শেয়ার বাজার

বগুড়ায় দুই শিশুকে ধর্ষণের ঘটনায় ৬০ বছরের কারাদণ্ড

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: বৃহঃস্পতিবার, ৮ অক্টোবর ২০২৬

বগুড়ায় দুই শিশুকে ধর্ষণের ঘটনায় ৬০ বছরের কারাদণ্ড

বগুড়ায় ছয় বছর বয়সী দুই শিশুকে ধর্ষণের মামলায় অভিযুক্ত নুর ইসলামকে (৪০) ৩০ বছর করে মোট ৬০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে আসামিকে দুটি মামলায় ৫০ হাজার টাকা করে মোট ১ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। জরিমানার টাকা ভুক্তভোগী দুই শিশুকে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে আদালত।

বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) বেলা সাড়ে ১১টায় বগুড়ার শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মারুফ হোসেন এ রায় ঘোষণা করেন।

দণ্ডপ্রাপ্ত নুর ইসলাম কাহালু উপজেলার পাইকড় ইউনিয়নের আড়োলা আবাসন প্রকল্পের বাসিন্দা। তিনি ওই এলাকার মৃত হাবিবর রহমানের ছেলে। রায় ঘোষণার সময় আসামিকে আদালতে হাজির করা হয়েছিল।

জানা গেছে, ২০২৫ সালের ১২ মার্চ নিজ ঘরে ডেকে এনে ছয় বছর বয়সী দুই শিশুকে খাবারের লোভ ও টাকার প্রলোভন দেখিয়ে পাশবিক নির্যাতন চালান নুর ইসলাম। ঘটনাটি কাউকে জানালে মেরে ফেলার হুমকিও দেওয়া হয়। ঘটনার পরদিন এক শিশু জ্বরে আক্রান্ত হয় এবং অন্য শিশুর তীব্র রক্তক্ষরণ শুরু হলে পরিবারের স্বজনেরা বিষয়টি জানতে পারেন।

এ ঘটনায় ভুক্তভোগী এক শিশুর মা বাদী হয়ে কাহালু থানায় মামলা করেন। পুলিশ ভুক্তভোগী শিশু দুটিকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠায়। পরে পুলিশ ও জেলা গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) যৌথ অভিযানে আসামি নুর ইসলামকে গ্রেফতার করা হয়। মামলার তদন্ত শেষে পুলিশ আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে। রাষ্ট্রপক্ষ আদালতে মোট ১০ জন সাক্ষী উপস্থাপন করে। সাক্ষ্য-প্রমাণ ও ভুক্তভোগীদের ডাক্তারি পরীক্ষার প্রতিবেদন পর্যালোচনা শেষে আদালত এ রায় দেন।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী (পিপি) অ্যাডভোকেট মো. আব্দুল মান্নান রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, আদালত সার্বিক বিষয় ও প্রমাণ বিবেচনা করে আসামিকে দুটি পৃথক সাজায় ৩০ বছর করে মোট ৬০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন। আইন অনুযায়ী একটি সাজাভোগের পর অপর সাজা শুরু হবে।

তিনি আরও জানান, আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী জরিমানার ১ লাখ টাকা আসামির স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তি বিক্রি করে আদায় করে ভুক্তভোগী শিশুদের পরিবারকে প্রদান করা হবে। রায়ে অসন্তোষের কোনো সুযোগ নেই এবং রাষ্ট্রপক্ষ এতে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছে।

Dummy Ad 1

মিরপুরে পঙ্গ সাঈদের ক্ষতিপূরণের পাওনা টাকা পরিশোধ না করার অভিযোগ।

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১৫ মার্চ, ২০২৪

মিরপুরে পঙ্গ সাঈদের ক্ষতিপূরণের পাওনা টাকা পরিশোধ না করার অভিযোগ।

কুষ্টিয়া মিরপুর প্রতিনিধি: কুষ্টিয়ার মিরপুরে বিদ্যুৎ নামের এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে ভুল তথ্যে বৈদ্যুতিক শকে দুই হাত হারানো  পঙ্গু সাঈদের ক্ষতিপূরণের পাওনা টাকা পরিশোধ না করার অভিযোগ উঠেছে। 

কুষ্টিয়ার মিরপুর উপজেলার  বহলবাড়িয়া ইউনিয়নের সাহেবনগর গ্রামের মিলন মালিথার ছেলে সাঈদ আহম্মেদ (২৪) গত বছরের সেপ্টেম্বর মাসে একই উপজেলা বহলবাড়িয়া গ্রামের সাহাবুলের ছেলে বিদ্যুৎ এর সাথে বিদ্যুৎ বিভাগের কন্ট্রাক্টর অপুর মালিকানাধীন নোভায়ন কোম্পানীতে মাসে ১৯ হাজার টাকা বেতনে চাকরির উদ্দেশ্যে  চট্টগ্রামের কুতুবদিয়া এলাকায় যায় এবং  সাঈদ আহাম্মেদ  তার সুপারভাইজার বিদ্যুৎ এর হুকুম মোতাবেক সব কাজ করতে থাকেন।

গত বছর ২৭ সেপ্টেম্বর দুপুরে সুপারভাইজার বিদ্যুৎ সাঈদকে কুতুবদিয়া এলাকার একটি বৈদ্যুতিক লাইন মেরামতের জন্য খাম্বায় তুলে দেন এবং জানান যে কাজের জন্য এখন বিদ্যুতের লাইন বন্ধ করা আছে কিন্তু ঐ সময় বৈদ্যুতিক সংযোগ চালু থাকায় বিদ্যুতের খাম্বায়  উঠার সাথে সাথে সাঈদ আহমদ বিদ্যুতের শখ খেয়ে বিদ্যুতের লাইনের তারের সাথে ঝুলতে থাকে একপর্যায়ে লাইন বন্ধ করে তাকে উদ্ধার করে চট্টগ্রাম বার্ণ ইউনিটে ভর্তি করা হয়।সেখান থেকে পরে শেখ হাসিনা বার্ণ ইউনিটে ভর্তি করে চিকিৎসা করা হয় এবং তার দুই হাত কেটে ফেলা হয় চিকিৎসক জানান বৈদ্যুতিক শখের কারণে সাঈদ আহাম্মেদের  দুই পা ও মারাত্মক ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

সে সময় সাব-কন্ট্রাক্টর  বিদ্যুৎ দুর্ঘটনায় পঙ্গুত্ব বরণ করা সাঈদ আহাম্মেদকে সকল ধরনের চিকিৎসা ও পুনর্বাসনের  আশ্বাস প্রদান করেন। 

দুর্ঘটনার ৬ মাস পেরিয়ে গেলেও সাব-কন্ট্রাক্টর  বিদ্যুত এখন পর্যন্ত তার পুনর্বাসনের ব্যবস্থা না করায়  চিকিৎসা শেষে দুই হাত হারিয়ে পঙ্গুত্ব বরণ করে সাঈদ আহাম্মদে তার নিজ বাড়িতে অসহায়ভাবে জীবনযাপন করছে।

তিনি জানান বহলবাড়িয়া গ্রামের সাহাবুল বা তার ছেলে বিদ্যুৎ তার পুনর্বাসনের জন্য কোন উদ্যোগ গ্রহন করছেনা এমনকি তার ফোনও রিসিভ করছেনা।


সাভারে ৪ সাংবাদিকের ওপর সন্ত্রাসী হামলা ও মিথ্যা মামলায় কারাগারে প্রেরণের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ০৬ অক্টোবর, ২০২৬

সাভারে ৪ সাংবাদিকের ওপর সন্ত্রাসী হামলা ও মিথ্যা মামলায় কারাগারে প্রেরণের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

‎স্টাফ রিপোর্টার:

‎সাভারে ওএমএস ডিলারের অনিয়ম অনুসন্ধানে যাওয়া ৪ সাংবাদিকের ওপর সন্ত্রাসী হামলা ও মিথ্যা মামলায় কারাগারে প্রেরণের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করেছেন ভুক্তভোগী সাংবাদিকবৃন্দ।

‎মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) সকালে রাজধানীর তোপখানা রোডস্থ বাংলাদেশ শিশু কল্যাণ পরিষদের মিলনায়তনে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

‎সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন ভুক্তভোগী সাংবাদিকরা। তারা হলেন- দৈনিক বিজনেস ফাইল পত্রিকার বিশেষ প্রতিনিধি এফ রহমান রূপক, দৈনিক মুক্ত খবর পত্রিকার সিনিয়র রিপোর্টার মো. আবু বকর সিদ্দিক, দৈনিক মুক্ত খবর পত্রিকার স্টাফ রিপোর্টার মনজুরুল হক মঞ্জু ও দৈনিক একুশে সংবাদের স্টাফ রিপোর্টার মো. পিন্টু শেখ।

‎লিখিত বক্তব্যে তারা বলেন, একটি তথ্যের ভিত্তিতে গত ২৭ সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার সকালে সাভার থানার চাপাইন মেম্বারের মোড় এলাকায় ডিলার জাহাঙ্গীরের ওএমএস দোকানে সরেজমিনে গিয়ে ব্যাপক অনিয়মের তথ্য পাওয়া যায়।

‎ওএমএস বিক্রির নিয়ম অনুযায়ী-

‎১. সকাল ৯টায় উপজেলা খাদ্য তদারককারী কর্মকর্তা খাতায় সই দিয়ে সেল চালু করবেন। তিনি দোকান চালু না করা পর্যন্ত কোনো পণ্য বিক্রি করা যাবে না।

‎২. প্রতিদিন ১০০ জনের মাঝে ৫ কেজি চাল ও ৫ কেজি আটা সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত বিক্রি করতে হবে।

‎৩. লাইনে যে দাঁড়াবে সেই পণ্য কিনতে পারবে, এটি ওপেন মার্কেট সেল।

‎৪. পণ্য ক্রয়ের সময় ভোক্তার কাছ থেকে কোনো প্রকার এনআইডি কার্ড জমা নেওয়া যাবে না।

‎৫. এক টন চাল ও এক টন আটা বিক্রির পর উদ্বৃত্ত থাকলে ব্যালেন্স শিটে দেখাতে হবে।

‎কিন্তু সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, সকাল সাড়ে ১০টায় ৩৩ বস্তা চালের মধ্যে মাত্র ৫ বস্তা চাল রয়েছে। বাকি ২৮ বস্তা ইতোমধ্যে বিক্রি হয়ে গেছে বলে দাবি করা হয়। মাত্র আধা ঘণ্টায় ২৮ বস্তা বিক্রির বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে ডিলারের লোকজন চুপ হয়ে যান। তারা স্বীকার করেন, তদারককারী কর্মকর্তা ফোনে ফোনে দোকান চালু করেন, পরে এসে খাতায় সই করেন।

‎এ সময় লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা ভোক্তারা অভিযোগ করেন, তারা ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়েও মাল পান না। দুপুর ১২টা বাজলেই বলা হয় আজ আর দেওয়া হবে না। এনআইডি কার্ডে তারিখ লিখে ১৫ দিন পর আসতে বলা হয়, ১৫ দিন পর এসেও মাল মেলে না।

‎বিষয়টি ঢাকা জেলা খাদ্য কর্মকর্তাকে জানানো হলে তিনি ব্যস্ততার কথা বলে উপজেলা খাদ্য কর্মকর্তাকে জানাতে বলেন। উপজেলা খাদ্য কর্মকর্তা ১০-১৫ মিনিটের মধ্যে আসছেন বলে জানান।

‎এ সময় ডিলারের লোক পরিচয়ে এক যুবক এসে সাংবাদিকদের পরিচয় ও ভিজিটিং কার্ড নেন এবং হুমকি দিয়ে বলেন, "একটু পরেই সব জানতে পারবেন।" একের পর এক ফোন দিতে থাকেন তিনি। সন্দেহ হলে সাভার থানার ওসি সাইফুলকে বিষয়টি জানানো হয়।

‎কিছুক্ষণ পর ৫-৭ জন যুবক এসে কোনো কথা ছাড়াই সাংবাদিকদের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। তাদের একজন নিজেকে সাভার প্রেস ক্লাবের নেতা বলে দাবি করেন। হামলা চলাকালীন উপজেলা খাদ্য কর্মকর্তা ঘটনাস্থলে এসে সাংবাদিকদের রক্ষার নামে হামলাকারীদের হাতে তুলে দিয়ে কৌশলে চলে যান।

‎পরে সাভার থানার এসআই আব্বাস পুলিশ টিম নিয়ে এসে নিরাপত্তার কথা বলে সাংবাদিকদের থানায় নিয়ে যান। থানায় ওসি না থাকায় তিনি তাদের সার্কেল এসপি (ট্রাফিক) এর কাছে নিয়ে যান। সেখানে ডিলার জাহাঙ্গীর অভিযোগ করেন, সাংবাদিকরা ম্যাজিস্ট্রেট পরিচয় দিয়ে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেছেন এবং ৩০ জন সাধারণ মানুষ তার সাক্ষী। প্রমাণ দেখাতে বললে পুলিশ কোনো কথা শুনতে চায়নি।

‎ভুক্তভোগীদের ভাষ্য, "আমাদের কাছে ডিলারের কালোবাজারি ও অনিয়মের ভিডিও ডকুমেন্টস আছে। পুলিশ তা দেখতে রাজি হয়নি। উল্টো ডিলারের সাজানো অভিযোগে মামলা দিয়ে আমাদের জেল হাজতে পাঠানো হয়।

‎এদিকে সাভার উপজেলা প্রেস ক্লাবের সভাপতি নাজমুল সহ বিভিন্ন হাউজের সাংবাদিকরা ভুক্তভোগীদের বক্তব্য না নিয়ে একপেশে খবর প্রকাশ করেছেন বলেও অভিযোগ করা হয়।

‎উল্লেখ্য, ভুক্তভোগী ৪ সাংবাদিক কারাবরণ শেষে বর্তমানে জামিনে মুক্ত রয়েছেন।

‎সংবাদ সম্মেলনে ৪ দফা দাবি তুলে ধরা হয়:

‎১. সাভারের ডিলার জাহাঙ্গীর ও তদারককারী কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ওএমএস পণ্য কালোবাজারি ও অনিয়মের ভিডিও ফুটেজসহ সুষ্ঠু তদন্ত করতে হবে।

‎২. দায়িত্বরত ৪ সাংবাদিকের ওপর হামলাকারী সন্ত্রাসী ও ইন্ধনদাতাদের অবিলম্বে গ্রেফতার করতে হবে।

‎৩. সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত মিথ্যা ও বানোয়াট চাঁদাবাজির মামলা প্রত্যাহার করতে হবে।

‎৪. দায়িত্বে অবহেলাকারী উপজেলা খাদ্য কর্মকর্তা ও সংশ্লিষ্ট পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নিতে হবে।

‎সংবাদ সম্মেলনে হুঁশিয়ারি দিয়ে ভুক্তভোগী সাংবাদিকরা বলেন, আগামী ১০ দিনের মধ্যে সুষ্ঠু তদন্ত করে ব্যবস্থা না নিলে জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে মানববন্ধন শেষে খাদ্য অধিদপ্তর ও খাদ্য মন্ত্রণালয়ের সামনে কঠোর অবস্থান নেওয়া হবে।

‎সংবাদ সম্মেলনে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন দৈনিক নতুন স্বপ্ন পত্রিকার সম্পাদক ও প্রকাশক এবং জাতীয় মডেল প্রেস ক্লাবের সিনিয়র সহ-সভাপতি সাইদ আজিজ চৌধুরী, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের নেতা শাহজাহান মিয়া, জাতীয় ক্রাইম রিপোর্টার্স সোসাইটির সাংগঠনিক সম্পাদক কিশোর ডি কস্তা, সিনিয়র সাংবাদিক শাহ আলম, সিনিয়র সাংবাদিক আবুল বাশার প্রমুখ।


গোপালগঞ্জের যদুপুরে মিথ্যা ও ষড়যন্ত্রমূলক মামলা থেকে রেহাই পায়নি সৌদি প্রবাসী হাচিবুর কাজী

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১৬ মার্চ, ২০২৪

গোপালগঞ্জের যদুপুরে মিথ্যা ও ষড়যন্ত্রমূলক মামলা থেকে রেহাই পায়নি সৌদি প্রবাসী হাচিবুর কাজী

গোপালগঞ্জ  প্রতিনিধি: গোপালগঞ্জের সেই আলোচিত আদম ব্যপারী আল-আমিন কাজীর স্ত্রীর মোহসিনা আক্তারের দেওয়া মিথ্যা মামলার শিকার সৌদি আরবের মদিনা আওয়ামী লীগের সভাপতি হানিফ কাজী সহ তার পরিবারের লোকজন। 

সরেজমিনে গণমাধ্যম কর্মীদের এক ছায়া তদন্তে পাওয়া যায়। মহোসিনা আক্তার বাদি হয়ে গোপালগঞ্জ আদালতে যে মামলাটি করেছে তা সম্পূর্ন মিথ্যা ও ভিত্তিহীন। তার স্বামী আল-আমিন কাজী, বিদেশে আনা-নেওয়া ও প্রতারনার দায়ে গোপালগঞ্জ আদালত তাকে জেলে প্রেরণ করেন। স্বামীর জেলে যাওয়াটা মেনে নিতে না পেরে এই মামলাটি দায়ের করেন তিনি। মামলার দেওয়া ৫নং আসামী হাসিবুর কাজী সৌদি প্রবাসী। গোপালগঞ্জ আদালতে যখন মামলাটি হয় তখন হাসিবুর সৌদি অবস্থান করছিলেন। মামলার পরে সে বাংলাদেশে আসেন।

এ ব্যপারে সৌদি প্রবাসী হাসিবুর কাজী বলেন, আমি সৌদি আরবে চাকরি করি আমি ছুটিতে বাড়ি এসে শুনলাম আমার নামে মামলা হয়েছে। আমি বিদেশে থেকেও আল-আমিন কাজীর স্ত্রীর দেওয়া মামলায় ভুগছি এটা কোন আইন।

এ ব্যপারে মোহসিনা আক্তারে আপন চাচাতো দেবর আব্দুর রহমান কাজী, সামাদ কাজী ও আল-আমিন কাজী গণমাধ্যম কর্মীদের বলেন, এখানে কোথাও কোন গন্ডগোল হয় নাই তারা যে মামলা করেছে সম্পূর্ন মিথ্যা ও বানোয়াট আর মামলার পাঁচ নং আসাসী হাসিবুর মামলা হবার পর বিদেশ থেকে এসেছে।

কিছুদিন পূর্বে এই মামলার বাদী মোহসিনা আক্তারে স্বামীর বিরুদ্ধে আদম ব্যাপারী ও মানব পাঁচারকারী  মো. ওহাব কাজীর ছেলে মো. আল-আমিন কাজীর বিরুদ্ধে বিদেশ পাঠানোর নামে ও সৌদি লোক নিয়ে তাদের সাথে প্রতারণারসহ নানারকম হয়রানি করছে বলে সংবাদ সম্মেলনের অভিযোগ করেন ভুক্তভোগীরা। তারই ফলশ্রুতিতে সে জেল খেটে বের হয়। ধারনা করা হচ্ছে তার স্বামীর জেলে যাওয়াকে মেনে নিতে না পারায় এই মিথ্যা মামলা দিয়ে প্রতিপকক্ষকে হেও প্রতিপন্ন কারাই মূল উদ্দ্যেশ। গ্রামবাসীরা এই মামলার সাথে জড়িত বাদি সহ সকলের বিরুদ্ধে তদন্ত সাপেক্ষে বিচারের দাবী জানান।