শেয়ার বাজার

মদিনার বিদ্যুৎকেন্দ্রে হুথি হামলার নিন্দা বাংলাদেশের

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: রবিবার, ৪ অক্টোবর ২০২৬

মদিনার বিদ্যুৎকেন্দ্রে হুথি হামলার নিন্দা বাংলাদেশের

সৌদি আরবের পবিত্র নগরী মদিনায় বিদ্যুৎ অবকাঠামোয় ইয়েমেনের সশস্ত্র বিদ্রোহী গোষ্ঠী হুথিদের ড্রোন হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে বাংলাদেশ।

রোববার (৪ অক্টোবর) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা মাহমুদুল হাসান এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানান।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, সৌদি আরবের মদিনার তাইবাহ বিদ্যুৎকেন্দ্রে হুথিদের ড্রোন হামলার ঘটনায় বাংলাদেশ সরকার দৃঢ়ভাবে নিন্দা জানাচ্ছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, পবিত্র মসজিদে নববীকে বিদ্যুৎ সরবরাহকারী গুরুত্বপূর্ণ বেসামরিক অবকাঠামোকে ইচ্ছাকৃতভাবে লক্ষ্যবস্তু করা ইসলামের পবিত্রতম স্থানগুলোর মর্যাদার ওপর একটি অগ্রহণযোগ্য আঘাত।

এতে আরও বলা হয়, সৌদি আরবের নিরাপত্তা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার ক্ষেত্রে বাংলাদেশের পূর্ণ সংহতি রয়েছে।

আঞ্চলিক শান্তি ও স্থিতিশীলতাকে ক্ষতিগ্রস্ত করে—এমন যে কোনো ধরনের আগ্রাসন বাংলাদেশ দৃঢ়ভাবে প্রত্যাখ্যান করে বলেও সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে।


Dummy Ad 1

মানবতার পাশে ফাউন্ডেশনের সাধারণ সম্পাদক হলেন চৌদ্দগ্রামের কৃতি সন্তান সাংবাদিক মহিন উদ্দিন স্বপন

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

মানবতার পাশে ফাউন্ডেশনের সাধারণ সম্পাদক হলেন চৌদ্দগ্রামের কৃতি সন্তান সাংবাদিক মহিন উদ্দিন স্বপন

নিজস্ব প্রতিবেদক:

কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামের কৃতি সন্তান ও মানবসেবায় নিবেদিতপ্রাণ সাংবাদিক ও মানবাধিকার সংগঠক মহিন উদ্দিন স্বপনকে ‘মানবতার পাশে ফাউন্ডেশন’-এর সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। ছোটবেলা থেকেই লেখাপড়ার পাশাপাশি মানবসেবামূলক বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে নিজেকে সম্পৃক্ত রেখেছেন তিনি। অসহায়, দরিদ্র ও বিপদগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানো এবং তাদের সহযোগিতা করাকে নিজের দায়িত্ব মনে করেন মহিন উদ্দিন স্বপন।

সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পাওয়ার পর মহিন উদ্দিন স্বপন বলেন, “সর্বপ্রথম আমি মহান আল্লাহর দরবারে শুকরিয়া আদায় করছি। তিনি আমাকে সুস্থ রেখেছেন এবং মানুষের জন্য কাজ করার সুযোগ দিয়েছেন। একই সঙ্গে আমি কৃতজ্ঞতা জানাই মানবতার পাশে ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি, চৌদ্দগ্রামের কৃতি সন্তান সাংবাদিক উজ্জ্বল ভূঁইয়া ভাইয়ের প্রতি। তিনি আমাকে এত বড় একটি দায়িত্ব দিয়েছেন।”

তিনি আরও বলেন, “আমি যেন এই দায়িত্ব সফলভাবে পালন করতে পারি এবং গরিব-দুঃখী ও অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়াতে পারি, এটাই আমার প্রত্যাশা। মানবতার পাশে ফাউন্ডেশনের কার্যক্রম শুধু একটি নির্দিষ্ট এলাকার মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে ভবিষ্যতে দেশ-বিদেশে ছড়িয়ে দিতে চাই। এজন্য সবার দোয়া ও সহযোগিতা প্রয়োজন।”

মহিন উদ্দিন স্বপন বলেন, “আমি মানবতার পাশে ফাউন্ডেশনের বিভিন্ন কার্যক্রম দেখেছি। তারা অসহায় ও দরিদ্র মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে কাজ করে যাচ্ছে। তাদের মানবিক উদ্যোগ আমাকে অনুপ্রাণিত করেছে। সেই কারণেই আমি এই সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত হয়েছি। আমরা সবাই মিলে কাজ করলে ইনশাআল্লাহ মানবতার পাশে ফাউন্ডেশন একদিন অনেক দূর এগিয়ে যাবে।”

এদিকে, মানবতার পাশে ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি সাংবাদিক উজ্জ্বল ভূঁইয়া বলেন, মানবতার পাশে ফাউন্ডেশন গড়ে তোলার মূল উদ্দেশ্যই হচ্ছে অসহায়, দরিদ্র ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়ানো। যারা এই সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত হয়েছেন, আমি বিশ্বাস করি তারাও মানবতার কল্যাণে কাজ করতে আন্তরিকভাবে এগিয়ে আসবেন।

তিনি বলেন, “আমি নিজের চোখে দেখেছি, অনেক মানুষ ঠিকমতো একবেলা খাবারও খেতে পারেন না। অনেক অসহায় মানুষ রাস্তায় রাত কাটান।

তাদের কষ্ট আমাকে নাড়া দিয়েছে। তাদের পাশে দাঁড়ানো, অন্তত একমুঠো খাবার তুলে দেওয়া এবং বিপদের সময়ে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেওয়ার লক্ষ্য থেকেই মানবতার পাশে ফাউন্ডেশন প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নিয়েছি।”

উজ্জ্বল ভূঁইয়া সমাজের বিত্তবান ও বিবেকবান মানুষের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, “মানবতার কল্যাণে আমাদের সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে। আপনারা সবাই মানবতার পাশে ফাউন্ডেশনের পাশে থাকুন। সম্মিলিতভাবে কাজ করলে অসহায় মানুষের মুখে হাসি ফোটানো সম্ভব। মানুষের জন্য কাজ করাই আমাদের মূল লক্ষ্য।”

নতুন দায়িত্বপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক সাংবাদিক ও মানবাধিকার সংগঠক মহিন উদ্দিন স্বপনকে ঘিরে মানবতার পাশে ফাউন্ডেশনের কার্যক্রম আরও বিস্তৃত হবে বলে প্রত্যাশা করছেন সংগঠনের সংশ্লিষ্টরা। মানবিক সহযোগিতা, অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানো এবং সমাজের সুবিধাবঞ্চিত মানুষের কল্যাণে সংগঠনটি ভবিষ্যতে আরও কার্যকর ভূমিকা রাখবে—এমন প্রত্যাশাই সংশ্লিষ্টদের।


ধর্ষণকাণ্ড: জাবিতে দ্বিতীয় দিনের মত প্রশাসনিক ভবন অবরোধ

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪

ধর্ষণকাণ্ড: জাবিতে দ্বিতীয় দিনের মত প্রশাসনিক ভবন অবরোধ

বার্তাবেলা ডেস্ক: জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে ধর্ষক ও তার সহযোগীদের সর্বোচ্চ সাজাসহ পাঁচ দফা দাবিতে দ্বিতীয় দিনের মত নতুন প্রশাসনিক ভবন ‘প্রতীকী অবরোধ’ করেছেন আন্দোলনকারীরা। 

মঙ্গলবার সকাল ৯টা থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের প্ল্যাটফর্ম ‘নিপীড়নবিরোধী মঞ্চের’ ব্যানারে দুই ঘণ্টা ধরে এ অবরোধ করা হয়। পরে বেলা ১১টায় এই অবরোধ তুলে নেওয়া হয়। 

অবরোধ চলাকালে প্রশাসনিক ভবনে কোনো কর্মকর্তাদের প্রবেশ করতে দেওয়া হয়নি। এ ছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক নূরুল আলমকেও দেখা যায়নি। 

এর আগে সোমবার সকাল ৯টা থেকে বেলা ১১টা পর্যন্ত নতুন প্রশাসনিক ভবনে প্রতীকী অবরোধ করেছিল ‘নিপীড়নবিরোধী মঞ্চ'। 

‘নিপীড়নবিরোধী মঞ্চের’ পাঁচ দফা দাবির মধ্যে রয়েছে- ধর্ষক ও তার সহায়তাকারীদের সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করা; মেয়াদোত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের হল থেকে বের করে গণরুম বিলুপ্তপূর্বক নিয়মিত শিক্ষার্থীদের আবাসন নিশ্চিত ও র‌্যাগিং সংস্কৃতির সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের চিহ্নিত করে বিচারের আওতায় আনা; নিপীড়ক শিক্ষক মাহমুদুর রহমান জনির বিচার নিষ্পত্তি করাসহ ক্যাম্পাসে বিভিন্ন সময়ে নানাবিধ অপরাধে অভিযুক্তদের বিচারের আওতায় আনা; নিপীড়কদের সহায়তাকারী প্রক্টর ও মীর মশাররফ হোসেন হলের প্রাধ্যক্ষের অপরাধ তদন্ত ও সুষ্ঠু হওয়ার স্বার্থে তদন্ত চলাকালে তাদের প্রশাসনিক পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়া; মাদকের সিন্ডিকেট চিহ্নিত করে জড়িতদের ক্যাম্পাসে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করে তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া।

বিশ্ববিদ্যালয়ের সরকার ও রাজনীতি বিভাগের অধ্যাপক শামছুল আলম বলেন, “বিশ্ববিদ্যালয়কে মাদকমুক্ত করতে হবে, অছাত্রদের সরিয়ে দিতে হবে। প্রশাসন আমাদেরকে বলেছিল, পাঁচ কর্মদিবসে অছাত্রদের বের করে দিবে। কিন্তু তারা সেটা পারেনি। প্রশাসন কোনো ব্যবস্থা না নিয়ে ঢাকায় দ্বারে দ্বারে ঘুরছে।“ 

তিনি বলেন, “সোমবার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে প্রশাসন দেখা করেছে। এখানে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কী করবেন? তার কাছে গিয়েছিলেন নিশ্চয় ক্যাম্পাসে পুলিশের সহায়তা নিয়ে তল্লাশি করার জন্য। কিন্তু পুলিশ এখানে কী সহায়তা করবে, তারা কি বহিরাগত অছাত্রদের চেনে? এখানে হল প্রশাসন যদি কাজ করে তাহলে কিন্তু সমাধান হয়। কিন্তু তারা কেউ কাজ করছেন না।”

গত ১৫ বছরে প্রতিটা হল টর্চার সেলে পরিণত হয়েছে; রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে যে বিচারহীনতা চলছে তার প্রভাব এখানে পড়েছে বলে জানান এই অধ্যাপক।  

বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষক সমিতির সহসভাপতি ও প্রাণ রসায়ন ও অনুপ্রাণ বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক সোহেল আহমেদ বলেন, “এক পৈশাচিক ঘটনা জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অনেকগুলো ব্যাধিকে জাতির সামনে তুলে ধরেছে। এই সংক্রামক ব্যাধিগুলো দূর করা যাবে না এটা এমনও না। এটা অবশ্যই দূর করার মত। কিন্তু এক্ষেত্রে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনকে যে দায়িত্বশীল হতে হবে। সেই দায়িত্ব আমরা দেখিনি। 

“বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবারকে যে ঘটনাগুলো কলুষিত করেছে, কলঙ্কিত করেছে, সম্মান ক্ষুণ্ন করেছে সেই সম্মান উদ্ধারে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের কোনো তৎপরতা আমরা দেখতে পাচ্ছি না।" 

তিনি বলেন, “এই বিশ্ববিদ্যালয়ে মাদক কীভাবে ছড়িয়ে গেছে, মাদক ব্যবসা, চোরা চালান, মাদক সেবন সামনে এসেছে। র‍্যাবের ব্রিফিং থেকে জানা গেছে, বিশ্ববিদ্যালয়ে দিনের পর দিন যে পাশবিক ঘটনাগুলো ঘটছিল তা এই অছাত্ররা করছিল। এই প্রশাসন ব্যর্থ হয়েছে তারা দায় এড়াতে পারে না। শুধু এই প্রশাসন তা উপলব্ধি করতে পারছে না।" 

অবরোধ চলাকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের নাটক ও নাট্যতত্ত্ব বিভাগের শিক্ষার্থী কনোজ কান্তি রায় বলেন, "এই ক্যাম্পাসে একজন বৈধ শিক্ষার্থী থাকার জায়গা ও লেখাপড়ার জন্য চেয়ার-টেবিল পায় না। অন্যদিকে কিছু অবৈধ শিক্ষার্থী ক্ষমতাসীন ছাত্র সংগঠনের ছত্রছায়ায় থেকে তাদের সঙ্গে লেজুড়বৃত্তি করে হলগুলোতে থাকছে।যার ফলে বৈধ শিক্ষার্থীরা তাদের অধিকার থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।

“গণরুমে ওঠার পরে যারা ক্ষমতাসীন ছাত্র সংগঠনের সঙ্গে জড়িত হয় তাদেরকে আগে সিট দেওয়া হয়। এর মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের মধ্যে ক্ষমতা কুক্ষিগত করার একটা প্রবণতা তৈরি হয়। আর গণরুম ও গেস্টরুমের কালচার এবং র‍্যাগিং শিক্ষার্থীদের মস্তিষ্ককে বিকৃত করে তোলে।” 

এ সময় সমাবেশে আরও উপস্থিত ছিলেন পরিবেশ বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক জামাল উদ্দিন, ফার্মেসি বিভাগের অধ্যাপক মাফরুহি সাত্তার ও সোহেল রানা, ইতিহাস বিভাগের অধ্যাপক পারভীন জলী, সাংবাদিকতা ও গণমাধ্যম অধ্যয়ন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক আমেনা ইসলাম, প্রাণ রসায়ন ও অনুপ্রাণ বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক বোরহান উদ্দিন, ভূগোল ও পরিবেশ বিভাগের অধ্যাপক নূরুল ইসলাম।


কুমিল্লা চৌদ্দগ্রামে ৫০ কেজি গাঁজাসহ ০৬ জন গ্রেফতার

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ০৩ এপ্রিল, ২০২৪

কুমিল্লা চৌদ্দগ্রামে ৫০ কেজি গাঁজাসহ ০৬ জন গ্রেফতার

চৌদ্দগ্রাম (কুমিল্লা) প্রতিনিধি: কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে ৫০ কেজি গাঁজাসহ সুজন মিয়া নামের ০৬ জন মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করেছে পুলিশ। 

বুধবার (০৩ এপ্রিল)  সকাল ০৬.৪৫ ঘটিকায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে  চৌদ্দগ্রাম থানায় কর্মরত এসআই(নিঃ)/মোঃ মশিউর আলম ও সঙ্গীয় ফোর্স'সহ চৌদ্দগ্রাম থানাধীন পৌরসভাস্থ উপ কর কমিশনারের কার্যালয় এর সামনে ঢাকা-চট্টগ্রাম প্রধান মহাসড়কের কমলপুর রাস্তার মাথায় এ অভিযান চালায়।

আটককৃতরা হলেন হায়দার আহম্মেদ উৎসব (৩০), পিতা- মৃত মাসুদ পারভেজ, সাং- নতুন বাজার, গাবতলী (মাজদাইর গোরস্থান  সংলগ্ন তুহিন মিয়ার ভাড়াটিয়া) থানা- ফতুল্লা, জেলা-নারায়নগঞ্জ, মোঃ রাকিব হাসান প্রকাশ রকি(৩৫)  পিতা- মৃত হায়দার আলী প্রকাশ হাসান আলী, স্থায়ী ঠিকানা:- সাং- বাহার পাড়া, রহিম মিয়ার বাড়ি, থানা- টঙ্গীবাড়ী, জেলা- মুন্সিগঞ্জ, বর্তমান সাং—ইসদাইর (কাপুড়িয়া পট্টি গাবতলী, উকিল টিটন মিয়ার ভাড়াটিয়া) থানা- ফতুল্লা, জেলা-নারায়নগঞ্জ। মাহফুজুর রহমান প্রকাশ মুন্না (৩০), পিতা- আলমাছ ঢালী, সাং- পশ্চিম ইসদাইর, গাবতলী (দোহার ভিলা), থানা- ফতুল্লা, জেলা- নারায়নগঞ্জ,  সুফিয়ান হোসেন সজল(২৪), পিতা- আবুল খায়ের, সাং- করপাড়া (হাজী বাড়ী), থানা- রামগঞ্জ, জেলা- লক্ষীপুর, বর্তমান সাং- ই ব্লক, ০৫নং লাইন, ৪৪নং বিসমিল্লা হাউজ, মিরপুর, থানা- শাহআলী, ডিএমপি, ঢাকা। মোঃ ইব্রাহিম(২৬), পিতা- আব্দুল বাসেত মন্ডল, সাং- নোয়াপাড়া, থানা- ইসলামপুর, জেলা- জামালপুর, বর্তমান সাং- উত্তর মাসদাহর (গাবতলী), থানা- ফতুল্লা, জেলা- নারায়নগঞ্জ। রবিউল আলম পিয়াস(২৬), পিতা- মৃত শিহাবুল আলম মিলন, সাং- কমলপুর, থানা- চৌদ্দগ্রাম, জেলা- কুমিল্লাদ্বয়ের নিকট হতে ৪টি বস্তায় সর্বমোট (১৪+১২+১২+১২)=৫০ (পঞ্চাশ) কেজি গাঁজা পেয়ে উদ্ধার পূর্বক জব্দ তালিকা মূলে জব্দ করেন।

উল্লেখ্য যে, গ্রেফতারকৃত ০১নং আসামী মোঃ রাকিব হাসান প্রকাশ রকি (৩৫) এর বিরুদ্ধে পূর্বের ০৫ টি মাদক মামলা ও ০১ টি অন্যান্য ধারায় মামলা, ০২নং আসামী হায়দার আহম্মেদ উৎসব প্রকাশ উৎসব শিকদার এর বিরুদ্ধে পূর্বের ০৪ টি মাদক মামলা ও ০১ টি অন্যন্য ধারায় মামলা এবং ০৩নং আসামী মাহফুজুর রহমান প্রকাশ মুন্না (৩০) এর বিরুদ্ধে পূর্বের ০১ টি মাদক মামলা ও ০১ টি গনধর্ষন মামলা বিজ্ঞ আদালতে বিচারাধীন রয়েছে।

উক্ত ঘটনায় চৌদ্দগ্রাম থানায় এজাহার দায়ের করলে চৌদ্দগ্রাম থানার মামলা নং-০৪, তারিখ-০৩/০৪/২০২৪ খ্রিঃ, ধারা-২০১৮ সালের মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের ৩৬(১) সারণির ১৯(গ)/৪১, রুজু করা হয়।