শেয়ার বাজার

পাইপলাইন বন্ধ
সৌদির তেল ফুরিয়ে যেতে পারে কয়েক দিনের মধ্যেই

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

সৌদির তেল ফুরিয়ে যেতে পারে কয়েক দিনের মধ্যেই

মরুভূমির বুক চিরে তেল পৌঁছে দিত যে পাইপলাইন, ড্রোন হামলার কারণে সেটিই এখন বন্ধ। এত দিন এ পাইপলাইন দিয়ে সৌদি আরবের তেল পৌঁছেছে লোহিত সাগরের বন্দরে। এখন দ্রুত পাইপলাইনটি চালু করা না গেলে কয়েক দিনের মধ্যেই রপ্তানির জন্য সৌদি আরবের তেলের মজুত ফুরিয়ে যেতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন তেল ব্যবসায়ীরা।

গত রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) প্রকাশিত স্যাটেলাইট ছবিতে পাইপলাইনের একটি পাম্পিং স্টেশনের ক্ষয়ক্ষতির চিত্র দেখা গেছে। ছবিতে স্টেশনটির একটি অংশ পুড়ে কালো হয়ে যেতে দেখা যায়।

গত শুক্রবার ড্রোন হামলার পর থেকেই পাইপলাইনটির কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে। তবে, ক্ষয়ক্ষতি কতটা হয়েছে এবং এটি কবে নাগাদ চালু হবে, সে বিষয়ে সৌদি আরব এখনো বিস্তারিত জানায়নি।

বিশ্বের সবচেয়ে বড় তেল রপ্তানিকারক সৌদি আরবের জন্য এই পাইপলাইন খুবই গুরুত্বপূর্ণ। গত ছয় মাস ধরে হরমুজ প্রণালির অচলাবস্থার কারণে তেল পরিবহনে এটিকে বিকল্প পথ হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছিল।

এ পাইপলাইন দিয়েই প্রতিদিন প্রায় ৪০ লাখ ব্যারেল তেল লোহিত সাগরের ইয়ানবু বন্দরে নেওয়া সম্ভব হতো। এ পরিমাণ বিশ্বে প্রতিদিন সরবরাহ হওয়া মোট তেলের প্রায় ৪ শতাংশ।

তবে, পাইপলাইনটি বন্ধ থাকায় ইয়ানবু বন্দরে থাকা তেলের মজুত দিয়ে আর মাত্র পাঁচ থেকে সাত দিন রপ্তানি চালিয়ে যাওয়া সম্ভব বলে জানিয়েছেন সৌদি তেল রপ্তানির সঙ্গে যুক্ত তিনটি সূত্র।

মিসরের আইন সোখনা ও সিদি কেরির বন্দরেও সৌদি আরবের কিছু তেল মজুত রয়েছে। সেখান থেকেও কয়েকদিন রপ্তানি চালানো সম্ভব হবে। তবে, পাইপলাইনটি আবার চালু না হলে এসব মজুতও শেষ হয়ে যাবে।

গত শুক্রবারের হামলার জন্য ইরাক থেকে আসা ড্রোনকে দায়ী করেছে সৌদি আরব। তবে, সৌদি সরকারের মিডিয়া অফিস ও জ্বালানি মন্ত্রণালয় ক্ষয়ক্ষতি এবং মেরামতের সময় নিয়ে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো মন্তব্য করেনি।

অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসকে দুই সৌদি কর্মকর্তা জানিয়েছেন, পাইপলাইনটি কয়েক সপ্তাহ ধরে বেশির ভাগ সময় বন্ধ থাকতে পারে। তবে, এটি কত দিনে পুরোপুরি চালু হবে, তা এখনো নিশ্চিত নয়।

এদিকে, ক্ষতিগ্রস্ত অংশ মেরামতে ছয় সপ্তাহ পর্যন্ত সময় লাগতে পারে বলে একটি সূত্রের বরাতে জানিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স। তবে আরেকটি সূত্রের ধারণা, এর আগেই মেরামতের কাজ শেষ করা সম্ভব। একই সঙ্গে, মেরামতের কাজ চলার সময় পাইপলাইনের কিছু অংশ দিয়ে আংশিকভাবে তেল সরবরাহ শুরু করা যেতে পারে বলেও ধারণা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

Dummy Ad 1

ইসরায়েলে প্রতিশোধমূলক হামলা চালানোর হুমকি ইরানের

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২০ জানুয়ারি, ২০২৪

ইসরায়েলে প্রতিশোধমূলক হামলা চালানোর হুমকি ইরানের

বার্তাবেলা ডেস্ক: সিরিয়ার রাজধানী দামেস্কে ইরানের বিপ্লবী গার্ডের একটি ঘাঁটিতে হামলা চালিয়ে পাঁচ সদস্যকে হত্যা করেছে ইসরায়েল। সিরিয়ায় নিযুক্ত ইরানের ইসলামিক রেভোল্যুশনারি গার্ড কর্পসের ইন্টেলিজেন্স প্রধান নিহত হয়েছেন। তাছাড়া হামলায় তার দুই সহকারী ও অন্য দুই গার্ডও নিহত হয়েছেন।

এই ঘটনায় প্রতিশোধমূলক হামলা চালানোর প্রতিশ্রুতি দিয়েছে তেহরান। ইসরায়েলের ওই ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় সিরিয়ার বেশ কয়েকজন সেনা সদস্যও নিহত হয়েছে বলে জানা গেছে। তবে ওই হামলার দায় স্বীকার করেনি ইসরায়েল।

এদিকে ইসরায়েলের ক্ষেপণাস্ত্র হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে ফিলিস্তিনি স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাস এবং ইসলামি জিহাদ। শনিবার এক বিবৃতি প্রকাশ করে হামাস জানিয়েছে, দামেস্কের মাজ্জে এলাকার একটি আবাসিক ভবনে হামলা চালিয়ে ইসরায়েল সিরিয়ার সার্বভৌমত্ব লঙ্ঘন করেছে।

এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, এই হামলায় আরেকবার প্রমাণিত হয়েছে যে, নাৎসিবাদী ইসরায়েল সরকার মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতার জন্য ভয়ঙ্কর হুমকি হয়ে উঠেছে।

ইসলামি জিহাদ আন্দোলন পৃথক এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, ইসরায়েল সরকার গাজা উপত্যকায় নিজেদের ব্যর্থতা ধামাচাপা দিতে এবং বিশ্ব জনমতকে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করতে সিরিয়ায় আগ্রাসন চালিয়েছে।

ইসলামি জিহাদের ওই বিবৃতিতে বলা হয়েছে, এ ধরনের হামলা চালিয়ে ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী বা আইআরজিসির ইসরায়েল বিরোধী মনোভাব বন্ধ করা যাবে না। ফিলিস্তিনিদের প্রতি সিরিয়া যে সমর্থন দিচ্ছে তাতেও পরিবর্তন আনা যাবে না।

হামাস ও ইসলামি জিহাদ উভয়ের বিবৃতিতে দামেস্কে ইরানি বিপ্লব গার্ডের নিহত পাঁচ সদস্য এবং ইরানি জাতির প্রতি সমবেদনা জানানো হয়েছে।

শনিবার বিকেলে ইরানের ইসলামী বিপ্লবী গার্ড বাহিনী বা আইআরজিসি জানায়, দামেস্কে ইরানের পাঁচ সামরিক উপদেষ্টা ইসরায়েলের গুপ্তহত্যার শিকার হয়েছেন।

দামেস্কের মেজ্জা এলাকার একটি তিন তলা বাড়িতে ওই হামলা চালানো হয়। মেজ্জা এলাকায় বেশ কয়েকটি দেশের কূটনৈতিক মিশন রয়েছে। ইসরায়েল দীর্ঘদিন ধরেই সিরিয়ার ওপর ক্ষেপণাস্ত্র ও বিমান হামলা চালিয়ে আসছে। আইআরজিসির বিবৃতিতে দামেস্কে নিহত সেনা উপদেষ্টাদের নাম জানানো হয়েছে। তারা হলেন, হুজ্জাতুল্লাহ ওমিদভার, আলী আগাযাদে, হোসেইন মোহাম্মাদি, সাঈদ কারিমি এবং মোহাম্মাদ আমিন সামাদি।

গত ২৫ ডিসেম্বর সিরিয়ায় ইসরায়েলের গুপ্তহত্যার শিকার হন ইরানের কুদস ফোর্সের শীর্ষ পর্যায়ের কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সাইয়্যেদ রাজি মুসাভি। এর কিছুদিনের মধ্যেই এই হামলা চালানো হলো।



সৌদি আরবে হুথিদের হামলায় বাংলাদেশসহ তিন দেশের নিন্দা

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

সৌদি আরবে হুথিদের হামলায় বাংলাদেশসহ তিন দেশের নিন্দা

সৌদি আরবে হুথিদের হামলা তীব্র হওয়ায় দেশটির প্রতি সমর্থন জানিয়েছে বাংলাদেশ, মালয়েশিয়া ও মালদ্বীপ। বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) পৃথক বিবৃতিতে তিন দেশই সৌদি আরবের নিরাপত্তার প্রতি সমর্থন জানিয়ে হামলার নিন্দা করেছে।

মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে সংশ্লিষ্ট বিষয়ে সংলাপের আহ্বান জানিয়েছেন। একই সঙ্গে তিনি এমন কোনো পদক্ষেপ না নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন, যা মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা আরও বাড়িয়ে দিতে পারে।

মালদ্বীপের প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ মুইজ্জু এক্সে দেওয়া পোস্টে বলেন, ইসলামের পবিত্রতম শহরের নিরাপত্তা ও পবিত্রতার জন্য হুমকি সৃষ্টি করে—এমন যে কোনো কর্মকাণ্ড সম্পূর্ণ অগ্রহণযোগ্য। পরিস্থিতির আরও অবনতি ঠেকাতে তিনি এসব হামলা অবিলম্বে বন্ধের আহ্বান জানান।

এদিকে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বুধবার ফেসবুকে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে সৌদি আরবের পবিত্র স্থানগুলোর নিরাপত্তা ও মর্যাদা সবসময় সম্পূর্ণভাবে সম্মান ও সুরক্ষিত রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেছে।

সৌদি আরবকে লক্ষ্য করে হুথিদের হামলা বাড়তে থাকার মধ্যেই বাংলাদেশ, মালয়েশিয়া ও মালদ্বীপের পক্ষ থেকে এসব প্রতিক্রিয়া এলো।


আটকের পর খোঁজ মিলছে না সিজেপি নেতাদের, বাড়ছে উদ্বেগ

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১০ অক্টোবর, ২০২৬

আটকের পর খোঁজ মিলছে না সিজেপি নেতাদের, বাড়ছে উদ্বেগ

দিল্লিতে বিক্ষোভে যোগ দিতে গিয়ে আটক হওয়ার পর ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) তিন শীর্ষ নেতার অবস্থান নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। তাদের কোথায় রাখা হয়েছে, সে বিষয়ে কোনো তথ্য পাওয়া যাচ্ছে না বলে দাবি করেছে দলটি।

নেতারা হলেন সিজেপির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে এবং দলের দুই নেতা সৌরভ দাশ ও আশুতোষ রাঙ্কা। শনিবার (১০ অক্টোবর) দিল্লির বিমানবন্দরে প্লেনের ভেতর থেকেই তাদের আটক করা হয়।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে সিজেপি বলেছে, প্লেনের ভেতর থেকে আটক করার পর থেকে এই তিন নেতার অবস্থান সম্পর্কে কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।

‘আটকের পর থেকে খোঁজ নেই’

পোস্টে বলা হয়েছে, অভিজিৎ দীপকে, সৌরভ দাশ ও আশুতোষ রাঙ্কাকে প্লেন অবতরণের পরপরই আটক করা হয়। এরপর থেকে তাদের অবস্থান সম্পর্কে আর কোনো তথ্য পাওয়া যাচ্ছে না।

পোস্টের সঙ্গে প্রকাশিত একটি ছবিতেও তিন নেতার অবস্থান নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে। সেখানে দাবি করা হয়েছে, তাদের পরিবারের সদস্যদের আটকের বিষয়ে জানানো হয়নি।

তিন নেতাকে পৃথক স্থানে রাখা হয়েছে বলেও অভিযোগ করেছে সিজেপি। তবে তাদের কোথায় রাখা হয়েছে, সে বিষয়ে স্বাধীনভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

আইনজীবীর সঙ্গেও যোগাযোগ নেই

সিজেপি আরও জানিয়েছে, আটক তিন নেতার সঙ্গে বাইরের কারও যোগাযোগ নেই। তাদের আইনজীবীর সঙ্গে যোগাযোগের সুযোগ দেওয়া হচ্ছে না বলেও অভিযোগ করেছে দলটি।

তবে এ বিষয়ে পুলিশের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

দিল্লিতে বিক্ষোভ ঘিরে উত্তেজনা

ভারতেরপ্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগ এবং ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) প্রক্রিয়ায় কথিত অনিয়মের প্রতিবাদে দিল্লির যন্তর মন্তরে বিক্ষোভের ডাক দিয়েছে সিজেপি।

তবে দিল্লি পুলিশ কর্মসূচির অনুমতি দেয়নি। বিক্ষোভ ঘিরে রাজধানীতে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়। বিভিন্ন স্থানে ব্যারিকেড বসানোর পাশাপাশি আন্দোলনে যোগ দিতে আসা কয়েকজনকে আটক করা হয়।

এরই মধ্যে সিজেপির তিন শীর্ষ নেতার অবস্থান নিয়ে দলের অভিযোগ নতুন করে উদ্বেগ তৈরি করেছে।