শেয়ার বাজার

সৌদি আরব ভ্রমণে সতর্ক করলো যুক্তরাষ্ট্র

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

সৌদি আরব ভ্রমণে সতর্ক করলো যুক্তরাষ্ট্র

মধ্যপ্রাচ্যের চলমান উত্তেজনার মধ্যে সৌদি আরব ভ্রমণ নিয়ে নতুন করে ভাবতে হচ্ছে মার্কিন নাগরিকদের। সৌদি-ইয়েমেন সংঘাতের কারণে দেশটিতে ভ্রমণের ক্ষেত্রে নতুন করে সতর্কতা জারি করেছে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর।

বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের আন্তর্জাতিক ভ্রমণবিষয়ক ওয়েবসাইটে এ সতর্কতা জারি করা হয়। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছে, সৌদি আরবে থাকা মার্কিন স্বার্থসংশ্লিষ্ট স্থাপনা ও ব্যক্তিদের ওপর ইরানের ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলার ঝুঁকি রয়েছে।

একই সঙ্গে সশস্ত্র সংঘাত ও সন্ত্রাসবাদের ঝুঁকি, দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারের স্থানীয় আইন নিয়েও সতর্ক করা হয়েছে।

সৌদি আরবের কিছু এলাকায় ঝুঁকি আরও বেশি বলে জানিয়েছে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর। তাই এসব এলাকায় ভ্রমণের ক্ষেত্রে মার্কিন নাগরিকদের বিশেষভাবে সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে।

গত কয়েক দিনে সৌদি আরবের বিভিন্ন স্থাপনা ও সামরিক ঘাঁটিতে হামলার দাবি করেছে হুথিরা। পাশাপাশি, দেশটির বিভিন্ন এলাকায় নিরাপত্তা সতর্কতা জারি করা হয়েছে। গত এক সপ্তাহে হুথিদের হামলা বেড়ে যাওয়ার পর এসব সতর্কতা জারি করা হয়েছে।

সম্প্রতি পবিত্র মক্কা নগরীর দক্ষিণে হুথিরা ড্রোন হামলা চালিয়েছে বলে অভিযোগ করেছে সৌদি আরব। তবে, ড্রোনটি দেশটির আকাশ প্রতিরক্ষা বাহিনী ধ্বংস করেছে। এ ঘটনায় পবিত্র মক্কা ও মুসল্লিদের নিরাপত্তার বিষয়টি কোনোভাবেই মেনে নেওয়া হবে না বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছে সৌদি আরব।

ইসলামি সহযোগিতা সংস্থাও (ওআইসি) এ হামলার নিন্দা জানিয়েছে। সংস্থাটি ঘটনাটিকে গুরুতর হামলা হিসেবে বর্ণনা করে এজন্য হুথিদের দায়ী করেছে। একই সঙ্গে ৫৭টি মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশের এই জোট সৌদি আরবের বিরুদ্ধে চলমান হামলারও নিন্দা জানিয়েছে সংস্থাটি।

এদিকে, হুথিরা ইয়েমেনের লোহিত সাগর উপকূলের কিছু এলাকা নিয়ন্ত্রণ করছে। এসব এলাকা বাব আল-মান্দাব প্রণালির কাছাকাছি। গুরুত্বপূর্ণ এই নৌপথ দিয়ে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মধ্যে পণ্য পরিবহন হয়। হরমুজ প্রণালির মাধ্যমে সৌদি আরবের তেল রপ্তানি বাধাগ্রস্ত হওয়ার পর লোহিত সাগরপথে তেল পরিবহন নিয়েও নতুন করে চাপ তৈরি হয়েছে।

প্রতিবেশী ইয়েমেনে ভ্রমণের ক্ষেত্রেও মার্কিন নাগরিকদের জন্য কঠোর সতর্কতা বহাল রেখেছে যুক্তরাষ্ট্র। দেশটির ভ্রমণ সতর্কতা এখনো ‘লেভেল ৪—ভ্রমণ করবেন না’ পর্যায়ে রয়েছে। ইয়েমেনে চলমান সংঘাত ও নিরাপত্তাঝুঁকির কারণে মার্কিন নাগরিকদের সেখানে ভ্রমণ না করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে দেশটিতে অবস্থানরত মার্কিন নাগরিকদেরও নিরাপত্তার বিষয়ে সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে।

Dummy Ad 1

ইরাক ও সিরিয়ায় ইরানের ৮৫ স্থাপনায় যুক্তরাষ্ট্রের হামলা

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ০২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪

ইরাক ও সিরিয়ায় ইরানের ৮৫ স্থাপনায় যুক্তরাষ্ট্রের হামলা

বার্তাবেলা ডেস্ক: ইরাক ও সিরিয়ায় থাকা ইরানের বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তুতে বিমান হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। স্থানীয় সময় শুক্রবার (২ ফেব্রুয়ারি) মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন এক বিবৃতিতে হামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। 

প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন বলেছেন, "আমাদের জবাব আজ থেকে শুরু হল।”

বাইডেন বলেন, ‌‘আমার নির্দেশনায় যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী ইরাক ও সিরিয়ায় ইরানের রেভল্যুশনারি গার্ড বাহিনী ও তাদের সহযোগী গোষ্ঠীগুলোর লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত করেছে।’

তিনি বলেন, ‘আমাদের প্রতিক্রিয়া আজ থেকে শুরু হলো। আমাদের পছন্দমতো সময়ে ও জায়গায় এটি চলতে থাকবে।’

মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) এক বিবৃতিতে জানায়, দুই দেশের ৮৫টি বেশি লক্ষ্যবস্তুতে তাদের সামরিক বাহিনী হামলা চালিয়েছে। একাধিক বিমান হামলা এবং যুক্তরাষ্ট্র থেকে দূরপাল্লার বোমা হামলা চালানো হয়েছে বলেও জানায় তারা।


গত রোববার (২৮ জানুয়ারি) জর্ডানে একটি মার্কিন ঘাঁটিতে ড্রোন হামলায় তিন সেনা নিহত হন। জর্ডানে ওই হামলার জন্য ইরান–সমর্থিত একটি সশস্ত্র গ্রুপকে দায়ী করে আসছে যুক্তরাষ্ট্র। ওই হামলায় তিনজন নিহত ছাড়াও আহত হন আরও ২৫ জন সেনা সদস্য।

আরও পড়ুন: সিরিয়ায় যুক্তরাষ্ট্রের হামলায় ইরানপন্থি ১৮ যোদ্ধা নিহত

ওই হামলার পর কঠোর প্রতিশোধের কথা জানায় যুক্তরাষ্ট্র। সে অনুযায়ী বৃহস্পতিবার (১ ফেব্রুয়ারি) সিরিয়া ও ইরাকে অবস্থিত ইরানের বিভিন্ন অবকাঠামো লক্ষ্য করে হামলার পরিকল্পনার অনুমোদন দেয় যুক্তরাষ্ট্র। অনুমোদনের পরদিনই দুই দেশে হামলা চালিয়ে বসলো মার্কিন সামরিক বাহিনী।

খবর: আল-জাজিরার।


ইসরায়েলে প্রতিশোধমূলক হামলা চালানোর হুমকি ইরানের

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২০ জানুয়ারি, ২০২৪

ইসরায়েলে প্রতিশোধমূলক হামলা চালানোর হুমকি ইরানের

বার্তাবেলা ডেস্ক: সিরিয়ার রাজধানী দামেস্কে ইরানের বিপ্লবী গার্ডের একটি ঘাঁটিতে হামলা চালিয়ে পাঁচ সদস্যকে হত্যা করেছে ইসরায়েল। সিরিয়ায় নিযুক্ত ইরানের ইসলামিক রেভোল্যুশনারি গার্ড কর্পসের ইন্টেলিজেন্স প্রধান নিহত হয়েছেন। তাছাড়া হামলায় তার দুই সহকারী ও অন্য দুই গার্ডও নিহত হয়েছেন।

এই ঘটনায় প্রতিশোধমূলক হামলা চালানোর প্রতিশ্রুতি দিয়েছে তেহরান। ইসরায়েলের ওই ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় সিরিয়ার বেশ কয়েকজন সেনা সদস্যও নিহত হয়েছে বলে জানা গেছে। তবে ওই হামলার দায় স্বীকার করেনি ইসরায়েল।

এদিকে ইসরায়েলের ক্ষেপণাস্ত্র হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে ফিলিস্তিনি স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাস এবং ইসলামি জিহাদ। শনিবার এক বিবৃতি প্রকাশ করে হামাস জানিয়েছে, দামেস্কের মাজ্জে এলাকার একটি আবাসিক ভবনে হামলা চালিয়ে ইসরায়েল সিরিয়ার সার্বভৌমত্ব লঙ্ঘন করেছে।

এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, এই হামলায় আরেকবার প্রমাণিত হয়েছে যে, নাৎসিবাদী ইসরায়েল সরকার মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতার জন্য ভয়ঙ্কর হুমকি হয়ে উঠেছে।

ইসলামি জিহাদ আন্দোলন পৃথক এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, ইসরায়েল সরকার গাজা উপত্যকায় নিজেদের ব্যর্থতা ধামাচাপা দিতে এবং বিশ্ব জনমতকে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করতে সিরিয়ায় আগ্রাসন চালিয়েছে।

ইসলামি জিহাদের ওই বিবৃতিতে বলা হয়েছে, এ ধরনের হামলা চালিয়ে ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী বা আইআরজিসির ইসরায়েল বিরোধী মনোভাব বন্ধ করা যাবে না। ফিলিস্তিনিদের প্রতি সিরিয়া যে সমর্থন দিচ্ছে তাতেও পরিবর্তন আনা যাবে না।

হামাস ও ইসলামি জিহাদ উভয়ের বিবৃতিতে দামেস্কে ইরানি বিপ্লব গার্ডের নিহত পাঁচ সদস্য এবং ইরানি জাতির প্রতি সমবেদনা জানানো হয়েছে।

শনিবার বিকেলে ইরানের ইসলামী বিপ্লবী গার্ড বাহিনী বা আইআরজিসি জানায়, দামেস্কে ইরানের পাঁচ সামরিক উপদেষ্টা ইসরায়েলের গুপ্তহত্যার শিকার হয়েছেন।

দামেস্কের মেজ্জা এলাকার একটি তিন তলা বাড়িতে ওই হামলা চালানো হয়। মেজ্জা এলাকায় বেশ কয়েকটি দেশের কূটনৈতিক মিশন রয়েছে। ইসরায়েল দীর্ঘদিন ধরেই সিরিয়ার ওপর ক্ষেপণাস্ত্র ও বিমান হামলা চালিয়ে আসছে। আইআরজিসির বিবৃতিতে দামেস্কে নিহত সেনা উপদেষ্টাদের নাম জানানো হয়েছে। তারা হলেন, হুজ্জাতুল্লাহ ওমিদভার, আলী আগাযাদে, হোসেইন মোহাম্মাদি, সাঈদ কারিমি এবং মোহাম্মাদ আমিন সামাদি।

গত ২৫ ডিসেম্বর সিরিয়ায় ইসরায়েলের গুপ্তহত্যার শিকার হন ইরানের কুদস ফোর্সের শীর্ষ পর্যায়ের কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সাইয়্যেদ রাজি মুসাভি। এর কিছুদিনের মধ্যেই এই হামলা চালানো হলো।



এবার বিদেশি শিক্ষার্থী কমানোর পরিকল্পনা নিয়েছে কানাডা

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২০ জানুয়ারি, ২০২৪

এবার বিদেশি শিক্ষার্থী কমানোর পরিকল্পনা নিয়েছে কানাডা

বার্তাবেলা আন্তর্জাতিক ডেস্ক: আবাসন সংকট মোকাবিলায় এবার বিদেশি শিক্ষার্থী কমানোর পরিকল্পনা নিয়েছে কানাডা। দেশটির অভিবাসন মন্ত্রী মার্ক মিলার স্থানীয় একটি টেলিভিশনে দেওয়া সাক্ষাৎকারে এ তথ্য জানিয়েছেন। খবর রয়টার্সের।

অর্থনীতি সচল রাখতে এবং ক্রমবর্ধমান বয়স্ক জনগোষ্ঠীকে সহায়তার জন্য অভিবাসীদের ওপর ব্যাপকভাবে নির্ভরশীল কানাডা। তবে সাম্প্রতিক সময় উত্তর আমেরিকার দেশটিতে আবাসন সংকট বেড়ে যাওয়ার জন্য অভিবাসী ও বিদেশি শিক্ষার্থীদের দায়ী করা হচ্ছে। এ নিয়ে বেশ হওয়ায় সমালোচনার মুখে রয়েছে জাস্টিন ট্রুডোর সরকার।

সিটিভি নিউজকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে কানাডীয় অভিবাসন মন্ত্রী বলেছেন, চলতি বছরের প্রথম এবং দ্বিতীয় প্রান্তিকে বিদেশি শিক্ষার্থীদের সংখ্যায় সীমাবদ্ধতা আরোপের বিষয়টি বিবেচনা করছে সরকার।

কানাডায় বিদেশি শিক্ষার্থীদের সংখ্যা উল্লেখ করে তিনি বলেন, এটি বিরক্তিকর। এটি সত্যিই নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেছে।

তবে কানাডীয় সরকার কী পরিমাণ বিদেশি ছাত্র কমানোর পরিকল্পনা করছে, সে বিষয়ে কিছু বলেননি মিলার। এ বিষয়ে জানতে তার মুখপাত্রের সঙ্গে তাৎক্ষণিকভাবে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।

সরকারি তথ্যমতে, ২০২২ সালে সক্রিয় ভিসাসহ কানাডায় বিদেশি শিক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল আট লাখেরও বেশি, যা ২০১২ সালে ছিল মাত্র ২ লাখ ৭৫ হাজার জন।

মার্ক মিলারের সাক্ষাৎকারটি রোববার (১৩ জানুয়ারি) সম্প্রচারিত হওয়ার কথা রয়েছে।

কাজের অনুমতি পাওয়া তুলনামূলক সহজ হওয়ায় আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের কাছে অন্যতম জনপ্রিয় গন্তব্য কানাডা।

দেশটির লিবারেল সরকার গত আগস্টেই বিদেশি শিক্ষার্থী কমানোর পরিকল্পনার কথা সামনে এনেছিল। তবে সেসময় অভিবাসন মন্ত্রী শন ফ্রেজার বলেছিলেন, সরকার এই পথ অনুসরণ করবে কি না সে বিষয়ে এখনো সিদ্ধান্ত হয়নি।

এর আগে, গত ডিসেম্বরে উচ্চশিক্ষায় আগ্রহী শিক্ষার্থীদের জন্য খারাপ খবর দিয়েছিল কানাডা। দেশটিতে পড়তে যাওয়ার জন্য খরচ একলাফে দ্বিগুণ করেছিল ট্রুডো সরকার। আগের তুলনায় এখন ব্যাংকে দ্বিগুণ অর্থ দেখাতে হচ্ছে কানাডায় পড়তে ইচ্ছুক বিদেশি শিক্ষার্থীদের।