শেয়ার বাজার

সংরক্ষিত নারী আসন
এমপি হতে নেত্রী-অভিনেত্রীদের মনোনয়ন দৌড়ে এগিয়ে যারা!

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: শুক্রবার, ২ ফেব্রুয়ারি ২০২৪

এমপি হতে নেত্রী-অভিনেত্রীদের মনোনয়ন দৌড়ে এগিয়ে যারা!

বার্তাবেলা ডেস্ক: সংসদ ও সরকার গঠনের পর এবার সংসদে সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনয়নের পালা। এরই মধ্যে জোটবদ্ধভাবে ৪৮ আসনে মনোনয়ন দেওয়ার বিষয়ে নির্বাচন কমিশনকে অবহিত করেছে আওয়ামী লীগ। বাকি দুটি আসন পাবে জাতীয় পার্টি। আওয়ামী লীগের মনোনয়নে সংরক্ষিত আসনে এমপি হতে আগ্রহী অনেকেই নেতাদের বাসায় ভিড় করছেন। চেষ্টা করছেন দলীয় সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গেও দেখা করতে।

দলীয় নেতাদের আড্ডায় ও নানা ইঙ্গিতে অনেকের নাম উঠে আসছে, যাদের অনেককেই দেখা যেতে পারে সংসদে। এর মধ্যে দলের কেন্দ্রীয় নেত্রী, সহযোগী সংগঠনের নেত্রী এবং বিভিন্ন জেলায় আওয়ামী লীগের নেত্রীদের বিবেচনায় রাখা হবে বলে শোনা যাচ্ছে। এর বাইরেও জোট শরিকদের দু-তিনটি আসন দেওয়ার বিষয়ে আলোচনা চলছে। তবে পুরোনোদের সিংহভাগ এবার মনোনয়ন পাবেন না বলেই ইঙ্গিত দিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।

এবার নারী আসনে জায়গা পেতে পারেন- আওয়ামী লীগের অর্থ ও পরিকল্পনা সম্পাদক ওয়াসিকা আয়শা খান, কৃষি ও সমবায় সম্পাদক ফরিদুন্নাহার লাইলী, স্বাস্থ্য ও জনসংখ্যা সম্পাদক ডা. রোকেয়া সুলতানা, শিক্ষা সম্পাদক বেগম শামসুন নাহার (চাঁপা), কার্যনির্বাহী সদস্য পারভিন জামান কল্পনা ও মারুফা আক্তার পপি। এর বাইরে কেন্দ্রীয় নেতাদের মধ্যে আখতার জাহান, মেরিনা জাহান, সফুরা বেগম, হোসনে আরা লুৎফা ডালিয়াও আসতে পারেন।

পেশাগত অঙ্গনে সাফল্যের স্বীকৃতিস্বরূপ জাতীয় প্রেস ক্লাবের প্রথম নারী সভাপতি ফরিদা ইয়াসমিন থাকতে পারেন এবারের সংসদে। আইন অঙ্গনে সাফল্যের জন্য সুপ্রিম কোর্ট বার অ্যাসোসিয়েশনের সহ-সভাপতি অ্যাডভোকেট জেসমিন সুলতানাকেও রাখার হতে পারে। গত সংসদের সদস্য আরমা দত্ত ও খালেদ মোশাররফের কন্যা মাহজাবীন খালেদ এবারও থাকতে পারেন।

যুব মহিলা লীগের সাবেক সভাপতি নাজমা আক্তার ও সাবেক সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপিকা অপু উকিল, সংগঠনটির ঢাকা মহানগর উত্তরের সাবেক সভাপতি সাবিনা আক্তার তুহিনও আছেন আলোচনায়।

ধানমন্ডি থানা মহিলা আওয়ামী লীগের নেত্রী ও বঙ্গবন্ধু পরিবারের সদস্য শেখ মিলি, নৌকা নিয়ে হেরে যাওয়া কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগ নেত্রী সানজিদা খানমের নামও আছে আলোচনায়। এর বাইরে নৌকার মনোনয়ন পেয়েও নাগরিকত্ব জটিলতায় নির্বাচন না করতে পারা আওয়ামী লীগের আন্তর্জাতিক সম্পাদক শাম্মী আহমেদ এবং সাবেক প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিমও আছেন দৌড়ে।

বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা বরাবরের মতো দেশ, রাজনীতি ও আওয়ামী লীগে অসামান্য অবদান রাখা পরিবারের সন্তান এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার প্রথিতযশা নারীদের আওয়ামী লীগের মনোনয়নের ক্ষেত্রে প্রাধান্য দেবেন বলে আমার বিশ্বাস।- জাতীয় সংসদের হুইপ আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপন

বরাবরের মতো এবারও আঞ্চলিক নেতা বা জেলা নেতাদের মধ্যে অনেকেই আসবেন সংরক্ষিত আসনে। পাশাপাশি পেশাগত অঙ্গনে সফল, প্রয়াত বাবা-মায়ের দীর্ঘ রাজনৈতিক বা পেশাগত জীবনের সাফল্যের স্বীকৃতিস্বরূপ তাদের সন্তানদের কয়েকজনও আসবেন এই সংসদের সংরক্ষিত আসনে।

জোট নেতাদের মধ্যে সাম্যবাদী দলের সাধারণ সম্পাদক দিলীপ বড়ুয়ার স্ত্রী, জাসদের সভাপতি হাসানুল হক ইনুর স্ত্রী আফরোজা হক আসতে পারেন এই সংসদে। এছাড়া জাতীয় পার্টির সভাপতি আনোয়ার হোসেন মঞ্জুর পরিবারের কাউকে আনা হতে পারে।

এ নিয়ে যুব মহিলা লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপিকা অপু উকিল জাগো নিউজকে বলেন, ‘নেত্রী যেটা ভালো মনে করেন, সেটাই করবেন। আমরা তার কর্মী, তার সিদ্ধান্ত মাথা পেতে নিই।’

সুপ্রিম কোর্ট বার অ্যাসোসিয়েশনের সহ-সভাপতি অ্যাডভোকেট জেসমিন সুলতানা জাগো নিউজকে বলেন, ‘আমি ছাত্রজীবন থেকেই আওয়ামী লীগের নানা প্ল্যাটফর্মে দলীয় কার্যক্রম করে আসছি। বিশেষ করে, আইনজীবীদের নিয়ে আমার উল্লেখযোগ্য কাজ আছে। এরই মধ্যে করোনার সময়ে করোনা মোকাবিলা ফান্ড গঠন করে আইনজীবীদের পাশে ছিলাম। তাদের সহায়তা করেছি। আমার এলাকা চাঁদপুরেও করোনার সময় আইনজীবী ও সাধারণ মানুষের পাশে ছিলাম।’

তিনি বলেন, ‘আমি যদি সংসদ সদস্য হতে পারি, আইন প্রণয়নে সুন্দর ভূমিকার পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রীর ভিশন- ‘স্মার্ট বাংলাদেশ’ গঠনে একজন সক্রিয় কর্মী হিসেবে কাজ করবো।’

নারী আসনে মনোনয়নের বিষয়ে আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও জাতীয় সংসদের হুইপ আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপন জাগো নিউজকে বলেন, ‘বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা বরাবরের মতো দেশ, রাজনীতি ও আওয়ামী লীগে অসামান্য অবদান রাখা পরিবারের সন্তান এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার প্রথিতযশা নারীদের আওয়ামী লীগের মনোনয়নের ক্ষেত্রে প্রাধান্য দেবেন বলে আমার বিশ্বাস।’

এ নিয়ে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘মহিলা সংরক্ষিত আসনের জন্য মনোনয়ন নেওয়ার বা চাওয়ার যে হিড়িক, সেই তুলনায় আমাদের দেওয়ার সুযোগ খুব কম। আমরা আমাদের পরীক্ষিত, ত্যাগীদের গুরুত্ব দেবো। যারা দলের জন্য ত্যাগ স্বীকার করেছেন, যারা আমাদের দুঃসময়ের পরীক্ষিত কর্মী, তাদের ব্যাপারটা আমরা অগ্রাধিকার দেবো।’

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ফলাফলে আওয়ামী লীগ ২২৩, ১৪ দলীয় শরিক জাসদ একটি ও ওয়ার্কার্স পার্টি একটি, স্বতন্ত্র ৬২ আসন পেয়েছে। কল্যাণ পার্টি পেয়েছে একটি আসন। জাতীয় পার্টি ১১টি আসন পেয়েছে। সংখ্যানুপাতিক পদ্ধতিতে নারী আসনের ৫০টির মধ্যে আওয়ামী লীগ ৩৮টি, জাতীয় পার্টি দুটি ও স্বতন্ত্ররা ১০টি আসন পায়।

এরই মধ্যে নারী আসন বণ্টনের সুবিধার্থে সংসদে প্রতিনিধিত্বকারী দল ও স্বতন্ত্রদের কাছে ৩০ জানুয়ারি মধ্যে দলে যোগদান বা জোট করার বিষয়ে চিঠি দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। ৩১ জানুয়ারি জোটবদ্ধভাবে ৪৮ আসনে মনোনয়ন দেওয়ার কথা জানিয়ে সবার সই নিয়ে ইসিতে চিঠি জমা দেয় আওয়ামী লীগ।

Dummy Ad 1

নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী
ইসিকে কমেডি সেন্টার নয়, আস্থার কেন্দ্র হিসেবেই জনগণ দেখতে চায়

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

ইসিকে কমেডি সেন্টার নয়, আস্থার কেন্দ্র হিসেবেই জনগণ দেখতে চায়

নির্বাচন কমিশনকে কমেডি সেন্টার নয়, আস্থার কেন্দ্র হিসেবেই জনগণ দেখতে চায় বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী।

মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) বিকেলে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এক পোস্টে তিনি এ কথা বলেন।

নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী লিখেছেন, ‘নির্বাচন কমিশনের গ্রহণযোগ্যতা ও নিরপেক্ষতা অক্ষুণ্ন রাখা উচিত। স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়ে একের পর এক পরস্পরবিরোধী ও বিভ্রান্তিকর বক্তব্য জনমনে অপ্রয়োজনীয় প্রশ্ন তৈরি করছে।’

তিনি বলেন, ‘একদিকে সম্ভাব্য সময়সূচি নিয়ে ঘোষণা, অন্যদিকে সরকারের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, এ বিষয়ে কোনো আলোচনা হয়নি; আবার কমিশনের পক্ষ থেকেই বলা হচ্ছে, তারিখ এখনো চূড়ান্ত নয়।’

এনসিপির এই নেতা বলেন, ‘নির্বাচন কমিশন একটি স্বাধীন সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান এবং দেশের গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ স্তম্ভ। তাই কমিশনের বক্তব্য হওয়া উচিত একক, স্পষ্ট, সমন্বিত ও তথ্যভিত্তিক।’

তিনি আরও বলেন, ‘জনগণের আস্থা নিয়ে কোনো ধরনের অস্পষ্টতা কাম্য নয়। নির্বাচন কমিশনকে কমেডি সেন্টার নয়, আস্থার কেন্দ্র হিসেবেই দেখতে চায় জনগণ।’


গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে একুশের চেতনা নিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়তে হবে সবাইকে

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪

গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে একুশের চেতনা নিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়তে হবে সবাইকে

বার্তাবেলা ডেস্ক: চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক ডা. শাহাদাত হোসেন বলেছেন, একুশের চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে ভোটাধিকার ও গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার করতে সবাইকে ঝাঁপিয়ে পড়তে হবে। সালাম, বরকতদের দেখানো পথে দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষার জন্য প্রতিজ্ঞা করে জনগণের অধিকার ফিরিয়ে আনতে হবে।

বুধবার (২১ ফেব্রুয়ারি) সকালে মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে নগরীর নিউ মার্কেট সংলগ্ন মিউনিসিপ্যাল স্কুলমাঠের অস্থায়ী শহীদ মিনারে চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির পুষ্পস্তবক অর্পণ শেষে এক জমায়েতে এসব কথা বলেন তিনি।

তিনি ভাষা আন্দোলনের বীর শহীদদের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানান। তাদের রুহের মাগফিরাত কামনা করেন।

ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, ‘বিগত তিনটি নির্বাচনে ভোটাধিকার কেড়ে নিয়ে জনগণকে প্রতারিত করা হয়েছে। গণতন্ত্রকে সমাহিত করে খালেদা জিয়াকে সাজা দেওয়া হয়েছে। একুশের চেতনায় উজ্জীবিত হয়ে খুব দ্রুত খালেদা জিয়াকে আমরা পরিপূর্ণ মুক্ত করবো ইনশাআল্লাহ।’

এসময় উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব আবুল হাশেম বক্কর, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক এম এ আজিজ, যুগ্ম আহ্বায়ক মো. মিয়া ভোলা, এস এম সাইফুল আলম, ইয়াছিন চৌধুরী লিটন, মো. শাহ আলম, ইসকান্দর মির্জা, আবদুল মান্নান, আহ্বায়ক কমিটির সদস্য হারুন জামান, এস এম আবুল ফয়েজ, আনোয়ার হোসেন লিপু, মো. কামরুল ইসলাম, থানা বিএনপির সভাপতি মন্জুর রহমান চৌধুরী, মামুনুল ইসলাম হুমায়ূন, মো. সেকান্দর, থানা সাধারণ সম্পাদক হাজী বাদশা মিয়া, গিয়াস উদ্দিন ভূইয়া, মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক বেলায়েত হোসেন বুলু, মহানগর বিএনপি নেতা এড, সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী, ডা. এস এম সারোয়ার আলম, একেএম পেয়াুে, মো. ইদ্রিস আলী, আজাদ বাঙ্গালী, মোস্তাফিজুর রহমান ভুলু, আলী আজম চৌধুরী, ইউসুফ শিকদার, মো. মহসিন, কেন্দ্রীয় যুবদলের সদস্য সাইফুর রহমান শপথ, কেন্দ্রীয় জাসাসের সদস্য আমিনুল ইসলাম, জসিম উদ্দিন চৌধুরী, মহানগর তাঁতী দলের আহ্বায়ক মনিরুজ্জামান টিটু, সদস্য সচিব মনিরুজ্জামান মুরাদ, ছাত্রদলের আহ্বায়ক সাইফুল আলম, সদস্য সচিব শরিফুল ইসলাম তুহিন, জাসাসের আহ্বায়ক এম এ মুসা বাবলু, স্বেচ্ছাসেবক দলের সাংগঠনিক সম্পাদক জিয়াউর রহমান জিয়া, মহিলাদলের সিনিয়র সহ-সভাপতি ছকিনা বেগম, ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি এস এম মফিজ উল্লাহ, রাসেল পারভেজ সুজন, সাধারণ সম্পাদক সিরাজুল ইসলাম মুন্সী, সৈয়দ আবুল বশর, মোস্তাফিজুর রহমান মোস্তাক, আবু ফয়েজ প্রমুখ।



জাতীয় পার্টি নির্বাচন থেকে সরে যাওয়ার আশঙ্কা আছে

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১২ ডিসেম্বর, ২০২৩

জাতীয় পার্টি নির্বাচন থেকে সরে যাওয়ার আশঙ্কা আছে

বার্তাবেলা: আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জাতীয় পার্টি অংশগ্রহণ নাও করতে পারে বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।

মঙ্গলবার (১২ ডিসেম্বর) বিকেলে তেজগাঁওয়ে ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে এক মতবিনিময় সভা শেষে এ মন্তব্য করেন তিনি। দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে আওয়ামী লীগের দপ্তর বিষয়ক উপ-কমিটির এই মতবিনিময় সভা হয়।

জাতীয় পার্টি নির্বাচন থেকে সরে যাবে কি না- সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘আশঙ্কা আছে, আমাদের দলের অনেকেরই আশঙ্কা আছে; দেশের জনগণের মধ্যেও এটা নিয়ে একটা শঙ্কা আছে। কিন্তু এটা চূড়ান্ত কথা হিসেবে এই মুহূর্তে আমরা বিবেচনায় আনতে পারছি না।’

তিনি বলেন, ‘ডেমোক্রেসিতে অনেক কিছু সম্ভব। গণতান্ত্রিক নির্বাচনে বয়কট করা, ওয়াকআউট করা- এসব বিষয় গণতান্ত্রিক নির্বাচনের সব জায়গাতেই আছে। কী হবে এটা তো এই মুহূর্তে বলতে পারছি না, হলেও হতে পারে। কিন্তু এ ব্যাপারে এই মুহূর্তে আমি কী করে বলবো তারা সরে যাবে। এই মুহূর্তে বলতে পারছি না।’