শেয়ার বাজার

সব মার্কিন নাগরিকদের ইরান ছাড়ার নির্দেশ যুক্তরাষ্ট্রের

প্রকাশিত: সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

সব মার্কিন নাগরিকদের ইরান ছাড়ার নির্দেশ যুক্তরাষ্ট্রের

ইরানকে ঘিরে উত্তেজনা আবারও বাড়ছে। একদিকে দেশটির সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক সংঘাতের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে, অন্যদিকে মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন এলাকায় নতুন করে হামলা ও পাল্টা হামলা চলছে।

এমন পরিস্থিতিতে ইরানে থাকা মার্কিন নাগরিকদের দেশটি ছাড়ার পরামর্শ দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের ভার্চ্যুয়াল দূতাবাস।

সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) ইরানে থাকা মার্কিন নাগরিকদের দ্রুত দেশটি ছাড়ার পরামর্শ দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের ভার্চ্যুয়াল দূতাবাস। একই সঙ্গে কোনো কারণেই ইরান ভ্রমণ না করার জন্য তাদের সতর্ক করা হয়েছে। দূতাবাসের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত এক নিরাপত্তা সতর্কবার্তায় এ পরামর্শ দেওয়া হয়।

সতর্কবার্তায় বলা হয়েছে, ইরান সমর্থিত হুথিরা সৌদি আরবের বিরুদ্ধে হামলা ও সংঘাতে জড়িয়েছে। এসব হামলায় বেসামরিক বিমানবন্দরও নিশানা করা হয়েছে। চলমান সামরিক সংঘাত দ্রুত আরও বড় আকার নিতে পারে বলেও সতর্ক করেছে যুক্তরাষ্ট্রের ভার্চ্যুয়াল দূতাবাস।

ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে উত্তেজনা বাড়ার মধ্যেই এমন সতর্কবার্তা এসেছে। এর আগে ইরানকে ‘পুরোপুরি উড়িয়ে দেওয়ার’ হুমকি দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। গত রোববার ফক্স নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এ হুমকি দেন তিনি।

এছাড়া, গত শনিবার নির্ধারিত সময়ের আগেই ক্যাম্প ডেভিড থেকে হোয়াইট হাউজে ফিরে আসেন ট্রাম্প। পরে, তিনি বলেন, ইরান নিয়ে এখনো সিদ্ধান্ত নেওয়ার পর্যায়ে রয়েছেন। এসময় সামনে ‘খুব বড় কিছু’ ঘটতে পারে বলেও সতর্ক করেন তিনি।

ট্রাম্পের এমন বক্তব্যের মধ্যেই সম্ভাব্য মার্কিন বিমান হামলার প্রস্তুতি নেওয়ার কথা জানিয়েছে ইরান। দেশটির সামরিক কমান্ড বলেছে, যুক্তরাষ্ট্র ও মধ্যপ্রাচ্যের কয়েকটি দেশের যৌথ সামরিক পদক্ষেপের বিষয়ে তারা গোয়েন্দা তথ্য পেয়েছে।

হামলা হলে যুক্তরাষ্ট্রের ঘাঁটি, স্বার্থ ও মিত্রদের নিশানা করে পাল্টা হামলা চালানোর হুমকিও দিয়েছে ইরান।

ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে উত্তেজনা আরও বাড়ছে। এরই মধ্যে ইরানের ওপর মার্কিন নৌ অবরোধ জোরদার করা হয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি নিয়েও দুই দেশের মধ্যে বিরোধ রয়েছে। প্রণালিটির নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নিজেদের অবস্থান ধরে রেখেছে ইরান।

Dummy Ad 1

ইরানের সঙ্গে কতক্ষণ টিকতে পারবে ইসরায়েল

সম্পাদক ও প্রকাশক মাইনউদ্দিন জমাদার

প্রকাশিত: ০৬ এপ্রিল, ২০২৪

ইরানের সঙ্গে কতক্ষণ টিকতে পারবে ইসরায়েল

গাজা যুদ্ধ ঘিরে মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি বেশ উত্তপ্ত। এমন উত্তপ্ত পরিস্থিতির মধ্যে গত সোমবার সিরিয়ায় একটি ইরানি দূতাবাসে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায় ইসরায়েল। ইসরায়েলি এই হামলার সমুচিত জবাব দেওয়ার অঙ্গীকার ব্যক্ত করে পাল্টা হামলার প্রস্তুতি শুরু করেছে ইরান। ফলে ইরানের সামনে ইসরায়েল কতক্ষণ টিকবে তা নিয়ে চলছে নানা সমীকরণ।

গত কয়েক বছর ধরে ইরান ও ইসরায়েলের সামরিক সক্ষমতা বেশ বেড়েছে। সম্প্রতি ইরান সামরিক প্রযুক্তির দিকে মনোনিবেশ করেছে। গ্লোবাল ফায়ার পাওয়ারের তথ্যমতে, ১৪৫টি দেশের মধ্যে ইরান ১৪তম আর ইসরায়েল ১৭তম অবস্থানে রয়েছে। ওয়েবসাইটের তথ্যমতে দুই দেশের মধ্যকার সামরিক সক্ষমতার তথ্য তুলে ধরা হলো।

ওয়েবসাইটের তথ্যানুসারে, ইরানের ৬ লাখ ১০ হাজার নিয়মিত সেনা রয়েছে। অন্যদিকে ইসরায়েলের রয়েছে এক লাভ ৭০ হাজার সেনা। তবে রিজার্ভ সেনার দিক দিয়ে আগায়ে রয়েছে ইসরায়েলের। তাদের সেনা হচ্ছে চার লাখ ৬৫ হাজার। অন্যদিকে ইরানের রিজার্ভ সেনা হলো তিন লাখ ৫০ হাজার।

আধাসামরিক বাহিনীর দিক দিয়ে আগায়ে রয়েছে ইরান। দেশটিতে ২ লাখ ২০ হাজার আধাসামরিক বাহিনীর সদস্য রয়েছেন। অন্যদিকে ইসরায়েলের রয়েছে মাত্র ৩৫ হাজার সেনা।

সামরিক উড়োজাহাজের দিক দিয়ে আগায়ে রয়েছে ইসরায়েল। দেশটির ৬১২টি সামরিক উড়োজাহাজ রয়েছে। অন্যদিকে ইরানের সামরিক উড়োজাহাজের সংখ্যা ৫৫১টি। যুদ্ধবিমানের দিক দিয়েও আগায়ে ইসরায়েল। দেশটির ২৪১টি যুদ্ধবিমান রয়েছে। অন্যদিকে ইরানের ১১৬টি যুদ্ধবিমান রয়েছে।

হামলায় ব্যবহৃত যুদ্ধবিমান ইসরায়েলের ৩৯টি আর ইরানের রয়েছে ২৩টি। অন্যদিকে পরিবহন উড়োজাহাজে এগিয়ে রয়েছে ইরান। দেশটির ৮৬টি আর অন্যদিকে ইসরায়েলের রয়েছে ১২টি।

হেলিকপ্টারের দিক দিয়েও এগিয়ে রয়েছে ইসরায়েল। দেশটির ১৪৬টি হেলিকপ্টার রয়েছে। অন্যদিকে ইরানের বহরে রয়েছে ১২৯টি হেলিকপ্টার। এ ছাড়া ইরানের ট্যাংক রয়েছে এক হাজার ৯৯৬টি। অন্যদিকে ইসরায়েলের রয়েছে এক হাজার ৩৭০টি।

সাঁজোয়া যানেও এগিয়ে রয়েছে ইরান। দেশটির ৬৫ হাজার ৭৬৫টি সাঁজোয়া যান রয়েছে। অন্যদিকে ইসরায়েলের রয়েছে ৪৩ হাজার ৪০৩টি। এ ছাড়া সাবমেরিন রয়েছে ইরানের ১৯টি। অন্যদিকে ইসরায়েলের রয়েছে মাত্র ৫টি।


হামাসের যুদ্ধ বন্ধের
হামাসের যুদ্ধ বন্ধের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন নেতানিয়াহু

সম্পাদক ও প্রকাশক মাইনউদ্দিন জমাদার

প্রকাশিত: ২২ জানুয়ারি, ২০২৪

হামাসের যুদ্ধ বন্ধের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন নেতানিয়াহু

বার্তাবেলা ডেস্ক: হামাসের দেওয়া যুদ্ধ বন্ধের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু। গাজা থেকে ইসরায়েলি সেনা পুরোপুরি প্রত্যাহার, বন্দি মুক্তি ও গাজার শাসনভার হামাসের হাতে ছেড়ে দেওয়ার বিনিময়ে যুদ্ধ বন্ধ করাসহ জিম্মিদের মুক্তি দেওয়ার হামাসের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু।

রোববার (২১ জানুয়ারি) এক বিবৃতিতে বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু বলেন, আমাদের জিম্মিদের মুক্তি দেওয়ার বিনিময়ে হামাস যুদ্ধ বন্ধ করা, গাজা থেকে ইসরায়েলি সেনা প্রত্যাহার করা ও সব খুনি-ধর্ষকদের মুক্তি দাবি করছে। তাদের এই শর্ত মেনে নেওয়া মানে, হামাসকে অক্ষত অবস্থায় ছেড়ে দেওয়া ও ইসরাইলের সেনাবাহিনীকে অকার্যকর প্রমাণ করা।

আরও পড়ুন: যুদ্ধের দ্বারপ্রান্তে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র?

তিনি আরও বলেন, হামাসের ‘আত্মসমর্পণের’ এই পরিভাষা আমি পুরোপুরিভাবে প্রত্যাখ্যান করছি। এই শর্ত মানলে আমাদের নাগরিকদের নিরাপত্তার নিশ্চয়তা দিতে পারবো না। ঘরছাড়া মানুষদের তাদের ঘরে নিরাপদে ফিরিয়ে দিতে পারবো না এবং আরেকটি ৭ অক্টোবর কেবল সময়ের ব্যাপার হয়ে দাঁড়াবে।

আবার গত বৃহস্পতিবারের (১৮ জানুয়ারি) সংবাদ সম্মেলনে নেতানিয়াহু স্পষ্ট জানিয়েছিলেন, গাজার নিয়ন্ত্রণ ইসরায়েলের হাতেই থাকতে হবে। আর স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার বিরোধিতা করে তিনি বলেছিলেন, এমন রাষ্ট্র ইসরায়েলের অস্তিত্বের জন্য মারাত্মক বিপজ্জনক হবে।

এর আগে গত বছরের নভেম্বরে যুক্তরাষ্ট্র, কাতার ও মিশরের মধ্যস্থতায় ইসরায়েল-হামাসের মধ্যে একটি চুক্তি হয়। তার আওতায় হামাসের হাতে ইসরায়েল থেকে ধরে এনে গাজায় জিম্মি করা ২৪০ জনের মধ্য থেকে ১০০ জনেরও বেশি জিম্মিকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে। বিপরীতে ইসরায়েলের জেলে বন্দি থাকা ২৪০ জন ফিলিস্তিনিকে মুক্তি দেওয়া হয়।

বর্তমানে বাকি ১৩৬ জিম্মির মুক্তির জন্য নাগরিকদের ক্রমবর্ধমান চাপের মুখে রয়েছেন নেতানিয়াহু। তাদের স্বজনরা নেতানিয়াহুর বাড়ির বাইরে বিক্ষোভ করে মুক্তির ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছে। তারা চান, তাদের স্বজনরা দ্রুতই বাড়িতে ফিরে আসুক। এমনকি, জিম্মিদের পরিবারের পক্ষ থেকে তাদের ফিরিয়ে আনার জন্য একটি চুক্তির আহ্বান জানানো হয়েছে।

এদিকে, স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করে সমস্যার সমাধান করার প্রশ্নেও নমনীয় না হওয়ায় যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন প্রশাসনের সঙ্গে দূরত্ব বাড়ছে নেতানিয়াহুর। অন্যদিকে, তার ডানপন্থী জোটের ক্ষমতাসীন নেতারা গাজায় যুদ্ধের মাত্রা বাড়ানোর জন্য চাপ দিচ্ছেন। সব মিলিয়ে বিভিন্ন ইস্যুতে ব্যাপক চাপের মধ্যে আছেন ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী


ব্রাজিলে প্রেসিডেন্ট নির্বাচন আজ, লুলা-বলসোনারোর হাড্ডাহাড্ডি লড়াই

প্রকাশিত: ০৪ অক্টোবর, ২০২৬

ব্রাজিলে প্রেসিডেন্ট নির্বাচন আজ, লুলা-বলসোনারোর হাড্ডাহাড্ডি লড়াই

ব্রাজিলে প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের প্রথম দফার ভোটগ্রহণ হচ্ছে আজ রোববার (৪ অক্টোবর) । এবারের নির্বাচনে মূল লড়াই বর্তমান প্রেসিডেন্ট লুইজ ইনাসিও লুলা দা সিলভা ও সাবেক প্রেসিডেন্ট জইর বলসোনারোর ছেলে সিনেটর ফ্লাভিও বলসোনারোর মধ্যে। মোট ১২টি প্রেসিডেন্ট প্রার্থী জোট নির্বাচনে রয়েছে।

সাম্প্রতিক জনমত জরিপগুলোতে লুলা সামান্য এগিয়ে থাকলেও ব্যবধান খুবই কম। ফলে প্রথম দফায় কোনো প্রার্থী বৈধ ভোটের ৫০ শতাংশের বেশি না পেলে আগামী ২৫ অক্টোবর শীর্ষ দুই প্রার্থীকে নিয়ে দ্বিতীয় দফার ভোট হবে।

এবারের নির্বাচন লুলার চতুর্থ মেয়াদে প্রেসিডেন্ট হওয়ার প্রচেষ্টার পাশাপাশি বলসোনারো পরিবারের রাজনীতিতে ফেরার লড়াই হিসেবেও দেখা হচ্ছে। নির্বাচনে অপরাধ, জীবনযাত্রার ব্যয়, অর্থনীতি ও রাজনৈতিক মেরুকরণ গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু হয়ে উঠেছে।

ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের পাশাপাশি আজ গভর্নর, সিনেটের ৫৪টি আসন, প্রতিনিধি পরিষদের ৫১৩টি আসন এবং রাজ্য ও ফেডারেল ডিস্ট্রিক্টের আইনসভা নির্বাচনের ভোটও হচ্ছে।

ব্রাজিলের সুপিরিয়র ইলেক্টোরাল কোর্ট (টিএসই) জানিয়েছে, ভোটগ্রহণের প্রথম দফা আজ। ভোটের ফলাফলে কোনো প্রেসিডেন্ট প্রার্থী প্রয়োজনীয় সংখ্যাগরিষ্ঠতা না পেলে দ্বিতীয় দফা হবে ২৫ অক্টোবর।

এদিকে, শনিবার (৩ অক্টোবর) ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রকাশিত একটি জরিপে দেখা গেছে, রোববারের প্রথম ধাপের ভোটে লুলা ৪৩.১ শতাংশ ও ফ্লাভিও বলসোনারো ৩৮ শতাংশ ভোটারের সমর্থন পেতে পারেন। অন্যান্য প্রার্থীদের মধ্যে অগাস্তো কুরি ৩ দশমিক ২ শতাংশ, রোনালদো কাইয়াদো ৩ শতাংশ ও রেনান সান্তোস ১ দশমিক ৫ শতাংশ সমর্থন পেতে পারেন।

ফাঁকা ও বাতিল ব্যালট বাদ দিয়ে কেবল সম্ভাব্য বৈধ ভোটের হিসাবে লুলার সমর্থন দাঁড়ায় ৪৭.৮ শতাংশ ও বলসোনারোর ৪২.১ শতাংশ।

এদিকে, ব্রাজিলের নির্বাচনি নিয়মানুযায়ী, প্রথম ধাপের ভোটে কোনো প্রার্থী যদি মোট বৈধ ভোটের ৫০ শতাংশের বেশি না পান, তবে শীর্ষ দুই প্রার্থীকে নিয়ে দ্বিতীয় ধাপের (রানঅফ) ভোট অনুষ্ঠিত হবে।

জরিপ অনুযায়ী, সম্ভাব্য রানঅফ নির্বাচনে লুলা ৪৭.৩ শতাংশ ও ফ্লাভিও বলসোনারো ৪৩.১ শতাংশ ভোট পেতে পারেন। এর আগের জরিপে রানঅফে লুলার পক্ষে ৪৭.৩ শতাংশ ও বলসোনারোর পক্ষে ৪০ শতাংশ ভোটারের সমর্থনের কথা বলা হয়েছিল।

গত ৩০ সেপ্টেম্বর থেকে ২ অক্টোবর পর্যন্ত ২ হাজার ৭ জন ভোটারের ওপর জরিপটি চালানো হয়। এতে ভুলের সম্ভাব্য মাত্রা ধরা হয়েছে ২.২ শতাংশ।

সূত্র: রয়টার্স