শেয়ার বাজার

নির্বাচনের পরপরই নিত্যপণ্যের দাম বহুগুণ বেড়েছে: ইসলামী আন্দোলন

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: সোমবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৪

নির্বাচনের পরপরই নিত্যপণ্যের দাম বহুগুণ বেড়েছে: ইসলামী আন্দোলন

বার্তাবেলা ডেস্ক: ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সিনিয়র নায়েবে আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ ফয়জুল করীম বলেছেন, ‘প্রহসনের ডামি নির্বাচন ও ডামি মন্ত্রিসভা গঠনের পরপরই প্রায় সব নিত্যপণ্যের দাম বহুগুণ বেড়েছে। শীতকালীন সবজি, আমনের মৌসুমে প্রতি কেজি চালে ৫ থেকে ৮ টাকা বৃদ্ধি সাধারণ ও খেটে খাওয়া জনগণকে শঙ্কিত করে তুলেছে।’

সোমবার (১৫ জানুয়ারি) বিকেলে রাজধানীর পুরানা পল্টনে দলটির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এসব কথা বলেন।

ভরা মৌসুমেও চাল ও সবজির মূল্যবৃদ্ধির ঘটনা জনগণকে পীড়া দিচ্ছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধি জনজীবন চরম দুর্বিষহ করে তুলেছে। বাজারে আমনের নতুন চাল উঠেছে। উঠেছে নতুন আলু, নতুন পেঁয়াজ, শীতের শাকসবজি। স্বাভাবিকভাবে দাম কমার কথা। প্রতি বছর তা-ই ঘটে। কিন্তু সিন্ডিকেটের কারণে এখন অর্থনীতির কোনো সাধারণ সূত্রই যেন কাজ করছে না বাজারে।’

Dummy Ad 1

ভোটের পর আ’লীগের দ্বিতীয় যৌথসভা বুধবার, সভাপতিত্ব করবেন কাদের

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১৫ জানুয়ারি, ২০২৪

ভোটের পর আ’লীগের দ্বিতীয় যৌথসভা বুধবার, সভাপতিত্ব করবেন কাদের

বার্তাবেলা ডেস্ক: দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনের পর দলের শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে ঢাকা মহানগর উত্তর-দক্ষিণ আওয়ামী লীগ ও সব সহযোগী সংগঠনের সভাপতি-সাধারণ সম্পাদকদের নিয়ে দ্বিতীয় যৌথসভা ডেকেছে আওয়ামী লীগ। বুধবার (১৭ জানুয়ারি) বিকেল সাড়ে ৩টায় বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এ সভা অনুষ্ঠিত হবে।

সোমবার (১৫ জানুয়ারি) আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

এতে বলা হয়, বুধবার আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে দলের শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ আওয়ামী লীগ এবং সহযোগী সংগঠনগুলোর সভাপতি-সাধারণ সম্পাদকদের যৌথসভা অনুষ্ঠিত হবে। এতে সভাপতিত্ব করবেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।


গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে একুশের চেতনা নিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়তে হবে সবাইকে

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪

গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে একুশের চেতনা নিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়তে হবে সবাইকে

বার্তাবেলা ডেস্ক: চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক ডা. শাহাদাত হোসেন বলেছেন, একুশের চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে ভোটাধিকার ও গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার করতে সবাইকে ঝাঁপিয়ে পড়তে হবে। সালাম, বরকতদের দেখানো পথে দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষার জন্য প্রতিজ্ঞা করে জনগণের অধিকার ফিরিয়ে আনতে হবে।

বুধবার (২১ ফেব্রুয়ারি) সকালে মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে নগরীর নিউ মার্কেট সংলগ্ন মিউনিসিপ্যাল স্কুলমাঠের অস্থায়ী শহীদ মিনারে চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির পুষ্পস্তবক অর্পণ শেষে এক জমায়েতে এসব কথা বলেন তিনি।

তিনি ভাষা আন্দোলনের বীর শহীদদের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানান। তাদের রুহের মাগফিরাত কামনা করেন।

ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, ‘বিগত তিনটি নির্বাচনে ভোটাধিকার কেড়ে নিয়ে জনগণকে প্রতারিত করা হয়েছে। গণতন্ত্রকে সমাহিত করে খালেদা জিয়াকে সাজা দেওয়া হয়েছে। একুশের চেতনায় উজ্জীবিত হয়ে খুব দ্রুত খালেদা জিয়াকে আমরা পরিপূর্ণ মুক্ত করবো ইনশাআল্লাহ।’

এসময় উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব আবুল হাশেম বক্কর, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক এম এ আজিজ, যুগ্ম আহ্বায়ক মো. মিয়া ভোলা, এস এম সাইফুল আলম, ইয়াছিন চৌধুরী লিটন, মো. শাহ আলম, ইসকান্দর মির্জা, আবদুল মান্নান, আহ্বায়ক কমিটির সদস্য হারুন জামান, এস এম আবুল ফয়েজ, আনোয়ার হোসেন লিপু, মো. কামরুল ইসলাম, থানা বিএনপির সভাপতি মন্জুর রহমান চৌধুরী, মামুনুল ইসলাম হুমায়ূন, মো. সেকান্দর, থানা সাধারণ সম্পাদক হাজী বাদশা মিয়া, গিয়াস উদ্দিন ভূইয়া, মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক বেলায়েত হোসেন বুলু, মহানগর বিএনপি নেতা এড, সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী, ডা. এস এম সারোয়ার আলম, একেএম পেয়াুে, মো. ইদ্রিস আলী, আজাদ বাঙ্গালী, মোস্তাফিজুর রহমান ভুলু, আলী আজম চৌধুরী, ইউসুফ শিকদার, মো. মহসিন, কেন্দ্রীয় যুবদলের সদস্য সাইফুর রহমান শপথ, কেন্দ্রীয় জাসাসের সদস্য আমিনুল ইসলাম, জসিম উদ্দিন চৌধুরী, মহানগর তাঁতী দলের আহ্বায়ক মনিরুজ্জামান টিটু, সদস্য সচিব মনিরুজ্জামান মুরাদ, ছাত্রদলের আহ্বায়ক সাইফুল আলম, সদস্য সচিব শরিফুল ইসলাম তুহিন, জাসাসের আহ্বায়ক এম এ মুসা বাবলু, স্বেচ্ছাসেবক দলের সাংগঠনিক সম্পাদক জিয়াউর রহমান জিয়া, মহিলাদলের সিনিয়র সহ-সভাপতি ছকিনা বেগম, ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি এস এম মফিজ উল্লাহ, রাসেল পারভেজ সুজন, সাধারণ সম্পাদক সিরাজুল ইসলাম মুন্সী, সৈয়দ আবুল বশর, মোস্তাফিজুর রহমান মোস্তাক, আবু ফয়েজ প্রমুখ।



১০ শতাংশ আসন উন্মুক্ত রেখেই জামায়াতসহ ১১ দলের সমঝোতা

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১৩ জানুয়ারি, ২০২৬

১০ শতাংশ আসন উন্মুক্ত রেখেই জামায়াতসহ ১১ দলের সমঝোতা

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে জামায়াতে ইসলামী, জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ও তাদের শরিক ১১ দলের মধ্যে আসন সমঝোতার আলোচনা চললেও এখনও চূড়ান্ত ঐকমত্যে পৌঁছাতে পারেনি। সমঝোতা না হলে মোট আসনের অন্তত ৫ থেকে ১০ শতাংশ উন্মুক্ত রাখার সিদ্ধান্ত আসতে পারে। প্রার্থী চূড়ান্ত হলে চলতি সপ্তাহেই আসতে পারে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা।

১১ দলীয় জোটের একাধিক সূত্র জানায়, বেশ কয়েকটি আসনে একাধিক দল প্রার্থী দিতে আগ্রহী হওয়ায় সমঝোতার বিষয়টি জটিল আকার ধারণ করেছে। এ অবস্থায় যেসব আসনে সমাধান সম্ভব হবে না, সেগুলো উন্মুক্ত রাখার কথা ভাবা হচ্ছে। ফলে ওই আসনগুলোতে জোটভুক্ত দলগুলো আলাদাভাবে প্রার্থী দিতে পারবে।

বাংলাদেশ খেলাফত মজলিশের মহাসচিব আহমদ আব্দুল কাদের বার্তাবেলা নিউজকে বলেন, ‘শুধু ইসলামী আন্দোলনের সঙ্গেই নয়, আরও কয়েকটি দলের সঙ্গেও আসন সমঝোতা নিয়ে জটিলতা রয়েছে। শেষ পর্যন্ত ৫ থেকে ১০ শতাংশ আসন উন্মুক্ত থাকতে পারে। বাকি আসনগুলোতে প্রার্থী চূড়ান্ত হলে চলতি সপ্তাহেই ঘোষণা আসবে।’

খেলাফত মজলিশের মহাসচিব মাওলানা জালাল উদ্দীন আহমেদ বলেন, ‘এমন অনেক আসন রয়েছে, যেখানে তিন-চারটি দলই প্রার্থী দিতে চায়। সোমবারও লিয়াজোঁ কমিটির বৈঠক হয়েছে। সামনে আরও বৈঠক হবে। আমরা চাই সব আসনে সমঝোতা হোক, তবে যেগুলো অমীমাংসিত থাকবে, সেগুলো উন্মুক্ত রাখা হতে পারে।’

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মহাসচিব অধ্যক্ষ মাওলানা ইউনুছ আহমাদ বলেন, ‘আমাদের বৈঠক এখনও বাকি রয়েছে। কিছুই চূড়ান্ত হয়নি। যেসব আসনে সমঝোতা কঠিন হবে, সেখানে উন্মুক্ত রাখার সিদ্ধান্ত আসতে পারে। কয়টি আসন উন্মুক্ত হবে, তা সমঝোতার পরই নির্ধারিত হবে।’

জামায়াত-চরমোনাই দ্বন্দ্ব কাটছে না

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শেখ ফজলে বারী মাসুদ বলেন, ‘জামায়াত কোন কোন আসনে প্রার্থী দিতে চায়, তা এখনও আমরা জানি না। তাদের সঙ্গে আমাদের কোনো বিষয়ই চূড়ান্ত হয়নি। আমরা মনোক্ষুণ্ন, কারণ একত্রে বসে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে না। দুই দল আলাদা আলাদা বৈঠক করলেও সমাধান আসছে না।’

তিনি আরও বলেন, ‘জাতির প্রত্যাশা পূরণে সবাইকে বাস্তবতা বিবেচনায় নিতে হবে। কার কতটা সমর্থন আছে, সেটিও বিবেচনায় আনতে হবে। আমরা তো ২৬৭ আসনেই মনোনয়ন জমা দিয়েছি।’

আসন বণ্টন নিয়ে আলোচনা

জামায়াত ও এনসিপিসহ ১১ দলীয় জোটে রয়েছে, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিশ, খেলাফত মজলিশ, নেজামে ইসলাম পার্টি, জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি, বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টি (বিডিপি), এবি পার্টি ও এলডিপি।

জোট সূত্রে জানা গেছে, জামায়াতে ইসলামী ৩০০ আসনের মধ্যে ১৯০ থেকে ১৯৫টি আসনে প্রার্থী দিতে চায়। ইসলামী আন্দোলন শতাধিক আসন দাবি করলেও তাদের জন্য ৪০টির মতো আসন দেওয়ার আলোচনা চলছে। এছাড়া এনসিপি: ২৫-৩০টি, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিশ: ১০টি,,খেলাফত মজলিশ: ৩টি, এবি পার্টি: ৩টি, এলডিপি: ২টি, বিডিপি: ২টি, জাগপা: ২টি, নেজামে ইসলাম পার্টি: ১টি আসন।

মনোনয়নপত্র জমা, অপেক্ষা ঘোষণার

সমঝোতার আলোচনা চলমান থাকলেও জোটের প্রায় সব দলই মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছে।

দলীয় সূত্র অনুযায়ী,জামায়াত: ২৭৬ আসন, ইসলামী আন্দোলন: ২৬৮ আসন, এনসিপি: ৪৭, এবি পার্টি: ৫৩,,বাংলাদেশ খেলাফত মজলিশ: ৯৪, খেলাফত মজলিশ: ৬৮, এলডিপি: ২৪, খেলাফত আন্দোলন: ১১, নেজামে ইসলাম পার্টি: ৬, জাগপা: ৩, বিডিপি: ২টি আসনে মনোনয়ন জমা দিয়েছে।

এদিকে, সোমবার ইউরোপীয় ইউনিয়নের নির্বাচন পর্যবেক্ষণ মিশনের প্রধান পর্যবেক্ষকের সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে প্রেস ব্রিফিংয়ে জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমান জানিয়েছেন, মঙ্গলবার অথবা বুধবার ১১ দলীয় জোটের চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করা হবে।