শেয়ার বাজার

বর্ণাঢ্য আয়োজনে বাংলাদেশ মডেল প্রেসক্লাব এর ফ্যামিলি ডে উদযাপন, সাংবাদিক পরিবারের মিলনমেলা

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: সোমবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২৬

বর্ণাঢ্য আয়োজনে বাংলাদেশ মডেল প্রেসক্লাব এর ফ্যামিলি ডে উদযাপন, সাংবাদিক পরিবারের মিলনমেলা

সাংবাদিকদের পরিবার নিয়ে আনন্দঘন পারিবারিক মিলনমেলা (ফ্যামিলি ডে) আয়োজন করা হয় পেশাগত চাপ কমাতে এবং সদস্যদের মধ্যে বন্ধন দৃঢ় করতে, যেখানে খেলাধুলা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও আপ্যায়ন থাকে, এই ধরনের আয়োজন সদস্যদের মানসিক স্বস্তি ও পেশাদারিত্বের বিকাশে সহায়ক, যা একটি সামগ্রিক আনন্দ ও মিলনমেলার পরিবেশ তৈরি করে। এই আয়োজন ক্লাবের নবীন ও প্রবীণ সদস্য এবং তাদের পরিবারের সদস্যদের মিলনমেলায় রূপ নেয়

শনিবার ( ১৭ জানুয়ারি) ঢাকা কেরানীগঞ্জ আনোয়ার ম্যাজিক সিটি আইসল্যান্ড  রিসোর্ট, ঢাকায় দিনব্যাপী এই মিলন মেলায় যোগ দেন সংগঠনটির নেতৃবৃন্দ, সদস্য এবং বিভিন্ন পর্যায়ের অতিথিবৃন্দ।

বাংলাদেশ মডেল প্রেসক্লাব এর আয়োজনে সুন্দর ও মনোরম পরিবেশে ফ্যামিলি ডে বনভোজন ও সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ মডেল প্রেসক্লাবের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি এফ রহমান এর সভাপতিত্বে  প্রধান  অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, প্রেস ইন্সটিটিউট বাংলাদেশ (পিআইবি)'র সাবেক পরিচালক মিজানুর রহমান (গ্রামসি)।

বাংলাদেশ মডেল প্রেসক্লাব এর প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক মোঃ আবু বকর ছিদ্দিক এর পরিচালনায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন,  ইউনাইটেড নেশন UN এর হিউম্যান রাইটস অ্যাসোসিয়েশন অব ওয়ার্ল্ড সিটিজিনস (AWC) বাংলাদেশ শাখার চিফ  এক্সিকিউটিভ কোঅর্ডিনেটর  এবং জাতীয় দৈনিক অগ্নিশিখা পত্রিকার যুগ্ম সম্পাদক  লায়ন সহিদুল ইসলাম খোকন, প্রমুখ।

এই ধরনের অনুষ্ঠান সাংবাদিকদের পেশাগত জীবনের একঘেয়েমি কাটাতে এবং একটি সামগ্রিক আনন্দময় ও সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশ তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা

Dummy Ad 1

দৌলতপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের ৫০ বছর সুবর্ণজয়ন্তী ও পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২৮ এপ্রিল, ২০২৪

দৌলতপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের ৫০ বছর সুবর্ণজয়ন্তী ও পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত

মো: রাকিব উদ্দিন (স্পেশাল প্রতিনিধি): কুমিল্লার হোমনা উপজেলার ঐতিহ্যবাহী দৌলতপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের ৫০ বছর পুর্তি উপলক্ষে সুবর্ণজয়ন্তী অনুষ্ঠানে প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের মিলন মেলায় পরিনত হয়েছে। 

শনিবার (২৭ এপ্রিল) সকাল ৮ টার দিকে বিদ্যালয়ের  মাঠে মূল অনুষ্ঠানটি শুরু হয়ে ২দিন ব্যাপী চলে এই অনুষ্ঠান   ।  ২৬ ও ২৭ এপ্রিল  ২দিন ব্যাপী বিভিন্ন অনুষ্ঠান মালায় মুখরিত ছিলো দৌলতপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের আঙ্গিনা। 

খাওয়া দাওয়া,গল্প গুজব,  একে অপরের সঙ্গে  কুশল বিনিময়,দীর্ঘদিন পর বন্ধুদের কাছে পেয়ে অনেকে আবেগ আপ্লোত হয়ে পড়তে দেখা গেছে। দেশের তীব্র তাপপ্রবাহ উপেক্ষা করে আনন্দ ঘন পরিবেশে সময়  কাটিয়েছে শিক্ষার্থীরা। সব মিলিয়ে বিদ্যালয়ে  শিক্ষার্থীদের এক মিলন মেলায় রুপ নিয়েছে।

প্রাক্তন শিক্ষার্থীরা এসএসসি পাশের বর্ষ লেখা প্লেকার্ড নিয়ে শোভাযাত্রা বের করে এতে  উচ্ছাস প্রকাশ করতে দেখা গেছে। শোভাযাত্রাটি  হোমনা - রামকৃষ্ণপুর  সড়ক প্রদক্ষিণ করে, বিদ্যালয় মাঠে এসে শেষ হয়। একে একে সবার মাঝে  টি শার্ট,ব্যাগ,ক্যাপ,ব্যাচ ছবি সম্বরিত স্মারক গ্রন্থ" উচ্ছ্বস "বিতরণ করা হয়। 

শনিবার সকাল ১১ টার দিকে বিদ্যালয় মাঠের মূল মঞ্চে সুবর্ণজয়ন্তী ও পুনর্মিলনী উদযাপন কমিটির আহ্বায়ক ও জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব মো. বাবুল মিঞার সভাপতিত্বে  অনুষ্ঠান শুরু হয়।

এতে  প্রধান অতিথি ছিলেন স্থানীয় সংসদ সদস্য ও শিক্ষা বিষয়ক সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য অধ্যক্ষ আবদুল মজিদ। 

বিশেষ অতিথি ছিলেন শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ড. কামাল উদ্দিন আহমেদ, পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে সাবেক উপচার্য অধ্যাপক ড. আল নকীব চৌধুরী, চট্রগ্রাম বিশ্ববিশ্ববিদ্যালয়ের মৃত্তিকা বিজ্ঞানের অধ্যাপক ড. মোঃ আবুল কাশেম, শিল্প মন্ত্রণালয়ের যুগ্ন সচিব মোঃ নুরুজ্জামান। 

এছাড়াও অনুষ্ঠানে শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন, বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠাতা পরিবারের সদস্য ও  বীর মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর, বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুল মবিন মোল্লা, শেরে বাংলা কৃষি বিশ্ববদ্যালয়ের সাবেক ডীন অধ্যাপক নুর মোহাম্মদ রহমত উল্লাহ,  ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. মিজানুর রহমান ও দৌলতপুর উচ্চ  বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাকালীন সহকারি শিক্ষক শ্রী অবনী মোহন সূত্রধর, হোমনা সরকারী কলেজের সাবেক অধ্যাপক মনোয়ার হোসেন, হোমনা প্রেস ক্লাবের সভাপতি মো. আবদুল হক সরকার ও  ঢাকা বিসিআইসি কলেজের অধ্যাপক মীর মো. মাসুদুজ্জামান। 

উক্ত অনুষ্ঠানে স্মৃতিচারন মূলক বক্তব্য রাখেন বিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থী: নবীনগর সরকারি কলেজের সাবেক ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মো রাশেদুল হক নিশাত, হোমনা ছাত্রকল্যাণ সংসদের সাবেক সভাপতি ও সমাজ সেবক মোঃ রকিব উদ্দিন,  হোমনা সরকারি কলেজের অবসর প্রাপ্ত সহযোগী অধ্যাপক মোঃ রেজাউল করিম,  কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের অধ্যাপক ডাঃ তাইফুর রহমান, বিদ্যালয়ের সাবেক সভাপতি গাজী ইলিয়াছ, সুবর্নজয়ন্তী ও পুনর্মিলনী উদযাপন কমিটির সদস্য সচিব ও অত্র বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক  মো. ইব্রাহীম, বাঞ্ছারামপুর প্রেস ক্লাবের সভাপতি সাংবাদিক  আবদুল আউয়াল, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক: আমানুল হক অলি,রোজিনা সুলতানা ও কোহিনুর আক্তার, ব্যবসায়ী শামীম সারোয়ার সহ বিদ্যালয়ের সাবেক ও বর্তমান শিক্ষার্থীরা।  

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথিসহ অন্যান্য অতিথিবৃন্দকে  সম্মাননা স্মারক (ক্রেস্ট) প্রদান করা হয়। দুপুরে লাঞ্চ বিরতির পর শুরু হয় মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। চলে  মধ্যরাত পর্যন্ত।



কুমিল্লা জেলার শ্রেষ্ঠ ইমাম নির্বাচিত হয়েছেন মুফতি মোহাম্মদ মহিউদ্দিন ফারুকী

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪

কুমিল্লা জেলার শ্রেষ্ঠ ইমাম নির্বাচিত হয়েছেন মুফতি মোহাম্মদ মহিউদ্দিন ফারুকী

বার্তাবেলা ডেস্ক: কুমিল্লা জেলার শ্রেষ্ঠ ইমাম নির্বাচিত হয়েছেন মুফতি মোহাম্মদ মহিউদ্দিন ফারুকী সাহেব। গত ১০ই ফেব্রুয়ারী' ২০২৪ইং তিনি হোমনা উপজেলা শ্রেষ্ঠ ইমাম নির্বাচনে অংশ গ্রহন করেন। হোমনা উপজেলা ইউএনও মহদয় নির্বাচন প্রক্রিয়া শেষে জনাব মুফতি মোহাম্মদ মহিউদ্দিন ফারুকী'কে হোমনা উপজেলার শ্রেষ্ঠ ইমাম হিসেবে ঘোষণা করেন এবং জেলা পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ ইমাম প্রতিযোগীতায় অংশ গ্রহনের জন্য হোমনা উপজেলার প্রতিনিধি হিসেবে তাকে মনোনীত করেন। 

গত ২০-০২-২০২৪ইং তারিখে জনাব মুফতি মহিউদ্দিন ফারুকী সাহেব 

 কুমিল্লা জেলার শ্রেষ্ঠ ইমাম প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করেন । পরবর্তীতে তিনি কুমিল্লা জেলার শ্রেষ্ঠ ইমাম নির্বাচিত হন এবং সম্মানিত কুমিল্লা জেলা প্রশাসক মহোদয়ের নিকট থেকে কুমিল্লা জেলার শ্রেষ্ঠ ইমাম এর সনদ গ্রহণ করেন। 

বর্তমানে তিনি কুমিল্লা  দুলালপুর ইউনিয়নের  দৌলতপুর মধ্য পাড়া (সাহেব বাড়ি) জামে মসজিদের ইমাম ও খতিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

 এছাড়াও দৌলতপুর হাফিজিয়া মাদ্রাসা ও এতিমখানায় তিনি  শিক্ষক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন। 

দৌলতপুর মধ্যপাড়া সাহেব বাড়ি জামে মসজিদ কমিটি এবং দৌলতপুর মধ্যপাড়া তথা সাহেব বাড়ির "ছলিম উদ্দিন রাজিয়া বেগম" ফাউন্ডেশন ও "খলিলুর রহমান" ফাউন্ডেশন তার এই অর্জনে অনেক গৌরব বোধ করছেন।

উভয় ফাউন্ডেশনের পক্ষে তাকে খুব শিগগিরই নাগরিক সংবর্ধনা দেওয়ার কথা জানালেন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। 

মুফতি মোহাম্মদ মহিউদ্দিন ফারুকী সাহেবের জীবনবৃত্তান্ত;

 কুমিল্লা জেলার হোমনা থানার ঘাগুটিয়া ইউনিয়নের শরীফপুর গ্রামে জন্ম গ্রহণ করেন। তার  পিতা নাম মোহাম্মদ খুরশিদ মিয়া এবং  মাতা: মোসাম্মৎ সালেহা আক্তার।  

তিনি ২০১১সালে দুলালপুর আলহাজ্ব বেগম কফিল উদ্দিন দাখিল মাদ্রাসা থেকে সাধারণ বিভাগের দাখিল পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন। ২০১৩ সালে তিনি সোনাকান্দা দারুল হুদা বহু মুখী কামিল মাদ্রাসা থেকে   আলিম পাশ করেন। পর্যায়ক্রমে তিনি একই মাদ্রাসা থেকে ২০১৬তে ফাযিল, ২০১৯শে কামিল হাদিস ও ২০২০ সালে কামিল ফিকাহ বিষয়ে ডিগ্রি অর্জন করেন। উল্লেখ্য ২০১৮তে মুফতি মোহাম্মদ মহিউদ্দিন ফারুকী সাহেব চট্টগ্রামের আহমদিয়া সুন্নিয়া আলিয়া মাদ্রাসা থেকে আল কোরআন এন্ড ইসলামীক স্টাডিজের উপরে অনার্স করেন।

জাতীয় পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ ইমাম ও-খতিব নির্বাচিত হওয়ার বিষয়ে অভিব্যক্তি জানতে চাইলে মুফতি মোহাম্মদ মহিউদ্দিন ফারুকী বলেন, আল্লাহর দরবারে লাখো লাখো শুকরিয়া আদায় করি। আল্লাহ আমাকে যে জ্ঞান দান করেছেন আমি যেনো ইসলামের ধর্মীয় আচারে সমাজ ও রাষ্ট্রকে আলোকিত করতে পারি সবাই আমার জন্য দোয়া করবেন।


সম্পাদক ও সাংবাদিকদের উপর হামলার প্রতিবাদ ও বিচারের দাবিতে মানববন্ধন

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২৯ ডিসেম্বর, ২০২৪

সম্পাদক ও সাংবাদিকদের উপর হামলার প্রতিবাদ ও বিচারের দাবিতে মানববন্ধন

বার্তাবেলা (নিজস্ব প্রতিনিধি): বাংলাদেশ প্রেস ইউনিটির আয়োজনে জনবাণী সম্পাদক শফিকসহ সাংবাদিকদের উপর হামলার প্রতিবাদ-বিচারের দাবিতে বিক্ষোভ সমাবেশ ও মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। 

২৯ ডিসেম্বর (রবিবার) বেলা ১১ টায় জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে বাংলাদেশ প্রেস ইউনিটির আহবায়ক এফ রহমান রূপক ও সদস্য সচিব শাহাজালাল উজ্জল ভূঁইয়ার সঞ্চালনায় এতে বক্তব্য রাখেন প্রেস ইউনিটির প্রতিষ্ঠাতা কলামিস্ট মোমিন মেহেদী, যুগ্ম আহবায়ক হুময়ুন মজিব, তোফায়েল ইসলাম, হাফিজুর রহমান, মনসুর রহমান পাশা, মোঃ রায়হান, জাকিয়া হোসেন, মো. নাদিম আহমেদ, ফাতেমা নাসরিন প্রমুখ। 


এসময় সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ বলেন, সাংবাদিক শফিকসহ ৪ সাংবাদিকের উপর হামলার পর মামলা হলেও প্রশাসন নিরব ভূমিকা পালন করছে। তারা কি বাংলাদেশকে সাংবাদিকদের বসবাস অনুপোযোগি মানচিত্র বানাতে চায়? যদি তা না হয়, তাহলে আগামী ২৪ ঘন্টার মধ্যে জড়িতদের গ্রেফতার এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির আওতায় আনুন। এর ব্যততয় ঘটলে বাংলাদেশ প্রেস ইউনিটি জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে অনশনে বসবো। একই সাথে ১৭৭ জন সাংবাদিক গত ৩ মাসে চাকুরিচ্যুত হয়েছে, তাদেরকে চাকুরিতে পূর্ণবহালের ব্যবস্থা করার জন্য সরকার ও সংশ্লিষ্ট গণমাধ্যমের প্রতি আহবান জানান নেতৃবৃন্দ।

উল্লেখ্য, ২০০৯ সালে সাংবাদিকদের অধিকার রক্ষার লক্ষ্যে ‘ প্রেস ইউনিটির অঙ্গীকার-অপসাংবাদিকতা থাকবে না আর…’ শ্লোগানে ঢাকা বিশ^বিদ্যালয়ের টিএসসি থেকে আত্মপ্রকাশ করে অনলাইন প্রেস ইউনিটি। পরবর্তীতে ২০২০ সালে এর নাম পরিবর্তন করে বাংলাদেশ প্রেস ইউনিটি করা হয়।