শেয়ার বাজার

সারাদেশে বৃষ্টি হতে পারে আরও ২ দিন

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: রবিবার, ৩০ জুন ২০২৪

সারাদেশে বৃষ্টি হতে পারে আরও ২ দিন

মৌসুমি বায়ু সক্রিয় থাকায় সারাদেশে নিয়মিত বৃষ্টি হচ্ছে। দেশের সব বিভাগে বৃষ্টির পরিমাণও বেড়েছে। আজও সারাদেশে বৃষ্টির আভাস দিয়েছে আবহাওয়া অফিস। সেই সঙ্গে সারাদেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে বলে জানিয়েছে তারা।

আবহাওয়া অফিস বলছে, পশ্চিমবঙ্গ ও তৎসংলগ্ন এলাকায় একটি লঘুচাপ অবস্থান করছে। মৌসুমি বায়ুর অক্ষ উত্তর প্রদেশ, বিহার, লঘুচাপের কেন্দ্রস্থল এবং বাংলাদেশের মধ্যাঞ্চল হয়ে আসাম পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। মৌসুমি বায়ু বাংলাদেশের ওপর সক্রিয় এবং উত্তর বঙ্গোপসাগরে প্রবল অবস্থায় রয়েছে।

এর প্রভাবে রংপুর, রাজশাহী, ঢাকা, ময়মনসিংহ, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অধিকাংশ জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে অতি ভারী বর্ষণ হতে পারে।

আবহাওয়াবিদ ওমর ফারুক জানিয়েছেন, আগামী সোমবার ও মঙ্গলবার সারাদেশের সব বিভাগেই বৃষ্টি হতে পারে। এসময় দেশের তাপমাত্রাও অপরিবর্তিত থাকতে পারে।

পাঁচ দিনের আবহাওয়ার অবস্থা জানিয়ে তিনি বলেন, বৃষ্টিপাতের এ প্রবণতা অব্যাহত থাকতে পারে।

এদিকে, শনিবার দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। সর্বোচ্চ ১৮২ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে পঞ্চগড়ে। আর শনিবার ঢাকায় ৩৫ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে।

Dummy Ad 1

তাপপ্রবাহ পরিস্থিতি
চার বিভাগে হিট অ্যালার্ট জারি

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ০৩ এপ্রিল, ২০২৪

চার বিভাগে হিট অ্যালার্ট জারি

দেশের চার বিভাগের ওপর দিয়ে মৃদু থেকে মাঝারি ধরনের তাপপ্রবাহ বইছে।‌ আগামী ৭ এপ্রিল পর্যন্ত তাপপ্রবাহ পরিস্থিতি অব্যাহত থাকতে পারে। ‌একই সঙ্গে বাতাসে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ বেড়ে অস্বস্তি আরও বাড়তে পারে। এই পরিস্থিতিতে মানুষকে সতর্ক করতে দেশের চার বিভাগে হিট অ্যালার্ট জারি করেছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

আবহাওয়াবিদ মো. ওমর ফারুক জাগো নিউজকে বলেন, রাজশাহী, ঢাকা, খুলনা ও বরিশাল বিভাগের ওপর দিয়ে চলমান তাপপ্রবাহ আগামী ৭ এপ্রিল পর্যন্ত অব্যাহত থাকতে পারে এবং আরও বিস্তার লাভ করতে পারে।

তিনি বলেন, চলমান তাপপ্রবাহের ভিত্তিতে চার বিভাগে হিট অ্যালার্ট জারি করা হয়েছে। এ বিষয়ে মানুষকে সচেতন করার জন্য এটি জারি করা হয়েছে।

এ সময়ে তাপমাত্রা ৩৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসের বেশি থাকবে এবং জলীয় বাষ্পের পরিমাণ বেশি থাকায় অস্বস্তিও বেশি লাগবে। তাপপ্রবাহ এখন তীব্র আকার ধারণা না করলেও মানুষের মধ্যে অস্বস্তি রয়েছে।’ বলেন তিনি।

ওমর ফারুক বলেন, মানুষ বাইরে যখন বের হবে, তখন তার জানা থাকলো আবহাওয়া পরিস্থিতি এ রকম এবং সেই ধরনের নিরাপত্তা নিয়েই যেন বের হয়। এজন্যই হিট অ্যালার্ট জারি করা হয়েছে।

আগামী ৮ এবং ৯ এপ্রিল তাপমাত্রা কিছুটা কমতে পারে জানিয়ে এ আবহাওয়াবিদ বলেন, তবে ১০ থেকে আবার তাপমাত্রা বাড়তে পারে। তাপমাত্রা আগামী দু’এক দিনও আরও কিছুটা বেড়ে ৪০ ডিগ্রি স্পর্শ করতে পারে।

তিনি আরও বলেন, আপাতত বৃষ্টি খুব বেশি বাড়ার সম্ভাবনা নেই। সিলেট অঞ্চলে যে বৃষ্টি হচ্ছে সেটি অব্যাহত থাকতে পারে।

বুধবার দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩৮ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস ছিল চুয়াডাঙ্গা ও ঈশ্বরদীতে। ঢাকায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা থেকে বুধবার সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় সারাদেশের মধ্যে শুধু সিলেটে ৪০ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে।

বুধবার সন্ধ্যা ৬টা থেকে আগামী ২৪ ঘণ্টার আবহাওয়ার পূর্বাভাসে আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, কিশোরগঞ্জ ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলাসহ ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের দু’এক জায়গায় অস্থায়ী দমকা বা ঝোড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে, সেই সঙ্গে কোথাও কোথাও বিক্ষিপ্তভাবে শিলা বৃষ্টি হতে পারে। এছাড়া দেশের অন্যত্র অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে।


রাজশাহীতে ১৩তম ডেপুটি জেলার ও কারারক্ষি বুনিয়াদি কোর্সের সমাপনী কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠিত

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১০ মার্চ, ২০২৪

রাজশাহীতে ১৩তম ডেপুটি জেলার ও কারারক্ষি বুনিয়াদি কোর্সের সমাপনী কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠিত

রাজশাহী প্রতিনিধি: রাখিব নিরাপদ দেখাব আলোর পথ’ এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে রাজশাহীতে ১৩তম ডেপুটি জেলার এবং ৬১তম ব্যাচ কারারক্ষি ও মহিলা কারারক্ষি বুনিয়াদি প্রশিক্ষণ কোর্স সমাপনী কুচকাওয়াজ ও শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। 

রোববার (১০ মার্চ) সকাল ৯ টায় কারা প্রশিক্ষণ কেন্দ্র রাজশাহীতে ১৩তম ডেপুটি জেলার এবং ৬১তম ব্যাচ কারারক্ষি ও মহিলা কারারক্ষি বুনিয়াদি প্রশিক্ষণ কোর্স সমাপনী কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। 

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সুরক্ষা সেবা বিভাগের সচিব আব্দুল্লাহ আল মাসুদ চৌধুরী। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কারা মহা পরিদর্শক আনিসুল হক। প্রধান অতিথির বক্তব্যে সচিব আব্দুল্লাহ আল মাসুদ বলেন, কারাগারে বসে এখন কয়েদিরা বিভিন্ন পণ্য তৈরি করছেন। বন্দীদের শ্রম কাজে লাগানোর উদ্দেশ্যে সরকার কারা অভ্যন্তরে কয়েদীদের প্রশিক্ষণ ও কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করেছেন। তাদের উৎপাদিত এসব পণ্য বিক্রয়ের লভ্যাংশের অর্ধেক কারাবন্দী হস্তশিল্পীদের দেওয়া হবে।

তিনি বলেন, কারাগারের নিরাপত্তা বিধানের পাশাপাশি বন্দীদের প্রতি মানবিক আচরণ করতে হবে ও অপরাধীদের চরিত্র সংশোধন করে সমাজে পুনর্বাসনের লক্ষ্যে সবাইকে কাজ করতে হবে।

কারাগারে যেনো কেউ জঙ্গি কার্যক্রম বা নিষিদ্ধ দ্রব্য সেবন না করতে পারে সেদিকে নজর রাখতেও নির্দেশনা দেন ।

অনুষ্ঠানের শুরুতে অতিথিদের কুচকাওয়াজ পরিদর্শন ও প্রশিক্ষণার্থীদের মাঝে পুরষ্কার বিতরণ ও ডেপুটি জেলারদের র‍্যাংক ব্যাচ প্রদান করা হয়।

এবারের ১৩তম ডেপুটি জেলার এবং ৬১তম ব্যাচ কারারক্ষি ও মহিলা কারারক্ষি বুনিয়াদি প্রশিক্ষণ কোর্সে ১১ জন ডেপুটি জেলার, ৩৪১ জন কারারক্ষি এবং ২৯ জন মহিলা কারারক্ষি অংশ গ্রহণ করেন। 

বুনিয়াদি এই প্রশিক্ষণ কোর্সটি গত ২০সেপ্টেম্বর শুরু হয়ে ১০মার্চ সমাপনী কুচকাওয়াজ ও শপথ গ্রহণের মাধ্যমে সমাপ্ত করা হয়। এতে কমান্ড্যান্ট কালাম হোসেনের তত্ত্বাবধায়নে ডেপুটি জেলার হিসেবে ১১ জন, কারারক্ষি হিসেবে ৩৪১ জন ও মহিলা কারারক্ষি হিসেবে ২৯ জন প্রশিক্ষন নেন।

কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, কারা মহাপরিদর্শক এএসএম আনিসুল হক, কমান্ড্যান্ট কামাল হোসেন, প্রধান প্রশিক্ষক ওবায়দুর রহমান, কোর্স কো-অর্ডিনেটর নিজাম উদ্দিন,প্যারেড কমান্ডার ফারুক হোসেন, সিনিয়র প্রশিক্ষক ফারুক হোসেন, প্রশিক্ষক হাবলু বাদশা,উপ-প্রশিক্ষক শ্রী সুরজিত চন্দ্র সরকার প্রমুখ।



বিডিআর বিদ্রোহ
'অল্প দিনের মধ্যেই' চূড়ান্ত বিচার শেষ হবে, বললেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪

'অল্প দিনের মধ্যেই' চূড়ান্ত বিচার শেষ হবে, বললেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

বার্তাবেলা ডেস্ক: পনেরো বছর আগে ঘটা বিডিআর বিদ্রোহ সংক্রান্ত বিচার নিয়ে কোনো গাফিলতি নেই বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল। তিনি বলেন, “অল্প দিনের মধ্যেই চূড়ান্ত বিচার শেষ হবে।”

রবিবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) সকালে বনানীর সামরিক কবরস্থানে ২০০৯ সালের পিলখানা হত্যাকাণ্ডে নিহত ব্যক্তিদের কবরে শ্রদ্ধা অর্পন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান বলেন, “রাজধানীর পিলখানায় বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) হেডকোয়ার্টার্স (প্রাক্তন বিডিআর হেডকোয়ার্টার্স ) ঘটে যাওয়া হত্যাকাণ্ডের বিচার নিয়ে কোনো ধরনের গাফিলতি নেই।”

“চূড়ান্ত বিচার অল্প কিছুদিনের মধ্যেই শেষ হয়ে যাবে বলে আমরা আশা করছি। এটা সম্পূর্ণই বিচারিক কার্যক্রমের ওপর নির্ভর করছে;” তিনি যোগ করেন।

গত ২০০৯ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি, তিন দিনব্যাপী 'বিডিআর সপ্তাহ' চলার সময়, পিলখানা সদর দপ্তরের দরবার হলে বাংলাদেশ রাইফেলস এর (বর্তমান বিজিবি) কয়েকশ সদস্য সশস্ত্র বিদ্রোহ করে। তারা ৫৭ জন সেনা কর্মকর্তাসহ ৭৪ জনকে হত্যা করে।

বিএনপির উদ্বেগ

পিলখানা বিদ্রোহ মামলার দীর্ঘসূত্রিতা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি।

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আবদুল মঈন খানের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল রবিবার (২৫ ফেব্রয়ারি) সকালে বনানী সামরিক কবরস্থানে বিদ্রোহের সময় নিহত ব্যক্তিদের কবরে শ্রদ্ধা নিবেদন করে।

পরে মঈন খান বলেন, “পিলখানা হত্যাকাণ্ড মামলার রায়ের কথা আমরা শুনেছি; কিন্তু রায়ের অবস্থা কী? রায়ে কি কোনো আপিল হয়েছে? আর, ১৫ বছরেও শুনানি শেষ হয়নি কেন?

''এছাড়া, ২০১১ সালে একটি বিস্ফোরক মামলা দায়ের করা হয়। কেন এই মামলার বিচার এখনো বিলম্বিত হচ্ছে?” তিনি প্রশ্ন করেন।

পিলখানা হত্যাকাণ্ডে 'অনেকে জড়িত'

তবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন বলেন যে অনেকে এখানে (পিলখানা হত্যাকাণ্ড) জড়িত ছিলো। এগুলোর তদন্ত শেষ করা একটা বিরাট কর্মকাণ্ড। কাজগুলো শেষ হয়েছে। প্রাথমিক বিচারও হয়েছে।

সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাব দেয়ার সময় বনানীর সামরিক কবরস্থানে তিন বাহিনীর প্রধান, জননিরাপত্তা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব এবং পিলখানা হত্যাকাণ্ডের শিকার ব্যক্তিদের নিকটজন উপস্থিত ছিলেন।

বিদ্রোহের একদিন পর ২৬ ফেব্রুয়ারি সরকার ও বিডিআর বিদ্রোহীদের মধ্যে আলোচনার মাধ্যমে অস্ত্র, গোলাবারুদ ও গ্রেনেড জমা দেয়ার মধ্য দিয়ে বিদ্রোহের সমাপ্তি ঘটে। সেই ঘটনায় মোট ৫৮টি মামলা দায়ের হয়। এর মধ্যে একটি হত্যা ও লুটপাটের অভিযোগে, বাকিগুলো বিদ্রোহের অভিযোগে দায়ের করা হয়।

হত্যা মামলার বিচারে, ১৫২ জনকে মৃত্যুদণ্ড এবং ৪২৩ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেয়া হয়। এছাড়া, ২৭৭ জন অভিযুক্ত ব্যক্তি খালাস পান।

সাজাপ্রাপ্তদের মধ্যে ২৬২ জন বিদ্রোহীকে তিন মাস থেকে ১৯ বছর পর্যন্ত, বিভিন্ন মেয়াদে এবং প্রয়াত বিএনপি নেতা নাসিরউদ্দিন আহমেদ পিন্টু ও স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা তোরাব আলীসহ ১৬১ জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেয়া হয়।

অন্যদিকে, বিদ্রোহের ৫৭টি মামলায় ৫ হাজার ৯২৬ জন বিডিআর জওয়ানকে চার মাস থেকে সাত বছর পর্যন্ত বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেয়া হয়।