শেয়ার বাজার

নাইজেরিয়ায় শ্রমিকদের মৃত্যুর প্রতিবাদে বিক্ষোভে নিরাপত্তা বাহিনীর গুলি

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

নাইজেরিয়ায় শ্রমিকদের মৃত্যুর প্রতিবাদে বিক্ষোভে নিরাপত্তা বাহিনীর গুলি

নাইজেরিয়ায় ৩৭ খনিশ্রমিককে আটকের প্রতিবাদে শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) হওয়া বিক্ষোভে কাঁদানে গ্যাস ছোড়ার পাশাপাশি গুলি চালিয়েছে দেশটির নিরাপত্তা বাহিনী। বিক্ষোভের দ্বিতীয় দিনে এ সময় শত শত বিক্ষোভকারী নাইজার প্রদেশের খনিজসম্পদ সমৃদ্ধ শহর মিন্নায় জড়ো হয়েছিলেন। তাদের মধ্যে অনেকে সরকারি স্থাপনায় হামলা চালান বলেও অভিযোগ রয়েছে।

নিরাপত্তা বাহিনী বিক্ষোভকারীদের দিকে তাজা গুলি নাকি বিক্ষোভ দমনে ব্যবহৃত পেলেট ব্যবহার করেছে সে সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তবে, বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে একজন প্রত্যক্ষদর্শী জানান, এ সময় তাজা গুলিই ব্যবহার করা হয়েছে এবং একজন বিক্ষোভকারীকে রাস্তায় পড়ে থাকতে দেখা গেছে।

বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) সরকারি কর্মকর্তারা জানান, দেশটির প্যারামিলিটারি সংস্থা নাইজেরিয়া সিকিউরিটি অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্স কোরের (এনএসডিসি) হাতে আটক ৩৭ খনিশ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে। মিন্নার পশ্চিমাঞ্চলের উশিশি-লুকোতো এলাকা থেকে গত সপ্তাহের শুরুর দিকে তাদের আটক করা হয়েছিল।

এরপর প্রদেশের গভর্নর উমার বোগো শুক্রবার সেখানে ২৪ ঘণ্টাব্যাপী কারফিউ জারি করেন। এর মধ্যে ওই ৩৭ খনিশ্রমিকের মৃত্যুর তদন্ত করা হবে বলে প্রতিশ্রুতি দেয় সরকার।

আল জাজিরা তাদের এক প্রতিবেদনে জানায়, শুক্রবারের বিক্ষোভে মূলত প্রদেশের রাজধানীতে অবস্থিত সরকারি অবকাঠামোগুলোতেই হামলা চালানো হয়। তবে, কারফিউ জারির পরপরই বিক্ষোভ স্তিমিত হয়ে পড়ে।

ওই প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়, দেশটির নাইজার প্রদেশের বিভিন্ন অংশেই সহিংসতা ছড়িয়ে পড়ে। সবচেয়ে বেশি হামলার শিকার হওয়া সরকারি স্থাপনার মধ্যে ছিল ট্রান্সপোর্ট এজেন্সি, সেখানে রাখা গণিপরিবহনগুলোর অনেকগুলো বিক্ষোভকারীদের হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

এনএসডিসি প্রাথমিকভাবে জানায়, কোনো রোগের সংক্রমণের কারণে ওই শ্রমিকদের মৃত্যু হয়ে থাকতে পারে। তবে, মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে এখন পর্যন্ত নিশ্চিত করে কিছু জানায়নি তারা।

মৃতদের সবাইকেই বৃহস্পতিবার বিকেলে সমাহিত করা হয়। এতে করে পরবর্তীতে তাদের আর ময়নাতদন্ত করা সম্ভব হবে কি না তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

বার্তা সংস্থা এএফপি জানিয়েছে, তাদের হাতে আসা একটি গোয়েন্দা প্রতিবেদন অনুযায়ী এক জায়গায় অতিরিক্ত মানুষ ও পর্যাপ্ত বায়ুচলাচল ব্যবস্থার অনুপস্থিতির কারণে তাদের মৃত্যু হয়ে থাকতে পারে।

Dummy Ad 1

সিরিয়ায় যুক্তরাষ্ট্রের হামলায় ইরানপন্থি ১৮ যোদ্ধা নিহত

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ০২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪

সিরিয়ায় যুক্তরাষ্ট্রের হামলায় ইরানপন্থি ১৮ যোদ্ধা নিহত

বার্তাবেলা ডেস্ক: সিরিয়ার পূর্বাঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের হামলায় কমপক্ষে ১৮ জন ইরানপন্থি যোদ্ধা নিহত হয়েছে। যুদ্ধ পর্যবেক্ষণ বিষয়ক সংস্থা সিরিয়ান অবজারভেটরি ফর হিউম্যান রাইটস এ তথ্য নিশ্চিত করেছে। এর আগে স্থানীয় সময় শুক্রবার (২ ফেব্রুয়ারি) মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন এক বিবৃতিতে ইরাক ও সিরিয়ায় ইরানের বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তুতে হামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেন। খবর-এএফপির। 

মার্কিন সামরিক বাহিনী ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনী এবং তেহরান-সংশ্লিষ্ট গোষ্ঠীগুলোর ওপর হামলা চালানোর পরপরই পর্যবেক্ষক সংস্থাটি জানিয়েছে, সিরিয়ার পূর্বাঞ্চলে বিমান হামলায় কমপক্ষে ১৮ ইরানপন্থী যোদ্ধা নিহত হয়েছেন। এদের মধ্যে পাঁচজন নিহত হয়েছেন দেইর এজ্জোর এলাকায়।

এদিকে ইরাক ও সিরিয়ায় ইরানি লক্ষ্যবস্তুতে যুক্তরাষ্ট্রের হামলার বিষয়ে এখনো কোনো প্রতিক্রিয়া বা আনুষ্ঠানিক বিবৃতি দেয়নি তেহরান। ধারণা করা হচ্ছে, এসব হামলার কারণে কী পরিমাণ ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে সেসব খতিয়ে দেখছে তারা।

এর আগে যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) এক বিবৃতিতে জানিয়েছিল যে, তারা ইরানের বিপ্লবী গার্ডের কুদস বাহিনীসহ ৮৫টি লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হেনেছে। এসব স্থান ইরানের কাছে বেশ গুরুত্বপূর্ণ। কুদস ফোর্স ইরান সমর্থিত কোনো আধাসামরিক গোষ্ঠী নয়, এটি সরাসরি ইরানি সেনাবাহিনীর একটি অফিসিয়াল শাখা।


তাই এক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্র পরোক্ষভাবে বলছে যে, তারা ইরাক ও সিরিয়ায় বা ওই সীমান্তে ইরানি সেনাবাহিনীকে টার্গেট করেছে যা বেশ গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। এই ঘটনায় ইরান এবং যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে নতুন করে উত্তেজনা বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

এছাড়া হামলায় অংশ নেওয়া যুদ্ধবিমানগুলোর মধ্যে বেশ কয়েকটি সরাসরি যুক্তরাষ্ট্র থেকে এসে হামলা চালিয়েছে এবং এটাও বেশ গুরুত্বপূর্ণ বলা যায়। কারণ অনেকদিন ধরেই এই অঞ্চলে মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলো ইরানের সামরিক সম্পদের বিরুদ্ধে ব্যবহৃত হওয়ার বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে আসছে তেহরান।

আরও পড়ুন: ইরাক ও সিরিয়ায় ইরানের ৮৫ স্থাপনায় যুক্তরাষ্ট্রের হামলা

গত রোববার (২৮ জানুয়ারি) জর্ডানে একটি মার্কিন ঘাঁটিতে ড্রোন হামলায় তিন সেনা নিহত হন। জর্ডানে ওই হামলার জন্য ইরান–সমর্থিত একটি সশস্ত্র গ্রুপকে দায়ী করে আসছে যুক্তরাষ্ট্র। ওই হামলায় তিনজন নিহত ছাড়াও আহত হন আরও ২৫ জন সেনা সদস্য। ওই হামলার কঠোর প্রতিশোধ হিসেবেই ইরাক ও সিরিয়ায় ইরানি লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালালো যুক্তরাষ্ট্র।


এবার বিদেশি শিক্ষার্থী কমানোর পরিকল্পনা নিয়েছে কানাডা

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২০ জানুয়ারি, ২০২৪

এবার বিদেশি শিক্ষার্থী কমানোর পরিকল্পনা নিয়েছে কানাডা

বার্তাবেলা আন্তর্জাতিক ডেস্ক: আবাসন সংকট মোকাবিলায় এবার বিদেশি শিক্ষার্থী কমানোর পরিকল্পনা নিয়েছে কানাডা। দেশটির অভিবাসন মন্ত্রী মার্ক মিলার স্থানীয় একটি টেলিভিশনে দেওয়া সাক্ষাৎকারে এ তথ্য জানিয়েছেন। খবর রয়টার্সের।

অর্থনীতি সচল রাখতে এবং ক্রমবর্ধমান বয়স্ক জনগোষ্ঠীকে সহায়তার জন্য অভিবাসীদের ওপর ব্যাপকভাবে নির্ভরশীল কানাডা। তবে সাম্প্রতিক সময় উত্তর আমেরিকার দেশটিতে আবাসন সংকট বেড়ে যাওয়ার জন্য অভিবাসী ও বিদেশি শিক্ষার্থীদের দায়ী করা হচ্ছে। এ নিয়ে বেশ হওয়ায় সমালোচনার মুখে রয়েছে জাস্টিন ট্রুডোর সরকার।

সিটিভি নিউজকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে কানাডীয় অভিবাসন মন্ত্রী বলেছেন, চলতি বছরের প্রথম এবং দ্বিতীয় প্রান্তিকে বিদেশি শিক্ষার্থীদের সংখ্যায় সীমাবদ্ধতা আরোপের বিষয়টি বিবেচনা করছে সরকার।

কানাডায় বিদেশি শিক্ষার্থীদের সংখ্যা উল্লেখ করে তিনি বলেন, এটি বিরক্তিকর। এটি সত্যিই নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেছে।

তবে কানাডীয় সরকার কী পরিমাণ বিদেশি ছাত্র কমানোর পরিকল্পনা করছে, সে বিষয়ে কিছু বলেননি মিলার। এ বিষয়ে জানতে তার মুখপাত্রের সঙ্গে তাৎক্ষণিকভাবে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।

সরকারি তথ্যমতে, ২০২২ সালে সক্রিয় ভিসাসহ কানাডায় বিদেশি শিক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল আট লাখেরও বেশি, যা ২০১২ সালে ছিল মাত্র ২ লাখ ৭৫ হাজার জন।

মার্ক মিলারের সাক্ষাৎকারটি রোববার (১৩ জানুয়ারি) সম্প্রচারিত হওয়ার কথা রয়েছে।

কাজের অনুমতি পাওয়া তুলনামূলক সহজ হওয়ায় আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের কাছে অন্যতম জনপ্রিয় গন্তব্য কানাডা।

দেশটির লিবারেল সরকার গত আগস্টেই বিদেশি শিক্ষার্থী কমানোর পরিকল্পনার কথা সামনে এনেছিল। তবে সেসময় অভিবাসন মন্ত্রী শন ফ্রেজার বলেছিলেন, সরকার এই পথ অনুসরণ করবে কি না সে বিষয়ে এখনো সিদ্ধান্ত হয়নি।

এর আগে, গত ডিসেম্বরে উচ্চশিক্ষায় আগ্রহী শিক্ষার্থীদের জন্য খারাপ খবর দিয়েছিল কানাডা। দেশটিতে পড়তে যাওয়ার জন্য খরচ একলাফে দ্বিগুণ করেছিল ট্রুডো সরকার। আগের তুলনায় এখন ব্যাংকে দ্বিগুণ অর্থ দেখাতে হচ্ছে কানাডায় পড়তে ইচ্ছুক বিদেশি শিক্ষার্থীদের।


অস্ট্রেলিয়ায় বিদেশি শিক্ষার্থীদের পরিবার নেওয়ার দরজা বন্ধ হচ্ছে

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

অস্ট্রেলিয়ায় বিদেশি শিক্ষার্থীদের পরিবার নেওয়ার দরজা বন্ধ হচ্ছে

অস্ট্রেলিয়ায় পড়াশোনা করতে যাওয়া বিদেশি শিক্ষার্থীদের সঙ্গে তাদের স্বামী/স্ত্রী, সঙ্গী ও সন্তান নেওয়ার সুযোগ বন্ধ করার উদ্যোগ নিয়েছে দেশটির সরকার। পাশাপাশি অস্থায়ী অভিবাসীদের ভিসা পরিবর্তনের ক্ষেত্রেও নতুন বিধিনিষেধ আনা হবে।

বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) অস্ট্রেলিয়ার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী টনি বার্ক অভিবাসন নীতি নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য দেওয়ার কথা রয়েছে। এর আগে দেশটির সংবাদমাধ্যমগুলো নতুন এসব পরিবর্তনের তথ্য জানিয়েছে।

অভিবাসন কমানোর লক্ষ্য

অস্ট্রেলিয়া সরকার ২০২৮ সালের মধ্যে দেশটিতে নিট বিদেশি অভিবাসনের সংখ্যা ২ লাখ ২৫ হাজারে নামিয়ে আনার লক্ষ্য নির্ধারণ করতে যাচ্ছে। বর্তমানে এই সংখ্যা প্রায় ৩ লাখ।

অস্ট্রেলিয়ান ব্রডকাস্টিং করপোরেশন (এবিসি) নিউজ জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার ন্যাশনাল প্রেস ক্লাবে দেওয়া বক্তব্যে টনি বার্ক এ বিষয়ে বিস্তারিত জানাবেন।

শিক্ষার্থীদের পরিবারের সুযোগ সীমিত হবে

বর্তমানে অস্ট্রেলিয়ায় আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের স্বামী বা স্ত্রী এবং সঙ্গীরা নির্দিষ্ট শর্তে কাজ করতে পারেন। তবে শিক্ষার্থীর পড়াশোনার ধরন অনুযায়ী তাদের কাজের অনুমোদিত সময় ভিন্ন হয়ে থাকে।

এ ছাড়া একজন বিদেশি শিক্ষার্থী ১৮ বছরের কম বয়সী নির্ভরশীল সন্তানকেও অস্ট্রেলিয়ায় সঙ্গে নিতে পারেন। নতুন নিয়ম কার্যকর হলে এসব সুযোগে বড় ধরনের পরিবর্তন আসবে।

রাজনৈতিক চাপও বাড়ছে

সরকারের এই উদ্যোগের সময় দেশটিতে অভিবাসন কমানোর দাবি জোরালো হয়েছে। কট্টর ডানপন্থি ওয়ান নেশন পার্টি চলতি সপ্তাহে আগামী তিন বছরে অস্থায়ী অভিবাসীর সংখ্যা ৭ লাখ ৫০ হাজার কমানোর প্রস্তাব দিয়েছে।

দলটি বলেছে, এর মাধ্যমে অস্ট্রেলীয়দের জন্য ‘স্বস্তির জায়গা’ তৈরি করা হবে। প্রাথমিক তিন বছর পর নিট বিদেশি অভিবাসন বছরে ১ লাখ ৩০ হাজারে নামিয়ে আনার লক্ষ্যও জানিয়েছে তারা। কর্মসূচিটি প্রতি বছর পর্যালোচনা করার কথা বলেছে দলটি।

আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থী ও অভিবাসনে বড় পরিবর্তন

অস্ট্রেলিয়ার অভিবাসন প্রবাহের বড় অংশই আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থী, ব্যাকপ্যাকার এবং অস্থায়ী দক্ষ কর্মীদের মাধ্যমে আসে। ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে প্রায় দুই বছর পর করোনাভাইরাসজনিত সীমান্ত বিধিনিষেধ তুলে নেওয়ার পর দেশটিতে অভিবাসন দ্রুত বেড়ে যায়।

তবে গত দুই বছর ধরে এই সংখ্যা কমার প্রবণতায় রয়েছে। এর মধ্যেও সমালোচকেরা বলছেন, বিপুলসংখ্যক অভিবাসীর কারণে আবাসন ও অবকাঠামোর ওপর চাপ বাড়ছে এবং সামাজিক সংহতিতেও প্রভাব পড়ছে।

সরকারি তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালের ৩০ জুন শেষ হওয়া বছরে অস্ট্রেলিয়ার নিট বিদেশি অভিবাসন ছিল ৩ লাখ ৬ হাজার। এর অর্ধেকের বেশি ছিলেন আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থী।

এর আগে ২০২৪ সালে নিট অভিবাসনের সংখ্যা ছিল ৪ লাখ ২৯ হাজার। ২০২৩ সালে তা সর্বোচ্চ ৫ লাখ ১৮ হাজারে পৌঁছেছিল