন, মাওলানা শেখ মুহাম্মাদ সাইফুল ইসলাম, মুহাম্মদ আব্দুজ জলিল, মুহাম্মদ আল-আমীন (ঠাকুরগাঁও), শেখ মারুফ এবং এম এম কামাল হোসাইন (ভোলা)।

ইসলামী আন্দোলনের বর্তমান মহাসচিব মাওলানা ইউনুস আহমদের উদ্বোধনী বক্তব্যের মাধ্যমে অধিবেশন শুরু হয়। বিগত সেশনের সামগ্রিক প্রতিবেদন উপস্থাপন করেন যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা শেখ ফজলে বারী মাসউদ।

সাংগঠনিক প্রতিবেদন উপস্থাপন করেন সাংগঠনিক সম্পাদক শাহ ইফতেখার তারিক, রাজনৈতিক প্রতিবেদন পেশ করেন জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব ও দলীয় মুখপাত্র মাওলানা গাজী আতাউর রহমান।


১০ শতাংশ আসন উন্মুক্ত রেখেই জামায়াতসহ ১১ দলের সমঝোতা

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১৩ জানুয়ারি, ২০২৬

১০ শতাংশ আসন উন্মুক্ত রেখেই জামায়াতসহ ১১ দলের সমঝোতা

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে জামায়াতে ইসলামী, জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ও তাদের শরিক ১১ দলের মধ্যে আসন সমঝোতার আলোচনা চললেও এখনও চূড়ান্ত ঐকমত্যে পৌঁছাতে পারেনি। সমঝোতা না হলে মোট আসনের অন্তত ৫ থেকে ১০ শতাংশ উন্মুক্ত রাখার সিদ্ধান্ত আসতে পারে। প্রার্থী চূড়ান্ত হলে চলতি সপ্তাহেই আসতে পারে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা।

১১ দলীয় জোটের একাধিক সূত্র জানায়, বেশ কয়েকটি আসনে একাধিক দল প্রার্থী দিতে আগ্রহী হওয়ায় সমঝোতার বিষয়টি জটিল আকার ধারণ করেছে। এ অবস্থায় যেসব আসনে সমাধান সম্ভব হবে না, সেগুলো উন্মুক্ত রাখার কথা ভাবা হচ্ছে। ফলে ওই আসনগুলোতে জোটভুক্ত দলগুলো আলাদাভাবে প্রার্থী দিতে পারবে।

বাংলাদেশ খেলাফত মজলিশের মহাসচিব আহমদ আব্দুল কাদের বার্তাবেলা নিউজকে বলেন, ‘শুধু ইসলামী আন্দোলনের সঙ্গেই নয়, আরও কয়েকটি দলের সঙ্গেও আসন সমঝোতা নিয়ে জটিলতা রয়েছে। শেষ পর্যন্ত ৫ থেকে ১০ শতাংশ আসন উন্মুক্ত থাকতে পারে। বাকি আসনগুলোতে প্রার্থী চূড়ান্ত হলে চলতি সপ্তাহেই ঘোষণা আসবে।’

খেলাফত মজলিশের মহাসচিব মাওলানা জালাল উদ্দীন আহমেদ বলেন, ‘এমন অনেক আসন রয়েছে, যেখানে তিন-চারটি দলই প্রার্থী দিতে চায়। সোমবারও লিয়াজোঁ কমিটির বৈঠক হয়েছে। সামনে আরও বৈঠক হবে। আমরা চাই সব আসনে সমঝোতা হোক, তবে যেগুলো অমীমাংসিত থাকবে, সেগুলো উন্মুক্ত রাখা হতে পারে।’

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মহাসচিব অধ্যক্ষ মাওলানা ইউনুছ আহমাদ বলেন, ‘আমাদের বৈঠক এখনও বাকি রয়েছে। কিছুই চূড়ান্ত হয়নি। যেসব আসনে সমঝোতা কঠিন হবে, সেখানে উন্মুক্ত রাখার সিদ্ধান্ত আসতে পারে। কয়টি আসন উন্মুক্ত হবে, তা সমঝোতার পরই নির্ধারিত হবে।’

জামায়াত-চরমোনাই দ্বন্দ্ব কাটছে না

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শেখ ফজলে বারী মাসুদ বলেন, ‘জামায়াত কোন কোন আসনে প্রার্থী দিতে চায়, তা এখনও আমরা জানি না। তাদের সঙ্গে আমাদের কোনো বিষয়ই চূড়ান্ত হয়নি। আমরা মনোক্ষুণ্ন, কারণ একত্রে বসে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে না। দুই দল আলাদা আলাদা বৈঠক করলেও সমাধান আসছে না।’

তিনি আরও বলেন, ‘জাতির প্রত্যাশা পূরণে সবাইকে বাস্তবতা বিবেচনায় নিতে হবে। কার কতটা সমর্থন আছে, সেটিও বিবেচনায় আনতে হবে। আমরা তো ২৬৭ আসনেই মনোনয়ন জমা দিয়েছি।’

আসন বণ্টন নিয়ে আলোচনা

জামায়াত ও এনসিপিসহ ১১ দলীয় জোটে রয়েছে, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিশ, খেলাফত মজলিশ, নেজামে ইসলাম পার্টি, জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি, বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টি (বিডিপি), এবি পার্টি ও এলডিপি।

জোট সূত্রে জানা গেছে, জামায়াতে ইসলামী ৩০০ আসনের মধ্যে ১৯০ থেকে ১৯৫টি আসনে প্রার্থী দিতে চায়। ইসলামী আন্দোলন শতাধিক আসন দাবি করলেও তাদের জন্য ৪০টির মতো আসন দেওয়ার আলোচনা চলছে। এছাড়া এনসিপি: ২৫-৩০টি, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিশ: ১০টি,,খেলাফত মজলিশ: ৩টি, এবি পার্টি: ৩টি, এলডিপি: ২টি, বিডিপি: ২টি, জাগপা: ২টি, নেজামে ইসলাম পার্টি: ১টি আসন।

মনোনয়নপত্র জমা, অপেক্ষা ঘোষণার

সমঝোতার আলোচনা চলমান থাকলেও জোটের প্রায় সব দলই মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছে।

দলীয় সূত্র অনুযায়ী,জামায়াত: ২৭৬ আসন, ইসলামী আন্দোলন: ২৬৮ আসন, এনসিপি: ৪৭, এবি পার্টি: ৫৩,,বাংলাদেশ খেলাফত মজলিশ: ৯৪, খেলাফত মজলিশ: ৬৮, এলডিপি: ২৪, খেলাফত আন্দোলন: ১১, নেজামে ইসলাম পার্টি: ৬, জাগপা: ৩, বিডিপি: ২টি আসনে মনোনয়ন জমা দিয়েছে।

এদিকে, সোমবার ইউরোপীয় ইউনিয়নের নির্বাচন পর্যবেক্ষণ মিশনের প্রধান পর্যবেক্ষকের সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে প্রেস ব্রিফিংয়ে জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমান জানিয়েছেন, মঙ্গলবার অথবা বুধবার ১১ দলীয় জোটের চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করা হবে।


শ্যামনগর উপজেলা বিএনপির ৩১ সদস্যের আহ্বায়ক কমিটি অনুমোদন

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২৮ জুলাই, ২০২৬

শ্যামনগর উপজেলা বিএনপির ৩১ সদস্যের আহ্বায়ক কমিটি অনুমোদন

সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলা বিএনপির বিদ্যমান কমিটি বিলুপ্ত করে ৩১ সদস্যবিশিষ্ট আহ্বায়ক কমিটি অনুমোদন দিয়েছে বিএনপি।

সোমবার (২৭ জুলাই) দলের জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত এক সংশোধনী প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

নতুন অনুমোদিত কমিটিতে আলহাজ সোলাইমান কবীরকে আহ্বায়ক এবং অ্যাডভোকেট এস এম আশেক এলাহী মুন্নাকে সদস্যসচিব করা হয়েছে।

এ ছাড়া কমিটিতে আলহাজ জি এম মাসুদুল আলমকে সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক করা হয়েছে। যুগ্ম আহ্বায়ক করা হয়েছে অধ্যাপক আবু সাঈদ, গোলাম আলমগীর, আবুল কালাম মোড়ল, মো. আমজাদুল ইসলাম আমজাদ, জহুরুল হক আপ্পু, আবুল খায়ের মল্লিক, গাজী শহীদুজ্জামান, আজিজুল হক সরদার ও গাজী শাহ আলমকে।

নতুন অনুমোদিত কমিটিতে আলহাজ সোলাইমান কবীরকে আহ্বায়ক এবং অ্যাডভোকেট এস এম আশেক এলাহী মুন্নাকে সদস্যসচিব করা হয়েছে।

এ ছাড়া কমিটিতে আলহাজ জি এম মাসুদুল আলমকে সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক করা হয়েছে। যুগ্ম আহ্বায়ক করা হয়েছে অধ্যাপক আবু সাঈদ, গোলাম আলমগীর, আবুল কালাম মোড়ল, মো. আমজাদুল ইসলাম আমজাদ, জহুরুল হক আপ্পু, আবুল খায়ের মল্লিক, গাজী শহীদুজ্জামান, আজিজুল হক সরদার ও গাজী শাহ আলমকে।

সম্মানিত সদস্য করা হয়েছে মাস্টার আব্দুল ওয়াহেদ ও অ্যাডভোকেট আব্দুস সালামকে।

কমিটির সদস্যরা হলেন— জি এম লিয়াকত আলী, জি এম সাদেকুর রহমান, অ্যাডভোকেট ইব্রাহিম খলিল, আব্দুর রশিদ ঢালী, মো. আবুল কাশেম মোড়ল, মো. কামরুজ্জামান, মো. নুরুজ্জামান, জি এম আবু ইউসুফ, আসাদুজ্জামান মিঠু, আব্দুল মজিদ, আবিদ হাসান, আব্দুর রাজ্জাক, মো. আশরাফ সরদার, মো. ফজলুল হক, মোছা. হালিমা কামরুল, মো. মাসুদ ও মো. সাহারাত হোসেন।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বর্তমান আহ্বায়ক কমিটিকে আগামী তিন মাসের মধ্যে সম্মেলনের মাধ্যমে পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন করতে হবে।